এসএমএস ছাড়াই দেয়া হবে করোনার টিকা

অনলাইন ডেস্ক

এসএমএস ছাড়াই দেয়া হবে করোনার টিকা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৫৪টি ওয়ার্ডের নির্ধারিত ৫৪টি কেন্দ্রেই করোনার টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

আগামীকাল মঙ্গলবার ও তার পরদিন বুধবার বেলা আড়াইটা থেকে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রতিদিন ৫০০ জনকে টিকা দেওয়া হবে।

ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল বাসার মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, যারা ইতোমধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন কিন্তু এখনও এসএমএস পাননি, শুধুমাত্র তারাই এই কার্যক্রমের আওতায় টিকা নিতে পারবেন।

তবে ষাটোর্ধ্বরা জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি সঙ্গে নিয়ে আসলে তাদেরও টিকা দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন লাগবে না।

তিনি বলেন, টিকা গ্রহণকারীরা যে কেন্দ্র থেকে প্রথম ডোজ নেবেন, এক মাস পর সেখান থেকেই দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে পারবেন।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত 

পরবর্তী খবর

অতিরিক্ত আপেল খেলে হতে পারে যেসব বিপদ!

অনলাইন ডেস্ক

অতিরিক্ত আপেল খেলে হতে পারে যেসব বিপদ!

শরীর সুস্থ রাখতে ফলের বিকল্প নেই। সুস্থ থাকতে অতিরিক্ত আপেল খেলে তৈরি হতে পারে নানা সমস্যা। চিকিৎসকরা বলছেন, এক জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ প্রতিদিন সর্বোচ্চ দু’টি করে আপেল খেতে পারেন। কিন্তু তার বেশি খাওয়া ভাল নয়। কারণ আপেলের সাথে ক্ষতিকর কীটনাশক আমাদের শরীরে যায় যা মারাত্মক ক্ষতিকর।

যেসব বিপদ হতে পারে অতিরিক্ত আপেল খেলে জেনে নিন...  

১) বেশি পরিমাণে আপেল খেলে তাতে থাকা কীটনাশক অন্ত্রের নানা সমস্যার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। এমনকি অন্ত্রের ক্যানসারের আশঙ্কাও বেড়ে যেতে পারে। এতে করে পাকস্থলির ক্ষতি হতে পারে। মলদ্বারের নানা অসুখ হতে পারে এর কারণে। এর পাশাপাশি রক্তে দূষিত পদার্থের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াসহ শরীরে নানা ধরনের বিষক্রিয়া হওয়ার সমস্যা রয়েছেই।

২) শুধু কীটনাশক নয়, আপেল চকচকে করতে কৃত্রিম মোমও ব্যবহার করা হয় এর গায়ে। প্রাকৃতিক ভাবে আপেলের গায়ে অল্প মোম জাতীয় পদার্থ থাকে। কিন্তু সেটি বেশি দিন টিকে না। তারপরে আপেল তাজা এবং চকচকে করতে অনেকে এর গায়ে মোম এবং পেট্রোলিয়াম জেল লাগান। এগুলোও পেটে যায়। অন্ত্রে এই মোম এবং পেট্রোলিয়াম জেল জমা হয়ে ক্যান্সারসহ নানা রোগের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়।

আরও পড়ুন


যে কারণে মহিব উল্লাহসহ ৭ খুন সংঘটিত হয়!

ঘুরতে আসা তরুণীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা, মূল হোতা গ্রেপ্তার

পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখার ঘটনায় ইকবালের সঙ্গে যে ৩ জনের যোগসূত্র

ঘটনা তৃতীয় পক্ষই ঘটিয়েছে, ইকবাল শুধু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছেন, তৃতীয় পক্ষ কারা?


৩) প্রতিদিন দু’টির বেশি আপেল খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে পারে, হজমের সমস্যা হতে পারে এবং ওজন বাড়তে পারে।

৪) অতিরিক্ত আপেল খেলে দাঁতের ক্ষতিও হতে পারে। যাদের দাঁত বা মাড়ির সমস্যা আছে, আপেল খাওয়ার আগে তাই তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। 

news24bd.tv রিমু  

 

পরবর্তী খবর

গ্রীন টি কখন পান করবেন, খালি পেটে নাকি ভরা পেটে?

অনলাইন ডেস্ক

গ্রীন টি কখন পান করবেন, খালি পেটে নাকি ভরা পেটে?

গ্রীন টি বা সবুজ চা বিশ্বের সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর পানীয় হিসেবে পরিচিত। এটি ৮ম শতাব্দী থেকেই চীনে পান করা হয়ে থাকে। বিভিন্ন ভেষজ রোগের চিকিৎসায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গ্রীন টি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

ভারতীয় সংস্কৃতিতে এটি রক্তপাত বন্ধে ও ক্ষত সারানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া এটি মানসিক স্বাস্থ্য ও হৃদযন্ত্র ভালো রাখে। এটি শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখে। গ্রীন টি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পুষ্টিতে ভরপুর একটি পানীয়।

এছাড়া গ্রীন টিতে রয়েছে ক্যাফেইন এবং অ্যামাইনো এসিড এল-থেনাইন, এই দুটি উপাদানের সংমিশ্রণ একসঙ্গে মস্তিষ্কের গঠনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। নিয়মিত গ্রীন টি পান করলে স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এবং আলঝেইমার রোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়। সর্বোচ্চ উপকার পেতে দিনে ২ থেকে ৩ কাপ গ্রীন টি পান করা উচিত।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে খালি পেটে গ্রিন টি পান করা শরীরের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ খালি পেটে পানি ছাড়া অ্যাপেল সিডার ভিনিগার, লেবু, আদা , গোলমরিচ এই সব উপাদানই পেটকে উত্তেজিত করে তোলে। পরে কিছু খেলে গ্যাস বা অম্বলের সমস্যা হতে পারে। তাই খালি পেটে পানি ছাড়া আর কোনও পানীয়ই খাওয়া উচিত নয়। 

আরও পড়ুন:

মূল পর্ব শুরুর আগেই দল ছাড়লেন জয়াবর্ধনে

আগামী মাসেই ফেসবুকের প্রতিদ্বন্দ্বী নিয়ে আসছেন ট্রাম্প

মার্কিন ড্রোন হামলায় আল কায়েদার শীর্ষ নেতা নিহত

জাপানী নারীদের দীর্ঘ যৌবনলাভের গোপন রহস্য


খালি পেটে গ্রিন টি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে।  কারণ গ্রিন টি-তে ট্যানিন থাকে যা পেটে অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়ায়। ফলে খালি পেটে চা পান করলে পেটে ব্যথা করতে পারে। 

এছাড়া রক্তস্বল্পতার সমস্যায় যারা ভুগছেন তারা কখনওই গ্রিন টি খাবেন না। আপনার যদি আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা থাকে তবে আপনার খাবারের মধ্যে গ্রিন টি পান করা উচিত। এটি খাদ্য থেকে আয়রনের শোষণ বাড়ায়। তাই খালি পেটে গ্রীন টি পান করা উচিত নয়।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

যেসব খাবারে ফুসফুস পরিষ্কার ও ভালো থাকবে

অনলাইন ডেস্ক

যেসব খাবারে ফুসফুস পরিষ্কার ও ভালো থাকবে

চলমান মহামারি করোনাভাইরাসের কবলে পড়লে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে আপনার ফুসফুস। তাই ফুসফুসকে ভালো ও সতেজ রাখতে এখনই দরকার সতর্কতা।

কীভাবে ফুসফুস ভালো ও পরিষ্কার রাখা যায় তা নিচে তুলে ধরা হলো।

১. মধুতে অ্যান্টি-মাইক্রোবায়াল ও প্রদাহনাশক ক্ষমতা রয়েছে, যা ফুসফুস পরিষ্কার করে। তাই প্রতিদিন এক চা চামচ মধু খেলে তা হবে ফুসফুসের জন্য উপকারী। 

২.কাজু, আখরোট, পেস্তা, চিনাবাদামসহ মিষ্টি কুমড়ার বীজ ইত্যাদিতে প্রচুর ভিটামিন ‘ই’ রয়েছে। সেই-সঙ্গে খনিজ লবণ ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এসব খাবার ফুসফুসে অক্সিজেন সরবরাহ এবং প্রদাহজনিত সমস্যা রোধ করতে সাহায্য করে।

৩. ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার ফুসফুসের প্রদাহজনিত সমস্যা রোধে বেশ কার্যকরী। বিশেষ করে ভিটামিন ডি’র অভাবে শিশুদের শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। এর মূল উৎস সূর্য। এ ছাড়া দুধ, ডিম, দই, মাছ, মাংস ইত্যাদি খাবারে প্রচুর ভিটামিন ‘ডি’ রয়েছে।

৪. তুলসী পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। আর এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ফুসফুস সুরক্ষায় খুবই কার্যকর। বাতাসে থাকা ধূলিকণা শোষণ করতে পারে তুলসী। তাই শ্বাসযন্ত্রের দূষিত পদার্থ দূর করতে তুলসীপাতার রস কিংবা এই পাতা পানিতে ফুটিয়ে পান করুন। ফুসফুস ভালো থাকবে।

আরও পড়ুন: ফুসফুসের যেসব সংকেত ভুলেও অবহেলা নয়

৫. ফুসফুস ভালো রাখতে কালোজিরা অনেক ভালো কাজ করে। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শ্বাসনালির প্রদাহ রোধ করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন আধা চা চামচ কালোজিরার গুঁড়া এক চা চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে ফুসফুস ভালো থাকবে।

৬. ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ খাবারের কোনো বিকল্প নেই। ফুসফুসের প্রদাহজনিত সমস্যা রোধ করে এই ভিটামিন। শ্বাসযন্ত্রে অক্সিজেন সরবরাহ করতে সাহায্য করে এবং শ্বাসনালির জীবাণু ধ্বংস করে। লেবু, আমলকি, কমলা, আপেল, পেয়ারা ইত্যাদি খাবারে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।

৭. রসুনে রয়েছে প্রচুর সেলিনিয়াম ও অ্যালিসিন। এ দুটি প্রাকৃতিক উপাদান ফুসফুস ও শ্বাসনালি ভালো রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে ভাইরাসজনিত সংক্রমণ রোধে রসুনের ব্যবহার হয়ে আসছে।

৮. শারীরিক কসরতের বিকল্প নেই। শরীর সুস্থ রাখার পাশাপাশি ব্যায়াম আপনার ফুসফুসকে ভালো রাখবে। এ জন্য এরোবিক্স, ইয়োগা বা কার্ডিও এক্সারসাইজ প্রতিদিন করতে হবে।

আরও পড়ুন


ঘটনা তৃতীয় পক্ষই ঘটিয়েছে, ইকবাল শুধু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছেন, তৃতীয় পক্ষ কারা?

সব ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী, অভিযোগ মানা হয়নি গঠনতন্ত্র

মাদরাসায় ঢুকে ছাত্র-শিক্ষকসহ ৬ জনকে হত্যা

বিল থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার, পাওয়া যায়নি পরিচয়

৯. গ্রিন টি বা সবুজ চায়ে ফ্ল্যাবিনয়েড নামের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ফুসফুসের কার্য পরিচালনায় সহায়তা করে। সে সঙ্গে ফুসফুস থেকে দূষিত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে।

১০. হলুদের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কারকিউমিন ফুসফুসকে দূষিত পদার্থের প্রভাব থেকে সুরক্ষা করে। সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্ট হলে কাঁচা হলুদের রস করে মাখন বা ঘির সঙ্গে মিশিয়ে খেলে ভালো কাজ হয়।

news24bd.tv রিমু  

 

পরবর্তী খবর

দাঁতের হলুদ দাগ দূর হবে ঘরোয়া উপায়ে

অনলাইন ডেস্ক

দাঁতের হলুদ দাগ দূর হবে ঘরোয়া উপায়ে

দাঁত হলুদ হওয়ার কারণে অনেক সময় বিব্রত হতে হয়। সমাজে চলাফেরায় অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় দাঁতের এই হলদেটে দাগ। নানা কারণে দাঁতে এই হলুদ দাগ দেখা দিতে পারে। দাঁতের অযত্ন, তামাক সেবন, নিয়মিত ওষুধ সেবন, পান মশলা কিংবা মদ্যপানের কারণে চলে যেতে পারে দাঁতের স্বাভাবিক শুভ্রতা। হলদে ভাব কাটিয়ে দাঁত ফের উজ্জ্বল, ঝকঝকে সাদা করে তুলতে আধুনিক পদ্ধতির সাহায্য নেওয়া যেতেই পারে। কিন্তু একেবারে কম খরচে যদি দাঁতকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় তাহলে  তো কথাই নেই। 

কী করণীয়-
দিনে দুইবার দাঁত মাজুন। যে কোনও টুথপেস্টই ব্যবহার করতে পারেন। তবে ভেষজ পেস্ট ব্যবহার করলেও চলবে। ৫-৭ মিনিট সময় নিয়ে দাঁত পরিষ্কার করুন। যতবার খাবার খাবেন কুলকুচি করে নেবেন। এতে দাঁতের ভিতরে জমে থাকা ময়লা সহজেই বেরিয়ে আসবে। মুখের স্বাস্থ্যে নজর দিলেই আর হলুদ দাঁতের সমস্যায় পড়তে হবে না।
চিনি ছাড়া চুইংগাম বাজারে পাওয়া যায়। সেগুলো চেবালে সাধারণত দাঁতে হলুদ ছাপ পড়ে না।

অ্যাসিডিক খাবার, বিশেষ করে যাদের পিএইচ ৫.৫-এর নীচে, সেই খাবার এড়িয়ে চলুন। এগুলো দাঁতের এনামেল নষ্ট করে দেয়। খেলেও পরিষ্কার পানি দিয়ে কুলকুচি করে নেবেন। বিশেষ করে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার যারা খান নিয়মিত বা লেবুর পানি। চেষ্টা করবেন স্ট্র দিয়ে তা পান করতে।

কী কী ব্যবহার করা যেতে পারে?
তিলের বীজ- সপ্তাহে তিন বার তিলের বীজের পেস্ট দিয়ে দাঁত মাজুন। তিলের মধ্যে ক্যালসিয়াম রয়েছে যা মাড়িকে শক্তিশালী ও দাঁতকে মজবুত করে তোলে। এছাড়াও এটি দাঁতের হলুদভাব দূর করে।

নিম গাছের ছাল- আমরা সবাই জানি যে নিমের মধ্যে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যে রয়েছে। নিম গাছের ছাল বা ডাল দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করলে দাঁতের সব সমস্যাই দূর হয়ে যাবে। সপ্তাহে তিনবার আপনি এই প্রতিকারটি ব্যবহার করতে পারেন।

আরও পড়ুন:


তাইওয়ানকে চীনের হাত থেকে রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর যুক্তরাষ্ট্র

অভিযুক্ত ইকবালের সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতা মিশু-রায়হান-অনিকের পরিচয় যেভাবে

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরির সুযোগ, আবেদন অনলাইনে

আরও বিস্তৃতি বাড়াচ্ছে আইপিএল, আসছে নতুন দল


 

লেবু ও বেকিং সোডা- সপ্তাহে দুবার বেকিং সোডা এবং লেবুর রস দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করুন, এটি মাড়ি তৈরিতে সহায়তা করে। বেকিং সোডা দাঁতের হলুদ ভাব দূর করে এবং লেবু মুখের দূর গন্ধ দূর করে। যাঁরা অতিরিক্ত পরিমাণে চা এবং কফি গ্রহণ করেন তাদের জন্য এই সংমিশ্রণটি খুব কার্যকর কাজ করে।

পুদিনা ও তুলসি পাতা- নিয়মিত পুদিনা ও তুলসি পাতা বেটে তা দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করতে পারেন। এতে মুখের মধ্যে থাকার জীবাণু দূর হয়ে যায়। মুখের দুর্গন্ধও দূর হয়ে যাবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

অ্যালার্জি হওয়ার কারণ ও নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়

অনলাইন ডেস্ক

অ্যালার্জি হওয়ার কারণ ও  নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়

অ্যালার্জির সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জি সামান্য অসুবিধা করে, কারও ক্ষেত্রে জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে। এ রোগের প্রকার ও ধরন অনেক বেশি, যেটি অন্য কোনো রোগের নেই।

অ্যালার্জি হওয়ার কারণ
অ্যালার্জি হওয়ার কারণ নির্দিষ্ট ছকে বাঁধা নয়। আমরা প্রকৃতির মধ্যেই ডুবে আছি। পৃথিবীর আলো-বাতাস-পরিবেশ, সবকিছু থেকেই অ্যালার্জি হতে পারে। অনেকের ডাস্ট অ্যালার্জি আছে, যেটা ধুলাবালি থেকে হয়। গাছপালার রেণু, ধুলাবালি বিভিন্ন জিনিস বাতাসে ভেসে থাকে, এগুলো থেকে অ্যালার্জি হতে পারে। এমন কোনো জিনিস নেই বলা যেতে পারে যেটা থেকে অ্যালার্জি হবে না।

ত্বকের ওপর প্রভাব
করোনার বেলায় শেষ কথা বলে কিছু নেই। এখন এ মুহূর্তে যেটা বলছি, হয়তো আজ রাতেই সেটি উল্টে যেতে পারে। এখনো সব চিকিৎসক জানছে-শিখছে। কারণ, এটি নতুন একটি রোগ। করোনা ত্বকের যে খুব বেশি পরিবর্তন করে, তা নয়। তবে শরীরে চাকা চাকা বা লাল লাল ভাব পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রোগীর মধ্যে দেখা গেছে। আবার কিছু কিছু রোগীর বেলায় পাওয়া গেছে, পায়ের গোড়ালিতে বা সামনের পাতায়, আঙুলের ওপরে ব্যথাযুক্ত, লাল হয়ে গেছে, ফুলে গেছে। এ রকম কিছু পরিবর্তন অনেক রোগীর মধ্যে দেখা গেছে। আবার বাচ্চাদের বেলায় ত্বকে হামের মতো লালচে ভাব পাওয়া গেছে।

অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণ
যার ওষুধ ছাড়া নিয়ন্ত্রণে আসবে না, তাকে ওষুধ খেতে হবে। আর যদি নির্দিষ্ট কোনো কারণ জানা যায়, রোগী সন্দেহ করতে পারে; যেমন আপনি কোনো জিনিস খেলেন আর আপনার শরীর ফুলে গেল, চুলকাচ্ছে বা সমস্যা হচ্ছে; আপনি সেটি এক সপ্তাহের জন্য খাওয়া বন্ধ করতে পারেন। এক সপ্তাহ পর আবার খেলে যদি একই সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে নিশ্চিত হওয়া যাবে ওই খাবারটিই সমস্যা করে। তাহলে সেটি এড়িয়ে যেতে হবে। এড়িয়ে যাওয়ায়ই রোগীর প্রথম ও প্রধান কাজ।

আরও পড়ুন:


ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

ডিএমপি কমিশনার ও র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি


 

দ্বিতীয় হলো, জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনতে হবে। ঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বিছানা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বিছানার যে তোষক, অনেক সময় সেখানে ছোট ছোট কীটপতঙ্গ থাকে। তাই বিছানার তোষক কড়া রোদে এপিঠ-এপিঠ করে শুকাতে হবে। জীবনযাত্রার পরিবর্তন এনে আমাদের সার্বিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে। 

এলার্জির কারণ এড়িয়ে চলা এই রোগের প্রধান চিকিৎসা। এই রোগের প্রধান ওষুধ হলো– অ্যান্টিহিস্টামিন, স্টেরয়েডজাতীয় নাকের স্প্রে। এ ছাড়া বয়সভেদে মন্টেলুকাস্টজাতীয় ট্যাবলেট বেশ কার্যকর।  তবে যে কোনো ওষুধ ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর