ইসরায়েলের পাশবিক আগ্রাসন: বাইডেন প্রশাসনকে যা বললেন মার্কিন সিনেটর
ইসরায়েলের পাশবিক আগ্রাসন: বাইডেন প্রশাসনকে যা বললেন মার্কিন সিনেটর

ইসরায়েলের পাশবিক আগ্রাসন: বাইডেন প্রশাসনকে যা বললেন মার্কিন সিনেটর

অনলাইন ডেস্ক

ফিলিস্তিনের নিরীহ জনগণের ওপর নির্বিচার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এ নিয়ে টানা ৮দিনের মতো দখলদার বাহিনীর হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০০ ছাড়িয়েছে। ফিলিস্তিনিদের উপর ইসরায়েলের বর্বর ও পাশবিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। কিন্তু কাউকে তোয়াক্কাও করছে না দেশটি।

তবে এই অন্যায় হামলার বিরুদ্ধে বিশ্বের মুসলিমরা সরব হয়ে উঠেছে।   প্রতিবাদ জানাচ্ছেন রাজনীতিবিদরাও। তবে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় মদদদাতা দেশ যুক্তরাষ্ট্র অনেকটাই নীরব ভূমিকা পালন করছে। তবে আমেরিকার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন দেশটিরই একজন রাজনীতিবিদ বার্নি স্যান্ডার্স।

ভারমন্টের এই সিনেটর বেশ সুপরিচিত এবং আলোচিত। কয়েক দফায় ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য মনোনয়নও চেয়েছেন। তবে শেষ পর্যন্ত মনোনয়নের দৌঁড়ে জিততে পারেননি এই বর্ষীয়ান রাজনীতিক। কিন্তু নিজের আদর্শের জায়গা কখনও ত্যাগ করেননি তিনি। স্যান্ডার্স ধর্মীয় বিশ্বাসের দিক দিয়ে একজন ইহুদি হলেও তিনি ঠিকই ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। অথচ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন অনেকটাই নীরব।

স্যান্ডার্স এক টুইট বার্তায় বলেন, গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ অযৌক্তিক। আমাদের অবশ্যই অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাতে হবে। ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলিদের হত্যার অবসান ঘটাতে হবে। ইসরায়েলকে আমরা প্রতি বছর যে প্রায় ৪০০ কোটি ডলার সামরিক সহায়তা দিয়ে থাকি সেটার দিকেও কড়া নজর দিতে হবে। যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করে তাদের অর্থ সহায়তা করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অবৈধ।

আল-আকসা মসজিদ মুসলমানদের জন্য বিশ্বের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান। তবে ইহুদিরা জায়গাটিকে তাদের নিজেদের উপাসনালয় হিসেবে দাবি করে।   ১৯৬৭ সালে আরব-ইসরায়েলের যুদ্ধের সময় পূর্ব জেরুজালেম দখল করে ইসরায়েল। এরপর ১৯৮০ সালে পুরো জেরুজালেম তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। যা এখনও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে স্বীকৃতি পায়নি।

news24bd.tv/আলী 

;