ব্ল্যাক ফাঙ্গাস থেকে রক্ষার ৭ উপায়

অনলাইন ডেস্ক

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস থেকে রক্ষার ৭ উপায়

করোনা সংক্রমণের মাঝেই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এমন তথ্য সমানে আসার পর থেকেই অনেকের মাঝে বেশ উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়ে এক ব্যক্তি বর্তমানে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর আগে আরও এক ব্যক্তি বারডেম হাসপাতালে মারা গেছেন। চিকিৎসকরা সন্দেহ করছেন তিনিও ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে সংক্রমিত ছিলেন।

করোনা ভাইরাসের 'ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট' রুখতে বাংলাদেশের সরকার যখন নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে, ঠিক সে সময় দেশটিতে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হবার সংবাদে অনেকের মাঝে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস কী?

এটি একটি ছত্রাকজনিত রোগ। মিউকোরমাইকোসিস খুবই বিরল একটা সংক্রমণ। মিউকোর নামে একটি ছত্রাকের সংস্পর্শে এলে এই সংক্রমণ হয়। সাধারণত এই ছত্রাক পাওয়া যায় মাটি, গাছপালা, সার এবং পচন ধরা ফল ও শাকসবজিতে।

চিকিৎসকরা বলেছেন, এই ছত্রাক মাটি এবং বাতাসে এমনিতেই বিদ্যমান থাকে। এমনকি নাক ও সুস্থ মানুষের শ্লেষ্মার মধ্যেও এটা স্বাভাবিক সময়ে থাকতে পারে। এই ছত্রাক সাইনাস, মস্তিষ্ক এবং ফুসফুসকে আক্রান্ত করে। কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত ব্যক্তিদের ফুসফুস যেহেতু দুর্বল থাকে, সেজন্য তাদের ক্ষেত্রে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে সংক্রমিত রোগীদের সাধারণত যেসব উপসর্গ দেখা দেয়:

১. চোখ ব্যথা এবং চোখ ফুলে যাওয়া

২. নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং নাক দিয়ে রক্ত পড়া

৩. চোখের পাতা ঝুলে পড়া

৪. চোখে ঝাপসা দেখা, যার থেকে পরে দৃষ্টিশক্তি চলে যায়

৫. নাকের চামড়ার চারপাশে কালো ছোপ ছোপ দাগ দেখা দেয়া

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস থেকে সুরক্ষার উপায়:

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল বা সিডিসি বলছে, যেসব জায়গায় ছত্রাকের উপস্থিতি আছে সেসব জায়গা এড়িয়ে যাওয়া খুবই কঠিন।

যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল তারা কিছু পদক্ষেপ নিতে পারে যাতে করে মিউকোরমাইকোসিস সংক্রমণের সম্ভাবনা কমিয়ে আনা যেতে পারে। এগুলো তুলে ধরা হলো-

১. সিডিসি বলছে, যেসব জায়গায় অনেক বেশি ধুলোবালি রয়েছে সেসব জায়গা এড়িয়ে চলা। যদি সেসব জায়গা এড়িয়ে চলা সম্ভব না হয়, তাহলে এন৯৫ মাস্ক ব্যবহার করা।

২. প্রাকৃতিক দুর্যোগে যেসব স্থাপনা পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেগুলোর সরাসরি সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা। সিডিসি বলছে, এসব জায়গা থেকে ছত্রাকের সংক্রমণ হতে পারে।

৩. শরীরের চামড়ায় যাতে কোনও ইনফেকশন না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা। কোথাও কেটে গেলে বা চামড়া উঠে গেলে সেটি যাতে ধুলো-ময়লার সংস্পর্শে না আসে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

৪. কোভিড-১৯ রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা

৫. মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা

৬. রোগীর স্টেরয়েড ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানী হতে হবে। স্টেরয়েডের ব্যবহার ডায়াবেটিসকে অনিয়ন্ত্রিত করে তুলতে পারে। ফলে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে সংক্রমতি হবার ঝুঁকি বেশি ধাকে।

৭. রোগীকে অক্সিজেন দেবার সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা।

যদিও সিডিসি বলছে, এসব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিলেই যে মিউকোরমাইকোসিস সংক্রমণ এড়ানো যাবে সেটি এখনও পুরোপুরি প্রমাণিত নয়।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

এলাচির অদ্ভুত যত ক্ষমতা!

অনলাইন ডেস্ক

এলাচির অদ্ভুত যত ক্ষমতা!

প্রাচীনকাল থেকেই খাবারে স্বাদ বাড়াতে এলাচ ব্যবহার করা হয়।  নিজস্ব একটি সুগন্ধ যেমন আছে এই মসলার, তেমনি মানবদেহের জন্য বেশ উপকারীও এটি। বিপাক ও হজম ক্রিয়া উন্নত করার পাশাপাশি ওজন কমাতেও সাহায্য করে এলাচ।এলাচির অদ্ভুত ক্ষমতা আছে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাদের জন্য এক চামচ এলাচি দারুণ কাজে লাগে।

নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, এলাচগুঁড়ো ওজন কমানোর পাশাপাশি শরীরের ক্ষতিকর চর্বি কমাতে ও অস্বাস্থ্যকর কোলস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে ফেলতে পারে। গবেষকেরা বলছেন, যদিও ওজন কমানোর প্রক্রিয়াটি খুব সহজ নয়, তবে সঠিক ডায়েট প্রক্রিয়ায় এলাচি গুঁড়ো যোগ করে অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলা যায়। 

আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নিন এলাচের সেই গুণাগুণ সম্পর্কে- 

সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি দেয় এই এলাচ। চায়ের সঙ্গে মধু মেশানো এলাচ খেলে কমতে পারে সর্দি-কাশির উপদ্রব।

নিয়মিত এলাচ খেলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকে।
এলাচ ওজন কমাতে সাহায্য করে।

এলাচের মধ্যে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা ত্বকে ছাপ, বলিরেখা পড়তে বাধা দেয়।
মুখের দুর্গন্ধ হাত থেকে বাঁচতে মুখে রাখুন দু-তিনটে এলাচ।

আরও পড়ুন:


করোনায় আক্রান্ত কনডেম সেলের ফাঁসির আসামি

টিকা নিলে কমে মৃত্যু ঝুঁকি: আইইডিসিআর

করোনা: কুষ্টিয়ায় একদিনে ৯ জনের মৃত্যু

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ টিকা প্রয়োগ শুরু


 

নিয়মিত এলাচ খেলে কমতে পারে ক্যানসারের সম্ভবনা।
মুখের ঘা, মাড়ির ক্ষত ইত্যাদিতে এলাচ অব্যর্থ ওষুধের কাজ করে।

বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এলাচ বেশ উপকারী। ভরপেট খাওয়ার পর একটা এলাচ মুখে নিয়ে চিবালে পাকস্থলীর সমস্যা দূর হয়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

টিকা নেওয়ার পরও করোনা আক্রান্ত হলে মৃত্যু ঝুঁকি কমে: আইইডিসিআর

অনলাইন ডেস্ক

টিকা নেওয়ার পরও করোনা আক্রান্ত হলে মৃত্যু ঝুঁকি কমে: আইইডিসিআর

টিকা নেওয়ার পরও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে তাদের শারীরিক জটিলতা এবং মৃত্যু ঝুঁকির মাত্রা কম থাকে। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইইডিসিআরের এক সমীক্ষায় এই তথ্য উঠে এসেছে।

গত মে ও জুন মাসে দেশে যারা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের জাতীয় তালিকা থেকে দ্বৈবচয়ন ভিত্তিতে ১ হাজার ৩৩৪ জনকে নিয়ে এই সমীক্ষা চালানো হয়। তাদের সবার বয়স ছিল ৩০ বছরের বেশি।

সংস্থাটি বলছে, করোনাভাইরাসের দুই ডোজ টিকা যারা নিয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টের সমস্যা, হাসপাতালে ভর্তির হার এবং মৃত্যুঝুঁকি টিকা না নেওয়া ব্যক্তিদের তুলনায় কম দেখা গেছে।

সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৫৯২ জন কোনো টিকা নেননি। বাকি ৭৪২ জন অন্তত এক ডোজ টিকা নিয়েছেন।

সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের ৫৫ শতাংশ টিকা নিয়েও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। টিকার দুই ডোজ নিয়েছেন এমন ৩০৬ জন টিকা নেওয়ার অন্তত ১৪ দিন পর করোনায় আক্রান্ত হন।

আইইডিসিআর বলছে, টিকা না নেওয়া রোগীদের মধ্যে শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত জটিলতায় ভুগেছেন ১১ শতাংশ। আর দুই ডোজ টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে এই হার ছিল ৪ শতাংশ।

ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি জটিলতা ভুগছিলেন এ ধরনের রোগীদের মধ্যে যারা টিকা নেননি, তাদের শ্বাসপ্রশ্বাসের জটিলতায় ভোগার হার দেখা গেছে পূর্ণ টিকা গ্রহণকারীদের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি।

দুই ডোজ টিকা নিয়েও যারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের ৭ শতাংশকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। আর যারা টিকা নেননি তাদের মধ্যে এই হার ২৩ শতাংশ।

আগে থেকেই বিভিন্ন অসংক্রামক রোগে ভুগছিলেন, তাদের মধ্যে টিকা পাওয়া ব্যক্তিদের ১০ শতাংশকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। অথচ টিকা না নেওয়া রোগীদের মধ্যে এই হার ৩২ শতাংশ।

আরও পড়ুন

ইরানের নাগরিকদের আফগানিস্তান ত্যাগের নির্দেশ

টোকিও অলিম্পিকে দ্রুততম মানব মার্সেল জ্যাকবস

ফ্লোরিডায় অদ্ভুতদর্শন ‘সেসিলিয়ান’-এর খোঁজ

আবারও হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়াহ


সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী রোগীদের মধ্যে টিকা না নেওয়া ব্যক্তিদের ১৯ জনকে আইসিইউতে নিতে হয়েছে, যা ৩ শতাংশ। আর যারা দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন তাদের মধ্যে ৩ জনকে আইসিইউতে যেতে হয়েছে, যা ১ শতাংশের কম।

সমীক্ষায় উঠে আসে, টিকা নেননি এমন আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩ শতাংশ বা ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে । অন্যদিকে টিকা নিয়েছেন এমন ১ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ টিকা প্রয়োগ শুরু

অনলাইন ডেস্ক

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ টিকা প্রয়োগ শুরু

প্রায় দুই মাস বিরতির পর ঢাকায় আবারও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে। সোমবার (২ আগস্ট) সকালে রাজধানীতে টিকা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে আবারও এই টিকা প্রয়োগ শুরু হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্য সচিব মো. শামসুল হক এ বিষয়ে বলেন, অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। যারা আগে বাদ পড়েছিলেন তাদের এই টিকা দেওয়া হচ্ছে। আগামী ৭ আগস্ট থেকে আমরা সারাদেশে আগের কেন্দ্রগুলোতে দ্বিতীয় ডোজ দিতে পারব।

আরও পড়ুন

ইরানের নাগরিকদের আফগানিস্তান ত্যাগের নির্দেশ

টোকিও অলিম্পিকে দ্রুততম মানব মার্সেল জ্যাকবস

ঢাকামুখি যাত্রীদের চাপ নেই, অলস সময় কাটাচ্ছে ফেরি

আবারও হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়াহ


স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার এক কোটি ৩ লাখ টিকা তারা ভারত থেকে পেয়েছিল। এই টিকা সর্বোচ্চ ৫১ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে দেওয়া সম্ভব। কিন্তু তারা প্রথম ডোজই দিয়ে দেয় ৫৮ লাখের বেশি মানুষকে। এতে টান পড়ে দ্বিতীয় ডোজে। প্রথম ডোজ পাওয়া ১৪ লাখের বেশি মানুষ দ্বিতীয় ডোজের অনিশ্চয়তায় ছিলেন।

ভারত থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার রফতানি বন্ধ করে দেওয়ায় মজুত শেষ হয়ে যায়। যার কারণে দ্বিতীয় ডোজ প্রয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

আমড়ার যত গুণাবলী

অনলাইন ডেস্ক

আমড়ার যত গুণাবলী

মৌসুমি ফল খেলে শরীরের সাথে সাথে মনও সুস্থ থাকে। তাই তো এখন বাজারে গেলেই চোখে পড়ে সবুজ রঙের আমড়ার। দামি ফল আপেলের চেয়ে আমড়ায় প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও আয়রনের পরিমাণ বেশি। তাই শরীরের জন্য বেছে নিতে পারেন আমড়া। আমড়া খেতে টক-মিষ্টি স্বাদের। এটি কাঁচা খাওয়ার পাশাপাশি সুস্বাদু আচার, চাটনি ও জেলি তৈরি করা যায়। অনেকে তরকারি হিসেবে রান্না করে খান। বহুমুখী উপকারিতার কারণে অনেকেই নিয়ম করে আমড়া খাচ্ছেন। প্রতিদিনের দূষণভরা জীবনে সুস্থ থাকার টোটকা এখন আমড়া। 

আমড়া :
আমড়ার ইংরেজি নাম Hog Plum. একপ্রকার ফল যা মাঝারি আকারের পর্ণমোচী বৃক্ষে ফলে। বৈজ্ঞানিক নাম Spondias pinnaata Kurz. বা Spondias mombin, পরিবার: Anacardiaceae। বাংলাদেশ ছাড়াও আফ্রিকা, ভারত, শ্রীলংকা এবং ইন্দোনেশিয়ায় এই গাছটি জন্মে।

আমড়া ব্লাড পিউরিফায়ারের কাজ করে। স্ট্রেসের জাল বিছানো সমাজ জীবনে শরীর সুস্থ রাখাই যেখানে চ্যালেঞ্জ, সেখানে আমড়া থাকতে হবে অবশ্যই। 

এই ফলে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি আর ক্যালসিয়াম। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে। দামেও সস্তা। গুণে মহার্ঘ। তাই আমড়া খান রোজ। শরীর সুস্থ রাখতে পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। 

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক আমড়ার গুণাবলী-
রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। স্ট্রোক ও হৃদরোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চর্বি কমিয়ে হৃত্‍‍পিণ্ডে সঠিক ভাবে রক্ত চলাচলে সাহায্য করে

চিনির পরিমাণ কম থাকায় উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের রোগীরা নিশ্চিন্তে খেতে পারেন। আমড়ার খোসায় থাকা আঁশ বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে।

ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম দাঁত ও মাড়ি শক্ত করে। দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত, পুঁজ বের হওয়া প্রতিরোধ করে।

আমড়া পিত্ত ও কফ নাশ করে, কণ্ঠস্বর পরিষ্কার রাখে। নিয়মিত আমড়া খেলে চুল, নখ, ত্বক সুন্দর থাকে।

অরুচি দূর করে, শরীরের অতিরিক্ত উত্তাপ কমায়। আমড়ায় থাকা অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

আরও পড়ুন:


বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত করোনার মতো বারবার রূপ পরিবর্তন করছে: বাহাউদ্দিন নাছিম

টিকা নেয়ার পরেও করোনা পজিটিভ ফারুকী

স্বামীর পর্নকাণ্ড: মানহানির মামলা নিয়ে শিল্পাকে আদালতের ভর্ৎসনা


 

এ মৌসুমের দারুণ ফল হিসেবে তাই ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ কিংবা ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে আমড়া খেতে পারেন। আমড়ায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। ফলে সহজেই সুস্থ থাকতে পারবেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে যেসব খাবার

অনলাইন ডেস্ক

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে যেসব খাবার

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে প্রতিনিয়তই নানা রকম ওষুধ খেতে হয়। কিন্তু ওষুধ খেলেই কি সমস্যার নিরসন হয়? শরীর ভাল রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা করা এবং দৈনিক ৮ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন আছে। তার পাশাপাশি অকারণ উদ্বেগ কমাতে পারলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এই ভাবে স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার পাশাপাশি যদি খাবারের তালিকায় কিছু জিনিস যোগ করেন এবং কিছু অপ্রয়োজনীয় খাবার বাদ দেন, তাহলে ওষুধ ছাড়াই নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে উচ্চ রক্তচাপ।

কী কী খাবেন:

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কমাতে সকালে খালি পেটে রোজ রসুন খান। রসুনে রয়েছে অ্যালিসিন নামে এক ধরনের পদার্থ, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। 
এছাড়াও রোজ খাবারের সঙ্গে রাখুন পেঁয়াজ। এতে রয়েছে কোয়েরসেটিন ফ্লেভনয়েড, যা রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করতে সহায়তা করে।

নিয়মিত পালং শাক খান। পালং শাকে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস, আয়রনের মতো পুষ্টি উপাদান, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

শীতকালের সময় বিট খেতে পারেন। এই সবজিতে প্রচুর পরিমাণে নাইট্রেট রয়েছে, যার কারণে শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়।

প্রচুর সবুজ শাক-সবজি তো খাবেনই, তার পাশাপাশি মুরগির মাংস, মাছও খেতে হবে। এছাড়াও শরীরের পানির ঘাটতি কম যেন না হয়, সেই জন্য প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে।  

কী খাবেন না:

উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা কাঁচা লবণ  ও লবণ দেওয়া খাবার একেবারেই খাবেন না। 

খেতে ভাল লাগলেও সস, চিপস, রোল বা স্যান্ডউইচ যতটা না খাওয়া যায়, ততই ভাল।

আরও পড়ুন


ভারতকে ১৪টি প্রাচীন শিল্প নিদর্শন ফেরত দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

ফল খাওয়ার উপযুক্ত সময় কোনটি জেনে নিন

জাহাজে হামলার ঘটনায় ইরানকে দায়ী করল ইসরায়েল

ক্রিকেট থেকে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিরতি নিলেন বেন স্টোকস

এই রোগে অতিরিক্ত পরিমাণ চিনি দেওয়া খাবার যেমন, কেক বা মিষ্টি খাবার খাওয়া উচিত না।

তেল, ঘি, মাখন ও রেডমিট একেবারেই খাওয়া যাবে না।

এছাড়া ধূমপান, অ্যালকোহল কিংবা কোল্ড ড্রিংক খাওয়ার অভ্যেস থাকলে, তা অচিরেই বন্ধ করুন।

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর