সম্পর্ক ভাঙলে যে বিষয়ে নজর দেবেন
সম্পর্ক ভাঙলে যে বিষয়ে নজর দেবেন

ছবি : আনন্দবাজার

সম্পর্ক ভাঙলে যে বিষয়ে নজর দেবেন

অনলাইন ডেস্ক

দীর্ঘদিন একসাথে থাকার পর সম্পর্ক ভাঙলে নারী পুরুষ নির্বিশেষে সামলে ওঠা হয়ে ওঠে খুবই শক্ত। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েকটি আবশ্যিক পদ্ধতি মেনে চললে অনেকটাই সহজ হতে পারে এই সময়টি।

পারস্পরিক সম্মতি :

সম্পর্ক ভাঙার সময়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যোগাযোগের পথ রুদ্ধ হয়। ঝগড়া-ঝামেলা করতে করতে এত দিনের ভালবাসার মানুষটি কখন অচেনা হয়ে যান, তা বুঝে ওঠা যায় না।

তবুও যদি আলাদা হতেই হয়, তবে তা পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে হওয়াই ভাল। যদি একসঙ্গে না থাকতে চান তবে লুকোছাপা না করে স্পষ্ট করে বলুন সঙ্গীকে।

সামাজিকতা বাড়ান:

সম্পর্ক ভাঙলে নিজেকে গুটিয়ে নেন অনেকেই। বন্ধু কিংবা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোও অর্থহীন মনে হতে পারে। কিন্তু সম্পর্ক ভাঙার প্রথম কয়েক দিন এই সামাজিকতা অজান্তেই সাহায্য করতে পারে। দীর্ঘদিন একটি সম্পর্কে থাকলে সঙ্গীর উপর অজান্তেই এক ধরনের নির্ভরতা তৈরি হয়। এক দিনে সেই বিষয়টি কাটিয়ে ওঠা অসম্ভব। তাই সম্পর্ক ভাঙার প্রাথমিক অভিঘাতের সময়ে একা একা না থাকাই ভাল। প্রাথমিক অভিঘাত থেকে নিজেকে সামলাতে পারলে, কিছু দিন পর নিজের সঙ্গে বোঝাপড়া সহজ হবে অনেকটাই।

তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নয় :

বিচ্ছেদের অভিঘাতে জীবনকে অর্থহীন মনে হওয়া অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু মনে রাখবেন, জীবনের অর্থ খুঁজে বার করার সঠিক সময় এটি নয়। বিশেষ করে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ভাঙলে কেউ কেউ বিয়ে, নতুন সম্পর্ক বা অস্থায়ী যৌনতার দিকে ঝোঁকেন। এতে কিন্তু লাভের থেকে ক্ষতির আশঙ্কা অনেক বেশি। পাশাপাশি, এই সময়ে ভুলেও কোনও পেশাগত সিদ্ধান্ত নেবেন না।

পিছুটান নয় :

সম্পর্ক ভাঙলে নিজে কেমন রয়েছেন, তার থেকে প্রাক্তন কেমন রয়েছেন তার প্রতি বেশি আগ্রহ দেখান অনেকে। এটি মস্ত বড় ভুল। পাশাপাশি, নেটমাধ্যমে প্রাক্তনের দৈনন্দিনে নজরদারি করাও চলবে না একেবারেই। আত্মনিয়ন্ত্রণ কঠিন মনে হলে, শরণাপন্ন হন ‘ব্লক’-এর। এমনকি, ভবিষ্যতে স্বাভাবিক কথাবার্তা বজায় রাখতে চাইলেও এই বিরতিটুকু আবশ্যিক।

সূত্র : আনন্দবাজার

news24bd.tv/এমি-জান্নাত