যেসব নারীকে বিবাহ করা হারাম

ইসলাম শান্তির ধর্ম ও পরিপূর্ণ জীবন বিধান। আর আল-কোরআন মুসলিমদের হেদায়েত গ্রন্থ। এমন কোনো বিষয় নেই যা কোরআনে আলোচনা করা হয়নি। রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতি, ব্যবসানীতি এমনকি বিবাহ নীতির ব্যাপারেও এখানে আলোচনা করা হয়েছে। কাকে বিয়ে করা যাবে, কাকে যাবে না এ বিষয়গুলোও বলা আছে কোরআনে। কোরআনের সুরা নিসার ২৩ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে ১৪ ধরনের নারীকে বিয়ে করা যাবে না। সেই ১৪ ধরনের নারী হলেন:

১। মা। ২। আপন দাদি, নানি ও তাদের ঊর্ধ্বতন নারীরা। ৩। সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোন। ৪। আপন মেয়ে, ছেলের মেয়ে, মেয়ের মেয়ে ও তাদের গর্ভজাত যেকোনো কন্যা সন্তান ও আপন ছেলে সন্তানদের স্ত্রী। ৫। যে স্ত্রীর সঙ্গে দৈহিক মিলন সংঘটিত হয়েছে, তার আগের বা পরের স্বামীর কন্যা সন্তান এবং স্ত্রীর মা-অর্থাৎ শাশুড়ি, নানি শাশুড়ি ও দাদি শাশুড়ি। ৬। ফুফু-অর্থাৎ বাবার সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোন। ৭। খালা-অর্থাৎ মায়ের সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোন। ৮। ভাতিজি-অর্থাৎ সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় ভাইয়ের মেয়ে ও তাদের অধস্তন কন্যা সন্তান। ৯। ভাগ্নি-অর্থাৎ সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোনের মেয়ে ও তাদের অধস্তন কন্যাসন্তান। ১০। দুধসম্পর্কীয় মেয়ে, মেয়ের মেয়ে, ছেলের মেয়ে ও তাদের অধস্তন কোনো কন্যা সন্তান এবং দুধ সম্পর্কীয় ছেলের স্ত্রী। ১১। দুধসম্পর্কীয় মা, খালা, ফুফু, নানি, দাদি ও তাদের ঊর্ধ্বতন নারীরা। ১২। দুধ সম্পর্কীয় বোন, দুধ বোনের মেয়ে, দুধ ভাইয়ের মেয়ে এবং তাদের গর্ভজাত যেকোনো কন্যা সন্তান। ১৩। দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা। ১৪। অন্যের বৈধ স্ত্রীকে বিবাহ করা হারাম।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)