অর্থপাচার ও অস্ত্র মামলায় সম্রাটের জামিন মঞ্জুর
অর্থপাচার ও অস্ত্র মামলায় সম্রাটের জামিন মঞ্জুর

সংগৃহীত ছবি

অর্থপাচার ও অস্ত্র মামলায় সম্রাটের জামিন মঞ্জুর

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। অর্থপাচার ও অস্ত্র মামলায় রোববার (১০ এপ্রিল) ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত অস্ত্র মামলায় তাকে জামিন দেন। এ ছাড়া অর্থপাচার মামলায় ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন তার জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে মাদক ও দুদকের করা মামলায় সম্রাট গ্রেপ্তার থাকায় এখনই তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না।

সম্রাটের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অর্থপাচার মামলায় আজ সম্রাটকে আদালতে তোলা হয়। এ সময় তার আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিক রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন।

২০২১ সালের ২৪ মার্চ ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম আবুবক্কর সিদ্দিকের আদালতে তার তিনদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। অন্যদিকে তার আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত তার উপস্থিতিতে রিমান্ড ও জামিন শুনানির জন্য রোববার (১০ এপ্রিল) দিন ধার্য করেন।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা সম্রাট ও আরমানকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরে তাকে নিয়ে কাকরাইলের কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়।

ওই দিন দুপুর ২টার দিকে র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে বাহিনীটির একটি দল কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে সম্রাটের কার্যালয়ে অভিযান শুরু করে। এ সময় কার্যালয় থেকে বিপুল বিদেশি মদ, পিস্তল ও বিরল প্রজাতির বন্য প্রাণীর চামড়া উদ্ধার করা হয়। অবৈধভাবে পশুর চামড়া রাখার দায়ে তার ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

মামলার এজাহারে বলা হয়, বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট রাজধানীর মতিঝিল, ফকিরাপুল, পল্টন ও কাকরাইল এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে অবৈধ অর্থ উপার্জন করেছেন। তার উপার্জিত অবৈধ অর্থের মধ্যে ১৯৫ কোটি টাকা তিনি তার সহযোগী আসামি আরমানের সহায়তায় সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া পাচার করেছেন।

২০১৯ সালেই এই মামলায় চার্জশিট দাখিল করা হয়। পরে একই বছর ২০ অক্টোবর চার্জশিট গ্রহণ করে মামলাটি প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ।

news24bd.tv/কামরুল 

;