অন্তঃসত্ত্বা নারী চিকিৎসকের আত্মহত্যা, লাপাত্তা ডা. সুহাস
অন্তঃসত্ত্বা নারী চিকিৎসকের আত্মহত্যা, লাপাত্তা ডা. সুহাস

সংগৃহীত ছবি

অন্তঃসত্ত্বা নারী চিকিৎসকের আত্মহত্যা, লাপাত্তা ডা. সুহাস

অনলাইন ডেস্ক

খুলনায় মন্দিরা নামের এমবিবিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এক তরুণীকে আত্মহত্যার প্ররোচনায় করার অভিযোগে মামলার পর থেকে পলাতক খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আরএমও ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার। গত ২৮ এপ্রিল আত্মহত্যার করেন ওই তরুণী। এ ঘটনায় তার বোন সিঁথি মনি হালদার গ্রেফতার হলেও তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, গত ২ মে থেকে ১১ মে পর্যন্ত ছুটি নিয়েছেন সুহাস রঞ্জন।

এরপর থেকে অনুপস্থিত রয়েছেন।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্র জানায়, শিক্ষানবিশ চিকিৎসক মন্দিরা মজুমদারের আত্মহত্যার পর থেকে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সুহাস রঞ্জন হালদার লাপাত্তা। তার বিরুদ্ধে আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা চলছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে খুলনা গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এমবিবিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন মন্দিরা। বাসায় থেকে বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এর আগে, ওই চিকিৎসকের বাবা অসুস্থ হয়ে খুমেক হাসপাতালে ভর্তি হলে আরএমও ডা. সুহাস রঞ্জন হালদারের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তারা প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। তারা শারীরিক সম্পর্কও স্থাপন করেন।

মন্দিরার পরিবারের অভিযোগ, সুহাসের বড় বোনের বাসায় গিয়ে তারা শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন। অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানান মন্দিরা। সবকিছু জেনে বাবা খুমেক হাসপাতালের আরএমও সুহাসের কাছে যান। তবে বিষয়টির কোনো সমাধান না হলেও আত্মহত্যা করেন শিক্ষানবিশ ওই নারী চিকিৎসক। গত ২৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় বাসায় কেউ না থাকায় নিজ ঘরে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। ঘটনার পরদিন ওই নারী চিকিৎসকের বাবা বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা থানায় মামলা করেন।  

মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তাা সোনাডাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুকান্ত দাস বলেন, ঘটনার পর থেকে সুহাস রঞ্জন আত্মগোপনে রয়েছেন। তবে শুক্রবার রাতে তার বোন সিঁথি মনি হালদারকে মোংলা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

সম্পর্কিত খবর