আক্রমণ বাড়িয়েছে রাশিয়া 

আক্রমণ বাড়িয়েছে রাশিয়া 

মাসুদ রানা

আত্মসমর্পণের জন্য মস্কোর দেওয়া আল্টিমেটাম শেষে একের পর এক রুশ ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ছে ইউক্রেনের শহরগুলিতে। দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। পাশাপাশি, কিয়েভ, লিভিভ, বোমাবর্ষণ করেছে রাশিয়ার যুদ্ধবিমান। এদিকে মারিওপোলের প্রতিরোধ যোদ্ধারা শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবে বলে ঘোষণা দিয়েছে ইউক্রেন।

 

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ এবং পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কয়েকটি শহরে আক্রমণের তীব্রতা অনেকটা বাড়িয়েছে রাশিয়া। মারিওপোলে একটি ইস্পাত প্ল্যান্টে  ইউক্রেনের শেষ প্রতিরোধ কেন্দ্রে আঘাত হেনেছে রুশ ক্ষেপনাস্ত্র। অব্যাহত হামলায় খারকিভের বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। হামলার মুখে শহরের মেয়র নাগরীকদের নিরাপদে আশ্রয় নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রিয় খারকিভ নাগরিকগণ, আজ যুদ্ধের ৫৩ তম দিন, যে যুদ্ধে আমরা রুশ বাহিনীর নির্মম হত্যার শিকার। নিরাপদে আশ্রয় নিন। হামলার তিব্রতা আরো বাড়তে পারে। ইউক্রেনের উত্তর পূর্বাঞ্চলে দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইচ্ছাকৃত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ছাড়া আর কিছুই নয় বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এছাড়া যুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে আবারো ইউরোপের কাছে অস্ত্র সহায়তা চেয়েছেন জেলেনস্কি।

রাশিয়ান সেনারা আমাদের দেশের পূর্বাঞ্চলে আক্রমণাত্মক অভিযানের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এটি খুব শিগগিরই শুরু হবে। রাশিয়ান বাহিনী মারিওপোলকে ধ্বংস করছে, আমরা তাদের কাছে কৃতজ্ঞ যারা সত্যিই সাহায্য করছে। কিন্তু আমাদের আরো প্রয়োজনীয় অস্ত্র ও গোলাবারুদ।

এদিকে রাশিয়ার দাবি তাদের হাতে অবরুদ্ধ কিয়েভ। আর আত্মসমর্পণের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করায় ভাড়াটে খুনিদের হত্যার নির্দেশ দিয়েছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।  

আমাদের হাত ৪ শতাধিক বিদেশী ভাড়াটে বন্দি। যারা বেশিরভাগ ইউরোপের নাগরিক। তাদের হত্যা করা হবে।   যদিও কিয়েভ দাবি করেছে, মারিওপোলের নিয়ন্ত্রণ এখনও তাদেরই হাতে। এমনকি ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ডেনিস শামিহাল জানিয়েছেন, মারিউপোলে অবশিষ্ট ইউক্রেনীয় বাহিনী এখনও লড়াই করছে।