এবার ট্রাম্পের চোখ ৬ জানুয়ারির দিকে

অনলাইন ডেস্ক

এবার ট্রাম্পের চোখ ৬ জানুয়ারির দিকে

সব আশা হারিয়ে এবার ৬ জানুয়ারির দিকেই শেষ ভরসা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সুইং স্টেটগুলোতে বিরোধী জো বাইডেনের কাছে স্পষ্ট ব্যবধানে হেরে পরাজয় নিশ্চিত হওয়ার পরও হাল ছেড়ে দেননি রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।

পরে নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম-কারচুপি হয়েছে দাবি করে করা তার মামলাগুলোও প্রায় সব নাকচ হয়ে গেছে। এমনকি সম্প্রতি তার দাবি অমূলক অভিহিত করে উড়িয়ে দিয়েছেন মার্কিন সুপ্রিমকোর্টও। 

সর্বশেষ সোমবার বাইডেনের পক্ষেই পড়েছে ইলেকটোরাল কলেজের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট। যার মধ্য দিয়ে অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে গেছে তার পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়া। এরপরও এখনও পরাজয় মেনে নেননি। চুপ করে আছেন ট্রাম্প। তার চোখ এখন আগামী ৬ জানুয়ারির দিকেই। এটাই তার শেষ ভরসাও। 

নির্বাচনের ফল উল্টে তার পক্ষে নিয়ে আসতে এদিনই মার্কিন কংগ্রেসের ইলেকটোরাল কলেজের ফলাফল ট্যালি ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের একাংশ। সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে ট্রাম্প শিবির। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, বিষয়টা ট্রাম্পের জন্য খুব একটা সুবিধের হবে না। 


বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের ফাইনাল আজ

এক মাসে ৩৩ লাখ ছাড়াল ওবামার বইয়ের বিক্রি

চুরি করতে দেখে ফেলায় বৃদ্ধকে গলা কেটে হত্যা


নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও অনুগতদের একটি দল এখনও মনে করছেন, ট্রাম্পের রাজনীতিতে টিকে যাওয়া এবং হোয়াইট হাউসে আরও চার বছর থেকে যাওয়ার আর একটি মাত্র পথই অবশিষ্ট আছে। সেই নাটক মঞ্চস্থ হবে আগামী ৬ জানুয়ারি। তাহলে কী ঘটতে যাচ্ছে ওইদিন। ইলেকটোরাল কলেজের ভোটের যে ফল জানা গেছে সোমবার সেটা এখনও ‘আনুষ্ঠানিক’ ফল নয়। 

এই ভোটের ফল এখন পাঠানো হবে ফেডারেল রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে। আগামী ৬ জানুয়ারি ইলেকটোরাল ভোট আনুষ্ঠানিকভাবে গণনা করা হবে কংগ্রেসের এক যৌথ অধিবেশনে। এতে সভাপতিত্ব করবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স।

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন ও আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৬ জানুয়ারির ঘটনাবলী হয়তো ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোটের ফল বদলে দেয়ার ক্ষেত্রে ‘শেষ সুযোগ’ এনে দিতে পারে। এমন একটি প্রয়াস নিচ্ছেন কয়েকজন সিনেটর ও কংগ্রেস সদস্য। তারা আরিজোনা, পেনসিলভানিয়া, নেভাদা, জর্জিয়া ও উইসকন্সিন; এই রাজ্যগুলোতে অবৈধ ভোট ও জালিয়াতির লিখিত অভিযোগ জমা দেবেন যাতে অন্তত একজন সিনেটরের স্বাক্ষর থাকবে। এর লক্ষ্য হবে ওই রাজ্যগুলোর ভোট ‘ডিসকোয়ালিফাই’ বা বাতিল করা।

আলাবামা রাজ্যের রিপাবলিকান সিনেটর ব্রুক্স তাদের একজন। নিউইয়র্ক টাইমসকে তিনি বলছেন, মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী সেদিন সুপ্রিমকোর্টসহ যে কোনো আদালতের বিচারকের চেয়ে বড় ভ‚মিকা রয়েছে কংগ্রেস সদস্যদের। আমরা যা বলব তাই হবে, সেটাই চূড়ান্ত।

এ ধরনের অভিযোগ উঠলে এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স ফলাফল প্রত্যয়ন করতে অস্বীকার করলে কী হবেÑ তা নিয়ে মার্কিন বিশ্লেষকরা নানা রকম চিত্র তুলে ধরছেন। ব্রুক্স বলছেন, ‘আমার এক নম্বর লক্ষ্য হল আমেরিকার ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনী ব্যবস্থা-যা ভোটার জালিয়াতি বা ভোট চুরিকে খুব সহজে মেনে নিচ্ছে- তা মেরামত করা। 

আর এটা থেকে একটা বোনাস মিলে যেতে পারে যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইলেকটোরাল ভোটে আনুষ্ঠানিকভাবে জিতে গেলেন। কারণ আপনি যদি অবৈধ ভোটগুলো বাদ দেন এবং যোগ্য আমেরিকান নাগরিকদের আইনসঙ্গত ভোটগুলোই শুধু গণনা করেন, তাহলে তিনিই জিতেছেন।’ কিন্তু বাস্তবে এ রকম কোনো প্রক্রিয়া হবে জটিল এবং দীর্ঘ।

প্রতিটি অভিযোগ নিয়ে কংগ্রেসের উভয় কক্ষে দুই ঘণ্টাব্যাপী বিতর্ক ও ভোটাভুটি হতে হবে। কোনো একটা রাজ্যের ইলেকটোরাল ভোট বাতিল করতে হলে ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ এবং রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত সিনেটকে একমত হতে হবে। উনবিংশ শতাব্দীর পর কখনও এমনটা হয়নি।

অনুমান করা যায়, ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ভোট বাতিলের চেষ্টা অনুমোদন করবে না। তাছাড়া রিপাবলিকান কয়েকজন সিনেটরও এভাবে ভোট বাতিলের প্রয়াস জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তারা এ চেষ্টার বিপক্ষে ভোট দিলেই জো বাইডেনের জয় নিশ্চিত হয়ে যাবে। ৬ জানুয়ারি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন কংগ্রেসের সেই অধিবেশনে সভাপতি ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স। কারণ তিনিই সাংবিধানিক দায়িত্ব অনুযায়ী ৫০টি অঙ্গরাজ্য থেকে পাঠানো ইলেকটোরাল ভোটের খামগুলো খুলবেন এবং তার যোগফল ঘোষণা করবেন।

১৯৬০ সালে রিচার্ড নিক্সন এবং ২০০০ সালে আল গোরকে এভাবেই ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে গণতান্ত্রিক রীতিনীতি মেনে নিজেদের পরাজয় এবং প্রতিদ্বন্দ্বীর বিজয়কে প্রত্যয়ন করতে হয়েছিল। তারা এটা করতে গিয়ে নিজ দলের আইনপ্রণেতাদের আপত্তি অগ্রাহ্য করেছিলেন। 

news24bd.tv কামরুল

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের অভিশংসনের বিচার বিলম্ব করার প্রস্তাব

নিবিড় আমীন

ট্রাম্পের অভিশংসনের বিচার বিলম্ব করার প্রস্তাব

ট্রাম্প পক্ষকে প্রস্তুতির সময় দিতে অভিশংসনের বিচার আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিলম্ব করার প্রস্তাব দিয়েছেন সিনেট নেতা মিচ ম্যাককনেল। সামনের দিনগুলোতেই ডেমোক্রেট সহকর্মীদের সঙ্গে  এই বিষয়ে আলোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি।

এদিকে, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বের প্রথম দিনেই বহুল প্রত্যাশিত অবৈধ অভিবাসীদের বৈধতা প্রদান সংক্রান্ত প্রস্তাবটি কংগ্রেসে পাঠিয়ে দিয়েছেন জো বাইডেন। একইসঙ্গে দিয়েছেন করোনা মোকাবিলায় আরো ১০টি পদক্ষেপের ঘোষণা।

ট্রাম্প প্রশাসনের অপশাসনে ক্ষতিগ্রস্ত যুক্তরাষ্ট্রকে পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে প্রথম দিনই কাজে লেগে পড়েছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সাবেক রাষ্ট্রপতির অ-আমেরিকান বিধি বাতিলে স্বাক্ষর দিয়েছেন ১৭টি নির্বাহী আদেশে। কংগ্রেসে পাঠিয়েছেন বহুল প্রত্যাশিত অবৈধ অভিবাসীদের বৈধতা প্রদানের প্রস্তাব। এ বিষয়ে শিগগির ব্রিফিং করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন: সবার আগে টিকা পাওয়ার অধিকার ডা. জাফরুল্লাহর

এছাড়াও করোনা মোকাবিলায় টিকাদান কর্মসূচিতে গতিবৃদ্ধিসহ ১০টি পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন বাইডেন। পরিকল্পনাগুলো রাজনৈতিক নয় বরং বিজ্ঞানসম্মত বলেই মন্তব্য করেছেন নতুন প্রেসিডেন্ট।

তিনি জানান, বাস্তয়বায়নে কয়েকমাস লাগলেও ঐক্যবদ্ধ থাকলে ভাইরাস মোকাবিলা সম্ভব।

জো বাইডেনের একতার ডাককে গ্রহণ করতে মার্কিনিদের প্রতি সম্মিলিতভাবে এক ভিডিওতে আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক তিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, জর্জ ডব্লিউ বুশ ও বারাক ওবামা।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রথম দিনই ট্রাম্পের মুসলিম নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেন বাইডেন

অনলাইন ডেস্ক

প্রথম দিনই ট্রাম্পের মুসলিম নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেন বাইডেন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রথমদিনই ১৫টি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন জো বাইডেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো ‘মুসলিম নিষেধাজ্ঞা’ প্রত্যাহার। 

এর আগে ১৩টি মুসলিম দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমন সিদ্ধান্তে নিন্দার ঝড় বয়ে যায় বিশ্বজুড়ে। ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ে ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ আরো কয়েকটি দেশ।

ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি।

তবে জো বাইডেন ক্ষমতা গ্রহণের প্রথমদিনই ‘মুসলিম নিষেধাজ্ঞা’ বাতিলের জন্যে নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন।

এ ছাড়া বাইডেন যেসব নির্বাহী আদেশে সই করেছেন সেগুলোর মধ্যে অন্যতম করোনা মোকাবিলায় ফেডারেল এলাকা ও ফেডারেল কর্মীদের জন্য মাস্ক পরায় বাধ্যবাধকতা ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা, নতুন অভিবাসন নীতি, প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে ফিরে আসা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় (ডব্লিউএইচও) পুনরায় যোগ দেওয়া।

ক্ষমতাগ্রহণের আগে থেকেই করোনা মোকাবিলায় ট্রাম্প প্রশাসনের চেয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছিলেন বাইডেন। এরই অংশ হিসেবে মহামারিতে বিভিন্ন কাজ সমন্বিত করার জন্য একটি কার্যালয় করবে বাইডেন প্রশাসন। এ ছাড়া ডব্লিউএইচও থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে আসার বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপ বাতিল করছেন বাইডেন। ফলে পুনরায় ডব্লিউএইচওর সঙ্গে যোগ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টিয়ে অনেক গুরুত্ব দিচ্ছে বাইডেন প্রশাসন। আর সেজন্যই প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফিরে যাওয়ার পদক্ষেপ নিয়েছেন বাইডেন। এর আগে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে সরে এসেছিল ট্রাম্প প্রশাসন।

স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার দুপুরে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের কাছে শপথবাক্য পাঠ করেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। আর ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস শপথ নিয়েছেন বিচারপতি সোনিয়া সোটোমেওরের কাছে। সংবাদমাধ্যম সিএনএন ও এনবিসি এ খবর জানিয়েছে।

নজিরবিহীন নিরাপত্তার মধ্যে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। প্রথা ভেঙে নতুন প্রেসিডেন্টের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দেননি বিদায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্প। শপথের আগেই হোয়াইট হাউস ছেড়ে ফ্লোরিডায় পাড়ি জমান তিনি।

শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, বিল ক্লিনটন ও জর্জ ডব্লিউ বুশ। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সাবেক ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। ট্রাম্প না থাকলেও বাইডেনের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স।

এর আগে হোয়াইট হাউজে দেওয়া অভিষেক ভাষণে পূর্বসূরী ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ কিংবা ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির মর্মমূলে আঘাত হানেন বাইডেন। দরিদ্র শ্বেতাঙ্গ আমেরিকানদের ভোট জিততে বিভক্তির সূত্রে ট্রাম্প তাদের বিপরীতে শত্রু হিসেবে দাঁড় করিয়েছিলেন মুসলিম অভিবাসী আর মেক্সিকানদের। শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যের সেই বিদ্বেষী রাজনীতিকে চ্যালেঞ্জ করে বাইডেন বলেছেন, আমেরিকার ইতিহাসে বারবার বিভক্তির বিপরীতে ঐক্য জিতেছে। আজ জানুয়ারির এই দিনে আমার সমস্ত আত্মাজুড়ে রয়েছে: আমেরিকাকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে, আমাদের জনগণের ঐক্য গড়তে হবে আর জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে।’ সূত্র: আল জাজিরা, সিএনএন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ফায়দাভিত্তিক রাজনীতি নিরপেক্ষ নির্বাচনের বাধা

প্লাবন রহমান

" width="500" height="281" allowfullscreen="">

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিরপেক্ষ হওয়ার ক্ষেত্রে ফায়দাভিত্তিক রাজনীতিকেই অন্যতম বাধা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। একইসঙ্গে-সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সদিচ্ছার অভাবকেও দায়ি করছেন তারা। মূলত এই দুই কারণেই নির্বাচনে এখনও সহিংসতা হচ্ছে বলে মত তাদের। এক্ষেত্রে- স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় না নির্দলীয় হওয়া উচিৎ, তা নিয়ে দ্বিমত আছে পর্য বেক্ষকদের।

সবচেয়ে দুর্বল যেসব পাসওয়ার্ড

শীর্ষে ম্যানইউ

ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন – এই পাঁচ ধাপে বিভক্ত  দেশের স্থাণীয় সরকার ব্যবস্থা। আগে স্থাণীয়  সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হলেও- আইন পরিবর্তনের মাধ্যমে এখন এসব নির্বাচন হচ্ছে দলীয়ভাবে। 

চলমান পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনের প্রেক্ষাপট বলছে-ভোটে মানুষের লাইন বড় হলেও-সহিংসতা উল্লেখ করার মত। নির্বাচনের আগে – পরে ঘটছে প্রার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ-রক্তপাত। বিজয়ী প্রার্থী হত্যাকাণ্ডের ঘটনাও ঘটেছে। দল মনোনীত প্রার্থীর বাইরে স্থানীয় এসব নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে বিদ্রোহী প্রার্থী। এমন বাস্তবতায়-স্থাণীয় সরকারে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার  দাবি উঠছে। 


নির্বাচন পর্বেক্ষকদের মতে-নির্বাচন কমিশন, ক্ষমতাসীন দল ও সরকারের সদিচ্ছা এবং অন্যান্য দলগুলোর শক্তিশালী অংশগ্রহনেই হতে পারে একটি ভালো নির্বাচন। তবে-স্থাণীয় সরকারের নির্বাচন ব্যবস্থার ভাল-মন্দ নিয়ে মতবিরোধ আছে বিশ্লেষকদের মধ্যে।  

তাদের মতে-যেকোনো ভোটে নির্বাচন কমিশনের শক্ত পদক্ষেপ অত্যন্ত  জরুরি। যতদিন তা না হবে-ততদিন সুষ্ঠু, গ্রহনযোগ্য এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন দুরাশা হয়েই থাকবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের নীতি বদলাতে সময় নিচ্ছেন না বাইডেন

অনলাইন ডেস্ক

ট্রাম্পের নীতি বদলাতে সময় নিচ্ছেন না বাইডেন

শুরু হলো বাইডেন অধ্যায়, পরিবর্তন সূচিত হলো যুক্তরাষ্ট্রে। ক্ষমতায় এসেই সাবেক রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত বদলাতে এক গুচ্ছ নির্বাহী আদেশের কথা জানালেন নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এর মাধ্যমেই শুরু হলো স্বদেশকে বিশ্ব নেতৃত্বের আসনে নেয়ার লক্ষ্যে তার পথচলা। 

যুক্তরাষ্ট্রের হারানো গৌরবকে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়েই ৫৯ তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছিলেন জো বাইডেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণের সময়েও করলেন সকল অভদ্র যুদ্ধ অবসানের অঙ্গীকার। আর হোয়াইট হাউজে ঢুকেই বুঝিয়ে দিলেন, ট্রাম্পের নীতি পাল্টে দিতে বিন্দুমাত্র বিলম্বেও রাজি নন তিনি।

সবচেয়ে দুর্বল যেসব পাসওয়ার্ড

শীর্ষে ম্যানইউ

নির্বাহী আদেশ স্বাক্ষরের দিক থেকে ট্রাম্প ও বারাক ওবামাকেও পেছনে ফেলে দিয়েছেন ৪৬ তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। শপথ গ্রহণের দুই সপ্তাহে ৮টি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন ট্রাম্প। ৯টিতে সই করেছিলেন বারাক ওবামা। আর ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সামনে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য বাইডেন প্রথম দিনেই সই করেন ১৫টি নির্বাহী আদেশ ও দুটি দাফতরিক নথিতে।

যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে মাস্ক বাধ্যতামূলক সংক্রান্ত নির্বাহী আদেশে সই করেছেন বাইডেন। শুরু করেছেন প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে ফিরিয়ে আনার কাজ। এছাড়াও নির্বাহী আদেশগুলোতে ট্রাম্পের অভিবাসন সংক্রান্ত নীতিমালা বাতিলসহ মুসলিম দেশ থেকে ভ্রমণের ওপর জারি করা নিষেধাজ্ঞা বাতিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের যে প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন ট্রাম্প, তা থামাতেও পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাইডেন।

এদিকে, হোয়াইট হাউজ ছাড়ার আগে বাইডেনকে লেখা ট্রাম্পের চিঠিটি উদার ভাষার ছিল বলে তথ্য দিয়েছে সিএনএন। তবে এই বিষয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা না বলে মুখ খুলবেন না বলেই জানিয়েছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রপতি।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর যাকে বরখাস্ত করলেন বাইডেন!

অনলাইন ডেস্ক

প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর যাকে বরখাস্ত করলেন বাইডেন!

আমেরিকার ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জো বাইডেন। বুধবার শপথ গ্রহণের পরই ক্ষমতা প্রয়োগ শুরু করেছেন তিনি। শপথ গ্রহণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিদায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেওয়া বেশ কিছু নীতি নির্বাহী আদেশে পাল্টে দিয়েছেন তিনি। ইতোমধ্যে তিনি স্বাক্ষর করেছেন ১৫টি নির্বাহী আদেশে। এছাড়া শপথ নিয়েই হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করলেন। খবর সিএনএন এর।

এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে নতুন কর্মকর্তাদের প্রতি সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি। কোনো অসদচারণ সহ্য করা হবে না জানিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে বাইডেন বলেন, আপনি যদি আমার সঙ্গে কাজ করছেন এবং আমি শুনতে পেয়েছি যে আপনি অন্য সহকর্মীর প্রতি অসম্মানজনক আচরণ করছেন, কাউকে খাটো করে কথা বলছেন, সাথে সাথেই আমি তাকে বরখাস্ত করব।


মুসলিম দেশগুলোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল বাইডেন


উল্লেখ্য, গৃহস্থালি কর্মকাণ্ড দেখভালের দায়িত্ব থাকা হোয়াইট হাউসের চিফ উশার তিমোথি হারলেথকে বরখাস্ত করেছেন বাইডেন। ২০১৭ সালে সেই পদে তিমোথিকে নিয়োগ দিয়েছিলেন সদ্য সাবেক ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। তিমোথি ছিলেন মূলত সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড  ট্রাম্পের প্রতিষ্ঠান ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল হোটেলের রুম ম্যানেজার। তিনি ওবামা প্রশাসনের অ্যাঞ্জেলা রিডের স্থলাভিষিক্ত হন।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর