সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৯ | আপডেট ১১ মিনিট আগে

বিষয়টা আমার জন্য চাঁদে যাওয়ার সমান: প্রিয়তি

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

বিষয়টা আমার জন্য চাঁদে যাওয়ার সমান: প্রিয়তি

বিদেশের মাটিতে প্রিয়তির সাফল্যের মুকুটে প্রতিনিয়ত যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন পালক। দুই সন্তানকে নিয়ে আয়ারল্যান্ডে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মাকসুদা আক্তার প্রিয়তি বুদ্ধিমত্ত্বা ও সৌন্দর্য্য দিয়ে জয় করে নিয়েছিলেন মিস আয়ারল্যান্ড খেতাব। মিস আর্থ ইন্টারন্যাশনাল, আইরিশ মডেল অব দ্য ইয়ার ২০১৬, আইরিশ মডেলি ইন্টারন্যাশনাল আইকনসহ জিতেছেন সম্মানজনক নানা খেতাব। পাইলট হয়ে বিমান নিয়ে উড়ে বেড়ান আকাশে। বিদেশের মাটিতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় এখনো নিয়মিত বিচারকের আসনে বসছেন। এবার আয়ারল্যান্ডের লেডিস ডে-এর প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে ‘বেস্ট ড্রেসড লেডি’ খেতাব অর্জন করে প্রথম রানারআপ হয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আইরিশ মডেল, অভিনেত্রী ও পাইলট মাকসুদা আখতার প্রিয়তি নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে গতকাল রোববার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আইরিশদের ভিড়ে আইরিশ কৃষ্টি ও ঐতিহ্যে কোনো প্রতিযোগিতায় ভিনদেশি একজন মানুষ প্রথম রানারআপ হওয়াটা ভাগ্যের ও শকিং ব্যাপার। হাজারো অদ্ভুত রকমের সুন্দর পোশাকের অধিকারিণীদের মধ্যে যে প্রথম পর্যায়ের বাছাইতে যে সিলেক্ট হয়ে সেরা দশে আসব, তাই ভাবতে পারিনি। তার মধ্যে আবার প্রথম রানারআপ হওয়াটা যেন আমার জন্য চাঁদে যাওয়ার সমান।’

যদিও ওই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ইচ্ছা ও প্রস্তুতি কোনটাই তার ছিল না বলে জানিয়েছেন প্রিয়তি।  তিনি বলেন, “যেখানে আমার ওই ইভেন্টে যাওয়ার পূর্ব কোনো প্রস্তুতি ছিল না। যেখানে সকাল পর্যন্ত জানতাম না যাব কি যাব না (অসুস্থতার কারণে)। নতুন নয়, আগেই ব্যবহার করা পুরনো ড্রেস আর এক্সেসরি পরেই দুপুরের পর রওনা দিলাম। মাথায় একটাই উদ্দেশ্য ছিল, উপভোগ করব আইরিশ কালচার। দ্যাটস অল। আর হয়ে গেলাম ‘বেস্ট ড্রেসড লেডি’, লেডিস ডে-এর প্রতিযোগিতায়। যে প্রতিযোগিতায় কেউ চাইলেই অংশগ্রহণ করতে পারে না। প্রতিযোগিতার আয়োজকরা হেঁটে হেঁটে হাজারো দেশি কালচারে সুন্দর সুন্দর পোশাক পরিধারিণীদের মাঝে প্রাথমিক পর্যায়ে নির্বাচন করে কারা অংশগ্রহণ করতে পারবে এই 'বেস্ট ড্রেসড লেডি' প্রতিযোগিতায়। তারপর হয় সেরা দশ এবং তারপর বাছাই হয় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান।”

কিন্তু কী এই লেডিস ডে-এর প্রতিযোগিতা? প্রিয়তি লিখেছেন, “ইউরোপে গ্রীষ্মের উৎসবগুলোর মধ্যে রেসকোর্স হলো অন্যতম ও বিপুল জনপ্রিয়। আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডেও ব্যাপক জনপ্রিয়। বছরব্যাপী চলে প্রস্তুতি। তিন থেকে ছয় দিন চলে এই উৎসব। রেসকোর্স উৎসব হলো দেশ ও বিদেশ থেকে ঘোড়া আসে এই উৎসবের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য, অর্থাৎ ঘোড়া দৌড়ানো প্রতিযোগিতা। এই তিন থেকে ছয় দিনের মধ্যে যেকোনো একদিন হয় লেডিস ডে, যেদিন পুরুষ ও নারীরা সুন্দর, অভিজাত, পরিপাটি নিজস্ব কৃষ্টি, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে অনুযায়ী পোশাক পরিধান করবে (যেমনটি আমরা দেখি রয়েল পরিবারদের পরতে)। এই দিন শুধু বেস্ট ড্রেসড লেডি প্রতিযোগিতাই হয় না, বেস্ট ড্রেসড ম্যান ও বেস্ট ড্রেসড কাপল প্রতিযোগিতাও হয়। তবে মিডিয়াসহ সাধারণ মানুষের 'বেস্ট ড্রেসড লেডি'র দিকে চোখ থাকে বেশি।”

মন্তব্য