যে দুই সূরা পাঠ করলে সর্বপ্রকার অনিষ্ট হতে রক্ষা পাওয়া যাবে

অনলাইন ডেস্ক

যে দুই সূরা পাঠ করলে সর্বপ্রকার অনিষ্ট হতে রক্ষা পাওয়া যাবে

পবিত্র কোরআনুল কারিমের শেষের দু’টি সূরাকে মুআউবিয়াতায়ন বলে। এ দুই সূরার একটির নাম সূরা ফালাক এবং অন্যটির নাম সূরা নাস।

এই দুই সূরায় মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে। ফালাক ১১৩ নম্বর সূরা, আয়াত সংখ্যা ৫টি, রুকু আছে ১টি। আর সূরা নাস পবিত্র কোরআনের ১১৪তম সূরা। এর আয়াত সংখ্যা ৬টি, রুকু ১টি। এই দুই সূরার মাধ্যমে কোরআন শরিফ শেষ করা হয়েছে।

এই দুই সূরার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আশ্রয় প্রার্থনার কথা বলা হয়েছে। অর্থা‍ৎ প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সব ধরনের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া। আর আল্লাহতায়ালা এই দুই সূরার মাঝে সব অনিষ্ট থেকে হেফাজতের অসীম শক্তি ও প্রভাব রেখেছেন এবং বিভিন্ন হাদিসে এ সূরার ফজিলত উল্লেখ করা হয়েছে। নিচে কিছু ফজিলত উল্লেখ করা হলো।

১. হজরত উকবা ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমার কি জানা নেই আজ রাতে আমার ওপর যে আয়াতগুলো নাজিল হয়েছে এগুলোর মতো কোনো আয়াত দেখাও যায়নি এবং শোনাও যায়নি। আর তা হলো কুল আয়ুজু বি রাব্বিল ফালাক ও কুল আয়ুজু বি রাব্বিন নাস। (সহি মুসলিম হাদিস নং-৮১৪)

২. হজরত উকবা ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, আমি সফরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উটনির পেছনে চলছিলাম, তিনি আমাকে বললেন, হে উকবা: আমি কি তোমাকে পঠিত দু’টি উত্তম সূরা শিখাব না, ফলে তিনি আমাকে শিখালেন কুল আয়ুজু বি রাব্বিল ফালাক ও কুল আয়ুজু বি রাব্বিন নাস। আমার মনে নেই, এ দু’টি সূরা কত বেশি আমাকে আনন্দ দিয়েছে। (আবু দাউদ হাদিস নং-১৪৬২)

৩. হজরত জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, হে জাবের তুমি পড়। আমি বললাম আমার মাতাপিতা আপনার জন্য কোরবান হোক, আমি কি পড়ব। তিনি বললেন, তুমি পড় কুল আয়ুজু বি রাব্বিল ফালাক ও কুল আয়ুজু বি রাব্বিন নাস। ফলে আমি সূরা দু’টি পড়লাম অতঃপর তিনি বললেন, এই দুই সূরা পড়তে থাকবে (কারণ) এই দুই সূরার মতো (অন্য সূরা) সহজে পড়তে পারবে না। (সুনানে নাসাঈ ৮/২৫৪ ও সহি ইবনে হিববান, হাদিস নং-৭৯৬)

আরও পড়ুন:


ফেব্রুয়ারির প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে স্কুল খুলবে : জাকির হোসেন

চার পেসার খেলানো বিদেশে সাফল্য আনবে: শফিকুল হক হীরা

এক পৌরসভায় আওয়ামী লীগের ৭ বিদ্রোহী

তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার নিয়ম


৪. হজরত উকবা ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, আমি বললাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি সূরা ইউসুফ, সূরা হুদ পড়ি। তিনি বললেন হে উকবা! তুমি কুল আয়ুজু বি রাব্বিল ফালাক পড়। কেননা আল্লাহর কাছে অধিক পছন্দ ও পৌঁছার ক্ষেত্রে সহজ অন্য কোনো সূরা পড়ার মধ্যে নেই। যদি সম্ভব হয় তাহলে তোমার থেকে এটা ছুটে না যায়। সুতরাং তুমি এটা পড়তে থাকবে। (মুসতাদরাকে হাকেম ১/৫৪০)

৫. হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি রাতে যখন ঘুমাতে যেতেন, তখন নিজের উভয় হাত এক সঙ্গে মিলাতেন। তারপর উভয় হাতে ফুঁক দিতেন এবং সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক, সূরা নাস পড়তেন। তারপর দেহের যতটুকু অংশ সম্ভব হাত বুলিয়ে নিতেন। তিনি মাথা, মুখমণ্ডল ও শরীরের সামনের অংশ থেকে শুরু করতেন। তিনি এরূপ তিনবার করতেন। (সহি বুখারি ৫০১৭, সুনানে আবু দাউদ : ৫০৫৮, জামে তিরমিজি, হাদিস নং-৩৪০২)

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আল-কুরআনের বাণীকে মেনে নিচ্ছে চিকিৎসা বিজ্ঞান

অনলাইন ডেস্ক

আল-কুরআনের বাণীকে মেনে নিচ্ছে চিকিৎসা বিজ্ঞান

পবিত্র কুরআন এমন একটা গ্রন্থ যার মধ্যে সংক্ষিপ্ত বাক্যে অনেক কিছু বলা হয়। আর এটা কোন বিজ্ঞান গ্রন্থ নয়। এটা ধর্ম গ্রন্থ, কিন্তু পবিত্র কুরআনে বিজ্ঞানের অনেক কিছুর সমাধান পাওয়া যায়, যা বিজ্ঞান স্বীকার করে নিয়েছে এবং কুরআনের কোন আয়াত আজও কেউ ভুল প্রমাণ করতে পারেনি।  এই মহাবিশ্ব যিনি সৃষ্টি করেছেন তার কাছেই রয়েছে সব কিছুর সঠিক সমাধান। দিনে দিনে বিজ্ঞানও কুরআনের বাণীকে মেনে নিচ্ছে। 

চিকিৎসা শাস্ত্র সম্পর্কে পবিত্র কুরআনের দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনার আগে বলে রাখা ভাল যে, আল-কুরআনে চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ দিকনির্দেশনা থাকলেও এটাকে চিকিৎসা শাস্ত্রের বই হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। মহান আল্লাহ্ তায়ালা নিজেই বলেছেন, ‘কুরআন হচ্ছে মানুষের জন্য সরল ও সঠিক পথের নির্দেশক এবং তা পারলৌকিক ও পার্থিব জীবনের কল্যাণ নিশ্চিতকারী গ্রন্থ।

আল-কুরআনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অলৌকিক দিকগুলোর একটি হচ্ছে চিকিৎসা বিজ্ঞান, যা বিশ্বের গবেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। আমরা যদি মনোযোগের সাথে কোরআনের আয়াতগুলো লক্ষ্য করি তাহলে দেখতে পাই, আসমানী এ গ্রন্থে মানুষের দৈহিক ও মানসিক রোগ নিরাময়ের বিষয়টি একইসঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। 

সুরা আর রা'দের ২৮ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘জেনে রাখুন, কেবলমাত্র আল্লাহকে স্মরণের মাধ্যমেই আত্মা প্রশান্তি লাভ করে’।


টাইম ট্রাভেল কুরআনের পথেই হাটছে বিজ্ঞান

মহানবী (সা.) এর বাণীকে সত্য প্রমাণ করল বিজ্ঞান

পবিত্র কোরআন, মানসিক ও আত্মিক সমস্যার সমাধানসূত্রের পাশাপাশি দেহের নানা রোগ নিরাময়ের পথও বাতলে দিয়েছে। ইসলাম ধর্ম রোগ প্রতিরোধের ওপরই সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করেছে।

 কোরআনের বিভিন্ন আয়াত এবং হাদিসে এমন সব দিকনির্দেশনা রয়েছে, যা রোগ প্রতিরোধের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। যেমন, বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, ক্ষুধার্ত না হলে খেতে বসবে না এবং পেট পরিপূর্ণ হবার আগেই খাওয়া শেষ কর।

রাসূল (সাঃ) ও ইমামগণ এমন সব খাদ্যদ্রব্যের নাম উল্লেখ করেছেন, যা ব্যাথা উপশমসহ নানা রোগ থেকে মানুষকে মুক্ত রাখে। একই সাথে কুরআনে এমন অনেক খাদ্য গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। মানুষের মন-মানসিকতার ওপর খাদ্যের প্রভাবের কথাও কুরআনে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। 

সূরা আল-বাকারার ১৬৮ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘হে মানব-জাতি! পৃথিবীতে যা কিছু বৈধ ও পবিত্র খাদ্য আছে, তা হতে তোমরা খাও এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করোনা। নিশ্চয়ই সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু’ । 

মহাগ্রন্থ আল কুরআনে কিছু কিছু খাদ্য ও পানীয়কে হারাম বা অবৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। কারণ, এসব খাদ্য ও পাণীয় মানুষের শরীর ও মনের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। এর মধ্যে মদ, শুকরের গুশত ও মৃত প্রাণীর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

কুরআনে রোগ নিরাময়কারী কিছু খাদ্যের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যা আল্লাহ তায়ালার শক্তি ও সামর্থ্যের বহিঃপ্রকাশও বটে। এছাড়া পবিত্র কুরআনে কিছু ওষুধের কথাও বর্ণনা করা হয়েছে। 

পবিত্র কোরআনের একটি সূরার নাম আন- নাহল বা মৌমাছি। ফুলের মধু আহরণ ও মৌচাক তৈরীসহ মৌমাছির বিভিন্ন কর্মপ্রণালী সম্পর্কে বর্ণনা তুলে ধরে সূরা আন- নাহলের ৬৯ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘ওদের উদর হতে বিবিধ বর্ণ-বিশিষ্ট পানীয় নির্গত হয়ে থাকে, এতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগ-ব্যাধির প্রতিকার’। অর্থাৎ এই আয়াতে মধুর গুণাবলী সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।

আমরা আগে জানতাম মৌমাছি মধু সংগ্রহ করে বিভিন্ন ফুল থেকে অতঃপর তা মৌচাকে মজুদ করে রাখে সরাসরি। আসলে তা নয়, বিজ্ঞান কিছুদিন আগে প্রমাণ করেছে মৌমাছির শরীর থেকে মধু বের হয়। অথচ পবিত্র কোরআন প্রায় সাড়ে ১৪ শ’ বছর আগেই বলে দিয়েছে মধু মৌমাছির শরীর থেকে বের হয়।

পবিত্র কোরআনুল কারিমে ইরশাদ হয়েছে,
  
وَأَوْحَى رَبُّكَ إِلَى النَّحْلِ أَنِ اتَّخِذِي مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا وَمِنَ الشَّجَرِ وَمِمَّا يَعْرِشُونَ
অর্থ: ‘আপনার পালনকর্তা মধু মক্ষিকাকে আদেশ দিলেন: পর্বতগাহ্রে, বৃক্ষ এবং উঁচু চালে গৃহ তৈরি কর। (সূরা: নাহল, আয়াত: ৬৮)।  

ثُمَّ كُلِي مِن كُلِّ الثَّمَرَاتِ فَاسْلُكِي سُبُلَ رَبِّكِ ذُلُلاً يَخْرُجُ مِن بُطُونِهَا شَرَابٌ مُّخْتَلِفٌ أَلْوَانُهُ فِيهِ شِفَاء لِلنَّاسِ إِنَّ فِي ذَلِكَ لآيَةً لِّقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ
অর্থ: এরপর সব প্রকার ফল থেকে ভক্ষণ কর এবং আপন পালনকর্তার উম্মুক্ত পথ সমূহে চলমান হও। তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে।’ (সূরা: নাহল, আয়াত: ৬৯)।

মৌমাছি আমাদের জন্য উৎকৃষ্ট মধু আহরণ করে। প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মধু খেতে খুব ভালোবাসতেন। (শামায়েলে তিরমিজি, হাদিস: ১২১)।

রাসূল (সাঃ) বলেছেন, ‘রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে মধুর মতো এত বেশী কার্যকর আর কোন উপাদান নেই’। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানেও এটা প্রমাণিত হয়েছে যে, মধুর নানা বিশেষত্ব রয়েছে এবং তা রোগ নিরাময়ে ব্যাপক কার্যকর।

পবিত্র কুরআনে চিকিৎসা বিজ্ঞানের আরেকটি দিক সম্পর্কে অত্যন্ত স্পষ্ট বর্ণিত হয়েছে। অঅর তা হলো, শুক্রানু থেকে ভ্রুণ গঠন ও ভ্রুণের বেড়ে ওঠার বিভিন্ন পর্যায়। কুরআনে বর্ণিত এ বিষয়গুলো আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

চৌদ্দ'শ বছরেরও বেশি সময় আগে যখন তৎকালীন সমাজে এ সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারনা বিরাজ করছিল, তখন পবিত্র কুরআন স্পষ্ট ভাবেই ঘোষণা করে যে, শুক্রাণু জরায়ুতে স্থাপিত হয়। সূরা আল-মু'মিনুনের ১২ থেকে ১৪ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আমি মানুষকে মৃত্তিকার উপাদান হতে সৃষ্টি করেছি। অতঃপর আমি তাকে শুক্রবিন্দুরূপে এক নিরাপদ আধারে স্থাপন করি।

 পরে আমি শুক্রবিন্দুকে জমাট রক্তে পরিণত করি, অতঃপর জমাট রক্তকে মাংস পিণ্ডে পরিণত করি এবং মাংস পিণ্ডকে অস্থি-পঞ্জরে, অতঃপর অস্থি-পঞ্জরকে মাংস দ্বারা ঢেকে দেই। অবশেষে আমি তাকে চরম সৃষ্টিতে পরিণত করি, অতএব আল্লাহ মহান, যিনিই মহান সৃষ্টিকর্তা’।

এছাড়া পবিত্র কুরআনে মানুষের সুস্থতার প্রতি ব্যাপক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রোজা তথা সিয়ামের বিধান অন্যতম। মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সিয়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মহানবী (সাঃ) বলেছেন, ‘রোজা রাখুন তাহলে সুস্থ্য থাকবেন’। 

আল্লাহর অহি ব্যতীত আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) দ্বীন বিষয়ে কোন কথা বলেন না (নাজম ৩-৪)। তার যবান দিয়ে কোন মিথ্যা কথা বের হয় না। অতএব হে মানুষ! সব ছেড়ে ইসলাম মুখী হও। কুরআন ও হাদীছ মেনে নাও। দুনিয়া ও আখেরাতে সুখী হও।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নামাজ এবং জামাআত নিয়ে আল্লাহ ও রাসূলের নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক

নামাজ এবং জামাআত নিয়ে আল্লাহ ও রাসূলের নির্দেশনা

আল্লাহর মুমিন বান্দাগণ যদি জামাআতে নামাজ আদায় করেন তবে সে নামাজ কবুল হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। কারণ, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জামাআতে নামাজ পড়ার জোর নির্দেশ দিয়েছেন। তাই জামাআতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব ও অত্যধিক।

নামাজ শব্দের আরবি প্রতি শব্দ হচ্ছে সালাত। যার আভিধানিক অর্থ হচ্ছে দোয়া। আলাহ্ তাআলা বলেন, ‘আর তুমি তাদের জন্য দো’আ করো। নিশ্চয়ই তোমার দোআ তাদের জন্য শান্তি স্বরূপ।’ (সূরা তাওবা : আয়াত ১০৩)

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ فَلْیُجِبْ، فَإِنْ كَانَ صَائِماً فَلْیُصَلِّ অর্থাৎ ‘তোমাদের কাউকে খাবারের দাওয়াত দেয়া হলে সে যেন উক্ত দাওয়াতে উপস্থিত হয়। অতঃপর সে যদি রোজাদার হয়ে থাকে তা হলে সে যেন মেজবানের জন্য বরকত, কল্যাণ ও মাগফিরাতের ‘দোআ’ করে।’ (মুসলিম)

শরীয়তের পরিভাষায় সালাত বলতে এমন এক ইবাদাতকে বুঝানো হয় যা হবে একমাত্র আলাহ্ তাআলার সন্তুষ্টি ও তাঁর সাওয়াবের আশায় এবং যাতে রয়েছে বিশেষ কিছু কথা ও কাজ যার শুরু তাকবির দিয়ে এবং শেষ হবে সালাম দিয়ে। যা আমাদের নিকট নামায নামেই অধিক পরিচিত।

উক্ত নামাজকে সালাত এ জন্যই বলা হয় কারণ, তাতে উভয় প্রকারেরই দোয়া রয়েছে। তার একটি হচ্ছে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে কোনো ফায়েদা হাসিল কিংবা কোন ক্ষতি তথা বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া অথবা যে কোনো প্রয়োজন পূরণের দোয়া। যাকে সরাসরি প্রার্থনা তথা চাওয়া-পাওয়ার দোয়াই বলা হয়। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে ইবাদাতের দোয়া তথা ক্বিয়াম, কিরাত, রুকু’ ও সিজদার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার নিকট সাওয়াবের আশা করা। যার মূল লক্ষ্যও আল্লাহ্ তাআলার মাগফিরাতই হয়ে থাকে।

জামাআতে নামাজ

‘জামাআত’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে কোন জিনিসের আধিক্য। তেমনিভাবে কিছু সংখ্যক মানুষ কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে কোথাও একত্রিত হওয়াকেও ‘জামাআত’ বলে আখ্যায়িত করা হয়। অর্থাৎ জামাআতে নামাজ হচ্ছে আল্লাহর নিকট বান্দার সম্মিলিত দোয়া কবুলের আবেদন।

আরও পড়ুন:


পানির প্রবাহ বেড়েছে ঢাকা উত্তর সিটির ১৪টি খালে

বেশিরভাগ সুপারশপেই নেই গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা

এক যুগেও শেষ হয়নি বিডিআর হত্যার দুই মামলার বিচার

ফেনীতে ফুড কারখানায় ভয়াবহ আগুন


শরীয়তের পরিভাষায় ‘জামাআত’ বলতে নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে দুই বা ততোধিক (ইমাম ও মুক্তাদি) ব্যক্তির মসজিদ অথবা সেরূপ কোনো জায়গায় একই সময়ে একত্রিত হওয়াকে বুঝানো হয়। এবং সবার সম্মিলিত নামাজ তথা দোয়া আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

জামাআতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব সম্পর্কে একটি হাদিস হচ্ছে এই যে, জনৈক অন্ধ সাহাবি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললেন, আমাকে মসজিদে নিয়ে আসার মতো কোনো লোক নেই। তাই আমাকে ঘরে নামায পড়তে অনুমতি দিবেন কি? তিনি তাকে বললেন, তুমি কি আযান শুনতে পাও? সে বললো: জি হাঁ! তিনি বললেন, তাহলে তোমাকে মুয়াজ্জিনের ডাকে সাড়া দিয়ে মসজিদে এসে নামাজ পড়তে হবে।’ (মুসলিম)

মুয়াজ্জিনের ডাকে সাড়া দেয়া মানে যদি শুধু নামায পড়াই হতো, চাই তা যেখানেই পড়া হোক না কেন তা হলে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উক্ত সাহাবিকে তার ঘরে নামায পড়ার অনুমতি চাওয়ার পর আর তাকে আজান শুনার প্রশ্ন ও মুয়াজ্জিনের ডাকে সাড়া দেয়ার আদেশই করতেন না। কারণ, সে তো ঘরে নামায পড়ার অনুমতিই চাচ্ছিলো। সুতরাং আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জামাআতে সহিত নামাজ আদায় করে তাঁর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য অর্জনের তাওফিক দান করুন। আমিন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যে সূরা নিয়মিত পাঠ করলে কখনই দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না

অনলাইন ডেস্ক

যে সূরা নিয়মিত পাঠ করলে কখনই দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না

অন্তিম রোগশয্যায় আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) - এর শিক্ষাপ্রদ কথোপকথন: ইবনে - কাসীর ইবনে আসাকীরের বরাত দিয়ে এই ঘটনা বর্ণনা করেন যে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) যখন অন্তিম রোগশয্যায় শায়িত ছিলেন, তখন আমীরুল মু’মিনীন হযরত ওসমান (রাঃ) তাঁকে দেখতে যান। তখন তাঁদের মধ্যে শিক্ষাপ্রদ যে কথোপকথন হয় তা নিম্নরুপ...

-হযরত ওসমানঃ ما تشتكي আপনার অসুখটা কি?
-হযরত ইবনে মাসউদঃ ذنوبي আমার পাপসমূহই আমার অসুখ৷
-ওসমান গণীঃ ما تشتهي আপনার বাসনা কি?
-ইবনে মাসউদঃ رحمة ربي আমার পালনকর্তার রহমত কামনা করি৷
-ওসমান গণীঃ আমি আপনার জন্যে কোন চিকিৎসক ডাকব কি?
-ইবনে মাসউদঃ الطبيب امرضني চিকিৎসকই আমাকে রোগাক্রান্ত করেছেন৷
-ওসমান গনীঃ আমি আপনার জন্যে সরকারী বায়তুল মাল থেকে কোন উপটৌকন পাঠিয়ে দেব কি?
-ইবনে মাসউদঃ لاحاجة لي فيها এর কোন প্রয়োজন নেই৷
-ওসমান গণীঃ উপটৌকন গ্রহণ করুন৷ তা আপনার পর আপনার কন্যাদের উপকারে আসবে৷
-ইবনে মাসউদঃ আপনি চিন্তা করছেন যে, আমার কন্যারা দারিদ্র ও উপবাসে পতিত হবে৷ কিন্তু আমি এরুপ চিন্তা করি না৷ কারণ, আমি কন্যাদেরকে জোর নির্দেশ দিয়ে রেখেছি যে, তারা যেন প্রতিরাত্রে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠ করে৷

আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ)— কে বলতে শুনেছি,
من قرأ سورةالواقعة كل ليلة لم تصبه فاقة ابدا”
অর্থাৎ, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠ করবে, সে কখনও উপবাস করবে না৷

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতে সূরা ওয়াক্বিয়াহ তেলাওয়াত করবে তাকে কখনো দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না। হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) তাঁর মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে এ সূরা তেলাওয়াত করার আদেশ করতেন। (বাইহাকি: শুআবুল ঈমান-২৪৯৮)

আরও পড়ুন:


বঙ্গবন্ধুর খুনিকে ফেরত চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও অনুরোধ

নিউজিল্যান্ডে পৌঁছেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল

কাদের মির্জার অশালীন ফোনালাপ ফাঁস (অডিওসহ)

ধর্ষণের শিকার নারী-শিশুকে পুনর্বাসনসহ ক্ষতিপূরণ দিতে রুল


সূরা আর রাহমান, সূরা হাদিদ ও সূরা ওয়াকিয়া’র তেলাওয়াতকারীকে কেয়ামতের দিন জান্নাতুল ফিরদাউসের অধিবাসী হিসেবে ডাকা হবে। অন্য এক হাদিসে আছে, সূরা ওয়াকিয়াহ হলো ধনাঢ্যতার সূরা, সুতরাং তোমরা নিজেরা তা পড় এবং তোমাদের সন্তানদেরকেও এ সূরার শিক্ষা দাও। অন্য এক বর্ণনায় আছে: তোমাদের নারীদেরকে এ সূরার শিক্ষা দাও। আম্মাজান হজরত আয়েশা (রা.) কে এ সূরা তেলাওয়াত করার জন্য আদেশ করা হয়েছিল।

তাছাড়া অভাবের সময় এ সূরার আমলের কথাটা তো হাদিস দ্বারাই প্রমানিত। এমনকি বর্ণিত আছে যে হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) কে যখন তার সন্তানদের জন্য একটি দিনারও রেখে না যাওয়ার কারণে তিরস্কার করা হলো তখন তিনি উত্তরে বলেছিলেন, তাদের জন্য আমি সূরা ওয়াকিয়াহ রেখে গেলাম। (ফয়জুল কাদির-৪/৪১)

সুবহানাল্লাহ! মহান রাব্বুল ইজ্জতের পবিত্র কালামের বরকত কত পাওয়ারফুল আপনি-আমি তা অনুধাবন করতে পারি কি? তাই আসুন সকলে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠের এই অতি মূল্যবান আমলটি প্রতিদিন আদায় করার চেষ্টা করি৷ আল্লাহ আমাদের প্রত্যেককে আমল করার তাওফিক দিন। আমীন

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সূরা মূলক পাঠের ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

সূরা মূলক পাঠের ফজিলত

হযরত আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কোরআন পাকে ত্রিশ আয়াতের একটি সূরা আছে,

যা এক ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করেছে, ফলে তাকে মাফ করে দেওয়া হয়েছে। সেই সূরাটি “তাবারাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলক”

(আহমদ, তিরমিযী,আবু দাউদ, নাসাঈ ও ইবনে মাযাহ)

ব্যাখ্যা: (ঐ সূরা সুপারিশ করবে বা করেছে) বাক্যের মধ্যে দুইটা সম্ভাবনা আছে।

প্রথম যে, ঐ বাক্য অতীত কালের খবর দিচ্ছে যে, এক ব্যক্তি সূরা মুলক পড়তেন এবং সূরা মুলকের বহু ইজ্জত-সম্মান করতেন। যখন ঐ ব্যক্তি মারা গেল, তখন ঐ সূরা আল্লাহর কাছে সুপারিশ করে ঐ ব্যক্তির মুক্তির জন্য।

অত:পর আল্লাহ তায়ালা ঐ সূরার সুপারিশ কবুল করেন।

দ্বিতীয় যে, ঐ বাক্য ভবিষ্যৎকালের খবর দিচ্ছে, যে ব্যক্তি ঐ সূরা পাঠ করবে। কিয়ামতের দিন ঐ সূরা আল্লাহর দরবারে ঐ ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করবে। এবং আল্লাহ তার সুপারিশকে কবুল করবেন।

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) একবার নবী কারীম (সা.) এর কোন এক সাহাবী একটি কবরের উপর তাবু খাটালেন। তিনি জানতেন না যে, এখানে একটি কবর আছে। হঠাৎ তিনি দেখেন তার মধ্যে একটি লোক “তাবারাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলক পড়তেছে।


ক্রাইস্টচার্চে পৌঁছেছে টাইগাররা

স্পেনে ঢুকতে অভিবাসীর অভিনব পন্থা

গোয়েন্দাদের ব্যর্থতাতেই ক্যাপিটলে হামলা

মিয়ানমারের ১০৮৬ নাগরিককে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া


এমনকি তা শেষ করে ফেলেছে, অত:পর তিনি নবী কারীম (সা.) এর নিকট আসলেন এবং তাকে এই সংবাদ জানালেন, নবী কারীম (সা.) বললেন, এই সূরাটি হচ্ছে আযাব বাধা দানকারী এবং মুক্তি দানকারী। যা পাঠককে আল্লাহ আযাব হতে মুক্তি দিয়ে থাকে।

(তিরমিযী ইহা নিজেই বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন যে, হাদীসটি গরীব)

ব্যাখ্যা:

যে সাহাবী কবরের উপর তাবু খাটালেন, তিনি মৃত ব্যক্তির সূরা মুলক পড়া শুনলেন জাগ্রত অবস্থায় অথবা ঘুমন্ত অবস্থায়।

জাগ্রত অবস্থায় শুনাটা অগ্রাধিকার যোগ্য। সূরা মুলক আযাব হতে বাধা দানকারী এর উদ্দেশ্য হলো, যে ব্যক্তি এই সূরা পাঠ করবে, ঐ ব্যক্তিকে ঐ সূরা মুক্তি দিবে কবরের আযাব থেকে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সূরা আল- ওয়াক্বিয়া’র গুরুত্ব ও পাঠের ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

সূরা আল- ওয়াক্বিয়া’র গুরুত্ব ও পাঠের ফজিলত

সূরা আল- ওয়াক্বিয়াহ মহাগ্রন্থ আল কোরআনের ৫৬তম সূরা। এই সূরার আয়াত সংখ্যা ৯৬, রুকু আছে ৩টি। সূরা আল-ওয়াকিয়াহ মক্কায় অবতীর্ণ হয়, পারার ক্রম হচ্ছে ৩০। সূরা আল- ওয়াক্বিয়া’র নামের অর্থ, নিশ্চিত ঘটনা।

মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি সূরা ওয়াক্বিয়াহ  পাঠ করবে, সে কখনো ক্ষুধায় কষ্ট ভোগ করবে না।’

এই সূরা পাঠ করলে দরিদ্রতা গ্রাস করতে পারেনা। হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতে সূরা ওয়াক্বিয়াহ তেলাওয়াত করবে তাকে কখনো দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না। হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) তার মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে এ সূরা তেলাওয়াত করার আদেশ করতেন। (বাইহাকি:শুআবুল ঈমান-২৪৯৮)

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতে সূরা ওয়াক্বিয়াহ তিলাওয়াত করবে তাকে কখনো দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না। হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) তাঁর মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে এ সূরা তিলাওয়াত করার আদেশ করতেন। (বাইহাকি: শুআবুল ঈমান-২৪৯৮)

আরও পড়ুন:


নাসির-তামিমার ব্যাপারে সংবাদমাধ্যমে লেখা নিয়ে যা বললেন শবনম ফারিয়া

নীলক্ষেত মোড় অবরোধ

সৈয়দ আবুল মকসুদের জানাজা ও দাফন বুধবার

জীবনে একবারই না বলেছিলেন তিনি


হাদিসে নারীদের এ সূরা শিক্ষা দেয়ার জন্য তাগিদ দেয়া হয়েছে। মা আয়েশা (রাঃ)-কে এ সূরা পাঠের জন্য নির্দেশ করা হয়েছিলো। সূরা ওয়াক্বিয়াহ জুমাবার পড়া যেতে পারে। এছাড়া রাতে পড়ার জন্যে হাদিসে বলা আছে।

সুবহানাল্লাহ! মহান রাব্বুল ইজ্জতের পবিত্র কালামের বরকত কত পাওয়ারফুল আপনি-আমি তা অনুধাবন করতে পারি কি?
তাই আসুন সকলে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠের এই অতি মূল্যবান আমলটি প্রতিদিন আদায় করার চেষ্টা করি। আল্লাহ আমাদের প্রত্যেককে আমল করার তাওফিক দিন। আমীন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর