মদপার্টি ও ধর্ষণ : নেহাও ৩ পেগ মদপান করেন

অনলাইন ডেস্ক

মদপার্টি ও ধর্ষণ : নেহাও ৩ পেগ মদপান করেন

রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে মদপান করিয়ে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন বান্ধবী ডিজে ফারজানা জামান নেহা ওরফে ডিজে নেহা। শুক্রবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে রেস্টুরেন্টের ঘটনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ওই দিন রেস্টুরেন্টে মদপান করার পর আমার মুখ দিয়ে রক্ত ও বমি বের হয়। তখন সেখান থেকে আমি বাসায় চলে যাই। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নেই।

নেহা আরও বলেন, গত ২৮ জানুয়ারি আমার বন্ধু আরাফাতের নিমন্ত্রণে উত্তরার ব্যাম্বুসুট রেস্টুরেন্টে যাই। সেখানে গিয়ে আরও কয়েকজনকে দেখতে পাই। আমি আরাফাত ছাড়া অন্য কাউকে চিনতে পারিনি। সেখানে আমি মদপান করি। ৩ প্যাক পান করার পর আমার মুখ দিয়ে রক্ত বের হয় এবং বমিও হয়। আমি তখন সেখান থেকে বাসায় চলে যাই। বাসায় যাওয়ার পরও আমার কয়েক দফা বমি হয়। এমন পরিস্থিতিতে আমি হাসপাতালে চিকিৎসা নেই।


কাশ্মির হবে স্বাধীন: ইমরান খান

গোনাহ ক্ষমা হয় যে দোয়ায়

আয়-রোজগারে বরকত লাভের উপায়

যেমন আছে সু চি


উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য শুক্রবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) নেহাকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছিলেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার তার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর আজিমপুর এলাকার একটি বাসা থেকে নেহাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাণ হারানো ছাত্রীর বাবার করা মামলায় তিনি এজাহারভুক্ত আসামি।

তারও আগে গত বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম নিভানা খায়ের জেসির আদালতে এজহারের অজ্ঞাত আসামি হিসেবে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন আরাফাতের বন্ধু শাফায়াত জামিল (২২)। আদালতে হলফনামা দিয়ে মামলায় সম্পৃক্ততার ইচ্ছা প্রকাশ করেন শাফায়াত। এরপর বিচারক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

হলফনামায় শাফায়াত দাবি করেন, গত ২৮ জানুয়ারি বন্ধু আরাফাতের নিমন্ত্রণে উত্তরার ব্যাম্বু সুট রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলেন তিনি। রেস্টুরেন্টে আরাফাত এবং তার আরেক বন্ধু মুর্তুজা রায়হান চৌধুরী তার বান্ধবীকে নিয়ে যান।

রায়হান ও তার বান্ধবী পূর্বপরিচিত ছিলেন না উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, তারা হালকা নাস্তার পর মদপান করে চলে যান। আমি অসুস্থ বোধ করলে রেস্টুরেন্ট থেকে বাসায় চলে যাই। ৩০ জানুয়ারি আরাফাত মারা যান।

ওই ছাত্রীর বাবার মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২৮ জানুয়ারি বিকেল ৪টায় মর্তুজা রায়হান ওই তরুণীকে নিয়ে মিরপুর থেকে আরাফাতের বাসায় যান। সেখানে স্কুটার রেখে আরাফাত, ওই তরুণী এবং রায়হান একসঙ্গে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ব্যাম্বু সুট রেস্টুরেন্টে যান। সেখানে আগে থেকেই আরেক আসামি নেহা এবং একজন সহপাঠী উপস্থিত ছিলেন। সেখানে আসামিরা ওই তরুণীকে জোর করে ‘অধিক মাত্রায়’ মদপান করান।

মদপানের একপর্যায়ে ওই তরুণী অসুস্থ বোধ করলে রায়হান তাকে মোহাম্মদপুরে ওই তরুণীর বান্ধবী নুহাত আলম তাফসীরের বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে ওই তরুণীর সঙ্গে রায়হানের একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন হয়।

গত ৩০ জানুয়ারি রাজধানীর উত্তরায় একটি পার্টিতে চার বন্ধুর সাথে অতিরিক্ত মদ্যপানের পর মারা যান বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী। পরে তার আরেক বন্ধু আরাফাতেরও মৃত্যু হয়। 

পুলিশ জানায়, মারা যাওয়া ছাত্রীর সাথে গ্রেপ্তার রায়হানের প্রেমের সর্ম্পক ছিল। ঘটনার রাতেই দুজনের শারীরিক সর্ম্পকও হয়। আর বিষাক্ত মদপানেই তার ও আরাফাতের মৃত্যু হয়েছে । এ ঘটনায় দায়ের করা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার সব আসামি গ্রেফতার হয়েছে। সবগুলো ফরেনসিক রিপোর্ট পেলে পুলিশ মামলার চার্জশিট জমা দেবে বলেও জানানো হয়।

এ প্রসঙ্গে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মৃত্যুঞ্জয় দে সজল বলেন, ওই তরুণী ও তার বন্ধু রায়হানসহ চারজন শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) উত্তরার ব্যাম্বু রেস্টুরেন্টে যায়। সেখানে তারা মদপান করে। এর মধ্যে একটা মেয়ে অসুস্থ হয়ে চলে যায়। আর বাকিদের মধ্যে আরাফাত, মর্তুজা রায়হান চৌধুরী এবং ভিকটিম উবারে করে মোহাম্মদপুরে নবোদয় হাউজিং এলাকায় নুহাদ আলম তাফসীরের বাসায় যায়। সেখানে তারা রাতযাপন করে। রাতে আরাফাত ও ওই ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদেরকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতাল ও সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিটি হাসপাতালে শনিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় আরাফাত। আর রোববার দুপুরে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে মারা যায় ওই ছাত্রী। এ ব্যাপারে ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। এতে রায়হান, আরাফাত, তাফসীরসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। 

এদিকে ব্যাম্বু রেস্টুরেন্টের সিসি টিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে সেখানে তাদের অবস্থানের সত্যতা পেয়েছে পুলিশ। ওই রেস্টুরেন্টে বসে মদ পান করলেও তারা মদ বাইরে থেকে নিয়ে গিয়েছিল। 

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দেখা করতে ডেকে অনত্বসঃত্বা গৃহবধুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক

দেখা করতে ডেকে অনত্বসঃত্বা গৃহবধুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

টাঙ্গাইলের সখিপুরেরর গোরগোবিন্দপুর গ্রামে এক অনত্বসঃত্বা গৃহবধুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ওই যুবকের নাম সিয়াম। তিনি সখিপুরের গোরগোবিন্দপুর গ্রামের ময়নালের ছেলে। 

জানা গেছে টাঙ্গাইলের সখিপুরের গোবিন্দপুরের পাশ্ববর্তী উপজেলা ঘটাইল থেকে ওই তরুণীকে ডেকে এনে পাঁচজনে মিলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ওয়ারস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করেছে।  এছাড়াও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই নারীর পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে।

ধর্ষণের শিকার ওই নারীর বাবা জানান, একই গ্রামে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। গত কিছুদিন ধরে সখিপুরের জয় নামের এক যুবকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে মেয়ের পরিচয় হয়। তারপর থেকে তারা ফোনে প্রতিনিয়ত আলাপ করত। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই ছেলের সাথে দেখা করতে ঘর থেকে বেড়িয়ে যায়। এরপর সে আর বাড়িতে আসে নি। বুধবার দুপুরে আমরা তাকে হাসপাতালে দেখতে পাই।

সখিপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লুৎফুল কবির বলেন, পুর্ব পরিচয়র সূত্র ধরে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। মেয়েটি সরল বিশ্বাসে পূর্ব পরিচিত জয় নামে এক বন্ধুর সঙ্গে সখিপুর আসে। রাতে তারা সবাই মিলে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে।

তিনি জানান, আটক সিয়াম ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তার সঙ্গে সখিপুর পৌর এলাকার নাছির উদ্দিনের ছেলে ধর্ষণের শিকার মেয়ের বন্ধু জয় মিয়া ও গোরগোবিন্দপুর গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে সুমন মিয়া মেয়েটিকে রাতভর ধর্ষণ করেছে। কিন্ত মেয়েটি অজ্ঞাত পরিচয় আরো দুইজনসহ পাঁচজনে মিলে ধর্ষণ করেছে বলে পুলিশকে জানিয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে। আশা করছি দ্রুতই তারা গ্রেপ্তার হবে।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম সজিব বলেন, মেয়েটি প্রেগনেন্ট ছিল। ধর্ষণের ফলে তার প্রচুর রক্তক্ষণ হয়েছে। তার পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ফেনসিডিল বিক্রির অভিযোগে পুলিশের দুই কর্মকর্তা প্রত্যাহার,পুলিশ সুপারকে বদলি

অনলাইন ডেস্ক

ফেনসিডিল বিক্রির অভিযোগে পুলিশের দুই কর্মকর্তা প্রত্যাহার,পুলিশ সুপারকে বদলি

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলায় উদ্ধার হওয়া  ২৪৮ বোতল ফেনসিডিল থেকে ৮৮ বোতল বিক্রি করে দেওয়ারঘটনায় শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অপর দুই পুলিশ কর্মকর্তা হলেন- শিবগঞ্জ থানার মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক শাহিন উজ্জামান ও ফেনসিডিল উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলার বাদী উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজাউদ্দৌল। বুধবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়ার পুলিশ সুপারের আদেশে তাদেরকে প্রত্যাহার করা হয়।

বুধবার বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টাস থেকে পাঠানো এক আদেশে শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

 

জানা গেছে, গত ৩ এপ্রিল রাতে বগুড়া-রংপুর মহাসড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে বিভিন্ন যানবাহন তল্লাশি করেন মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা। চেকপোস্টে নেতৃত্ব দেন শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশ সদস্যরা জানান, যানবাহন তল্লাশিকালে ঢাকাগামী বাস খালেক পরিবহন থেকে নাজিম নামের এক ব্যক্তিকে ৫০ বোতল এবং পিংকি পরিবহন নামের বাস থেকে সাইফুল ইসলাম নামের একজনকে ১৯৮ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়। এ ঘটনায় মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজাউদ্দৌলা বাদী হয়ে পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করেন। 

পিংকি পরিবহন থেকে উদ্ধারকৃত ১৯৮ বোতল ফেনসিডিলের স্থলে ১১০ বোতল জব্দ দেখিয়ে সাইফুলের নামে মামলা দেওয়া হয়। বাকি ৮৮ বোতল ফেনসিডিল পুলিশের এক কর্মকর্তা সোর্সের মাধ্যমে বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীকে প্রত্যাহার করে বরিশাল রেঞ্জ অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছে। বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

বেলাল রিজভী, মাদারীপুর

মাদারীপুরে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

মাদারীপুরে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় সাথী বেগম (২৭) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার ভোরে শিবচর উপজেলার বাঁশকান্দি ইউনিয়নের শেখপুর গ্রামের মামুন চৌকিদারের বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা। পরিবারের অভিযোগ তাকে হত্যা করে মরদেহ ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে স্বামী মামুন চোকিদার পলাতক রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোরে সাথী বেগমের স্বামী মামুন চৌকিদার তার শ্বশুর বাড়িতে ফোন করে খবর দেয় সাথী ঘরের আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এ খবর পেয়ে সাথীর ভাই আনোয়ার হোসেন ও পরিবারের লোকজন গিয়ে সাথীর মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে স্থানীয় প্রতিবেশীরা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ভোর থেকেই স্বামী মামুন চৌকিদার পলাতক রয়েছে। সাথীর পরিবার ও আত্মীয় স্বজনদের দাবি তার স্বামী মামুন চৌকিদার তাকে হত্যা করে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রেখেছে।

নিহত সাথী বেগম দুই ছেলে ও এক মেয়ের মা এবং বাঁশকান্দির শেখপুর গ্রামের মামুন চৌকিদারে স্ত্রী ও একই ইউনিয়নের দক্ষিন বাঁশকান্দি গ্রামের আছুমদ্দিন কবিরাজের মেয়ে।

সাথীর ভাই আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমার বোনকে প্রায়ই যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতো মামুন। মাঝে মাঝে অনেক মারধর করতো। এই নিয়ে কয়েকবার শালিস বৈঠকও হয়েছে। কয়েক দিন আগে সাথীকে পিটিয়ে আহত করে। আমরা ফরিদপুর মেডিকেল ৩৬ হাজার টাকা ব্যয়ে ওর চিকিৎসা করাই। আজ আমার বোনকে মেরে ঘরে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমরা চেয়েছিলাম তাকে এই সংসার থেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। কিন্তু স্থানীয় শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বোনকে ওই সংসারে রাখার কথা বললে আমরা তাদের কথা শুনে রেখে যাই।’

শিবচর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমির হোসেন সেরনিয়াবাত বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থল থেকে সাথী বেগমের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সাথীকে হত্যা করে আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পরে স্পষ্টভাবে জানা যাবে হত্যা নাকি আত্মহত্যা। এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহে কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় পণ্যসহ ১৮ জন আটক

সৈয়দ নোমান, ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহে কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় পণ্যসহ ১৮ জন আটক

ময়মনসিংহে কোটি টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্যসহ ১৮জন চোরাকারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১৪। বুধবার ভোরে ময়মনসিংহের গৌরিপুর উপজেলার বেলতলী এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। এসময় ভারতীয় পণ্য বহনকারী ছয়টি ট্রাক ও একটি কার্ভাডভ্যানও জব্দ করা হয়।

বুধবার বিকেলে র‌্যাবের সহকারি পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেন স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

আটকরা হচ্ছেন- সোলাইমান কবির (৪০), চিত্তরঞ্জন দে (৫১), মোঃ মতিন (৩৬), মো. খায়রুল ইসলাম (২০), মো. আনোয়ার হোসেন (৩০), মো. আকরাম (২০), মো. মিরাজ (৩০), মো. মমিন (৩২), মো. ইমরান (২৫), মো. রাজু মিয়া (৩০), মো. নজরুল ইসলাম (৪০), মো. মাহফুজুর রহমান (৪০), মো. কামরুল ইসলাম (২২), মো. রুবেল (৩৪), সুমন মীর (৩২), মো. হারেস (৪৭), মো. রাজু (৩২), মো. সাব্বির (২০)।


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডবের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ১১

ভিপি নুরের নামে আরও এক মামলা

নাটোরের বড়াইগ্রামে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত


প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসাইন উল্লেখ করেন, ভারতীয় এক হাজার থ্রিপিচ, ২৫০ লেহেঙ্গা, ১২ হাজার কেজি জিরা, ৩৫০ পিস শাড়ি, ৩ হাজার ২০০ পিস সাবান, ২০ হাজার পিস মেহেদী, ৪ হাজার পিস চকলেট, ৭ হাজার পিস ক্রীম উদ্ধার করা হয়েছে।

এসব ভারতীয় পণ্য অবৈধভাবে বাংলাদেশে আনা হয়েছে বলে আটকরা স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে গৌরিপুর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা

ঠাকুরগাঁও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় মোজাম্মেল হক (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা।

গতকাল সন্ধ্যায় উপজেলার বড়পলাশবাড়ি ইউনিয়নের বাদামবাড়ি হাটে উভয় পক্ষের সংঘর্ষে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় গুরুতর অবস্থায় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও আধুনিক সদর হাসপাতালে দুজনকে ভর্তি করা হয়। আহত দুজন নিহত মোজাম্মেলের দুইভাই।

ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদও হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার রকিবুল আলম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত মোজ্জাম্মেলের বাসা ওই ইউনিয়নের কইকরি গ্রামে।


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডবের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ১১

ভিপি নুরের নামে আরও এক মামলা

নাটোরের বড়াইগ্রামে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত

আহত ব্যক্তি আশরাফুল ও বাবুলের অভিযোগ প্রতিবেশী এক মেয়ের সাথে কয়েক বছর আগে বিবাহ হয় প্রতিবেশী লতিফের। ঝগড়া বিবাদের কারণে ওই মেয়ে স্বামীর বাড়ি থেকে চলে আসে। আর এই বিয়ের ঘটক ছিল মোজ্জামেল। ওই নারী দীর্ঘ দিনেও কেন স্বামীর বাড়িতে যায় না এ নিয়ে প্রতিবেশী কামাল হোসেনের সাথে বাকবিতণ্ডা হয় কয়েকদিন ধরে। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান বিষয়টি নিয়ে মিমাংসায় বসলে। কামাল হোসেন ও মোজ্জাম্মেলের হাতাহাতি হয়। কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বাদামবাড়ি হাটে মোজ্জাম্মেলকে একা পেয়ে প্রকাশ্যে ধারাল অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে মারপিট করে। পরে বাড়ির সামনে মোজাম্মেল ও বাবুলকেও মারপিট করে তারা। আহত অবস্থায় বালিয়াডাঙ্গী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাদের ভর্তি করা হলে গুরুতর অবস্থায় মোজ্জাম্মেল ও বাবুলকে জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় মোজাম্মেল।

এ বিষয়ে বড়পলাশবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কামাল হোসেন ও মোজাম্মেলের মধ্যে আগে থেকে কয়েকটি বিষয়ে নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। এ ঘটনায় আজকে একজনের প্রাণ গেল।

বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি হাবিবুল হক প্রধানের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর