দোয়া করতে মেনে চলুন এ ১০ আদব

অনলাইন ডেস্ক

দোয়া করতে মেনে চলুন এ ১০ আদব

মানবজীবনের সকল অপরিহার্য অনুষঙ্গ বিষয়াদি আল্লাহ তায়ালাই পুরা করে থাকেন। আমাদের পার্থিব পরলোকিক জীবনের সকল চাওয়া-পাওয়া একমাত্র আল্লাহ তাআলার কাছে। তাই আমরা আমাদের সমস্ত চাওয়া-পাওয়া আশা-আকাঙ্ক্ষা সবকিছুই মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে দোয়ার মাধ্যমে হাসিল করে থাকি। 

দোয়া এমন একটি ইবাদত যা একদিকে বান্দার দীনতা, হীনতা, অক্ষমতা ও বিনয়ের প্রকাশ ঘটায়, অপরদিকে আল্লাহর বড়ত্ব, মহত্ব, সর্বব্যাপী ক্ষমতা ও দয়া-মায়ার প্রতি সুগভীর বিশ্বাস গড়ে তুলে। 

প্রত্যেকটি কাজের নিয়ম-শৃঙ্খলা রয়েছে। আর দোয়া একটি ইবাদত তাই এরও কিছু নিয়ম-শৃঙ্খলা আদব কানুন রয়েছে। 

তাই আসুন আমরা জেনে নেই দোয়ার বিশেষ ১০টি আদব-
(১) দু’হাত বুক পর্যন্ত উঠান। (আদ্দাওয়াতুল কাবির নীল বাইহাকী) 
(২) দু’হাতের মধ্যে কিছুটা (ফাঁকা) দূরত্ব রাখা।  (উসওয়ায়ে রসুল-ই-আকরাম)
 (৩) আস্তে আস্তে অর্থাৎ চুপিসারে দোয়া করা। (মুসলিম শরীফ ২ ম খন্ড  ৩৪৬) 
(৪) দোয়া কবুল হওয়ার বিশ্বাস নিয়ে দোয়া করা। (তিরমিজী শরীফ দ্বিতীয় খন্ড ১৮৬ পৃ:)
(৫)দোয়ার আগে এবং পরে হামদ সানা এবং দুরুদ শরীফ পড়া। (তিরমিজী শরীফ,২ খণ্ড, পৃষ্ঠা -১৮৫-১৮৬)
 (৬) প্রত্যেক দোয়াকে তিনবার করে চাওয়া। (তাবরানী ফীল আওসাদ,১, পৃষ্ঠা ২৬০)
(৭) দোয়াতে তাড়াহুড়া না করা। (বুখারী শরীফ, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৯৩৮ )
(৮) উভয় বগল উন্মুক্ত রাখুন। (বুখারী শরীফ, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৯৩৮ )
(৯) মোনাজাতে হাতের আঙুল এবং দু’হাতের তালু আসমানের দিকে রাখা। (মুসনাদে আহমদ খন্ড ৩, পৃষ্ঠা ১৩)
(১০) তারপর দু’হাত চেহারায় ফেরানো (মোছা)। (আবু দাউদ শরীফ খন্ড ১, পৃষ্ঠা ২০৯)

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে দোয়ার আদব রক্ষা করে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে দোয়া করার তাওফীক দান করুক। আমীন।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আল্লাহর কাছে প্রিয় দুটি বাক্য

অনলাইন ডেস্ক

আল্লাহর কাছে প্রিয় দুটি বাক্য

আল্লাহ তাআলার নৈকট্য অর্জনের অন্যতম মাধ্যম জিকির। জিকিরের মাধ্যমেই মানুষের অন্তর পরিশুদ্ধ হয়। শয়তানের ধোঁকা ও প্রতারণা থেকে মুক্তি পায়। আল্লাহর দরবারে মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। মানুষ আল্লাহ তাআলার জিকির বা স্মরণ করবে; সব সময় তার তাসবিহ-তাহলিল তথা প্রশংসা করবে- এমনটিই তার ইচ্ছা। 

তিনি কুরআনে মানুষকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহ তাআলাকে বেশি বেশি স্মরণ কর।’(সুরা আহযাব : আয়াত ১৪)

হাদিসে পাকে প্রিয়নবি জিকির-আজকারের গুরুত্ব ও অসংখ্য ফজিলত বর্ণনা করেছেন। জিকিরের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় তাসবিহ বা জিকিরের বর্ণনাও করেছেন।

ছোট ছোট আমলও কেয়ামতের দিন অনেক মূল্যবান হয়ে যাবে। তাই ছোট কোনো নেক কাজকে অবহেলা করা উচিত নয়। কারণ ইখলাসের সঙ্গে ছোট ছোট কাজই আমাদের এনে দিতে পারে বড় প্রাপ্তি।

কোরআনে কারিমে বলা হয়েছে, ‘সেদিন মানুষ বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে প্রত্যাবর্তন করবে। কারণ, সেদিন তাদের নিজ নিজ কৃতকর্ম দেখানো হবে।

সুতরাং কেউ অণুপরিমাণ সৎকর্ম করে থাকলে, সে তা দেখতে পাবে এবং কেউ অণুপরিমাণ অসৎকর্ম করে থাকলে, তাও দেখতে পাবে। ’ (সুরা জিলজাল, আয়াত : ৬-৮)


পুলিশ হেফাজতে আইনজীবীর মৃত্যু: বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ

ভাসানচরে যাচ্ছে দুই হাজারের বেশি রোহিঙ্গা

‘অসম প্রেমে’ পড়েছেন সাদিয়া ইসলাম মৌ

ব্যানারে নেই বেগম জিয়া, এনিয়ে বিস্তর আলোচনা


হাদিসে ইরশাদ হচ্ছে, “হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,  রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, দুটি বাক্য এমন রয়েছে, যা বলা সহজ, আমলের পাল্লায় অনেক ভারী। আর আল্লাহর কাছেও অধিক পছন্দনীয়। সেটি হলো, সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম। ’ (বুখারি : ৬৪০৬)

(সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি) অর্থাৎ মহান সেই আল্লাহ এবং তারই সকল প্রশংসা। (সুবহানাল্লাহিল আজিম) অর্থাৎ মহান সেই আল্লাহ যিনি সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দেনমোহর পরিশোধ না করে স্ত্রীকে স্পর্শ করা যাবে কি না?

অনলাইন ডেস্ক

দেনমোহর পরিশোধ না করে স্ত্রীকে স্পর্শ করা যাবে কি না?

স্ত্রীকে স্পর্শ করার একমাত্র উপায় হলো বিয়ে সম্পন্ন করা। বিয়ে সম্পন্ন করার শর্ত তিনটি। এক. প্রস্তাব দেওয়া ও কবুল করা, দুই. দেনমোহর দেয়া, তিন. কমপক্ষে দুইজন সাক্ষী থাকা।

দেনমোহর বিয়ের আকদের পর প্রদান করাতে কোন সমস্যা নেই। তবে সহবাসের পূর্বে প্রদান করাই উত্তম। তবে যদি স্ত্রী দেনমোহর প্রদান করা ছাড়াই সহবাসের অনুমতি প্রদান করে তাহলে কোন সমস্যা নেই। বাকি দেনমোহর প্রদান করা ছাড়া প্রথম সহবাসের পূর্বে স্ত্রী বাঁধা প্রদান করতে পারবে। কিন্তু একবার সহবাস হয়ে গেলে আর বাঁধা দিতে পারবে না। কিন্তু স্বামীর জিম্মায় দেনমোহর আদায় না করলে তা ঋণ হিসেবে বাকি থেকে যাবে।

স্ত্রী যদি উক্ত দেনমোহর মাফ না করে, আর স্বামীও তা পরিশোধ না করে, তাহলে কিয়ামতের ময়দানে স্বামীর অপরাধী সাব্যস্ত হবে। তাই দেনমোহরের টাকা পরিশোধ করে দেয়া জরুরী।

وَآتُوا النِّسَاءَ صَدُقَاتِهِنَّ نِحْلَةً ۚ فَإِن طِبْنَ لَكُمْ عَن شَيْءٍ مِّنْهُ نَفْسًا فَكُلُوهُ هَنِيئًا مَّرِيئًا [٤:٤]

আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশীমনে। তারা যদি খুশী হয়ে তা থেকে অংশ ছেড়ে দেয়, তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর। (সূরা নিসা-৪)

فَمَا اسْتَمْتَعْتُم بِهِ مِنْهُنَّ فَآتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ فَرِيضَةً ۚ وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا تَرَاضَيْتُم بِهِ مِن بَعْدِ الْفَرِيضَةِ ۚ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلِيمًا حَكِيمًا [٤:٢٤]

অন্তত তাদের মধ্যে যাকে তোমরা গ্রহণ করবে, তাকে তার নির্ধারিত হক দান কর। তোমাদের কোন গোনাহ হবে না। যদি নির্ধারণের পর তোমরা পরস্পরে সম্মত হও। নিশ্চয় আল্লাহ সুবিজ্ঞ, রহস্যবিদ। (সূরা নিসা-২৪)

আরও পড়ুন:


নামাজের ভিতরের ৭টি ফরজ কাজ জেনে নিন

মেয়েকে কখনো নিজ বাড়িতে, কখনো ঢাকা-চট্টগ্রামে যৌন কাজে পাঠাতেন মা

কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী জানে আলম আর নেই

স্বর্ণের দাম আরও কমল


وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ الْمُؤْمِنَاتِ وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ مِن قَبْلِكُمْ إِذَا آتَيْتُمُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ [٥:٥]

তোমাদের জন্যে হালাল সতী-সাধ্বী মুসলমান নারী এবং তাদের সতী-সাধ্বী নারী, যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তোমাদের পূর্বে, যখন তোমরা তাদেরকে মোহরানা প্রদান কর। (সূরা মায়িদা-৫)

وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ أَن تَنكِحُوهُنَّ إِذَا آتَيْتُمُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ  [٦٠:١٠]

তোমরা, এই নারীদেরকে প্রাপ্য মোহরানা দিয়ে বিবাহ করলে তোমাদের অপরাধ হবে না। (সূরা মুমতাহিনা-১০)

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নামাজের ভিতরের ৭টি ফরজ কাজ জেনে নিন

অনলাইন ডেস্ক

নামাজের ভিতরের ৭টি ফরজ কাজ জেনে নিন

নামাজ প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর ফরজ। সয়ং আল্লাহ তাআলা নামাজ কায়েমে নির্দেশ দিয়েছেন। নামাজ ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ও দ্বিতীয় রুকন। যা প্রাপ্ত বয়স্ক, সুস্থ্য মস্তিষ্কসম্পন্ন মুসলিমদের জন্য আদায় করা ফরজ। নামাজের ভিতরেও রয়েছে সাতটি ফরজ কাজ। জেনে নিন সেই ফরজ কাজগুলো কি?

০১. তাকবিরে তাহরিমা: আল্লাহর মহত্ত্ব প্রকাশ পায় এমন শব্দ দ্বারা নামাজ আরম্ভ করা ফরজ। আর তা হচ্ছে তাকবিরে তাহরিমা তথা আল্লাহু আকবার। যা দ্বারা নামাজের বাহিরের সব ধরণের কাজকে নিষিদ্ধ হয়ে যায়। আল্লাহ বলেন- তোমার প্রতিপালকের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা কর। (সূরা মুদদাসসির: আয়াত ৩)

০২. কিয়াম করা: নামাজের জন্য সোজা হয়ে দাঁড়ানো। আল্লাহ বলেন, তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে বিনীতভাবে দাঁড়াবে। (সূরা বাক্বারা: আয়াত ২৩৮)

০৩. কিরাত পড়া: সূরা ফাতিহার পর সুরা মিলানো। ফরজ নামাজের প্রথম দুই রাকাআতে এবং ওয়াজিব, সুন্নাত ও নফল নামাজের সব রাকাআতে সুরা মিলানোই ফরজ। আল্লাহ বলেন- তোমরা কুরআন থেকে যতটুকু সহজ হয়, ততটুকু পড়। (সূরা মুযযাম্মিল: আয়াত ২০)

০৪. রুকু করা: প্রত্যেক রাকাআতে একবার রুকু করা ফরজ। রুকু হচ্ছে- দাঁড়ানো থেকে অর্ধনমিত হওয়া, যেন দু`হাত হাঁটু পর্যন্ত পৌছে যায়। মাথা এবং পিঠ এক সমান্তরালে চলে আসে। আর বসে নামাজ পড়ার সময়ও ঝুঁকতে হবে, যেন কপাল হাঁটু বরাবর গিয়ে পৌঁছে। আল্লাহ বলেন-তোমরা রুকুকারীদের সঙ্গে রুকু কর। (সূরা বাক্বারা: আয়াত ৪৩)

০৫. সিজদা করা: প্রতি রাকাআতে দু`টি সিজদা করা ফরজ। সিজদার সময় নাক ও কপাল মাটিতে রাখা। আল্লাহ বলেন- হে ঈমানদারগণ! তোমরা রুকু কর এবং সিজদা কর। (সূরা হজ: আয়াত ৭৭)

০৬. শেষ বৈঠকে বসা: নামাজের শেষ রাকাআতে সিজদার পর তাশাহহুদ পড়তে যতটুকু সময় লাগে ততটুকু পরিমাণ সময় বসা (অবস্থান করা) ফরজ। তাশাহহুদ পড়া ওয়াজিব, দরূদ ও দোয়া পড়া সুন্নাত।

০৭. সালাম ফিরানো: সালামের মাধ্যমে নামাজ সমাপ্ত করা ফরজ।

সুতরাং প্রত্যেক মুমিন মুসলমানের উচিত, নামাজের ভিতরের ফরজগুলো যথাযথভাবে আদায়ের মাধ্যমে নামাজ আদায় করা। হে আল্লাহ! সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে সঠিকভাবে নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

news24bd.tv আহমেদ

আরও পড়ুন:


মেয়েকে কখনো নিজ বাড়িতে, কখনো ঢাকা-চট্টগ্রামে যৌন কাজে পাঠাতেন মা

কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী জানে আলম আর নেই

স্বর্ণের দাম আরও কমল

৪৭ কিশোরকে আটক করে ওসি বললেন, সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের রাস্তায় পেলেই ব্যবস্থা


 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সুরা লাহাবের বাংলা অর্থ ও উচ্চারণ

অনলাইন ডেস্ক

সুরা লাহাবের বাংলা অর্থ ও উচ্চারণ

সুরা লাহাব পবিত্র কুরআনের ১১১ নম্বর সূরা। এর আয়াত সংখ্যা ৫ এবং সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। আবু লাহাবের আসল নাম ছিল আবদুল ওয্‌যা। সে ছিল আবদুল মোত্তালিবের অন্যতম সন্তান। 

গৌরবর্ণের কারণে তার ডাক নাম হয়ে যায় আবু লাহাব। কোরআন পাক তার আসল নাম বর্জন করেছে। কারণ সেটা মুশরিকসুলভ। এছাড়া ‘আবু লাহাব’ ডাক নামের মধ্যে জাহান্নামের সাথে বেশ মিলও রয়েছে। 

সে রাসুলুল্লাহ্‌ (সাঃ) - এর কট্টর শত্রু ও ইসলামের ঘোর বিরোধী ছিল এবং রাসুলুল্লাহ্‌ (সাঃ)-কে কষ্ট দেয়ার প্রয়াস পেত। তিনি যখন মানুষকে ঈমানের দাওয়াত দিতেন, তখন সে সাথে সাথে যেয়ে তাকে মিথ্যাবাদী বলে প্রচার করত।

আরবি:

 بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
١  تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ وَتَبَّ 
٢ مَا أَغْنَى عَنْهُ مَالُهُ وَمَا كَسَبَ 
٣ سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبٍ 
٤ وَامْرَأَتُهُ حَمَّالَةَ الْحَطَبِ 
٥ فِي جِيدِهَا حَبْلٌ مِنْ مَسَدٍ 

উচ্চারণ:

‘বিসমিল্লাহ-হির রহমা-নির রাহীম’

ত্বাব্বাত ইয়াদা- আবী লাহাবিউ ওয়া তাব্বা. মা আগনা- 'আনহু মা-লুহু ওয়ামা- কাসাব. ছাইয়াছলা-না-রানযা-তা লাহাবিউ ওয়ামরাআতুহ, হাম্মা- লাতাল হাত্বোয়াব. ফীজী দিহা- হাবলুম মিম মাসাদ. 


রাজশাহীতে চলছে বিএনপির মহাসমাবেশ

করোনায় দেশে আরও ৭ জনের মৃত্যু

বিমানের মধ্যেই মৃত্যু, পাকিস্তানে ভারতীয় বিমানের জরুরি অবতরণ

কুয়েতে দিনার ছিটিয়ে ‘অশ্লীল নাচ’, ৪ বাংলাদেশিকে খুঁজছে দূতাবাস


বাংলায় অনুবাদ:

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
১. আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক এবং ধ্বংস হোক সে নিজে,
২. কোন কাজে আসেনি তার ধন-সম্পদ ও যা সে উপার্জন করেছে।
৩. সত্বরই সে প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে
৪. এবং তার স্ত্রীও - যে ইন্ধন বহন করে,
৫. তার গলদেশে হবে এক খর্জুরের রশি ।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নামাজের পূর্বের ৭টি ফরজ কাজ সম্পর্কে জানুন

অনলাইন ডেস্ক

নামাজের পূর্বের ৭টি ফরজ কাজ সম্পর্কে জানুন

নামাজ আদায় করতে আল্লাহ তাআলা কঠোরভাবে নির্দেশ দিয়েছেন। এটি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ও দ্বিতীয় রুকন। যা প্রাপ্ত বয়স্ক, সুস্থ্য মস্তিষ্কসম্পন্ন মুসলিম পুরুষ ও মহিলার জন্য আদায় করা ফরজ। নামাজ শুরু করার পূর্বে রয়েছে সাতটি ফরজ কাজ।

১. পবিত্রতা অর্জন: সমূদয় অপবিত্রতা থেকে শরীর পবিত্র হওয়া। আল্লাহ বলেন- তোমরা অপবিত্র হলে পাক সাফ হয়ে যাও। (সূরা মায়িদা: আয়াত ৬)

২. পোশাক পবিত্র হওয়া: নামাজের পরিধেয় জামা, পাজামা, টুপিসহ যে সব পোশাক পরিধানে থাকবে তা পবিত্র হওয়া আবশ্যক। অপবিত্র হলে নামাজ হবে না। আল্লাহ বলেন- তোমার পোশাক পবিত্র কর।’ (সূরা মুদ্‌দাসসির: আয়াত ৪)

৩. স্থান পবিত্র হওয়া: নামাজি ব্যক্তি যে স্থানে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়বে, যেখানে হাঁটু ও হাত রেখে সিজদা করবে এসব স্থান অবশ্যই পবিত্র হতে হবে।

৪. আওরাতে সতর: পুরুষের জন্য নাভি থেকে হাঁটু পর্যন্ত এবং মহিলাদের দু’হাতের কবজি, পাদ্বয় এবং মুখমণ্ডল ব্যতিত সমস্ত দেহ ঢেকে রাখা ফরজ। আল্লাহ বলেন- হে বনি আদম! প্রত্যেক নামাজের সময় তোমরা সুন্দর সাজসজ্জা/পরিচ্ছদ পরিধান করে নাও। (সূরা আরাফ: আয়াত ৩১)

আরও পড়ুন:


নামাজের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নকারীদের পরিণতি কী?

বাংলাদেশের মিডিয়া মুক্ত ও সোচ্চার: বিক্রম দোরাইস্বামী

আন্তর্জাতিক ১৩ প্রেস মুশতাক হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্ত চায়: নুর

বিশ্ববাজারে সিমেন্টের কাঁচামালের দাম বেড়ে দ্বিগুণ


৫. সময়মতো নামাজ পড়া: প্রত্যেক ওয়াক্তের সময়ে ঐ নামাজ আদায় করা। আল্লাহ বলেন- নির্ধারিত সময়ে নামাজ কায়ম করা ঈমানদারের জন্য আবশ্যক। (সূরা নিসা: আয়াত ১০৩)

৬. কিবলামুখী হওয়া: নামাজি ব্যক্তি বাইতুল্লাহর দিকে ফিরে নামাজ আদায় করবে। আল্লাহ বলেন- তোমরা (নামাজের সময়) কা’বার দিকে মুখ কর। (সূরা বাক্বারা: আয়াত ১৫০)

৭. নিয়ত করা: রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- আমলের গ্রহণযোগ্যতা নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। (বুখারি)

উপরোক্ত কাজগুলো অবশ্যই করতে হবে। যা বান্দার জন্য ফরজ বা আবশ্যক। হে আল্লাহ! সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে নামাজপূর্ব গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো যথাযথভাবে মেনে নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর