প্রিয় নবীজী রোজার কাফফারা আদায়ে যা করতে বলেছেন
প্রিয় নবীজী রোজার কাফফারা আদায়ে যা করতে বলেছেন

সংগৃহীত ছবি

প্রিয় নবীজী রোজার কাফফারা আদায়ে যা করতে বলেছেন

অনলাইন ডেস্ক

বছরের শ্রেষ্ঠ মাস পবিত্র রমজানুল মোবারক। পবিত্র কোরআন অবতীর্ণ হওয়ার মাস এই রমজান। এ মাসে একটি রাত রয়েছে, যা এক হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। সারা বছর মুসলমনরা এই মাসের জন্য অপেক্ষা করেন।

রমজানের প্রতীক্ষায় প্রহর গুণেন। এ মাসে আল্লাহর নির্দেশ পালনে দিনভর উপবাস করে মুসলমান। কিন্তু বিভিন্ন কারণে আমাদের মধ্যে অনেকেই রোজা পালন করতে পারেন না। আবার অনেকেই শয়তানের ধোকায় পরে রোজা ভঙ্গ করে।
মহান আল্লাহ তায়ালার পেয়ারা হাবিব হজরত মুহাম্মদ (সা.) রমজানের কাফফারা আদায়ের চমৎকার সমাধান দিয়েছেন।

হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে: একদা রমজান মাসে এক সাহাবি রাসুলুল্লাহ (সা.)–এর কাছে এসে বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সা.), আমি নিজেকে ধ্বংস করে ফেলেছি, আমি রোজা পালন অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করে ফেলেছি। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁকে বললেন, তুমি একজন দাসকে মুক্ত করে দাও। তিনি বললেন, এমন সক্ষমতা আমার নেই।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, তবে এর বদলে দুই মাস তথা ৬০ দিন রোজা রাখো। লোকটি বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! এমন শারীরিক সক্ষমতা আমার নেই। তখন তিনি (সা.) বললেন, তবে তুমি ৬০ জন মিসকিনকে খাওয়াবে।

লোকটি বললেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা.)! এ রকম আর্থিক সক্ষমতাও তো আমার নেই। তখন তিনি (সা.) তাঁকে অপেক্ষা করতে বললেন। এর কিছুক্ষণ পর কোনো একজন সাহাবি রাসুল (সা.) কে এক ঝুড়ি খেজুর হাদিয়া দিলেন। তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) ওই লোকটিকে ডেকে বললেন, এগুলো নিয়ে গিয়ে গরিবদের মধ্যে সদাকাহ করে দাও। লোকটি বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সা.) অত্র এলাকায় আমার চেয়ে গরিব আর কে আছে? এ কথা শুনে রাসুলে করিম (সা.) স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশি হাসলেন, যাতে তাঁর দাঁত প্রকাশিত হলো।  

তিনি (সা.) বললেন, আচ্ছা তবে খেজুরগুলো তুমিই তোমার পরিবার নিয়ে খাও। সুবহানাল্লাহ! (বুখারি, হাদিস: ১৩৩৭, মুসলিম, হাদিস: ১১১১)।

তাই মুসলমান হিসেবে সবার উচিত, পবিত্র এ মাসকে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা।  এ মাসে ইবাদত-বন্দেগি বেশি বেশি করা। রমজানে আল্লাহর কাছে ক্ষমাও চাইতে হবে মন থেকে।

news24bd.tv/আলী