গাড়ি ভাঙচুরের ভিডিও করায় সাংবাদিককে মারধর
গাড়ি ভাঙচুরের ভিডিও করায় সাংবাদিককে মারধর

গাড়ি ভাঙচুরের ভিডিও করায় সাংবাদিককে মারধর

সৈয়দ নোমান, ময়মনসিংহ

গাড়ি ভাঙচুরের ভিডিও ধারণ করায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) এক সাংবাদিককে মারপিট করেছে বাকৃবি শাখা ছাত্রলীগ। এসময় ওই সাংবাদিকের মুঠোফোনও কেড়ে নেয় ছাত্রলীগের কয়েকজন উচ্ছৃঙ্খল নেতাকর্মী। আহত সাংবাদিক একটি অনলাইন পোর্টালে কর্মরত ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। সোমবার সন্ধ্যার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেডিয়াম সংলগ্ন নিরাপত্তা শাখার সামনে এমন ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ২৬ মার্চের ছাত্রী লাঞ্ছনার ঘটনার সিসি টিভি ফুটেজ চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখায় বিক্ষোভ করে ছাত্রলীগের একপক্ষ। তারা বাকৃবির হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল, ফজলুল হক হল, শামসুল হক হল ও ঈশা খাঁ হলের ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। বিক্ষোভের একপর্যায়ে নিরাপত্তা শাখার উভয় পাশের সড়ক বন্ধ করে দেন আন্দোলনকারীরা। এসময় একটি প্রাইভেটকার ভাঙচুর করা হয় এবং চালকসহ গাড়ির যাত্রীদের বেধড়ক মারধর করা হয়। এমন ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে ময়মনসিংহ লাইভ অনলাইন পোর্টালে কর্মরত বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা আব্দুল্লাহ ওমর আসিফের উপর চড়াও হয়
শামসুল হক হল ছাত্রলীগের সহসভাপতি শাহীন সুমনসহ আরও অনেকেই।

একপর্যায়ে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মারতে থাকে আসিফকে। মারধরের সময় তার ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং অকথ্য ভাষায় তাকে গালিগালাজ করা হয়।

এমন ঘটনা অনভিপ্রেত জানিয়ে সন্ধ্যার পর বাকৃবি শাখা ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশী নেতা ইমতিয়াজ আবির, আবু রায়হান মিথুন, সজীব চন্দ্র সরকার, নিলয় মজুমদার ও মিফতাহ সাংবাদিকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা চান এবং এ ধরনের ঘটনা কখনও ঘটবে না বলে জানান।

তবে অভিযুক্ত শাহীন সুমন বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি আন্দোলনে উপস্থিত ছিলাম। কিন্তু কারও গায়ে হাত তুলিনি। ’

অপরদিকে আহত সাংবাদিক ওমর আসিফ বলেন, ‘ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা গাড়ি ভাঙচুরের সময় সাংবাদিক হিসেবে আমি আমার দায়িত্ব পালন করছিলাম। এমন সময় একদল বিক্ষুব্ধ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী আমার উপর হামলা করে কিল-ঘুষি ও লাথি মারে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। ’

এমন ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বাকৃবির প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মহির উদ্দীন জানান, ‘তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’

news24bd.tv তৌহিদ

;