১২ বছরে দেড় লক্ষাধিক কাছিমের বাচ্চা বঙ্গোপসাগরে অবমুক্ত
১২ বছরে দেড় লক্ষাধিক কাছিমের বাচ্চা বঙ্গোপসাগরে অবমুক্ত

১২ বছরে দেড় লক্ষাধিক কাছিমের বাচ্চা বঙ্গোপসাগরে অবমুক্ত

আয়ুবুল ইসলাম, কক্সবাজার :

কক্সবাজারে ২০১০ সাল থেকে বনবিভাগ ও সহ ব্যবস্থাপনা কমিটির সহযোগিতায় সামুদ্রিক কাছিমের ডিম সংরক্ষণ করে প্রজনন প্রক্রিয়া ও কাছিমের বংশ বিস্তারে কাজ করছে নেচার কনজারভেশন ম্যানেজমেন্ট। বালুচর থেকে নেকম কর্মীরা ডিম সংগ্রহের পর নিরাপদ স্থান হ্যাচারিতে রেখে বালির নিচে বিশেষ কায়দায় ফুটানোর উদ্যোগ নেয়া হয়। ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে ডিমগুলো ফুটে বাচ্চা বের হলে অবমুক্ত করা হয় বঙ্গোপসাগরে।  গেল ১২ বছরে দেড় লক্ষাধিক সামুদ্রিক কাছিমের বাচ্চা বঙ্গোপসাগরে অবমুক্ত করা হয়েছে।

 

প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা রাখে সামুদ্রিক কাছিম। তবে  উপকূলীয় জনগোষ্টি ও জেলেদের অসচেতনতায় মারাত্মক ঝুঁকিতে এ উপকারী প্রাণীটি। এমন প্রেক্ষাপটে এসব সামুদ্রিক কাছিমের ডিম সংরক্ষণ করে প্রজনন প্রক্রিয়া ও কাছিমের বংশ বিস্তারে কাজ করছে নেচার কনজারভেশন ম্যানেজমেন্ট (নেকম)। বালুচর থেকে নেকম কর্মীরা এসব ডিম সংগ্রহের পর নিরাপদ স্থান হ্যাচারিতে রেখে বালির নিচে বিশেষ কায়দায় ফুটানোর উদ্যোগ নেয়। ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে ডিমগুলো ফুটে বাচ্চা বের হলে অবমুক্ত করা হয় বঙ্গোপসাগরে।

চলতি বছরে ১৫ জানুয়ারি থেকে সেন্টমার্টিনসহ কক্সবাজারের বিভিন্ন অংশে ৪৮টি কাছিমের দেয়া সাড়ে ৫ হাজার ডিম সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮৫টি বাচ্চা সাগরে অবমুক্ত করা হয়েছে। আরও ৫ হাজার ৩ শতাধিক ডিম ফুটার অপেক্ষায় রয়েছে।

ডিম পাড়তে আসা কাছিম রক্ষা ও ডিমগুলোকে নিরাপদে বাচ্চা ফুটিয়ে সাগরে অবমুক্ত করার জন্যই এ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানালেন সংশ্লিস্টরা।

গেল ১২ বছরে দেড় লক্ষাধিক সামুদ্রিক কাছিমের বাচ্চা বঙ্গোপসাগরে অবমুক্ত করা হয়েছে।

news24bd.tv/কামরুল