রাঙামাটিতে ব্রাশফায়ারে ৮ হত্যার বিচার না হওয়ায় উদ্বেগ

ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি

রাঙামাটিতে ব্রাশফায়ারে ৮ হত্যার বিচার না হওয়ায় উদ্বেগ

দীর্ঘ ২বছরেও বিচার পাইনি রাঙামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাচনে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ারে নিহত পরিবারগুলো। গ্রেপ্তারও হয়নি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মূল আসামিরা। এতে হতাশার সঙ্গে ক্ষোভ বাড়ছে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে। উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্থানীয়রাও। এ হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে ১৮মার্চ রাঙামাটি জেলার দুর্গম বাঘাইছড়ি উপজেলা নিবার্চনের দিনে উপজেলার কংলাক থেকে ব্যালট পেপার বহনকারী গাড়ি নিয়ে প্রিজাইডিং অফিসার আব্দুল হান্নান আরবের নেতৃত্বে আনসার-ভিডিপি সদস্যরা বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে ফেরার পথে নয়কিলো এলাকায় একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী ব্যালট ছিনতাইয়ের উদ্দেশে ওই গাড়িটিকে লক্ষ্য করে ব্রাশফায়ার করলে ঘটনাস্থলে প্রিজাইডিং অফিসারসহ ৮ জন নিহত হন।

তারা হলেন- প্রিজাইডিং অফিসার মো. আব্দুল হান্নান আরব, বাঘাইছড়ি কিশালয় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার মো. আমির হোসেন (৪০), ভিডিপি সদস্য মো. আল আমিন (১৭), বিলকিস আক্তার (৩০), মিহির কান্তি দত্ত (৩৫), জাহানারা বেগম (৩৭) ও মন্টু চাকমা (৩৫)। আহত হয় ৩৩জন। ঘটনার পর পুলিশ বাদি হয়ে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের নাম উল্লেখ্য করে মামলা করলেও গ্রেপ্তার হয়নি মূল হত্যাকারীরা। তাই প্রতি বছর এ দিনে ক্ষোভ দেখা দেয় স্থানীয়দের মধ্যে।

বৃহস্পতিবার সকালে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেন স্থানীয় এলাকাবাসী। বিভিন্ন ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে স্থানীয় নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। একই সাথে সংহতি প্রকাশ করেন।

এসময় বাঘাইছড়ি সার্কেল এ এস পি মো. আবদুল আওয়াল মানববন্ধন উপস্থিত হয়ে আহত ও নিহত পরিবারের স্বজনদের সাথে কথা বলে ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দেন।

এসময় বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাইয়ুম বলেন, দুই বছর হলে গেলো কিন্তু নির্বাচনের সংহিসতাকারীরা এখনো গ্রেপ্তার হলো না। সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের উপযুক্ত বিচার না হওয়ার কারণে কাঘাইছড়ি উপজেলায় এমন ঘটনা প্রায় প্রতিদিন ঘটনছে।

এদের প্রতিহত করতে প্রশাসনকে আরও কঠোর অবস্থানে যেতে হবে। বাঘাইছড়িবাসি আর কোন সশস্ত্র সন্ত্রাসীকে মেনে নেবে না।

অবিলম্বে ২০১৯ সালে ১৮মার্চ রাঙামাটি জেলার দুর্গম বাঘাইছড়ি উপজেলা নিবার্চনের দিনে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের যারা ব্রাশফায়ারে হত্যা করেছে তাদের দ্রুত গ্রেপ্তারপূর্বক বিচার করা না হলে বাঘাইছড়িবাসি আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

আরও তিন দিনের রিমান্ডে মামুনুল হক

অনলাইন ডেস্ক

আরও তিন দিনের রিমান্ডে মামুনুল হক

হেফাজতে ইসলামের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতালে সহিংসতার অভিযোগে আরও এক মামলায় দলটির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

সোমবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারহানা ফেরদৌস ভার্চ্যুয়াল আদালতের মাধ্যমে এ আদেশ দেন।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরির্দশক আসাদুজ্জামান বলেন, হরতালে নাশকতার আরও একটি মামলায় মামুনুল হককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন জানালে শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শুনানিতে মামুনুল হক কাশিমপুর কারাগার থেকে ভার্চ্যুয়ালি অংশ নেন।

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

চাঞ্চল্যকর মিতু হত্যা মামলা: আরেক আসামি গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক

চাঞ্চল্যকর মিতু হত্যা মামলা: আরেক আসামি গ্রেফতার

প্রায় পাঁচ বছর পর চট্টগ্রামের মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যায় ‘চাঞ্চল্যকর’ তথ্য সামনে নিয়ে এলো মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মিতু হত্যার পর মামলার বাদী হয়েছিলেন তার স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তার। পাঁচ বছর পর সেই বাবুল আক্তারই এখন মিতু হত্যা মামলার প্রধান আসামিতে পরিণত হয়েছেন। পিবিআই দাবি করেছে, মিতু হত্যাকাণ্ডে তার স্বামী বাবুল আক্তার সম্পৃক্ত ছিলেন। আর বাবুলের ‘বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের’ জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।  এদিকে এই হত্যা মামলার এজহার নামীয় আসামি সাইদুল ইসলাম সিকদার প্রকাশ শাকু (৪৫) -কে আটক করেছে র‍্যাব। 

র‌্যাবের পরিচালক (লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া) কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার (১২ মে) রাতে রাংগুনিয়া থেকে সাইদুল ইসলাম সিকদারকে আটক করে র‌্যাব-৭ এর একটি চৌকশ টিম। সাইদুল ইসলাম সিকদার প্রকাশ সাকু মিতু হত্যা মামলার সাত নম্বর আসামি। 

২০১৬ সালের ৫ জুন ভোরে চট্টগ্রাম শহরের জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় মাহমুদা খানম ওরফে মিতুকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় বুধবার (১২ মে) বাবুল আক্তারসহ আটজনকে আসামি করে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেছেন মিতুর তার বাবা মোশারফ হোসেন।

এ মামলার অপর আসামিরা হলেন- কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুসা, এহতেশামুল হক ভোলা, মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম, আনোয়ার হোসেন, খায়রুল ইসলাম ওরফে কালু, সাইফুল ইসলাম সিকদার ওরফে সাকু ও শাহজাহান মিয়া।

এর আগে, মঙ্গলবার (১১ মে) স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পিবিআই। এদিন দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর বুধবার তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

মিতু হত্যা মামলা: ৫ দিনের রিমান্ডে স্বামী বাবুল আক্তার

অনলাইন ডেস্ক

মিতু হত্যা মামলা: ৫ দিনের রিমান্ডে স্বামী বাবুল আক্তার

পাঁচ বছর পর চাঞ্চল্যকর চট্টগ্রামের মাহমুদা খানম মিতু হত্যার রহস্য উম্মোচন হতে শুরু করেছে। বাবুলকে এক নম্বর আসামি করে মোট ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন মিতুর বাবা সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন। আজ বুধবার পাঁচলাইশ থানায় এ মামলা দায়ের করেন মিতুর বাবা।

পরে মিতুর বাবার দায়ের করা মামলায় স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারকে ৫ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার জাহানের আদালতে বাবুলের ৭ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল। পরে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

আরও পড়ুন


স্ত্রী মিতুকে খুন করতে হত্যাকারীদের ৩ লাখ টাকা দিয়েছিলো বাবুল আক্তার

গণমাধ্যমের শৃঙ্খলা ফেরাতে ঈদের পরই ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী

গাজীপুরে র‍্যাবের গাড়িতে মাইক্রোবাসের ধাক্কা, র‍্যাব সদস্যসহ নিহত ২

শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ফেরিতে যাত্রীদের চাপে ৫ জনের মৃত্যু


সাংবাদিকদের মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বাবুলই তার স্ত্রী মিতুকে হত্যার পরিকল্পনা করেছে। অন্য এক মেয়ের সঙ্গে বাবুলের পরকীয়া ছিল। এ নিয়ে মিতুর সঙ্গে বাবুলের ঝগড়া হয়েছিল।’ 

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে পাঁচলাইশ থানার ও আর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে বাসার অদূরে গুলি ও ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয় মিতুকে। এই ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় বাদী হয়ে স্বামী বাবুল আক্তার একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

ধর্ষণসহ ৫ মামলায় হেফাজত নেতা মামুনুল হক ১৫ দিনের রিমান্ডে

অনলাইন ডেস্ক

ধর্ষণসহ ৫ মামলায় হেফাজত নেতা মামুনুল হক ১৫ দিনের রিমান্ডে

হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক মামুনুল হকের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানায় দায়ের করা ধর্ষণ ও সহিংসতার পাঁচ মামলায় ৩ দিন করে মোট ১৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (১২ মে) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ হুমায়ুন কবিরের আদালতে এ রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. আসাদুজ্জামান।

আরও পড়ুন


নতুন গান নিয়ে এলো প্রবাসী ব্যান্ড ‘এস অ্যান্ড আর’

আল-আকসা মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় প্রধানমন্ত্রীর নিন্দা

বঙ্গবন্ধুকন্যা মানবিক বলেই খালেদা জিয়া জেলের বাইরে চিকিৎসা নিচ্ছেন: কাদের

চীন থেকে আরও ভ্যাকসিন সরবরাহ করতে চেষ্টা চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী


এর আগেও তিন দফা রিমান্ডে নেয়া হয় মামুনুল হককে। পুলিশ দাবি করেছিল, সরকার পতনের জন্য ২০১৩ সালের ৫ মের হেফাজতের তাণ্ডব, কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সহিংসতায় ব্যবহার, চুক্তিভিত্তিক দুই নারীর সঙ্গে সম্পর্ক করাসহ সাম্প্রতিক সহিংসতার বিষয়ে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য দিছেছেন তিনি।

গত ১৮ এপ্রিল দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসা থেকে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

মিতু হত্যা : জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাবেক এসপি বাবুল আক্তার গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক

মিতু হত্যা : জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাবেক এসপি বাবুল আক্তার গ্রেফতার

পাঁচ বছর আগে চট্টগ্রামে স্ত্রী মিতু হত্যা মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

মঙ্গলবার (১১ মে) সন্ধ্যায় তাকে গ্রেফতরা করা হয়। এর আগে মিতু হত্যা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকা থেকে বাবুল আক্তারকে চট্টগ্রামে নেওয়া হয়।

২০১৬ সালের ৫ জুন ভোরে চট্টগ্রাম শহরের জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় কুপিয়ে এবং গুলি করে হত্যা করা হয় মাহমুদা খানম মিতুকে। তিনি সে সময়ের পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী ছিলেন। 

ঘটনার সময় পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। চট্টগ্রামে ফিরে তিনি পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর কিছুদিন পর বাবুল আক্তারের শ্বশুর মোশাররফ হোসেন মিতু হত্যাকাণ্ডের জন্য বাবুলকে দায়ী করেন। প্রথম দিকে মামলাটি ডিবি তদন্ত করলেও ২০২০ সাল থেকে মামলাটি তদন্ত করছে পিবিআই।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর