নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দাখিল

নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দাখিল

অর্থ লুটপাটের অভিযোগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদাসহ ইসির ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দাখিল করেছেন সুপ্রিমকোর্টের ১০ আইনজীবী। 

বৃহস্পতিবার সকালে দুদক চেয়ারম্যানের কাছে অ্যাডভোকেট শিশির মুহাম্মদ মনিরসহ সুপ্রিমকোর্টের ১০ আইনজীবী অভিযোগ দাখিল করেন। 

বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন শিশির মুহাম্মদ মনির। 

অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রশিক্ষণ দেয়ার নাম করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ও নির্বাচন কমিশনের নীতিমালার বাইরে গিয়ে ৭ কোটি ৪৭ লাখ ৫৭ হাজার টাকা খরচসহ সরকারি অর্থের ক্ষতি করা হয়েছে।


আরও পড়ুন: নুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ-অপহরণ মামলার প্রতিবেদন আবারও পেছালো


উল্লেখ্য, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান ইসির বিরুদ্ধে গুরুতর অসদাচরণ, আর্থিক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ আনেন ৪২ বিশিষ্ট নাগরিক। তারা এ ব্যাপারে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠণের মাধ্যমে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে ১৪ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছে লিখিত দাবি জানান। এ বিষয়ে সরাসরি কথা বলার জন্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়ে অনুরোধও জানিয়েছেন তারা।

এর পর ওই বিশিষ্টজনরা ১৯ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়টি প্রকাশ করেন। সেখানে বলা হয়, বর্তমান ইসি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে বিভিন্নভাবে গুরুতর অসদাচরণে লিপ্ত। তারা গুরুতর আর্থিক দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, যা অভিশংসনযোগ্য অপরাধ।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর শোক

অনলাইন ডেস্ক

এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর শোক

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। 

বৃহস্পতিবার (০৪ মার্চ) এক শোক বার্তায় তিনি মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম-এর মৃত্যুতে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মোঃ ফজলে রাব্বী মিয়া এবং চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্ব পালন করা এইচ টি ইমাম ২০১৪ সাল থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

আরও পড়ুন:


এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে ওবায়দুল কাদেরের শোক

বিতর নামাজে দোয়া কুনুতের গুরুত্ব, উচ্চারণ ও অনুবাদ

নামাজের মধ্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ওয়াজিব ১৪টি কাজ

এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক


১৯৭১ সালে পাকিস্তান সরকারের চাকরিতে থাকা অবস্থায় পাকিস্তানের প্রতি আনুগত্য ত্যাগ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন এইচ টি ইমাম। পরবর্তীতে, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মন্ত্রিপরিষদ সচিব হন তিনি।

এর আগে বুধবার (০৩ মার্চ) দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এইচ টি ইমাম।

মৃত্যুকালে হোসেন তৌফিক ইমামের বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি কিডনির জটিলতাসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। তাকে অসুস্থ অবস্থায় গত ৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সিএমএইচে ভর্তি করা হয়েছিল।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক

অনলাইন ডেস্ক

এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (০৩ মার্চ) রাতে আলাদা বার্তায় তারা এ শোক প্রকাশ করেন।

শোক বার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে এইচ টি ইমামের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি স্বাধীনতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশে আজীবন কাজ করে গেছেন। সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে সদ্য স্বাধীন দেশে সরকার পরিচালনায় তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।

জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনায়ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতাকে হারালো। রাষ্ট্রপতি মরহুম এইচ টি ইমামের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

আরও পড়ুন:


এইচ টি ইমাম আর নেই

এশিয়ায় বিস্ময়কর ‘ডিজিটাল লিডার’ বাংলাদেশ

১২ তলা থেকে পড়েও বেঁচে আছেন তিন বছরের শিশু (ভিডিও)

তৃতীয় দফা করোনা টেস্টেও তামিমরা নেগেটিভ


উল্লেখ্য, বুধবার (০৩ মার্চ) দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এইচ টি ইমাম।

মৃত্যুকালে হোসেন তৌফিক ইমামের বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি কিডনির জটিলতাসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। তাকে অসুস্থ অবস্থায় গত ৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সিএমএইচে ভর্তি করা হয়েছিল।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এইচ টি ইমাম আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক

এইচ টি ইমাম আর নেই

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বীর মুক্তিযোদ্ধা উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম আর নেই। বুধবার দিবাগত রাত ১ টার দিকে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি....রাজিউন)।

এইচ টি ইমাম দীর্ঘদিন ধরেই কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে অসুস্থতা বাড়লে তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। 

২০১৪ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন হোসেন তৌফিক ইমাম।  তিনি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এইচ টি ইমাম নামেই বেশি পরিচিত।  ১৯৩৯ সালে জন্মগ্রহণকারী সাবেক এ সরকারি কর্মকর্তার বর্তমান বয়স ৮২ বছর।


পাপুলের আসনে উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

বিক্রি হওয়া সেই শিশু ফিরে পেলেন মা

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সৌন্দর্য

১২ তলা থেকে পড়েও বেঁচে আছেন তিন বছরের শিশু (ভিডিও)


১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তিনি অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম ক্যাবিনেট সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ এর পর তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে ক্যাবিনেট সচিবের দায়িত্ব পালন করতে থাকেন। ১৯৭৫-এর ২৬ আগস্ট পর্যন্ত তিনি ক্যাবিনেট সচিবের পদে নিযুক্ত ছিলেন। 

১৯৭৮ থেকে ১৯৮৪ পর্যন্ত সাভারের লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৬ পর্যন্ত তিনি সড়ক এবং যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব-এর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬ থেকে ১৯৮৭ পর্যন্ত পরিকল্পনা সচিবের পদে নিযুক্ত ছিলেন। তিনি পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। 

তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  শোক বার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে ও স্বাধীন বাংলাদেশ পরিচালনায় তার অবদান ছিল স্মরণীয়। দেশের নির্বাচন পরিচালনাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এইচ টি ইমাম। তার মৃত্যুতে আওয়ামী লীগের অপূরণীয় ক্ষতি হলো। 

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এশিয়ায় বিস্ময়কর ‘ডিজিটাল লিডার’ বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক

এশিয়ায় বিস্ময়কর ‘ডিজিটাল লিডার’ বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘নিউজউইক’ এ বুধবারে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের একটি প্রবন্ধ ছাপা হয়েছে। তার শিরোনাম হল ‘বাংলাদেশ: এ সারপ্রাইজ ডিজিটাল লিডার ইন এশিয়া’

প্রবন্ধটি তুলে ধরা হলো-

এক দশকেরও বেশি আগে বাংলাদেশ ঘোষণা করেছিল, প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী বা ২০২১ সালের মধ্যে প্রযুক্তিতে অগ্রগামী দেশ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলবে। আমরা যে এটা করতে পারব তা খুব বেশি মানুষ বিশ্বাস করেনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে যখন দায়িত্ব নিলেন তখন দেশের মাত্র ২ কোটি মানুষের হাতে মোবাইল ফোন ছিল। অথচ এখন কমপক্ষে ১২ কোটির বেশি বাংলাদেশির হাতে মোবাইল ফোন এবং লাখ লাখ মানুষের কাছে উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ আছে, এমনকি প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত। ফলে জীবন উন্নত ও নিরাপদ হয়েছে দেশের অগণিত মানুষের।

২০০৯ সালে উচ্চাভিলাষী ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয় দ্রুত সেবা দেওয়া, কাগজভিত্তিক সরকারি সেবাকে ইন্টারনেট এবং স্মার্টফোনভিত্তিক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে সহজ করে তোলার লক্ষ্যে। ই-সিগনেচার ও ইলেকট্রনিক ফাইলিং ব্যাপকভাবে চালু করা হয়।

সরকার সারাদেশে ৮৫০০ ডিজিটাল সেন্টারের একটি নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করেছে, যার মাধ্যমে জন্ম থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত সব ধরনের সেবা অনলাইনে দেওয়া হচ্ছে। জন্ম নিবন্ধন, চাকরি প্রাপ্তি ও অনলাইনে স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি অনেক সহজ হয়েছে। অনেক জাতীয় কর্মসূচি এখন অনলাইনে চলে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে গত বছর লকডাউন দেওয়া হয়, তখনও সরকারি সেবায় কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।

নতুন একটি ওয়েবসাইট ব্যবহার করে আদালতের কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। কৃষিভিত্তিক একটি পোর্টাল থেকে কৃষকরা আবহাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ আপডেট ও অন্যান্য তথ্য পাচ্ছেন। কোভিড-১৯ সম্পর্কিত তথ্য সাধারণ নাগরিকদের মোবাইলের মাধ্যমে জানানো হচ্ছে।

বাংলাদেশে চালু করা হয়েছে বিশ্বের অন্যতম সরকারি পোর্টাল, যার মাধ্যমে প্রায় সব ধরনের সরকারি সেবা পাওয়া যায়। বাংলাদেশের লক্ষ্য হলো- সরকারি শতকরা ৮৫ সেবা স্মার্টফোনের মাধ্যমে নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। শতকরা ১০ ভাগ সেবা পৌঁছে যাবে তাদের ঘরের দরজায়। আর বাকি শতকরা সেবা পেতে মানুষকে সরকারি অফিসগুলোতে যেতে হবে।

পাসপোর্ট পাওয়া থেকে শুরু করে ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনসহ সবকিছুই পাওয়া যায় অনলাইনে। এ সফলতার একটি মূল উপাদান মোবাইল ফোন। বাংলাদেশে চালু করা হয়েছে টোল-ফ্রি জাতীয় জরুরি সেবা হেল্পলাইন ৯৯৯- দুর্ঘটনা, সাইবারক্রাইমসহ যে কোনো অপরাধ, নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা, অগ্নিকাণ্ড এবং জরুরি চিকিৎসা সেবায় নাগরিকরা এটি ব্যবহার করেন।

ধন্যবাদ সম্মিলিত জাতীয় ডিজিটাল স্বাস্থ্য কৌশলের প্রতি। টেলিমেডিসিন এখন শুধু সম্ভবই নয়, একটি সাধারণ বিষয়, বিশেষ করে অনগ্রসর গ্রামীণ এলাকায়। এ কর্মসূচি মৌলিক স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে থাকে, যা একটি সুস্থ জাতি গঠনে নেতৃত্ব দেয়। এ ছাড়া সরকার আরও বেশি জবাবদিহিমূলক ও দায়িত্বশীল হয়ে উঠেছে। সরকারি সেবা বা পণ্য সম্পর্কে অনলাইনে অভিযোগ জমা দেওয়া যায় সহজেই।

ব্যাপক সংযুক্তি দেশের অর্থনীতি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করছে। দক্ষ ও ডিজিটাল জ্ঞানসম্পন্ন কর্মশক্তি গড়ে তোলার জন্য নেওয়া হয়েছে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের পুরো শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছে এবং প্রতি বছর ৫ লাখ গ্র্যাজুয়েট কর্মী তৈরি হচ্ছে। শুধু গত বছর তথ্যপ্রযুক্তি পেশায় এসেছেন কমপক্ষে ৬৫ হাজার মানুষ।

ডিজিটাল সেন্টারগুলোই কর্ম সৃষ্টির নিয়ামক। প্রতিটি কেন্দ্রে তিনটি পদের মধ্যে কমপক্ষে একজন নারী। দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের বয়স ২৫ বছরের নিচে। ফলে বাংলাদেশ হলো সাইবার কর্মীদের জন্য এক উর্বর ক্ষেত্র। এই সুযোগ নিতে ঝাঁপিয়ে পড়ছে যুব সমাজ। অতীতে তাদের বেশিরভাগই নিজেদের পারিবারিক প্রতিষ্ঠানের বাইরে জীবন বেছে নেওয়ার কথা কল্পনাও করতেন না। কিন্তু বর্তমানে তরুণ বাংলাদেশিরা ক্রমবর্ধমান হারে শহরমুখো, গতিশীল এবং নতুন অর্থনীতিতে প্রবেশ করতে প্রস্তুত।

ডিজিটালাইজেশন থেকে দারুণ সুবিধা পাচ্ছে বাংলাদেশ। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ প্রবর্তনের পর থেকে এ পর্যন্ত ১৩ লাখের বেশি প্রযুক্তি পেশাদার কাজে যুক্ত হয়েছেন। আছেন ১০ হাজারের বেশি প্রযুক্তিবিষয়ক উদ্যোক্তা। সবমিলে, বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সেবা থেকে প্রতি বছর কমপক্ষে ১০০ কোটি ডলারের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আনছেন। এ ছাড়া সাশ্রয় হচ্ছে ২০০ কোটি ঘণ্টা সময়, ৮০০ কোটি ডলার এবং সরকারি অফিসে ১০০ কোটি বার যাওয়া।

আক্ষরিক অর্থেই বাংলাদেশ ঊর্ধ্বপানে ছুটে চলেছে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ প্রথম যোগাযোগবিষয়ক স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ করে। এই স্যাটেলাইট নানাবিধ টেলিযোগাযোগ সেবা দেওয়ার মাধ্যমে আমাদের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে।

এক বিস্ময়কর আরোহণ!

২০০৮ সালে বাংলাদেশের বার্ষিক অভ্যন্তরীণ জাতীয় প্রবৃদ্ধির (জিডিপি) হার ছিল শতকরা প্রায় ৫ ভাগ। কিন্তু বর্তমানে এটা শতকরা ৮ ভাগের ওপরে। সহজলভ্য উচ্চমাত্রার যোগাযোগ ব্যবস্থা এই প্রবৃদ্ধিতে বড় অবদান রেখেছে।

প্রধানমন্ত্রী হাসিনার অধীনে বাংলাদেশ অনেক কিছু অর্জন করেছে। তবে তার কোনোটিই বাংলাদেশের ইন্টারনেট যুগের নাটকীয় অগ্রগতির চেয়ে বেশি চমকপ্রদ নয়। এমনকি এখন আমরা আমাদের ডিজিটাল বিশেষজ্ঞদের রফতানি করছি।

এশিয়ায় আমাদের প্রতিবেশী মালদ্বীপ, ভুটান ও শ্রীলঙ্কায় ডিজিটালাইজেশনের কাজে সহায়তা করছেন বাংলাদেশি প্রশিক্ষকরা। এটা যে সম্ভব মাত্র এক দশক আগে কেউ তা চিন্তাও করতে পারতেন না।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিমান বহরে এখন ২১ উড়োজাহাজ

লাকমিনা জেসমিন সোমা

বিমান বহরে এখন ২১ উড়োজাহাজ

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে আরেকটি নতুন ড্যাশ ৮-৪০০ উড়োজাহাজ ‘শ্বেতবলাকা’।

কানাডার উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডি হ্যাভিল্যান্ড-এর তৈরি করা ড্যাশ-৮ মডেলের প্লেনটি ০৫ মার্চ শুক্রবার বিকেলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।

উড়োজাহাজটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার পর এভিয়েশন ফ্যানফেয়ারের অংশ হিসেবে ওয়াটার ক্যানন স্যালুট দিয়ে স্বাগত জানানো হবে।


সবইতো চলছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন ঈদের পরে খুলবে: নুর

আইন চলে ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছেমত: ভিপি নুর

রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

৭৫০ মে.টন কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবি, শুরু হয়নি উদ্ধার কাজ


এর আগে কানাডার প্রখ্যাত উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডি হ্যাভিল্যান্ড বোম্বার্ডিয়ার অ্যারোস্পেস থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবে উড়োজাহাজটি।

বাংলাদেশ ও কানাডা সরকারের মধ্যে জিটুজি ভিত্তিতে কেনা তিনটি ড্যাশ-৮ প্লেনের প্রথমটি ২৭ ডিসেম্বর ২০২০ ও দ্বিতীয় উড়োজাহাজটি ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১ বিমান বহরে যুক্ত হয়।

উল্লেখ্য, এই উড়োজাহাজের নামকরণ করেছেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধার সমম্বয়ে তৈরি উড়োজাহাজটিতে আসন রয়েছে ৭৪টি। উড়োজাহাজটি বিমান বহরে যুক্ত হওয়ার ফলে বিমান তার অভ্যন্তরীণ ও স্বল্প দূরত্বের রুটে ফ্লাইট ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধি করবে ফলে এই রুটেগুলোতে বিমান তাঁর যাত্রীদের আরও উন্নত সেবা দিতে সক্ষম হবে।

বর্তমানে বিমান বহরে বিদ্যমান মোট উড়োজাহাজের সংখ্যা ২০টি। এর মধ্যে চারটি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর, চারটি বোয়িং ৭৮৭-৮, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯, ছয়টি বোয়িং ৭৩৭ এবং চারটি ড্যাশ ৮-৪০০ উড়োজাহাজ। তৃতীয় ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজটি বিমান বহরে যুক্ত হবার ফলে উড়োজাহাজের সংখ্যা হবে ২১টি।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর