ধর্ষকদের সমাজে চোখ অন্ধ, বিবেকের কণ্ঠও স্তব্ধ

নঈম নিজাম

ধর্ষকদের সমাজে চোখ অন্ধ, বিবেকের কণ্ঠও স্তব্ধ

‘ভুল সবই ভুল!

এই জীবনের পাতায় পাতায় যা লেখা - সে ভুল।’

সুজাতা চক্রবর্তীর কণ্ঠে গানটি শুনতে শুনতে ভাবছিলাম, কোথায় যাচ্ছি আমরা। মানুষ আর থাকছে না নিজের মাঝে। হারিয়ে গেছে মনুষ্যত্ববোধ। সাভারে নীলা নামের মেয়েটিকে বাঁচতে দিল না বখাটে মিজানুর। নীলা বাবা-মাকে জানিয়েছিল মিজানুরের যন্ত্রণার কথা। রাস্তায় বের হলে মিজান তাকে যন্ত্রণা দিত। বলত প্রেমের কথা। ফেসবুক-বন্ধু বানিয়ে কথা বলতে নির্দেশ দিত। কথা না বললে হুমকি দিত পুরো পরিবারকে মেরে ফেলার। দশম শ্রেণির ছাত্রী মেয়েটির পরিবার বড্ড নিরীহ, সংখ্যালঘু। কারও সাতেপাঁচে নেই। জীবন-জীবিকার তাগিদেই থাকত ব্যস্ততায়। মিজানকে তারা মনে করত বিশাল ক্ষমতাবান কেউ। তাই থানা পুলিশ করার সাহস ছিল না। এলাকায় ক্ষমতার দাপটেরও শেষ ছিল না মিজানের পরিবারের। সরকারি দল বলে কথা! ভয়ে থাকা মেয়েটির মা বলতেন সবকিছু মানিয়ে চলার জন্য। কিন্তু কীভাবে এ মেয়েটি দানবকে মানিয়ে চলবে? ভয়ঙ্কর এক খুনির কবল থেকে রক্ষা পাবে? নীলাও মানাতে পারেনি, বাঁচতেও পারেনি। ভাইয়ের সঙ্গে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার সময় নীলাকে ডেকে রিকশা থেকে নামিয়ে হত্যা করে মিজান। বাঁচতে পারল না মেয়েটি। নীলার নিষ্ঠুর এ মৃত্যু মেনে নিতে পারছি না। এ সমাজ কতটা নষ্ট হলে একটি পরিবার তার সন্তানকে রক্ষা করতে পারে না পাড়ার মস্তানের কবল থেকে? যেতে পারে না থানা পুলিশে। ভরসা রাখতে পারে না আইনের শাসনে। শুধু একজন নীলা নয়, চারপাশে তাকালে এমন চিত্রই দেখতে পাই। করোনাকালে সামাজিক নৈতিক অবক্ষয় ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। কেউই নিরাপদ নয়। সিলেটে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধর্ষকদের ঠিকানা। মেনে নিতে পারছি না। মহামারী থামাতে পারছে না খুনি আর ধর্ষকদের। নিষ্ঠুরতা আজ সবখানে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের পথ জানা নেই কারও।
যাত্রাপালার কাহিনির বিষাদ ছায়ায় হঠাৎ উদয় হতেন বিবেক। মানুষকে জাগিয়ে তুলতে বিবেকের আহ্বানে দর্শকদের চোখ ছলছল করে উঠত। অনেকে চোখের পানি ফেলতেন নীরবে। কেউ কেউ ডুকরে কেঁদে উঠতেন। ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ যাত্রা হতো সারা দেশে। সিনেমার পাশাপাশি আনোয়ার হোসেন যাত্রায়ও অভিনয় করতেন সিরাজউদ্দৌলা চরিত্রে। ভরাট কণ্ঠে কঠিনতম খারাপ সময়ে আলেয়ার সঙ্গে বলতেন ভিতরের কষ্টের কথা। পর্দা নেমে যেত। মঞ্চে আসতেন বিবেক। বিবেকের কেঁপে ওঠা কণ্ঠ কাঁদাত দর্শককে। আবেগ আপ্লুত হতো সবাই। শুধু সিরাজউদ্দৌলা নয়, সব যাত্রাপালায় বিবেক আসত। এখন যাত্রাপালা হয় না। বিবেকও নেই। বিবেকের বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠও স্তব্ধ। সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলে না। ঝলসে ওঠে না হুমায়ুন আজাদের মতো কোনো শিক্ষকের কলম। দলীয় রাজনীতি বিবেককে শেষ করে দিয়েছে। চোখকে করে দিয়েছে অন্ধ। বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাংবাদিক, কবি, সংস্কৃতিসেবী, সিভিল সোসাইটি, নারীনেত্রী সবাই কথা বলেন হিসাব-নিকাশ কষে। কে খুশি, কে বেজার হবেন সেই চিন্তা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের কুৎসা রটানো নিয়ে ব্যস্ত আরেক দল। সমাজ নিয়ে কথা বলার মানুষ কমে যাচ্ছে। অন্যায় অসংগতি বাড়ছে। বিচারবহির্ভূত হত্যাকা-, মানুষের হঠাৎ গায়েব হওয়া, খুন, ধর্ষণের প্রতিবাদে কারও কণ্ঠ সোচ্চার হয় না। ধর্ষক কোন দলের দেখে মতামত দেন কেউ কেউ। সরকারি দল হলে চুপ মেরে যান। বুঝতে চান না, ধর্ষক আর খুনির কোনো দল থাকে না। তাদের বড় পরিচয় খুনি, ধর্ষক। তারা অপরাধী। আর অপরাধীর বিচার হবে প্রচলিত আইনের কঠোর ধারায়। এখানে দল বা মতের চিন্তা আসবে কেন? বাস্তবতায় থাকতে হবে। অন্যায়কে আঙ্গুল উঁচিয়ে বলতে হবে অন্যায়। অসংগতির বিরুদ্ধে থাকতে হবে সোচ্চার। চোরকে বলতে হবে চোর। দলীয় রাজনীতি খোঁজার কিছু নেই। রাজনীতি কোনো অন্যায়কারীর আশ্রয়স্থল হতে পারে না। সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণ করা হলো। অপরাধের বিচার আগে হলে আজ এমন নিষ্ঠুর কা- ঘটত না। এমসি কলেজ ছাত্রাবাস অনেক দিন থেকে সন্ত্রাসীদের আস্তানা। এই সন্ত্রাসীরা ছাত্রলীগের নামে পুড়িয়ে দিয়েছিল ছাত্রাবাস। তাদের দাপুটে চেহারার কাছে তখনকার শিক্ষামন্ত্রীর অসহায়ত্ব দেখেছিলাম। সেই শিক্ষামন্ত্রী ভদ্রলোক ছিলেন। ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি অশ্রু ফেলেছিলেন। তখন বলেছিলাম, একজন মন্ত্রী অশ্রু ঝরাবেন কেন? শক্ত হাতে ব্যবস্থা নেবেন। অতি ভদ্রলোক নাহিদ সাহেব পারেননি। কেন পারেননি সে হিসাব কেউ করেনি। সন্ত্রাসীদের পক্ষেই ছিল রাজনৈতিক বলয়। সে বলয় সিলেটের লোক হয়েও ভাঙতে পারেননি তিনি। আর পারেননি বলেই আবার ভয়াবহ অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। কিন্তু নষ্টদের কাছে রাজনীতি জিম্মি থাকতে পারে না। মূল ইস্যুকে চাইলেও আড়াল করা যায় না। এক সহকর্মী উত্তেজিতভাবে আমার রুমে এলেন। বললেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মেয়েটির টেলিফোন অডিও পেয়েছে। স্বামী-স্ত্রী কিনা সংশয় আছে। টিলাগড়ে মেয়েটি সইচ্ছায় গেছে। কেউ কেউ চায় খবরটি প্রকাশ হোক। বিস্মিত হলাম। বললাম, পিংক ছবিটি দেখেছ কি? অমিতাভ বচ্চন অভিনয় করেন প্রবীণ আইনজীবীর চরিত্রে। অমিতাভের প্রতিবেশী তিনটি মেয়েকে ঘিরেই ছবির কাহিনি। কর্মজীবী তিনটি মেয়ে থাকত অমিতাভের পাশের বাড়িতে ভাড়া। একদিন মেয়ে তিনটি বিপদে পড়ল। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হলো। পুলিশ আটক করল একটি মেয়েকে। প্রভাবশালী রাজনীতিবিদের চাপে পুলিশ মেয়েদের পতিতা বানানোর চেষ্টায় নামল। কারণ বাদী ছেলেটির চাচা বড় নেতা। মামলা গেল আদালতে। আইনজীবী হিসেবে অবসর-জীবনযাপনকারী অমিতাভ অসুস্থ স্ত্রীর অনুমতি নিয়ে মেয়েগুলোর পাশে দাঁড়ালেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী কঠোর মেয়েগুলোর বিরুদ্ধে। পুলিশ আরেক ধাপ এগিয়ে রিপোর্ট দিল বিরুদ্ধে।

শুরু হলো মামলার কাজ। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ ও অন্যান্য ডকুমেন্ট আদালতে জমা দিল পুলিশ। বলল মেয়েগুলো সইচ্ছায় ছেলেদের সঙ্গে হোটেলের রুমে গেছে। সিসিটিভির ফুটেজ তাই বলে। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনছে। শুনানিতে বাদীপক্ষের আইনজীবী মেয়েগুলোর দোষ বের করে আনতে থাকেন। মেয়েরা নাইট ক্লাব থেকে ছেলেদের সঙ্গে হইচই করতে করতে রিসোর্টে গেছে। তিনটি মেয়ে যায় তিন ছেলের আলাদা রুমে। কিন্তু শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের মুহূর্তে একটি মেয়ে বাধা দেয়। বাধা উপেক্ষার চেষ্টাকালে মেয়েটি ছেলেটির মাথায় বোতল দিয়ে আঘাত হেনে নিজেকে রক্ষা করে। মাথা ফেটে যায় ছেলেটির। হাসপাতালে যেতে হয়। আইনজীবী পুলিশ ও চিকিৎসকের রিপোর্ট প্রকাশ করে অ্যাটেম্পট্ টু মার্ডার হিসেবে। ছেলের রাজনীতিবিদ চাচাও নাক গলান। পুলিশ ছেলেদের পক্ষে শুরু থেকেই। আদালতে প্রবীণ আইনজীবী অমিতাভ দেখলেন ডকুমেন্ট, শুনানি বাদীর পক্ষেই। শেষ পর্যায়ে তিনি ছেলেটিকে প্রশ্ন করেন, শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টার সময় মেয়েটি বাধা দিয়েছিল কিনা? জবাবে ছেলেটি বলল, বাধা দিয়েছিল। ছেলেটি বাধা উপেক্ষা করে মেয়েটি হোটেল রুমে তার সঙ্গে যাওয়ার কারণেই। আইনজীবী অভিতাভ বললেন, মাননীয় আদালত! একটি মেয়ে চূড়ান্ত সম্পর্ক গড়ার মুহূর্তে কোনো কারণে ‘না’ করার অধিকার রাখে। আর একবার ‘না’ করলে তা শুনতে হবে। সম্পর্ক দুজনের সমান ইচ্ছার ব্যাপার। জোর করার বিষয় নয়। আর মেয়েটি পতিতা হলেও ‘না’ বলতে পারে। ‘না’ মানে ‘না’। তখন জোর করলেই তা হবে ধর্ষণ। অথবা ধর্ষণের চেষ্টা। আদালত রায়ের পর্যবেক্ষণে এই মতের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলে, ইয়েস! একটি মেয়ের ‘না’ মানে ‘না’। তখন জোর করলেই ধর্ষণ। আইনের চোখে তাই বলে। এ সিনেমা অনেক বার্তা দেয়। আমাদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকেও তদন্তের সময় এ বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে। সতর্ক থাকতে হবে রিপোর্ট প্রদানে। আবেগ, অনুরাগ আর বিরাগের সুযোগ কোথাও নেই। আর তা হলেই মূল আসামি বন্দুকযুদ্ধে মারা যায়, সাক্ষী পায় শাস্তি। আর তখনই সমাজের ভিতরে প্রশ্ন ওঠে নানামুখী।

বুঝতে হবে কোনোখানেই অকারণে হয়রানির সুযোগ নেই। সামাজিক নৈতিক অবক্ষয়ের একটি যুগে বাস করছি। পারিবারিক মূল্যবোধের দিন শেষ। ছোটবেলায় ঘুম ভাঙত মায়ের কোরআন তিলাওয়াতের শব্দে। বাবা যেতেন মসজিদে ফজরের নামাজ আদায় করতে। গ্রাম, শহর সবখানের চেহারা তখন আলাদা ছিল। সংস্কৃতি ও ধর্মীয় চর্চা একসঙ্গেই চলত। কবিগান, জারিগান, যাত্রাপালা হতো গ্রামগঞ্জে। শরিয়ত-মারফত নিয়ে গানে গানে লড়াই হতো। মানুষ সারা রাত বসে বসে দেখত। পুঁথিপাঠের আসর বসাত অনেকে। বৈশাখী মেলা হতো জমজমাট। অনেকে সারা রাত গান শুনে বা যাত্রা দেখে ভোরে ফজরের নামাজ পড়ে বাড়ি ফিরত। ওয়াজ মাহফিল হতো শীতকালে। দল বেঁধে সবাই ওয়াজেও যেত। মানুষের মাঝে সুস্থতা ছিল। এক বাড়ির বিপদে ছুটে আসত পুরো গ্রামের মানুষ। পারিবারিক, সামাজিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দেওয়া হতো। উঠতি ছেলে বখাটেপনা করলে পাড়া-পড়শিও শাসন করত। চুল বড় রাখলে সতর্ক করত। এখন নিজের সন্তানই বাবা-মায়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। ডিজিটাল দুনিয়া আমাদের আবেগ কেড়ে নিয়েছে। অনাচার বাড়িয়েছে। বিবেককে শেষ করে দিয়েছে। সমাজ, সংসারে নীরবে ছড়িয়ে দিয়েছে হিংসা-বিদ্বেষ। ঘাটে ঘাটে অনাচার। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও প্রশ্নবিদ্ধ। ভালো দিনগুলো দ্রুত চলে যায়। স্তরে স্তরে থেকে যায় সমস্যা। পত্রিকায় দেখলাম রাজশাহীর গির্জায় তরুণী ধর্ষিত হয়েছে। ভাবা যায় এ অপকর্মে আটক হয়েছেন একজন ফাদার। বেদনায় মন ভেঙে যায়। দিন দিন আমরা কোথায় যাচ্ছি? মন্দির, গির্জা, মসজিদ কেন নিরাপত্তাহীন হবে? সমাজবিজ্ঞানীদের নতুন করে ভাবতে হবে সবকিছু নিয়ে। মানবতা কেন হারিয়ে যাচ্ছে বুঝতে হবে। ফকির লালন শাহ ধর্ম-বর্ণ-গোত্রের বাইরে গিয়ে মানবতাকে ঠাঁই দিয়েছিলেন। ফকির লালনের প্রভাব রবীন্দ্রনাথের ওপরও ছিল। আর ছিল বলেই রবীন্দ্রে পাই আধ্যাত্মিকতার কথাও। মানুষকে তাঁরা জাগিয়েছিলেন। সেই দিন আর নেই। মানবতার কথা কেউ শোনে না। সামাজিক, পারিবারিক বন্ধনগুলো শেষ হয়ে যাচ্ছে। সংসারজীবন এখন ঠুনকো। সবকিছু নিজের মতো করে চলে না। ব্যক্তি আক্রোশ অনেক কিছু শেষ করে দেয়। প্রভাব ফেলে সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতিতে। বাড়িয়ে দেয় জীবনযুদ্ধের জটিলতা।

জীবন চলার পথ সব সময় স্বাভাবিক হবে না। স্বাভাবিকতাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতে হবে। ডিজিটাল সংস্কৃতির টিকটিক আর লাইকার যুগে সুস্থধারা আশা করা কঠিন। মানুষের মাঝে সুন্দরতম মন খোঁজা অসম্ভব। কিন্তু প্রত্যাশার আলোকে অন্ধকার ভেবে চুপ করে গেলে হবে না। সুন্দর ঘর বানিয়ে মনকে ঘুমিয়ে রাখলে হবে না। এখন আর কেউ ডাকপিয়নের অপেক্ষা করে না। প্রজন্ম হয়তো জানেও না একদা চিঠিপত্রের যুগ ছিল। তখন ইমেইল, হোয়াটসআপ, ফেসবুক, ইমো, ভাইবার, টুইটারের কথা কেউ কল্পনাও করত না। চিঠিপত্রই ছিল যোগাযোগের ভরসা।  চিঠির অপেক্ষায় সময় কাটত অনেক স্বামী, স্ত্রী, প্রেমিক, প্রেমিকার। রাজনীতিবিদরাও চিঠি লিখতেন কর্মীদের। জেলখানার চিঠি বাইরে আসত কর্মীদের আগামী নিয়ে। তুর্কি কবি নাজিম হিকমত লিখেছিলেন, ‘জেল থেকে মুক্তির কোনো আশা কি আছে আদৌ?

আমার ভিতর থেকে একটি কণ্ঠ বলে ওঠে;

হয়তো।’

মহামারীর এই সময়ে আমাদের বসবাস জীবনযুদ্ধের কারাগারে। এ কারাগার থেকে বের হওয়ার পথ আছে হয়তো। আশার আলো না থাকলে মানুষ বাঁচবে কী নিয়ে?

লেখক: সিইও, নিউজ টোয়েন্টিফোর ও সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন।

মন্তব্য