রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বলেই বেগম জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি দেয়নি: ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বলেই বেগম জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি দেয়নি: ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমান সরকারের একমাত্র রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বলেই বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি দেয়নি সরকার।

আজ দুপুর ১২টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। 

এসময় তিনি আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের বেগম জিয়া সম্পর্কে সংযত হয়ে কথা বলার আহবান জানিয়ে বলেন, তার পায়ের নখের যোগ্যও আপনারা নন।

তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখা এবং বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করাই সরকারের লক্ষ্য। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

স্বাধীনতার মূল শর্ত হচ্ছে বাক, চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা: ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক

স্বাধীনতার মূল শর্ত হচ্ছে বাক, চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা: ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিয়ে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। বাতিল করেন বাকশালী আমলের সব কালাকানুন। বিএনপি বহুমত, পথ ও গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে বারবার অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। বহুমাত্রিকতা বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শ। বারবার অবৈধ স্বৈরাচারী গোষ্ঠীর কবল থেকে গণতন্ত্রকে মুক্ত করেছে বিএনপি।

১৯৭৫ সালের ১৬ জুন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কালো দিবস। এদিন তৎকালীন চরম কর্তৃত্ববাদী একদলীয় বাকশাল সরকার তাদের অনুগত ৪টি সংবাদপত্র সরকারিভাবে প্রকাশ করে এবং বাকিগুলো বন্ধ করে দিয়ে গোটা জাতিকে নির্বাক করে দেয়। বিএনপির ভাষায় বুধবার (১৬ জুন) সংবাদপত্রের কালো দিবস। এ উপলক্ষে এক বাণী দিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন:


বিপদটা এখানেই

ফ্রান্সের কাছে জার্মানির হার

ওমানের কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ


ফখরুল বলেন, এদিন স্বাধীনতার আকাঙ্খা তথা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করা হয়। বিভিন্ন সংবাদপত্রে কর্মরত অসংখ্য সংবাদকর্মী বেকার হয়ে পড়েন। অনিশ্চিত হয়ে পড়ে তাদের রুজি-রোজগার ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল চেতনা ছিল বাংলাদেশের ভৌগলিক স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র। গণতন্ত্রে মানুষের নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়। মানুষের স্বাধীনতার মূল শর্ত হচ্ছে বাক, চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

সরকারকে হঠাতে না পারলে দেশ বাঁচানো যাবে না: মান্না

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারকে হঠাতে না পারলে দেশ বাঁচানো যাবে না: মান্না

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, গণতন্ত্রের জন্য গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অপরিহার্য। কিন্তু বর্তমান সরকার গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতাই নয়, সব গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে।

বর্তমান স্বৈরাচারী সরকারকে হঠাতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে মান্না বলেন, সরকারের অপশাসনে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এ সরকারকে হঠাতে না পারলে দেশ বাঁচানো যাবে না। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আসবে না।

জাতির বৃহত্তর স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মান্না বলেন, এটা না পারলে অন্তত এরশাদবিরোধী আন্দোলনের ন্যায় যুগপৎ আন্দোলন করতে পারে।

আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। 

‘১৬ জুন সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজ) আলোচনা সভাটির আয়োজন করে।

বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ'র সভাপতিত্বে এবং ডিইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল আলম দিদারের সঞ্চালনায় সভায় বিশিষ্ট কলাম লেখক ফরহাদ মজহার, বিএফইউজে ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ,  ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাকের হোসাইন ও জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, ডিইউজের সহসভাপতি শাহীন হাসনাত ও রাশেদুল হক, বিএফইউজের নির্বাহী সদস্য এ এক এম মহসীন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

মাহমুদুর রহমান মান্না সম্প্রতি ইসরায়েলে সরকার পরিবর্তনের বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, দেশে এখন পুলিশি শাসন চলছে। কোথাও আওয়ামী লীগের শাসন নেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলো কোনো কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামতে পারছে না। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে এ সরকারকে বিদায় করতে সবাইকে একসঙ্গে লড়াই করতে হবে।

সমাজচিন্তক ও বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহার দেশে গুম হওয়ার সঠিক পরিসংখ্যান নেই উল্লেখ করে বলেন, যারা এ সরকারের বিরোধিতা করছে তারাই গুমের শিকার হচ্ছেন; আইন বহির্ভূত হত্যার শিকার হচ্ছেন। তিনি বলেন, ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে চেতনা যতো দৃঢ় হচ্ছে সরকারের দমননীতি ততো জোরালো হচ্ছে।

সর্বশেষ ইসলামী বক্তা আদনান গুমের বিষয়টি উল্লেখ করে ফরহাদ মাজহার বলেন, আদনানের বক্তব্য তরুণদের আকৃষ্ট করার কারণেই ফ্যাসিস্ট সরকার তাঁকে গুম করেছে। গণআন্দোলন ও গণবিক্ষোভ জনগণের অধিকার। কিন্তু এ সরকার সেটি হরণ করেছে। তিনি বলেন, গণআন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে হবে।

আওয়ামী লীগকে সভ্যতা বিনাশী দল উল্লেখ করে শওকত মাহমুদ বলেন, সভ্যতা ফিরে পেতে চাইলে এ সরকারকে বিদায় করতে হবে। তিনি মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজনীতিবিদদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভুয়া নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা আঁকড়ে আছে বলেই সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো কালাকানুনন করে বাক স্বাধীনতা হরণ করতে চায়।

সভাপতির বক্তব্যে এম আব্দুল্লাহ বলেন, ১৯৭৫-এর ১৬ জুন সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়ার কারণে ‘কালো দিবস’ পালন করা হয়। কিন্তু বর্তমান সরকারের আমলে গাঢ় কালো দিবস কোনটি সেটি এখন বাছাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি দৈনিক আমার দেশ, দিগন্ত টেলিভিশনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম বন্ধ, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে নির্যাতন, দৈনিক সংগ্রাম কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও বয়োবৃদ্ধ সম্পাদক আবুল আসাদ এবং ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, গত ১২ বছরে শত শত কালো দিবস তৈরি করেছে এ সরকার। এ সরকার গণতন্ত্র বিশ্বাস করে না। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বিশ্বাস করে না।

বিএফইউজের মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন বলেন, গণতন্ত্র এবং স্বাধীনতা সুরক্ষা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার স্বার্থে এ সরকারকে বিদায় করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গতে তুলতে হবে।

বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা পেতে হলে বহুদলীয় ক্রিয়াশীল গণতন্ত্র থাকতে হবে।

আরও পড়ুন:


আম্পায়ারের ওপর চড়াও হয়ে লাথি দিয়ে স্ট্যাম্প ভাঙলেন সাকিব (ভিডিও)

রাজশাহী মেডিকেলে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৫ জনের মৃত্যু

সুযোগ পেলে নায়ক হিসেবে অভিনয় করতে রাজি বেরোবি উপাচার্য কলিমউল্লাহ

পাওনা টাকা না দেওয়ায় প্রায় ৬ কোটি টাকার বাড়ি ভেঙে দিলেন মিস্ত্রি


ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন ছিল সংবাদপত্র বিহীন একটি অন্ধকার দিন। সংবিধানস্বীকৃত মৌলিক অধিকার হরণের দিন। সরকারের মতের বিরুদ্ধে সামান্য মন্তব্যের কারণে তৎকালীন শেখ মুজিবের সরকার আবদুস সালাম, এনায়েতউল্লা খান, হাসান হাফিজুর রহমান, তোয়াব খানের মতো প্রথিতযশা সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুত ও নির্যাতন করেছে। কবি ফররুখ আহমেদের মতো বরেণ্য কবি মারা যাওয়ার পর তাঁকে কবর দেওয়ার জায়গা দিতে রাজি হয়নি ওই ফ্যাসিস্ট সরকার।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান বলেন, জগদ্দল পাথরের ন্যায় চেপে বসা বিনা ভোটের সরকার এখন ভিন্নভাবে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করছে। এ সরকারকে বিদায় করা না গেলে মুক্তি মিলবে না।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ওবায়দুল কাদের সাহেব আমাকে বহিষ্কার করতে পারবেন না: কাদের মির্জা

অনলাইন ডেস্ক

ওবায়দুল কাদের সাহেব আমাকে বহিষ্কার করতে পারবেন না: কাদের মির্জা

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা বলেছেন, দল থেকে আমাকে বহিষ্কার করবে না। এটা যারা বলে তারা ঠিক নয়। ওবায়দুল কাদের সাহেব আমাকে বহিষ্কার করতে পারবেন না।

মঙ্গলবার (১৫ জুন) বিকেল ৪টার দিকে বসুরহাট পৌরসভা হলরুমে এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় ফেনীর সাবেক সংসদ সদস্য জয়নাল হাজারীকে চিটিং বলে মন্তব্য করে কাদের মির্জা বলেন, হাতেনও হেমনে। আমাকে দুই তিন দিন ফোন দিয়ে ধন্যবাদ দিছে। আমার নেতা বলে। ওরে চিটিং, তুই সব খাইছোত। ওবায়দুল কাদের বই মেলায় বই তুলতে দে নাই, তুই আমারে চাঁদাবাজ বানাইছোত,গাড়ি বন্ধ করে দিছোত। তোরা সব অপরাজনীতির হোতা।

মেয়র বলেন, নেত্রীর সহযোগিতায়, নেত্রীল ছায়ায় আজকে আমি বেঁচে আছি। সবাই আমার বিরুদ্ধে লেগেছে? কেন সাহস করে সত্য কথা বলেছি।

আরও পড়ুন:


মোংলা হাসপাতালে ১৫টি বেডসহ করোনা সুরক্ষা সামগ্রী দিল ভারতীয় কোম্পানি

লোকালয়ে হাঁস খেতে গিয়ে ধরা ৮ ফুট অজগর

মাত্র ৫ হাজার টাকা পেয়েই হত্যার মিশনে নামে খুনিরা

ময়মনসিংহে বাসচাপায় নিহত ২


এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, কাদের মির্জা ঘোষিত পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি জামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহীদুর রহমান তুহিন প্রমূখ।

উল্লেখ্য, প্রতিপক্ষের অনুসারীদের গ্রেফতারের দাবিতে আগামীকাল বুধবার (১৬ জুন) কোম্পানীগঞ্জে কাদের মির্জা ঘোষিত অবরোধ কর্মসূচির চলবে। এর আগে, সোমবার (১৪ জুন) সকাল পৌনে ৯টায় বসুরহাট বঙ্গবন্ধু চত্বরে তিনি এ অবরোধের ঘোষণা দেন।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

বিনামূল্যে পুরো বাগেরহাট জেলার করোনা পরীক্ষার দায়িত্ব নিলেন শেখ তন্ময়

অনলাইন ডেস্ক

বিনামূল্যে পুরো বাগেরহাট জেলার করোনা পরীক্ষার দায়িত্ব নিলেন শেখ তন্ময়

নিজ সংসদীয় আসনের পর এবার পুরো বাগেরহাট জেলায় বিনামূল্যে ফোন কলের মাধ্যমে করোনা নমুনা সংগ্রহের ব্যবস্থা করলেন বাগেরহাট ২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ তন্ময় । 

মঙ্গলবার সকালে বাগেরহাট সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গনে “হটলাইনে ফোন করি, নমুনা সংগ্রহকারী যাবে আপনার বাড়ি” শ্লোগানে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ আজিজুর রহমান। সম্প্রতি এ জেলায় করোনার সংক্রমণ আশঙ্কাজনক বেড়ে যাওয়ায় বাগেরহাট সদর আসনের সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময়-এর উদ্যোগে এ কার্যক্রম চালু করা হয়।

করোনা পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ তিনটি গাড়ি বাগেরহাট সদর, কচুয়া, রামপাল, মোংলা, মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় নমুনা সংগ্রহ করবে। প্রতিদিন তিনশ জনের নমুনা পরীক্ষা করার সক্ষমতা রয়েছে এই টিমের। এছাড়া প্রত্যেকটি গাড়ির হটলাইন নম্বর রয়েছে। যেকোনো নম্বরে ফোন দিলে নমুনা সংগ্রহকারী বাড়িতে পৌছে যাবে এবং নমুনা সংগ্র্রহ করে পরীক্ষার রিপোর্ট জানিয়ে দিবে। হটলাইন নম্বর- ০১৯২০-৯২২২২৯ ও ০১৪০০-৩০৫৪০৫।

এ সময় পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হক, সিভিল সার্জন ডা. কেএম হুমায়ুন কবির, বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার নাসির উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ মোছাব্বেরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ভুইয়া হেমায়েত উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। 

প্রসঙ্গত, করোনার শুরুতে গত বছর এমপি শেখ তন্ময়-এর উদ্যোগে বাগেরহাটে "ডাক্তারের কাছে রোগী নয়, রোগীর কাছে ডাক্তার" সেবা কার্যক্রম শুরু হয়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

শেখ হাসিনা ম্যাসেজ দিলে আমি দল এবং মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করব : কাদের মির্জা

অনলাইন ডেস্ক


শেখ হাসিনা ম্যাসেজ দিলে আমি দল এবং মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করব :  কাদের মির্জা

আওয়ামী লীগের প্রতি এখন আর ভক্তি নেই বলে মন্তব্য করেছেন  নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। তিনি বলেন, আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করে দেন, মেয়র পদ থেকেও বাদ দিয়ে দেন। 

সোমবার দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে এসব মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন সৎ মানুষ। এখন শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ছাড়া পরিবারের বাকিদের ব্যাপারে কথা আছে জানিয়ে  তিনি আরও বলেন, আমার চাকরি (মেয়র পদ) খেয়ে ফেললেও আমি বলব বঙ্গবন্ধু নীতি-নৈতিকতা নিয়ে রাজনীতি করে গেছেন। শেখ হাসিনা এবং তার দুই সন্তানও সেই নীতি-নৈতিকতা ধরে রেখেছেন। আমিও সেটা বিশ্বাস করি। এবার আমাকে রাখেন, না রাখেন সেটা আপনাদের বিষয়। আর আমাকে রাখবারও দরকার নেই বাদ দিয়ে দেন।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, আমাকে পৌরসভা থেকে বাদ দিলে আবার স্বতন্ত্র ভোট করব। অনুরোধ থাকবে ফেয়ার (সুষ্ঠু) ভোটটা করাবেন। আমি হেরে গেলেও মেনে নেব। এক ভোট পেলেও আমি মানব। আমাকে আর রাখবেন না, আমাকে বাদ দিন। আমাকে রেখে ওবায়দুল কাদের (সেতুমন্ত্রী) সাহেব আর খেলা দেখানোর দরকার নেই।

আমি নেত্রীর (শেখ হাসিনা) কাছে অনুরোধ করব, আপনি একটা ম্যাসেজ দিলে আমি দল এবং মেয়র পদ থেকে সঙ্গে সঙ্গে পদত্যাগ করব।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর