রাতে কলা খেলে ঘুম ভালো হয়

অনলাইন ডেস্ক

রাতে কলা খেলে ঘুম ভালো হয়

যে কোন ভাবেই কলা খাওয়া যায়। এটি একই সাথে ফল এবং সবজি হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তাছাড়া আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে কলা সবচেয়ে সহজলভ্য ফলগুলোর মধ্যে একটি।

বাংলা সিনেমার ডাইনিং টেবিল থেকে শুরু করে রাস্তার চায়ের দোকানে পর্যন্ত কলা ঝুলতে দেখা যায়। ক্ষুধা নিবারনের পাশাপাশি এটি অত্যন্ত পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ একটি ফল।

এতে রয়েছে দৃঢ় টিস্যু গঠনকারী উপদান যথা আমিষ, ভিটামিন এবং খনিজ।

কলা ক্যালরির একটি ভাল উৎস। এতে কঠিন খাদ্য উপাদান এবং সেই সঙ্গে পানি জাতীয় উপাদান সমন্বয় যে কোনো তাজা ফলের তুলনায় বেশি।

প্রতি ১০০ গ্রাম কলায় রয়েছে পানি ৭০.১%, আমিষ  ১.২%, ফ্যাট (চর্বি) ০.৩%, খনিজ লবণ ০.৮%, আঁশ  ০.৪%, শর্করা ৭.২%, ক্যালসিয়াম ৮৫ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৫০ মিলিগ্রাম, আয়রন ০.৬ মিলিগ্রাম, ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স ৮ মিলিগ্রাম এবং ভিটামিন-সিও রয়েছে কলায়।


বিরাট কোহলিদের সঙ্গে খেলতে চান সানি লিওন!

চসিক নির্বাচন: ভাইয়ের হাতে ভাই খুন

পুলিশ পিটিয়ে কৃষকদের ট্র্যাক্টর মিছিল, ১৫টি মামলা

নতুন রাজনৈতিক অফিস খুলেছেন ট্রাম্প


কলা কর্মশক্তি যোগায়, শরীরে প্রোবায়টিকের যোগান দেয়, উচ্চ রক্তচাপ কমায়, রক্তস্বল্পতা দূর করে, স্নায়ুকে শান্ত করে এবং পরিশ্রম ও ব্যায়ামে শক্তি যোগায়। এছাড়া কলা খেলে আপনার পেট থাকবে একদম পরিষ্কার। আর পেট পরিষ্কার থাকলে মনও বেশ ভাল থাকে।

অনেকেই বলে রাতে কলা খাওয়া ঠিক নয়। কিন্তু এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারনা। কলার মধ্যে ম্যাগনেসিয়াম থাকে। যা পেশিকে শিথিল হতে সাহায্য করে। এছাড়াও কলাতে প্রচুর শক্তি থাকে। তাই রাতে খাবার খেয়ে একটা কলা খেলে ঘুম ভালো হয়।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দ্রুত শক্তি জোগাবে কাঠবাদাম

অনলাইন ডেস্ক

দ্রুত শক্তি জোগাবে কাঠবাদাম

কাঠবাদামে সাধারণত ভিটামিন, মিনারেল, এসেনশিয়াল, ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এবং প্রয়োজনীয় প্রোটিন থাকায় কাঠবাদামের স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক বেশি। কাঠবাদামে যে পরিমাণ ফ্যাট ও প্রোটিন আছে, যা দ্রুত শরীরকে শক্তি জোগায় এবং মানসিক তৃপ্তির কারণে অনেকক্ষণ খিদে লাগবে না। দ্রুত ক্লান্তি দূর করবে এবং দ্রুত শক্তির জোগান দেবে।

কাঠবাদাম উচ্চ আঁশযুক্ত। ফলে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগীদের জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী। অপরদিকে, এতে প্রচুর এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড থাকায়, হৃদরোগীদের যে ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড দরকার, তার সরবরাহ করে থাকে কাঠবাদাম।

কাঠবাদামে শর্করার পরিমাণ কম বলে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি উপকারী। ১২ থেকে ১৫টি কাঠবাদাম থেকে আপনি ১০০ কিলোক্যালোরি পাবেন। যাঁরা ১২০০ থেকে ১৪০০ কিলোক্যালোরির ডায়েট করছেন ওজন কমানোর জন্য, তাঁরাও কিন্তু মিড-মর্নিং স্ন্যাকসে কাঠবাদাম খেতে পারেন।


ভূতের আছর থেকে বাঁচতে পৈশাচিক কান্ড

হৃদরোগে মৃত্যুর পরও ফাঁসিতে ঝুলানো হল নিথর দেহ

টিকা নেয়ার ১২ দিন পর করোনায় আক্রান্ত ত্রাণ সচিব

যমজ ভাই অস্ত্রোপচার করে পরিণত হলেন যমজ বোনে


কাঠবাদামে উপস্থিত ফ্ল্যামোনয়েডস, যা আপনার কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে সহায়তা করবে। কাঠবাদামে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিদ্যমান, যা ক্যানসার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। কাঠবাদামে প্রচুর পটাশিয়াম বিদ্যমান, যা উচ্চরক্তচাপ কমাতে সহায়তা করবে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

তামাক সেবনে বাড়ে স্ট্রোকের ঝুকি

অনলাইন ডেস্ক

তামাক সেবনে বাড়ে স্ট্রোকের ঝুকি

বিড়ি-সিগারেটের ধোঁয়ায় সাত হাজারের বেশি ক্ষতিকর উপাদান রয়েছে। যার মধ্যে প্রায় ৭০টি ক্যান্সার সৃষ্টির জন্য দায়ী। বিড়ি-সিগারেটের ধোঁয়া নারী, শিশুসহ অধূমপায়ীদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ ধোঁয়া তিলে তিলে মানুষকে মৃত্যুর দিকে ধাবিত করে। প্রতিবছর ১৫ মিলিয়নের বেশি মানুষ স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছে যাদের ৩০ শতাংশ মৃত্যুবরণ করেন এবং প্রায় ৬০ শতাংশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হন। স্ট্রোকের ঝুঁকি বৃদ্ধির কারণগুলোকে দু’ভাগে আলাদা করা যায়- পরিবর্তনযোগ্য ও অপরিবর্তনীয়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল বদ অভ্যাস- তামাক সেবন ও মদ্যপান যা হৃদরোগ, ফুসফুসের ক্যান্সার, লিভার সিরোসিস এগুলোসহ মস্তিষ্কে স্ট্রোক ঘটাতে পারে। ধূমপানে স্ট্রোক ঝুঁকি দ্বিগুণের বেশি বাড়ে।

১৯৬৪ সাল থেকেই স্ট্রোক ও তামাক সেবনের সম্পর্কে আমেরিকান সার্জন জেনারেলের রিপোর্ট তুলে ধরা হয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো হলো-

* ধূমপান প্রত্যক্ষভাবে মস্তিষ্কের রক্তনালির রোগ বৃদ্ধির জন্য দায়ী

* ধূমপান ইসকেমিক স্ট্রোকের হার বাড়ায়

* তামাক সেবন সাব-অ্যারাকনয়েড হেমোরেজের ঝুঁকি বাড়ায়


নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

বাংলাদেশে সেরা লাইকি

আমাকে নিয়ে আর খেলতে দিবো না : মিলা


 

* ধূমপান ছাড়ার ৪-৫ বছর পর স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে অধূমপায়ীদের সমান হয়

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুযায়ী স্ট্রোকের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি ঝুঁকি হল উচ্চরক্তচাপ ও তামাক সেবন বা ধূমপান যা সদিচ্ছা থাকলে পরিবর্তন করা সম্ভব। সিগারেট ধূমপানের পাশাপাশি অন্যান্য উপায় যেমন জর্দা পান, গুল ইত্যাদি সেবনেও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। এ ছাড়া সেকেন্ড হ্যান্ড স্মোকিং বা পরোক্ষভাবে ধূমপায়ীরা একই ধরনের পদ্ধতিতে স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছেন।

নিকোটিন, কার্বন মনোক্সাইড ও অন্যান্য জারক গ্যাসগুলো রক্তনালির এন্ডোথেলিয়ামে ক্ষত তৈরি করে, কোষের স্বাভাবিক বৃদ্ধিকে থামিয়ে দেয় যা থ্রোম্বোসিস বা রক্তক্ষরণে রূপ নেয় অদূর ভবিষ্যতেই। তামাকের কেমিক্যাল মস্তিষ্কের রক্তনালিতে প্রদাহ সৃষ্টি করে, রক্তনালির সংকোচন ঘটায় এবং রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে যা পরিশেষে ইসকেমিক স্ট্রোকে রূপ নেয়।

এ ছাড়া তামাকে উপস্থিত ২০০০-এরও বেশি ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ অনিয়ন্ত্রিত উচ্চরক্তচাপের জন্য দায়ী- যা স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কা ত্বরান্বিত করে। সাম্প্রতিক ২০টি স্ট্রোকবিষয়ক আন্তর্জাতিক গবেষণায় পরোক্ষ ধূমপান ও স্ট্রোকের মধ্যে সম্পর্ক প্রমাণিত হয়। উল্লেখ্য, সিগারেট সংখ্যার কোনো নিরাপদ মাত্রা নেই; দিনে ২-৪ শলাকা নিয়মিত সেবন করলেও স্ট্রোকে ভুগে অকাল মৃত্যু বা পঙ্গুত্ববরণ করতে হতে পারে। সিগারেট শলাকার সংখ্যা যত বাড়বে, স্ট্রোকের ঝুঁকি তত বেশি।

তবে যারা ধূমপান বদ অভ্যাস ছাড়ার চেষ্টা করছেন, তাদের জন্য রয়েছে সুখবর! ১২ বছরের ফলোআপে দেখা গেছে, স্ট্রোকের ঝুঁকি ৩৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে ধূমপান ছাড়ার পর। ২৬ বছরের একটি প্রোসপেক্টিভ কোহর্ট গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখেন, স্ট্রোকের ঝুঁকি ধূমপান ছাড়ার ২ বছরের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পায়; ৫ বছর পর এ ঝুঁকি অধূমপায়ীদের কাছাকাছি নেমে আসে।

আমাদের স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি এ ধরনের বদ অভ্যাস পরিহার করতে সবাইকে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

উদ্বেগ কমাবে কমলা, গোসল ও ম্যাসাজ

অনলাইন ডেস্ক

উদ্বেগ কমাবে কমলা, গোসল ও ম্যাসাজ

উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তার মধ্যে কোনোদিন পড়েননি এমন মানুষ পাওয়া যাবে না। তবে মাথা ঠাণ্ডা রেখে সেই উদ্বেগের বিষয়গুলো কাটিয়ে ওঠাটাই বড় চ্যালেঞ্জ। চিন্তা ও উদ্বেগে মাথা এলোমেলো হয়ে যায়, তখন সহজ বিষয়গুলোও তখন জটিল আকার ধারণ করে, কাছের মানুষদের সাথে অহেতুক খারাপ ব্যবহার হয়ে যায়, এমনকি দুশ্চিন্তার কারণে অনেক বড় ভুল সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলে মানুষ।

খুব বেশি উদ্বেগের সমস্যা হলে মনোবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। তার আগে উদ্বেগ কমানোর কিছু ঘরোয়া উপায় মেনে দেখতে পারেন।
 কিছু বিষয় আছে যেগুলো অভ্যাসে পরিণত করতে পারলে উদ্বেগজনিত ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনা যায়। 

কমলা

কমলা ও কমলার খোসা স্নায়ুকে শান্ত করতে কাজ করে। গবেষণায় বলা হয়, ওরেঞ্জ অ্যারোমাথেরাপি উদ্বেগ কমায় এবং মেজাজ ভালো করে।

একটি কমলার খোসা ছাড়িয়ে নিন। এর গন্ধ নিন। এ ছাড়া কমলার খোসা ছাড়িয়ে গরম পানিতে কয়েক মিনিট সেদ্ধ করে এর গন্ধ নিতে পারেন। এটি উদ্বেগ কমতে সাহায্য করবে।


নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

বাংলাদেশে সেরা লাইকি

আমাকে নিয়ে আর খেলতে দিবো না : মিলা


গোসল

গরম পানিতে গোসল উদ্বেগ ও মানসিক চাপ কমাতে কাজ করে।তাই উদ্বেগ কমাতে এই পদ্ধতিও অনুসরণ করতে পারেন।

ম্যাসাজ

উদ্বেগের মধ্যে থাকলে শরীর ম্যাসাজ করুন। বিশেষ করে ঘাড়, পিঠ ও পায়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। এতে শরীর শিথিল লাগবে। উদ্বেগ কমতে সাহায্য হবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মানসিক অস্থিরতা দূর করতে যা খাবেন

অনলাইন ডেস্ক

মানসিক অস্থিরতা দূর করতে যা খাবেন

বিষণ্ণতা ও মানসিক অস্থিরতা শুধু মন নয়, ধীরে ধীরে প্রভাব ফেলতে শুরু করে শরীরেও। এছাড়া অনেকেই বলে থাকেন শরীরের ব্যথা যত সহজে নিরাময়যোগ্য, মনের ব্যথা ততোটা নয়।

ঘন ঘন মন খারাপ বা মানসিক অস্থিরতায় ভুগলে তাই পরামর্শ নিতে হবে মনরোগ বিশেষজ্ঞের। অবশ্য সমাধান দিয়েছেন পুষ্টিবিদরাও। মন খারাপ ভাব কাটানোর জন্য আছে বিশেষ কিছু খাবার। দেখে নেওয়া যাক এমন কিছু পুষ্টিকর খাবারের নাম-

ভিটামিন বি-১২

অবসাদ, ক্লান্তি ইত্যাদি বেড়ে যায় 'ভিটামিন বি ১২' এর অভাবে। গড়ে প্রতিটি মানুষের প্রতিদিন ২.৪ মাইক্রোগ্রাম পরিমাণ 'ভিটামিন বি ১২' এর দরকার হয়। পনির, কম চর্বিযুক্ত দই, দুধ- এসব 'ভিটামিন বি ১২' এর চাহিদা পূরণে বেশি ভূমিকা রাখে। আধুনিক বিজ্ঞান বলে 'ভিটামিন বি ১২' আমাদের শরীরে ভালো লাগার হরমোনকে উদ্দীপ্ত করে। ফলে মেজাজ ফুরফুরে থাকে।

ভিটামিন সি

'ভিটামিন সি'-কে বলা যেতে পারে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার যম। জটিল পরিস্থিতিতে পড়লে আগে এক গ্লাস কমলার জুস খেয়ে দেখা যায়। মাথার ভার অনেকটাই কমে আসবে। মনকে সতেজ ও শক্তিশালী রাখতে ভিটামিন সি অনবদ্য।


ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শুকরের খামার গড়ছে হুয়াওয়ে

হাতে নেই ছবি, তবুও বিলাসবহুল জীবনযাপন?

১৪ বছরের সুন্দরী কিশোরীকে বিয়ে করে বিপাকে পাকিস্তানি এমপি

মিয়ানমারের আর্থিক সংকট নিয়ে নতুন গুজব, আতঙ্কিত গ্রাহকেরা


ভিটামিন ডি

মানসিকভাবে শক্তিশালী থাকতে ভিটামিন ডি ভালো কাজ করে। এই ভিটামিন মেজাজ খিটখিটে হতে বাধা দেয়। কোনও কারণ ছাড়া হতাশা গ্রাস করলে বুঝবেন শরীরে হয়তো 'ভিটামিন ডি' এর ঘাটতি আছে। এর অভাব পুষিয়ে নেওয়া যায় সহজেই। দুধ, কুসুমসহ ডিম, সূর্যের আলো 'ভিটামিন ডি' এর জন্য যথেষ্ট। প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সূর্যালোকে থাকার চেষ্টা করুন।

ম্যাগনেসিয়াম

মানসিক যেকোনও সমস্যা মোকাবিলায় ম্যাগনেসিয়াম গুরুত্বপূর্ণ। এটাকে প্রাকৃতিক ব্যাথানাশক বললেও ভুল হবে না। ডার্ক চকলেট, পালং শাক, বাদামে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মানসিক চাপ কমানোর গোপন কৌশল

অনলাইন ডেস্ক

মানসিক চাপ কমানোর গোপন কৌশল

পরিবার বা কর্মক্ষেত্রে সমস্যা, সম্পর্কে অবনতি, অর্থনৈতিক সংকট, খারাপ স্বাস্থ্য, এমনকি ঘনিষ্ঠ কারো মৃত্যু— এসব বিভিন্ন কারণে আমরা মানসিক চাপের মধ্যে থাকি। এই মানসিক চাপ বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ঝুঁকির কারণ হতে পারে। তাই নিজেকে ভালো রাখতে চাপ কমানো জরুরি।চুইংগাম চিবালে মানসিক চাপ ও  দুশ্চিন্তা দুটোই কমে। এর কারণ চুইংগাম চিবানোর সময় ব্রেনে রক্ত চলাচল ঠিকভাবে হয়।

আবার কেউ কেউ বলেন চুইংগামের স্বাদ এবং গন্ধ দুশ্চিন্তামুক্ত হতে সহায়তা করে। ঘরের বাহিরে সময় কাটানোর ফলে মানসিক চাপ কমে। বিভিন্ন পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় ঘরের কাছে হলেও কয়েক মিনিট বাহিরে সময় কাটিয়ে আসলে মানসিক চাপ কমবে এবং আপনি সতেজ ও চাঙ্গা অনুভব করবেন।


নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

বউ যেন এদিক-ওদিক ভাইগা না যায় : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা (ভিডিও)

নাসির-তামিমার জন্য ভালোবাসা ও দোয়া : শবনম ফারিয়া


 

প্রকৃত হাসি আপনার মানসিক চাপ কমায়। তাই যতদূর সম্ভব আমাদের হাসি মুখে থাকা উচিত। ল্যাভেন্ডার সৌরভ যেমন ল্যাভেন্ডার এয়ার ফ্রেশনার মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন অন্ততঃ একটি গান শুনুন। গান মানসিক চাপ কমায়। গান ব্রেনে ডোপামিন নামে একটি রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে থাকে, যা আপনার মুডকে উজ্জীবিত করে এবং মানসিক চাপ কমিয়ে দেয়। ব্রেথিং এক্সারসাইজ বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যয়াম  আপনার মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে।

শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যয়ামে লম্বা করে দম নিন এবং ধীরে ধীরে দম ছেড়ে দিতে হবে। অন্তত দিনে দশ বার এভাবে ব্রেথিং এক্সারসাইজ করলে মানসিক চাপ অনেক কমে যাবে। মানসিক চাপ অনুভব করলে আপনি ডায়েরীর পাতায় বা কোনো স্থানে আপনার সমস্যার কথাগুলো লিখুন এবং একটা সময় পর দেখবেন  সমস্যার সমাধান আপনি নিজ থেকেই পেয়ে যাবেন। ফলে আপনার মানসিক চাপ থাকবে না।

সামাজিক বন্ধন এবং বন্ধুত্ব মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। আপনার কোনো ভাল বন্ধু থাকলে বা আপনজন কাউকে আপনার সমস্যার কথা খুলে বলুন, দেখবেন মানসিক চাপ ধীরে ধীরে কমে যাবে। তবে আপনার  বন্ধু বা আপনজন যদি স্বার্থপর হয়ে থাকে তবে সেক্ষেত্রে মানসিক চাপ কমার বদলে বরং বেড়ে যাবে। তাই আপনার বন্ধু বা আপনজন কে তা আপনাকে জানতে হবে। প্রতিদিন দিনে অন্ততঃ একবার সকালে বা বিকালে ব্যয়াম করার অভ্যাস করুন। একটু হাটা-চলা, নৌকা চালানো বা শারীরিক পরিশ্রম আপনার মানসিক অবস্থা ভাল রাখতে সাহায্য করে।

ব্যয়াম করলে এন্ডোরফিন নামক হরমোন নিঃসৃত হয় যা মানসিক চাপ কমায় এবং আমাদের মনে আনন্দের সৃষ্টি করে। এন্ডোরফিন অর্থ এন্ডোজেনাস মরফিন যা সরাসরি আল্লাহ প্রদত্ত। আমাদের কিনতে হয় না। এন্ডোরফিন নিঃসৃত হলে মনে কোনো ব্যাথা বেদনা থাকলে তা কমিয়ে দেয় এবং মনে আনন্দের সৃষ্টি করে। একটি কথা সবার জানা দরকার মানসিক চাপ ক্রমাগত চলতে থাকলে মুখের অভ্যন্তরে যে সব রোগ পরিলক্ষিত হয় তা সহজে ভাল হতে চায় না। তাই মুখের রোগে ভাল হতে চাইলে আপনাকে মানসিক চাপ মুক্ত থাকতে হবে।  

চাপ দূর করতে কী করা প্রয়োজন, এর জন্য একটি তালিকা তৈরি করুন। আপনার চাহিদা অনুসারে তালিকাটি সাজান এবং সেই তালিকা অনুসারে পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। এই পদক্ষেপগুলোর চর্চা মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর