যে গানের পর পিছে ফিরে তাকাতে হয়নি লতা মঙ্গেশকরকে
যে গানের পর পিছে ফিরে তাকাতে হয়নি লতা মঙ্গেশকরকে

যে গানের পর পিছে ফিরে তাকাতে হয়নি লতা মঙ্গেশকরকে

আসমা তুলি

ক্যারিয়ার শুরু ১৯৪২ সালে, মারাঠি গান গেয়ে।  প্রথম হিন্দি সিনেমায় গান করেন, ১৯৪৬ সালে।  এরপর আর পেছন ফিরতে হয়নি।  দশকের পর দশক কোকিল কণ্ঠের সুরের মায়ায় লতা মঙ্গেশকর আচ্ছন্ন করে রাখেন কোটি ভক্তের হৃদয়।

কিংবদন্তিতুল্য এই কণ্ঠশিল্পীর সংগীত ভারত ছাপিয়ে তাঁকে পৌঁছে দেয় বিশ্ব দরবারে।

৭০ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে গান ও সুরের মায়াজালে লাখো-কোটি মানুষের মন জয় করেছেন ভারতের নাইটিঙ্গেলখ্যাত সংগীত শিল্পী লতা মঙ্গেশকর।

১৯৪২ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে লতা প্রথম ভারতীয় চলচ্চিত্রের জন্য গান করেন। তবে প্রথম জনপ্রিয়তা পায় ১৯৪৯ সালে ‘মহল’ ছবিতে মধুবালার ঠোঁটে তার ‘আয়েগা আনেওয়ালা ‘গানটি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এই কোকিলকণ্ঠীকে।

৭ দশক ধরে সমান জনপ্রিয়তা ও ভরাট সুরেলা কণ্ঠ নিয়ে তিনি ভক্ত শ্রোতাদের সুরের মূর্ছনায় আচ্ছন্ন করেছেন। লতার গাওয়া এক হাজারেরও বেশি গানে ঠোটঁ মিলিয়েছেন বলিউডের প্রায় সব নায়িকা।

এছাড়া এই কিংবদন্তীর ভারতের ৩৬টি আঞ্চলিক ও বিদেশি ভাষায় গান গাওয়ার রেকর্ড রয়েছে।  তিনি বাংলাতেও গেয়েছেন বহু গান।

১৯২৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ভারতের ইন্দোরে এক সংগীত পরিবারে জন্ম লতা মঙ্গেশকরের। তাঁর অন্য তিন বোন আশা ভোঁসলে, ঊষা মঙ্গেশকর ও মীনা মঙ্গেশকরও গানের সঙ্গে যুক্ত।

আশ্চর্য প্রতিভার এই গুণী শিল্পী ৩০ হাজারেরও বেশি গানে কণ্ঠ দিয়ে ইতিমধ্যে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে স্থান করে নিয়েছেন। মানুষের ভালোবাসার পাশাপাশি লতা অজর্ন করেন পদ্মশ্রী, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ অসংখ্য স্বীকৃতি। পান দ্বিতীয় ভারতীয় সংগীতশিল্পী হিসেবে ‘ভারতরত্ন’ খেতাব। এমনকি এই কিংবদন্তি সংগীতশিল্পীকে ‘ডটার অব দ্য নেশন’ উপাধিতেও সম্মানিত করে  ভারত সরকার।

news24bd.tv তৌহিদ

;