মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯ | আপডেট ১০ মিনিট আগে

ইংল্যান্ডের স্বপ্ন ভেঙে ফাইনালে ক্রোয়েশিয়া

ক্রীড়া ডেস্ক

ইংল্যান্ডের স্বপ্ন ভেঙে ফাইনালে ক্রোয়েশিয়া

রাশিয়া বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠে গেছে ক্রোয়েশিয়া। আর এই জয় দিয়েই রূপকথার গল্প লিখলো ক্রোয়েটরা। প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠলো ছোট্ট এই দেশটি।

অন্যদিকে স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হলো ইংল্যান্ডের। ৫২ বছর পর বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছিল দলটি। সেই লক্ষ্যে বাধা ছিল ক্রোয়েশিয়া। সেমিফাইনালে ক্রোয়াটদের হারাতে পারলেই সোনালী ট্রফি জয়ের স্বপ্নের খুব কাছে চলে যেত ইংলিশরা। তবে পারল না তারা।

ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়া। খেলা শুরুর ৫ মিনিটের মাথায় গোল পেয়ে যায় ইংলিশরা। কাইরান ট্রিপিয়ারের দুর্দান্ত ফ্রি কিকে এগিয়ে যায় ১৯৬৬-এর চ্যাম্পিয়নরা।

এরপর আক্রমণ পাল্টা আক্রমনে যায় দু’দলই। সুযোগ এলেও সেটাকে কাজে লাগাতে পারেনি কেউই। ফলে লিড নিয়েই বিরতিতে যায় ইংলিশরা।

তবে বিরতির পর গোল পরিশোধে মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে ক্রোয়েশিয়া। ৬৮ মিনিটে সিমে ভ্রাসালকোর থ্রো থেকে নিশানাভেদ করেন ইভান পেরিসিচ। সমতা এনে আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে দেয় ক্রোয়েটরা।

দু’দলের মধ্যে আবার শুরু হয় অ্যাটাক-কাউন্টার অ্যাটাক। তবে কেউই গোলমুখ খুলতে পারেনি। ফলে ১-১ সমতাতেই শেষ নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা।

স্বভাবতই অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় দুই ইউরোপিয়ান দলের দ্বৈরথ।বাড়তি সময়ের শুরুতেই ফের এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল ইংল্যান্ড। তবে ফুটবলদেবতা এদিন তাদের সহায় ছিল না। ৯৯ মিনিটে নিশ্চিত গোল বঞ্চিত হয় সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। উল্টো প্রতি আক্রমণ থেকে ১০৯ মিনিটে গোল হজম করে বসে তারা।

ইংল্যান্ডের বক্সের মধ্য থেকেই বলটা প্রথমে ফিরে আসে। লাফ দিয়ে আলতো করে হেডে আবারও ইংল্যান্ডের জালের সামনে বলটা ঠেলে দেন ইভান পেরিসিচ। জন স্টোনসকে পেছনে ফেলে বলের নিয়ন্ত্রণ নেন মারিও মানজুকিচ। এবার ইংলিশ গোলরক্ষক পিকফোর্ড বলের কাছে আর পৌঁছাতে পারলেন না। তার আগেই মানজুকিচ বাম পায়ের অসাধারণ এক শট নিলেন। পিকফোর্ডকে ফাঁকি দিয়ে বল জড়িয়ে গেলো ইংল্যান্ডের জালে। ক্রোয়েশিয়া ২-১ ইংল্যান্ড। প্রথমবার স্বপ্নের ফাইনালে উঠে গেল ক্রোয়েটরা।

রোববার লুঝনিকিতেই শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে ফ্রান্সের মোকাবিলা করবে মডরিচ-রাকিটিচ-লোভরেনরা।

 

অরিন/নিউজ টোয়েন্টিফোর

মন্তব্য