দুই ভাই জেলা প্রশাসক, এক বোন এএসপি

অনলাইন ডেস্ক

দুই ভাই জেলা প্রশাসক, এক বোন এএসপি

হবিগঞ্জের ডিসি কামরুল হাসান ও লক্ষ্মীপুরের ডিসি আনোয়ার হোছাইন আকন্দ।

দেশের ১১টি জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। নতুন নিয়োগ পাওয়াদের মধ্যে মো. আনোয়ার হোছাইন আকন্দ স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উপ সচিব থেকে পদোন্নতি পেয়ে লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক হয়েছেন। তার আপন বড় ভাই মোহাম্মদ কামরুল হাসানও হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক হিসেবে কর্মরত আছেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) এক প্রজ্ঞাপনে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে উপসচিব পদমর্যাদার ১১ জন কর্মকর্তাকে পদায়ন করে আদেশ জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।


বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের ফাইনাল আজ

এক মাসে ৩৩ লাখ ছাড়াল ওবামার বইয়ের বিক্রি

চুরি করতে দেখে ফেলায় বৃদ্ধকে গলা কেটে হত্যা


প্রজ্ঞাপনে লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক হিসেবে আনোয়ার হোছাইন আকন্দের নামও রয়েছে। বিসিএস-২২ ব্যাচের এই কর্মকর্তা সর্বশেষ স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উপ সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিসিএস-২১ ব্যাচের কর্মকর্তা হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান তার আপন ভাইয়ের জেলা প্রশাসক হিসেবে পদোন্নতি পাওয়ার বিষয়টি কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম আপন দুই ভাইয়ের দুটি জেলার প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার ঘটনা। তাঁদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ সদরে। জেলা প্রশাসকদ্বয়ের বাবার নাম কাশেম আলী। তিনি প্রথম জীবনে শিক্ষক ও পরবর্তীতে রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার ছিলেন। মায়ের নাম সাজেদা খাতুন (রত্নগর্ভা)। তাঁরা ৫ ভাই ও ৪ বোন। তাদের মধ্যে ৬ জনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। ভাই-বোনদের মধ্যে চারজনই সরকারি কর্মকর্তা (বিসিএস ক্যাডার)।

বড় ভাই কামরুল হাসান হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক, তার পরের জন আনোয়ার হোসেন লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক। এক ভাই রাজধানীর নিউরো সায়েন্স ইন্সটিটিউটের সহকারী রেজিস্ট্রার (বিসিএস ২৮তম ব্যাচ)। এক বোন মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের (এএসপি) দায়িত্বে আছেন (বিসিএস-৩১তম ব্যাচ)। আরো দুইজন বিসিএসের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক। সূত্র: কালের কণ্ঠ।

news24bd.tv কামরুল

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কোনো দলের সঙ্গে হেফাজতের সম্পর্ক ছিলো না নেইও : বাবুনগরী

অনলাইন ডেস্ক

কোনো দলের সঙ্গে হেফাজতের সম্পর্ক ছিলো না নেইও : বাবুনগরী

হেফাজতে ইসলাম দেশের বড় একটি অরাজনৈতিক দল। ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করা হেফাজতে ইসলাম ২০২১ সালে এসে প্রায় ১১ বছরে দাড়িয়েছে। আজ পর্যন্ত কেউ প্রমাণ দিতে পারবে না কোনো দলের বা পার্টির সঙ্গে হেফাজতের সম্পর্ক ছিল বা আছে  এমন কথা জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

কোনও দল বা রাজনৈতিক দলের স্বার্থ রক্ষায় হেফাজত আন্দোলন করে না বলেও জানান তিনি।

সোমবার রাতে দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডিভিও বার্তায় বাবুনগরী বলেন, ‘বায়তুল মোকাররমে ওই দিন সন্ত্রাসীরা মুসল্লিদের উপর হামলা চালিয়েছে।ক্যাডাররা মুসল্লিদের মারধর করেছে। এরপর হাটহাজারী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘাতের এ ঘটনা ঘটে। তারপরও এ ঘটনার জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি।

তিনি বলেন, ২৬ মার্চ হেফাজতের কোনো কর্মসূচি ছিল না। আমাদের কোনো কমান্ড ছিল না। আমি নিজে হাটহাজারী মাদ্রাসায় ছিলাম না, দূরে সফরে ছিলাম। এর আগে ঢাকার বায়তুল মোকাররমে কিছু মুসল্লি এবং ক্যাডারের মাঝখানে কিছু অঘটন ঘটেছে। বায়তুল মোকাররম মসজিদের ভিতরে ক্যাডাররা মুসল্লিদেরকে মারধর করেছে। এর পরে হাটহাজারীর ঘটনা ঘটেছে, তার জন্য আমরা দুঃখিত। আবার বাহ্মণবাড়িয়ায়ও এমন ঘটনা ঘটেছে বলে হেফাজত আমির দাবি করেন।

বাবুনগরী বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে আমাদের কোন কর্মসূচি ছিল না। তবে কিছু আলেম গরম বক্তব্য দিয়েছেন এটা সত্য। কিন্তু হেফাজতে ইসলাম সংঘাতে জড়াতে চায় না। সংঘাতও পছন্দ করে না। হেফাজতে ইসলাম দেশের একটি বড় অরাজনৈতিক দল।

ভিডিও বার্তায় হেফাজত আমির আল্লামা বাবুনগরী বলেন, হেফাজত শান্তি-শৃঙ্খলা চায়। কোনো অশান্তি বা বিশৃঙ্খলায় যেতে চায় না। হেফাজত কোনো সংঘাতেও যেতে চায় না। কাউকে ক্ষমতায় বসানো বা কাউকে ক্ষমতা থেকে নামানো হেফাজতের উদ্দেশ্য নয়। কোনো পার্টি বা দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন হেফাজত ইসলামের উদ্দেশ্য নয়। হেফাজতের উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহর জমিনে হযরত মুহাম্মদ (স:) এর এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা। এই হল হেফাজতের অবস্থান।

হেফাজতে ইসলামের আমির বলেন, সারা দেশে গণহারে আলমদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। এভাবে দেশ চলতে পারে না। তাই গণ গ্রেফতার বন্ধের দাবি করছি। দায়ের হওয়া মামলা প্রত্যাহারের দাবি করছি। গ্রেফতারকৃত আলেমদের মুক্তির দাবি করছি।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হেফাজতের অবস্থান জানালেন বাবুনগরী

অনলাইন ডেস্ক

হেফাজতের অবস্থান জানালেন  বাবুনগরী

ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ২৬ মার্চ পরবর্তী ঘটনার সময়ে হেফাজতে ইসলামের কোনও কর্মসূচি ছিলো না বলে জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী। তবুও ২৬ মার্চ পরবর্তী ঘটনার জন্যও দুঃখ প্রকাশ করেন আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

সোমবার রাতে দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডিভিও বার্তায় বাবুনগরী বলেন, ‘বায়তুল মোকাররমে ওই দিন সন্ত্রাসীরা মুসল্লিদের উপর হামলা চালিয়েছে।ক্যাডাররা মুসল্লিদের মারধর করেছে। এরপর হাটহাজারী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘাতের এ ঘটনা ঘটে। তারপরও এ ঘটনার জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি।

তিনি বলেন, ২৬ মার্চ হেফাজতের কোনো কর্মসূচি ছিল না। আমাদের কোনো কমান্ড ছিল না। আমি নিজে হাটহাজারী মাদ্রাসায় ছিলাম না, দূরে সফরে ছিলাম। এর আগে ঢাকার বায়তুল মোকাররমে কিছু মুসল্লি এবং ক্যাডারের মাঝখানে কিছু অঘটন ঘটেছে। বায়তুল মোকাররম মসজিদের ভিতরে ক্যাডাররা মুসল্লিদেরকে মারধর করেছে। এর পরে হাটহাজারীর ঘটনা ঘটেছে, তার জন্য আমরা দুঃখিত। আবার বাহ্মণবাড়িয়ায়ও এমন ঘটনা ঘটেছে বলে হেফাজত আমির দাবি করেন।

বাবুনগরী বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে আমাদের কোন কর্মসূচি ছিল না। তবে কিছু আলেম গরম বক্তব্য দিয়েছেন এটা সত্য। কিন্তু হেফাজতে ইসলাম সংঘাতে জড়াতে চায় না। সংঘাতও পছন্দ করে না। হেফাজতে ইসলাম দেশের একটি বড় অরাজনৈতিক দল।

ভিডিও বার্তায় হেফাজত আমির আল্লামা বাবুনগরী বলেন, হেফাজত শান্তি-শৃঙ্খলা চায়। কোনো অশান্তি বা বিশৃঙ্খলায় যেতে চায় না। হেফাজত কোনো সংঘাতেও যেতে চায় না। কাউকে ক্ষমতায় বসানো বা কাউকে ক্ষমতা থেকে নামানো হেফাজতের উদ্দেশ্য নয়। কোনো পার্টি বা দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন হেফাজত ইসলামের উদ্দেশ্য নয়। হেফাজতের উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহর জমিনে হযরত মুহাম্মদ (স:) এর এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা। এই হল হেফাজতের অবস্থান।

হেফাজতে ইসলামের আমির বলেন, সারা দেশে গণহারে আলমদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। এভাবে দেশ চলতে পারে না। তাই গণ গ্রেফতার বন্ধের দাবি করছি। দায়ের হওয়া মামলা প্রত্যাহারের দাবি করছি। গ্রেফতারকৃত আলেমদের মুক্তির দাবি করছি।

তিনি বলেন, হেফাজত হলো অরাজনৈতিক দেশের বড় একটি দল। বিগত ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করা হেফাজত ২০২১ সালে এসে, প্রায় ১১ বছরে কেউ প্রমাণ দিতে পারবে না- কোনো পার্টির সঙ্গে হেফাজতের সম্পর্ক ছিল।

কোনও দল বা রাজনৈতিক দলের স্বার্থ রক্ষায় হেফাজত আন্দোলন করে না বলেও জানান তিনি।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

খালেদা জিয়া মানসিকভাবে শক্ত আছেন : ব্যক্তিগত চিকিৎসক

অনলাইন ডেস্ক

খালেদা জিয়া মানসিকভাবে শক্ত আছেন : ব্যক্তিগত চিকিৎসক

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের সদস্য ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত খালেদা জিয়া ভালো আছেন। তার শরীরে জ্বর নেই। স্বাভাবিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাসও নিতে পারছেন।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্য ডা. জাহিদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা রোববার রাতে যেমন ছিল, এখন তেমনই আছে। অর্থাৎ তার অবস্থা স্থিতিশীল। তার শরীরে আজ করোনার কোনো লক্ষণ নেই।

খালেদা জিয়া মানসিকভাবে শক্ত আছেন উল্লেখ করে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, ‘আমরা তাকে শ্বাস-প্রশ্বাস ব্যায়ামের পরামর্শ দিয়েছি। তার ব্লাড সুগারসহ অন্যান্য যেসব প্যারামিটার রয়েছে সেগুলো ঠিক আছে। খালেদা জিয়ার কাশি নেই, গলা ব্যথা নেই।

গত  শনিবার খালেদা জিয়ার নমুনা পরীক্ষা শেষে রোববার তার করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়। চিকিৎসক এফএম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক টিম বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসা শুরু করে।  লন্ডন থেকে চিকিৎসক পূত্রবধূ জোবাইদা রহমানও চিকিৎসার বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন।

লন্ডনে থেকেই পুত্রবধূ ডা. জোবায়দা রহমান দেশে-বিদেশে বিভিন্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে বেগম জিয়ার সুচিকিৎসার তদারকি করছেন। এছাড়া তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সমন্বয়ও করছেন ডা. জোবায়দা রহমান।

৭৫ বছল বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির দুই মামলায় দণ্ডিত। দণ্ড নিয়ে তিন বছর আগে তাকে কারাগারে যেতে হয়। 

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর পরিবারের আবেদনে সরকার গত বছরের ২৫ মার্চ ‘মানবিক বিবেচনায়; শর্তসাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। তখন থেকে তিনি গুলশানে নিজের ভাড়া বাসা ফিরোজায় থেকে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার সঙ্গে বাইরের কারও যোগাযোগ সীমিত।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মামুনুলের রিসোর্ট কাণ্ড: সোনারগাঁ থানার সেই ওসিকে অবসরে পাঠাল সরকার

অনলাইন ডেস্ক

মামুনুলের রিসোর্ট কাণ্ড: সোনারগাঁ থানার সেই ওসিকে অবসরে পাঠাল সরকার

নারায়ণগঞ্জে হেফাজত নেতা মামুনুল হককে অবরুদ্ধ ও রয়েল রিসোর্টে হামলার ঘটনায় সোনারগাঁও থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলামকে বদলি করা হয় রবিবার (৪ এপ্রিল) রাতে।  সেই রাতের হেফাজতে নেতাদের  তাণ্ডবের সময় পুলিশ নির্লিপ্ত ছিল বলে অভিযোগ ওঠে।

সেই ঘটনার পরদিন রবিবার (৪ এপ্রিল) রাতে সোনারগাঁ থানার ওসি রফিকুল ইসলামকে বদলি করা হয় নারায়ণগঞ্জের পুলিশ লাইন্সে। সেই ওসি রফিকুল ইসলামকে অবসরে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার বিকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাসের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রফিকুলের চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৫ ধারা অনুযায়ী তাকে অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। বিধি মোতাবেক অবসরজনিত সকল সুবিধা পাবেন।

৩ এপ্রিল হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল হক এক নারীকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের রয়্যাল রিসোর্টে যান। পরে সেখানে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। মামুনুল হকের দাবি তিনি দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে রিসোর্টে অবকাশ যাপনে গিয়েছিলেন। এ ঘটনায় তাকে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। হেফাজত কর্মীরা নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভ করে। রয়্যাল রিসোর্টসহ বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর করা হয়।

পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে ব্যাপক গাড়ি ভাঙচুর করেন হেফাজতের নেতাকর্মীরা। ক্ষমতাসীন দল ও তার সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় কার্যালয়েও হামলা হয়। হামলা হয় স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাদের বাড়িঘরেও হামলা ভাংচুর করা হয়।

উল্লেখ্য, শনিবার (৩ এপ্রিল) হেফাজতের নেতা মামুনুল হক এক নারীকে নিয়ে সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্টে যান। এর পরে সেখানে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। 

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

জিয়ার খেতাব বাতিলের বিষয়ে যা বললেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

জিয়ার খেতাব বাতিলের বিষয়ে যা বললেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী

জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ খেতাব বাতিলের বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয় ক্লিনিকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের বিষয়ে আপডেট তদন্ত কমিটি বলবে। এখন যেহেতু করোনা ভাইরাসের কারণে সব বন্ধ আছে, আমি ঠিক জানি না তাদের অগ্রগতি কী।  

‘এখনো তাদের নির্ধারিত সময় শেষ হয়নি। দুই মাস সময় ছিল, এখনও এক মাসের মতো বাকি আছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেবো। ’

জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ খেতাব বাতিলের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)। জামুকার সদস্য ও সাংসদ মোশাররফ হোসেনকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন সংসদ সদস্য শাজাহান খান ও মো. রশিদুল আলম।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর