জনগণ বিএনপির আন্দোলনে সাড়া না দিলে সে দায় কার : প্রধানমন্ত্রী
জনগণ বিএনপির আন্দোলনে সাড়া না দিলে সে দায় কার : প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি

জনগণ বিএনপির আন্দোলনে সাড়া না দিলে সে দায় কার : প্রধানমন্ত্রী

শাহ্ আলী জয়

জনগণ বিএনপির আন্দোলনে সাড়া না দিলে সে দায় কার- এমন প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণের ভোট পাবে না জেনেই নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে দলটি।  সরকারের সমালোচনায় ব্যস্ত তথাকথিত বুদ্ধিজীবিদের ভোটের মাঠে আসার চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কারও ভোট কেড়ে নেবে না।

রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটির শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। দলীয় সভাপতির স্বদেশ প্রত্যাবর্তণ দিবস উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ আলোচনা সভা।

ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মৃতিচারণ করেন।  

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৭৭ সালের ‘হ্যাঁ-না’ ভোট, ’৭৮ এর রাষ্ট্রপতি এবং ’৭৯ এর সাধারণ নির্বাচন, ’৮১ এর নির্বাচন প্রত্যেকটা নির্বাচনই আমাদের দেখা। পাশাপাশি, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ভোটার বিহীন নির্বাচনেরও উল্লেখ করেন তিনি।
 
তিনি বলেন, বর্তমানে নির্বাচন ব্যবস্থার যে উন্নয়ন সেগুলো আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত এবং চিন্তা চেতনার বাস্তবায়ন। এ প্রসঙ্গে নির্বাচন ব্যবস্থার আধুনিক ও যুগোপযোগিকরণে ছবিসহ ভোটার তালিকা, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স এবং ইভিএম ব্যবস্থা বলবৎ করারও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ সবের মাধ্যমে জনগণের ভোটে নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের ভোটের অধিকার আবার জনগণের কাছেই ফিরিয়ে দিয়েছে।  

আর জনগণের শক্তিতে ক্ষমতায় আছি বলেই জনগণের জন্য আমরা কাজ করতে পেরেছি, বলেন তিনি। আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল এবং দেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে গেলেও দেশ নিয়ে তথাকথিত বুদ্ধিজীবী শ্রেণীর মিডিয়াতে ঢালাও সমালোচনার ও উত্তর দেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪১তম ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে ছিল এই সভার আয়োজন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হন।  

এ সময় তার দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা প্রবাসে থাকায় ঘাতকদের হাত থেকে রেহাই পান। পরবর্তী সময়ে ১৯৮১ সালের ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।  

এরপরেই ৬ বছর প্রবাস জীবন কাটাতে বাধ্য হওয়া শেখ হাসিনা সে সময়কার সামরিক জান্তার রক্তচক্তু উপেক্ষা করে একরকম জোরকরেই ১৭ মে দেশে ফিরে আসেন।

news24bd.tv/কামরুল