ফাঁড়ির ইনচার্জ আকবর যেন পালাতে না পারে: পিবিআই

সৈয়দ রাসেল

ফাঁড়ির ইনচার্জ আকবর যেন পালাতে না পারে: পিবিআই

পুনঃময়নাতদন্তের জন্য সিলেটে পুলিশ হেফাজতে নিহত রায়হানের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।

সকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পিবিআই ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আখালিয়া নবাবী মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থান থেকে মরদেহটি তোলা হয়। ময়নাতদন্ত শেষে পুনরায় তার মরদেহ দাফন করা হয়েছে।

এদিকে, পিবিআই প্রধান বনোজ কুমার মজুমদার ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, আকবর যেন পালাতে না পারে সেজন্য সব ইমিগ্রেশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

রায়হানের মরদেহ উত্তোলনের জন্য বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টায় আখালিয়া নবাবী মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থান পৌঁছান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ৯ টা ২০ মিনিটে কবর খোঁড়া শুরু হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেজবাহ উদ্দিন ও সজিবুর রহমান, পিবিআইর এসপি খালেদুজ্জামান এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সকাল ১০ টা নাগাদ মরদেহ উত্তোলন করা হয়। পরে মরদেহটি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: উপরে সবুজ, ভেতরটা লাল, নাম ‘রেড লেডি’

এই মামলায় এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি, মূল আসামি আকবরও নিখোঁজ। শিগগির দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান পিবিআইয়ের এসপি।

এর আগে বুধবার রায়হানের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে পুনরায় ময়নাতদন্তের অনুমতি দেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম।

গত রোববার সিলেট নগরীর আখালিয়া নেহারীপাড়ার বাসা থেকে মধ্যরাতে রায়হান উদ্দিনকে তুলে আনে বন্দরবাজার ফাঁড়ি পুলিশ। পরে ভোরে রায়হানের মরদেহ সিলেট ওসমানী মেডিকেলের মর্গে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় ফাঁড়ির ইনচার্জ আকবর হোসেনসহ দায়িত্বরত চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

news24bd.tv তৌহিদ

 

মন্তব্য