মাত্রাতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবনে ক্যান্সারসহ নানা স্বাস্থ্য ঝুঁকি
মাত্রাতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবনে ক্যান্সারসহ নানা স্বাস্থ্য ঝুঁকি

প্রতীকী ছবি

বিএসএমএমইউয়ের গবেষণা 

মাত্রাতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবনে ক্যান্সারসহ নানা স্বাস্থ্য ঝুঁকি

হাসান ওয়ালী

মাত্রাতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবনে ক্যান্সারসহ নানা স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে, এমন তথ্য উঠে এসেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায়।

আজ রোববার এক সেমিনারে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ এ তথ্য জানান।

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ না খেতে আহবান জানান তিনি।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গ্যাস্ট্রোএন্টারলোজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. রাজিবুল আলম, ফার্মাকোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. শরবিন্দু কান্তি সিনহা।

এ সময় উপ- উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এ কে এম মোশাররাফ হোসেন, অধ্যাপক ডা. মোঃ জাহিদ হোসেন, ফার্মাকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সাইদুর রহমানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সাধারণত বুকজ্বলা, অতিরিক্ত ঢেকুর ওঠা, পেটব্যথা, পেটজ্বলা, পেটফাঁপা, পেটে অতিরিক্ত গ্যাস, বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি উপসর্গকে গ্যাস্ট্রিক বলে। এই সমস্যায় অনেকেরই আছে।  সময়মতো না খাওয়া, বাইরের খাবার খাওয়া, অতিরিক্ত তেল–মসলাযুক্ত খাবার খাওয়া, অতিরিক্ত খাবার খাওয়া, ধূমপান, মদপান, কম ঘুমানোর মতো অভ্যাসের কারণে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয়।

গ্যাস্ট্রিকের সঠিক চিকিৎসা না করে অনেকে মাসের পর মাস এন্টাসিড সিরাপ, ওমিপ্রাজল গোত্রের ওষুধ, ডমপেরিডোন গোত্রের ওষুধ সেবন করেন। গ্যাস্ট্রিক সমস্যা সমাধানে এসব ওষুধের বেশির ভাগেরই কোনো প্রয়োজন নেই বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

শুধু খাওয়াদাওয়া ও জীবনযাপনের নিয়ম মেনে চললেই সুস্থ থাকতে পারবেন। যাঁদের বয়স বেশি, তাঁদের উচিত চিকিৎসকের কাছে গিয়ে রোগ নির্ণয় করে ব্যবস্থা নেওযা।

দীর্ঘ মেয়াদে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়ার কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আছে। এতে টাইফয়েডের মতো কিছু সংক্রমণ হতে পারে। এ ছাড়া রক্তশূন্যতা ও হাড়ক্ষয় রোগ হতে পারে। কিডনি রোগীদের অ্যান্টাসিড–জাতীয় ওষুধে মারাত্মক সমস্যা হতে পারে। দীর্ঘ মেয়াদে এসব ওষুধ খেলে পাকস্থলীর পিএইচ পরিবর্তিত হয়ে যায়, এমনকি পাকস্থলীর ক্যানসারও হতে পারে।

news24bd.tv/রিমু