সূরা আল মাউন পাঠের ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

সূরা আল মাউন পাঠের ফজিলত

পবিত্র কোরআন শরীফের ৩০ পারার ১০৭ নম্বর সূরা ‘সূরা মাঊন’। এই সূরা আয়াত সংখ্যা ৭ এবং রুকু ১টি।

বাংলা উচ্চারণ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

আরায়াইতাল্লাযী ইয়ুকাযযিবু বিদ্দীন। ফাযা লিকাল্লাযী ইয়াদু'উল ইয়াতীম। অলা ইয়াহুদদু 'আলা তা'আমিল মিসকীন। ফাওয়াইলুল্লিল মুছায়াল্লীন। আল্লাযীনাহুম 'আন ছালাতিহিম সাহুন। আল্লাযীনা হুম ইয়ুরা য়ুনা অইয়ামনা উনাল মা'ঊন।

মর্মবাণী

দয়াময় মেহেরবান আল্লাহর নামে

(হে নবী!) তুমি কি কখনো চিন্তা করেছ, কোন ধরনের লোকেরা কর্মফল দিবসকে অস্বীকার করে? ২-৩. এ ধরনের লোকেরা এতিমের সাথে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করে, অভাবগ্রস্তকে অন্নদানে কোনো আগ্রহ বোধ করে না বা অন্যকেও উৎসাহিত করে না।
৪-৭. আর দুর্ভোগ সেই নামাজীদের জন্যে, যারা সচেতনভাবেই নামাজে অমনোযোগী, শুধু লোক দেখানোর জন্যে নামাজে শামিল হয়। (দুর্ভোগ তাদের জন্যেও) যারা নিত্যপ্রয়োজনীয় ছোটখাটো সাহায্য দানেও বিরত থাকে।

বিষয়বস্তু ও মূল বক্তব্য

আখেরাতের প্রতি ঈমান না আনলে মানুষের মধ্যে কোন ধরনের নৈতিকতা জন্ম নেয় তা বর্ণনা করাই এর মূল বিষয়বস্তু। ২ ও ৩ আয়াতে এমনসব কাফেরদের অবস্থা বর্ণনা করা হয়েছে যারা প্রকাশ্যে আখেরাতকে মিথ্যা বলে।

আর শেষ চার আয়াতে যেসব মুনাফিক আপাতদৃষ্টিতে মুসলমান মনে হয় কিন্তু যাদের মনে আখেরাত এবং তার শাস্তি ও পুরস্কার ও পাপ পূর্ণের কোন ধারণা নেই, তাদের অবস্থা বর্ণনা করা হয়েছে। আখেরাত বিশ্বাস ছাড়া মানুষের মধ্যে একটি মজবুত শক্তিশালী ও পবিত্র – পরিচ্ছন্ন চরিত্র গড়ে তোলা কোন ক্রমেই সম্ভবপর নয়, এ সত্যটি মানুষের হৃদয়পটে অংকিত করে দেয়াই হচ্ছে সামগ্রিকভাবে উভয় ধরনের দলের কার্যধারা বর্ণনা করার মূল উদ্দেশ্য।

news24bd.tv সুরুজ আহমেদ


আরও পড়ুন: সূরা লাহাব পাঠের ফজিলত


 

মন্তব্য