দেড় বিঘা বরই চাষে ৮ লাখ টাকা লাভ ‌
দেড় বিঘা বরই চাষে ৮ লাখ টাকা লাভ ‌

দেড় বিঘা বরই চাষে ৮ লাখ টাকা লাভ ‌

নাসিম উদ্দীন নাসিম, নাটোর

নাটোর সদর উপজেলার চাঁদপুর এলাকায় রুবিনা খাতুন নামে এক নারী বরইয়ের চাষা করেছেন। গত বছর লাগানো গাছগুলো থেকে ইতোমধ্যেই বরই বিক্রি শুরু হয়েছে। রুবিনা খাতুন জানান, গত বছর তিনি দেড় বিঘা জমিতে টক বরই চাষ করেন। এ বছর শুরুতে প্রতি মণ বরই বিক্রি করেন দুই হাজার ৮০০ টাকা দরে।

বর্তমানে দুই হাজার ৩০০ টাকা দরে প্রতি মণ বরই বিক্রি করছেন। এ পর্যন্ত ৭০০ গাছ থেকে ৪৯ মণ বরই বিক্রি করেছেন তিনি। ইতোমধ্যে বরই বিক্রি থেকে খরচ প্রায় উঠে গেছে।

আরও দুই তিন বছর ওই বাগানের বরই বিক্রি করতে পারবেন বলে দাবি করে তিনি বলেন, বরই বিক্রি শেষে ওই বাগান থেকে সাত-আট লাখ টাকা লাভ হবে।

নাটোর জেলায় বরই বিক্রির সবচেয়ে বড় আড়ত বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া বাজার। ওই বাজারের জনতা ফল ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী আশরাফুল আলম মিঠু বলেন, ওই এলাকায় আমার মতো আরও ১০ জনের আড়ত আছে।  প্রতিদিনই জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে চাষিরা বরই এনে বিক্রি করেন। এ আড়তে বাউকুল, চায়না, বন সুন্দরী, নারকেল কুল, আপেল কুল ও কাশ্মীরি জাতীয় কুল বিক্রি হয়।

তিনি জানান, বর্তমানে বাউকুল ৭০০-১৪০০, চায়না কুল ৬০০-৮০০, বন সুন্দরী ১২০০-১৫০০, নারকেল কুল ৪০০০-৪৫০০, থাই কুল ৩৫০০-৪০০০, টক কুল ১০০০-৩৫০০ এবং কাশ্মীরি কুল ২০০০-৩০০০ টাকায় মণ বিক্রি হচ্ছে। ’

নাটোর জেলা কৃষি সস্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাহমুদুল ফারুক বলেন, ‘চলতি মৌসুমে নাটোরে ২৩৪ হেক্টর জমিতে বরই চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৫০, নলডাঙ্গায় ৬, সিংড়ায় ৩৫, গুরুদাসপুরে ৪০, বড়াইগ্রামে ২৬, লালপুরে ৭৫ এবং বাগাতিপাড়া উপজেলায় ২ হেক্টর জমিতে ফলটির আবাদ হয়।

news24bd.tv তৌহিদ

সম্পর্কিত খবর

;