শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৯ | আপডেট ০২ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে

রাঙামাটিতে অস্ত্রের মুখে ২৭ জনকে অপহরণ

রাঙামাটি প্রতিনিধি

রাঙামাটিতে অস্ত্রের মুখে ২৭ জনকে অপহরণ

রাঙামাটির নানিয়ারচরে ২৭ গ্রামবাসীকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার সকালে নানিয়ারচর উপজেলার কুতুকছড়ি ইউনিয়নে হাতিমারা দোরের এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে ইউনাইটেড পিপল্স ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) এর রাঙামাটি জেলা ইউনিটের সংগঠক সচল চাকমা এ ঘটানর জন্য এমএন লারমা গ্রুপ অর্থাৎ সংস্কারপন্থী ও নব্য মুখোশবাহিনীকে দায়ী করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক  ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর টহল জোড়দার করা হয়েছে।

ইউনাইটেড পিপল্স ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগ নিরন চাকমা জানান, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে নানিয়ারচর উপজেলার গ্রামবাসী তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য নিয়ে ইঞ্জিন বোট যোগে কুতৃকছড়ি বাজারে আসছিল। এ সময় এমএন লারমা গ্রুপ অর্থাৎ সংস্কারপন্থীর একটি সশস্ত্র দল কাপ্তাউ হ্রদের হাতিমারা দোরের একটি টিলায় সামনে ওই গ্রামবাসী বহনকারী ইঞ্জিন বোটটি আটক করে। এরপর বোট থেকে ২৫জন বয়োজেষ্ঠ্যকে (মুরুব্বী) বাছাই করে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে গোপন স্থানে নিয়ে যায়। অপহৃতদের মধ্যে ১১ জনের পরিচয় জানা গেছে।

তারা হলেন- চন্দিলাল চাকমা (৩২), সোনমনি চাকমা (৩৮), বায়ুধন চাকমা প্রকাশ বায়ক্ক (৫২), রাতুমনি চাকমা (৪৫), শ্যামল কান্তি চাকমা (৪৫), প্রত্যে মোহন চাকমা (৫৫), সুইধন চাকমা (৩০), নবরতন চাকমা (৪৫), লদ্রু সেন চাকমা (৫০), দেব রঞ্জন খীসা (৫০), সুনীল কান্তি চাকমা (৫০)।

অন্যদিকে গত ৪ জুলাই একই গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা নানিয়াচর উপজেলা বাজার থেকে ১ নং ওয়ার্ডের বগাছড়ি গ্রামের বাসিন্দা সুখেন্তু চাকমা (৫০) ও ত্রিদিব চাকমাকে (৪৮) অস্ত্রর মুখে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এখনো পর্যন্ত তাদের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে ইউনাইটেড পিপল্স ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) এর  রাঙামাটি জেলা ইউনিটের সংগঠক সচল চাকমা অভিযোগ করে বলেন, আগামী ২৫ জুলাই নানিয়াচর উপজেলা পরিষদের উপ-নির্বাচন ঘোলাটে করতে এমএন লারমা গ্রুপ অর্থাৎ সংস্কারপন্তি ও নব্য মুখোশবাহিনীর সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা অপহরণের ঘটনা ঘটিয়েছে।

রাঙামাটি পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আলমগীর কবির বলছেন, ঘটনার খবর পেয়ে যৌথবাহিনীর দল অভিযানে নেমেছে। খুব দ্রুত তাদের উদ্ধার করা হবে।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/মুমু/তৌহিদ)

মন্তব্য