কারাবন্দীর নারীসঙ্গ: বরখাস্ত হলেন তারা

অনলাইন ডেস্ক

কারাবন্দীর নারীসঙ্গ: বরখাস্ত হলেন তারা

কারাগারে নারীর সঙ্গে সময় কাটানোর ঘটনায় গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এর জ্যেষ্ঠ জেল সুপার, জেলার ও ডেপুটি জেলারসহ ১১ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও সাতজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই সময় কারাগারের দায়িত্বে ছিলেন তারা। 

বৃহস্পতিবার( ৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ–সংক্রান্ত চিঠি কারা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। সুরক্ষা সেবা বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বরখাস্ত করা হয়েছে তখনকার জ্যেষ্ঠ জেল সুপার রত্না রায়, জেলার নূর মোহাম্মদ মৃধা এবং ডেপুটি জেলার গোলাম সাকলায়েনকে। বরখাস্ত অন্যদের মধ্যে ছয়জন কারারক্ষী, একজন সহকারী প্রধান কারারক্ষী ও সার্জেন্ট ইনস্ট্রাক্টর রয়েছেন।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জানান, এ ঘটনায় গঠিত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তারা প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করে তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছেন।


পার্টি আয়োজনই মৃত ছাত্রী ও তার বন্ধুদের পেশা : পুলিশ

দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ ‌জুমার দিনে ‘সূরা কাহাফ’ তেলাওয়াতের ফজিলত

দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ ‌`জুমার’ দিনে যা করবেন

প্রতিদিন সকালে যে দোয়া পড়তেন বিশ্বনবি


বুধবার তদন্ত কমিটি তদন্ত কমিটি সুরক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।  এর আগে গত ২১ জানুয়ারি তিন সদস্যের এ তদন্ত কমিটি গঠন করে কারা কর্তৃপক্ষ। কমিটি তদন্ত প্রতিবেদনে ১৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা, চাকরিবিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া, বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া, কেন্দ্রীয় কারাগারের পরিবর্তে জেলা কারাগারে পদায়ন করা, কম গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পদায়ন করাসহ ২৫টি সুপারিশ করেছে।

বর্তমানে কাশিমপুর-১ কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার রত্না রায়, জেলার নূর মোহাম্মদ মৃধা, ডেপুটি জেলার গোলাম সাকলায়েন কারা অধিদপ্তরে সংযুক্ত আছেন। তদন্ত শুরুর পর তাদের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে প্রত্যাহার করে কারা অধিদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।


৬ জানুয়ারির সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়,দুর্নীতির মামলায় কাশিমপুর কারাগারে বন্দি হলমার্কের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) তুষার আহমেদ কারাগারের ভেতরে কর্মকর্তাদের অফিস এলাকায় কালো রঙের জামা পরে ঘোরাফেরা করছেন ।কিছু সময় পর বাইরে থেকে বেগুনি রঙের জামা পরা এক নারী সেখানে আসেন।

এ সময় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার রত্না রায় ও ডেপুটি জেলার গোলাম সাকলায়েন সেখানে ছিলেন। দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে দুই যুবকের সঙ্গে ওই নারী কারাগারের কর্মকর্তাদের কক্ষের দিকে যান। সেখানে ওই নারীকে ডেপুটি জেলার সাকলায়েন স্বাগত জানান। ওই নারী কক্ষে ঢোকার পর সাকলায়েন বেরিয়ে যান। আনুমানিক ১০ মিনিট পর তুষারকে সেখানে নিয়ে যান সাকলায়েন।

এর প্রায় ১০ মিনিট পর রত্না তার কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। দুই মিনিট পর রত্নার কক্ষের দিকে যান তুষার। আরও দুই মিনিট পর সেখান থেকে বেরিয়ে ওই নারীকে নিয়ে আবার রত্নার কক্ষে যান তুষার। যাওয়ার সময় তাদের হাসি-তামাশা করতে দেখা যায়। এর দুই মিনিট পর তুষার ও ওই নারী সাকলায়েনের কক্ষে ফেরেন। প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা পর তারা বের হন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দুই শ টাকার টেস্টে লাগে হাজার টাকার বেশি

ফখরুল ইসলাম

দুই শ টাকার টেস্টে লাগে হাজার টাকার বেশি

ডায়াবেটিসের এইচবিএ ওয়ান সি টেস্ট করতে খরচ মাত্র ২০০ টাকা। এ টেস্ট প্রাইভেট হাসপাতালে করাতে রোগীকে গুণতে হয় ৫ থেকে ৮ গুণ বেশি হারে, ১ হাজার থেকে ১৫শ’ টাকা। ৫ থেকে ২৮ গুণ পর্যন্ত বাড়তি ফি গুনতে হয় হেপাটাইটিস পরীক্ষায়ও। খরচ ১০০ টাকা হলেও সব ক্যাটাগরির টেস্ট মিলিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালের ফি ৫শ’ থেকে ২৮০০ টাকা পর্যন্ত। টেস্ট ফি নির্ধারণে কোনো নিয়মনীতি না থাকায়, পকেট কাটছে হাসপাতালগুলো। বিপরীতে অসহায় সাধারণ রোগীরা।

দেশে চিকিৎসাখাতের বাড়তি খরচ মানুষকে করে তুলছে আরো দরিদ্র। একজন রোগীকে সাধারণ থেকে কোনো জটিল রোগের চিকিৎসা করাতে পোহাতে হয় নানা টেস্টের ধকল। আর প্রাইভেট হাসপাতালে বাড়তি টেস্ট ফি’র বোঝায় দিশেহারা রোগীরা।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ


টেস্ট করাতে সব হাসপাতালের রিএ্জেন্ট ও প্যাথলজিক্যাল মেশিন একই। দামের ভিন্নতাটা শুধু হাসপাতাল ভেদে। কিন্তু এতেও কি সহনীয় সেই ফি?

এইচবিএ ওয়ান সি ডায়াবেটিসের টেস্টটি করাতে রিএ্যাজেন্ট মিলিয়ে সর্বোচ্চ খরচ ২০০ টাকা। সরকারি হাসপাতালে ফি ৩শ টাকা হলেও প্রাইভেট মেডিকেলগুলো নিচ্ছে ১ হাজার থেকে ১৫শ টাকা পরযন্ত। হেপাটাইটিস সহ চার ধরনের রোগের টেস্টের একটি কিটেই খরচ হয় মাত্র ১শ টাকা। অথচ সব টেস্ট মিলিয়ে রোগীদের থেকে প্রাইভেট হাসপাতাল নিচ্ছে ৫শ থেকে ২৮শ টাকা পর্যন্ত। একটি এক্স রে করতে সর্বোচ্চ ৮০ টাকা খরচ হলেও নিচ্ছে ৪শ থেকে ৫শ টাকা। ব্লাড গ্রুপিংয়ের খরচ ৩০ টাকা। প্রাইভেট হাসপাতাল নিচ্ছে আড়াইশ থেকে ৫শ টাকা। 

আল্ট্রাসনোগ্রাফি(প্রেগনেন্সি) খরচ ১শ থেকে দেড়শ টাকা। সরকারি হাসপাতালে ২২০ টাকা নিলেও প্রাইভেটে নিচ্ছে ১৩শ থেকে ২৫শ টাকা পর্যন্ত। এমন বাড়তি ফির যাঁতাকলে থাকা রোগীরা হয়তো জানেনই না কোন টেস্টের আসল খরচ কতটা।

বলা হয়ে থাকে দেশে প্রাইভেট হাসপাতালগুলোর আয়ের ৮০ ভাগই আসে টেস্ট ফি থেকে। তাই অতি মুনাফাভোগী চিকিৎসা ব্যবস্থা থেকে মানুষকে বাঁচাতে টেস্ট ফি নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। 

অন্যদিকে ১০ ভাগ গরিব রোগীকে সম্পূর্ণ ফ্রি চিকিৎসা দেওয়ার নীতিমালা থাকলেও তা মানছেন না বেসরকারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কেউ কেউ।

টেস্ট ফি সহনীয় করে হাসপাতালগুলো সঠিক ব্যবস্থাপনায় ফিরিয়ে আনার দাবি সাধারণ মানুষের।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিধবাকে ধর্ষণ করে ছাত্রদল নেতা বলে, ফের সুযোগ না দিলে ক্ষতি

অনলাইন ডেস্ক

বিধবাকে ধর্ষণ করে ছাত্রদল নেতা বলে, ফের সুযোগ না দিলে ক্ষতি

ছাত্রদল নেতার হাতে ধর্ষণের শিকার তিন সন্তানের জননী স্বামীর ভিটে ছেড়ে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। অভিযোগ, বোরকা পরে ঘরে ঢুকে বিধবা নারীটিকে ধর্ষণ করে ওই নেতা।

শিপু নামে ওই নেতা সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় সিলেট সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক।

এদিকে ঘটনার ১৩ দিন পার হলেও অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা জুবায়ের আহমদ শিপুকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

মামলার এজহার থেকে জানা যায়, উপজেলার আগতালুক গ্রামের মৃত শাহাব উদ্দিনের ছেলে জুবায়ের হাসান শিপু (২৭) গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টার দিকে বোরকা পরে ওই নারীর ঘরের দরজা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর প্রাণে মারার ভয় দেখিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করে।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ


ধর্ষণের পর যাওয়ার সময় বিধবার মোবাইল নম্বর নিয়ে যায় অভিযুক্ত জুবায়ের এবং হুমকি দিয়ে যায়, ঘটনাটি যাতে জানাজানি না হয়। পরদিন ফোন করে বলে তিনি আবারও আসবেন। সুযোগ না দিলে বড় ধরনের ক্ষতি করবে।

ঘটনার পরদিন ভিকটিম নারী কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে গেলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তিনি সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান।

সেখানে থেকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে তিনি বর্তমানে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন।

পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান কানাইঘাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জাহিদুল ইসলাম।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কার্টুন দেখানোর কথা বলে সিরাজগঞ্জে শিশু ধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক

কার্টুন দেখানোর কথা বলে সিরাজগঞ্জে শিশু ধর্ষণ

প্রতীকী ছবি

মোবাইল ফোনে কার্টুন দেখানোর কথা বলে ডেকে নিয়ে সিরাজগঞ্জে তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার রাতে সদর উপজেলার বিয়াড়াঘাট দক্ষিনপাড়ার আব্দুল মমিন তালুকদার নামে এক স্কুলছাত্র এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

পুলিশ খবর পেয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিললাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে শুক্রবার বিকেলে সদর থানায় মামলা দায়ের করেছে। ঘটনার পর থেকে ওই স্কুলছাত্র ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছে। 


 ফেঁসে যাচ্ছেন নাসিরের স্ত্রী তামিমা!

অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ

দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু- শনাক্তের সর্বশেষ তথ্য

মুরগির দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা


সিরাজগঞ্জ সদর থানার উপ-পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম জানান, বিয়ারাঘাট দক্ষিনপাড়া গ্রামের আলম তালুকদারের ছেলে মমিন তালুকদার বাড়ির পার্শ্ববর্তী এক শিশুকে মোবাইল ফোনে কার্টন দেখার কথা বলে তার ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর মমিন তালুকদার শিশুকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। পরে শিশুটি চিৎকার করলে শিশুটির বাবা ও বাড়ির আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসলে স্কুলছাত্র মমিন তালুকদার পালিয়ে যায়। 

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দুলাভাইয়ের বাড়িতে শ্যালিকা, বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

দুলাভাইয়ের বাড়িতে শ্যালিকা, বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ

ঝিনাইদহের কোটচাদঁপুর উপজেলার সিঙ্গীয়া মাঠ পাড় গ্রামে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পবিরারের পক্ষ থেকে কোটচাঁদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, মহেশপুর উপজেলার খালিশপুর গ্রাম থেকে কোটচাঁদপুর উপজেলার সিংগীয়া মাঠপাড়া গ্রামের দুলাভাইয়ের বাড়িতে বেড়াতে যায় শিশুটি। গত বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে দুলাভায়ের বাড়ির পাশে খেলা করছিল শিশুটি। এ সময় পাশের বাড়ির মৃত বুরাক মন্ডলের ছেলে আব্দুল খালেক (৪৫) বিস্কুট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি পরিবারের লোকেরা জানতে পেরে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনাটি জানাজানি হলে গ্রামের মেম্বার সহ খালেকের পরিবার মীমাংসার জন্য চেষ্টা করে ভুক্তভোগীর পরিবারের সাথে।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ


কিন্তু পরিবারের লোকেরা কোটচাঁদপুর থানায় অভিযোগ দিলে বৃহস্পতিবার রাতে মামলা রেকর্ড করা হয়।

এ বিষয়ে কোটচাঁদপুর থানার ওসি মাহবুবুল আলম বলেন, সিঙ্গীয়া মাঠ পাড়া গ্রামে শিশু ধর্ষণের বিষয়ে একটি মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

খুলনায় জীবিত হরিণসহ একজন আটক

অনলাইন ডেস্ক

খুলনায় জীবিত হরিণসহ একজন আটক

খুলনায় হরিণ শিকারের ফাঁদ ও একটি জীবিত হরিণসহ শাকিল সরদার (১৯) নামে এক শিকারিকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। শুক্রবার (৫ মার্চ) ওই শিকারিকে ডাংমারী ফরেস্ট অফিসে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) মধ্যরাতে দাকোপ উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন লাউডোব ঘাট সংলগ্ন এলাকায় কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের (মোংলা) একটি টহল দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করে। শাকিল দাকোপ উপজেলার ভোজনখালী গ্রামের ইমাদুল সরদারের ছেলে।

আরও পড়ুন:


ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় থাকছে ৭ নির্দেশনা

তুরস্কে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, ১১ সৈন্য নিহত

সাতক্ষীরায় প্রশিক্ষণের প্রাইভেটকার নদীতে, নিহত ২

দীঘির সিনেমার ট্রেইলার প্রকাশ, হতাশ সিনেমা প্রেমিরা (ভিডিও)


কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট বিএন এম মাজহারুল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে দাকোপ উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন লাউডোব ঘাট সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে হরিণ শিকারের ফাঁদ ও জীবিত একটি হরিণসহ শিকারি শাকিলকে আটক করা হয়। 

শিকারি শাকিলকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ডাংমারী ফরেস্ট অফিসে হস্তান্তর করা হয়েছে। একইসাথে জব্দকৃত হরিণও ফরেস্ট অফিসে হস্তান্তর করা হয়েছে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর