বিশ্ববাজারে সিমেন্টের কাঁচামালের দাম বেড়ে দ্বিগুণ

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্ববাজারে সিমেন্টের কাঁচামালের দাম বেড়ে দ্বিগুণ

দেশীয় বাজারে সিমেন্টের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হতে পারে। কারণ বিশ্ববাজারে সিমেন্টের কাঁচামালের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। কাঁচামালের অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন সিমেন্ট উৎপাদকরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ক্লিংকার প্রস্তুতে ব্যবহৃত জ্বালানি কয়লার দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্লিংকারের উৎপাদন খরচ বেড়েছে। চীন হঠাৎ করে কয়লার আমদানি বৃদ্ধি করায় দাম অব্যাহতভাবে বাড়ছে। উৎপাদন পর্যায়ে আগে যেখানে প্রতি টন কয়লার মূল্য ছিল ৪০ থেকে ৪২ মার্কিন ডলার, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮২ ডলারে। সিমেন্টের অন্যতম কাঁচামাল ক্লিংকারের দাম বাড়ছেই। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ক্লিংকারের দাম ৪২ ডলার থেকে বেড়ে ৫৪ ডলার হয়েছে। অন্যান্য কাঁচামালেও প্রতি টনে ৩ থেকে ৪ ডলার দাম বেড়েছে। এ প্রসঙ্গে সিমেন্ট শিল্প মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন-বিসিএমএ সভাপতি ও ক্রাউন সিমেন্টের ভাইস-চেয়ারম্যান মো. আলমগীর কবির গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, করোনা-পরবর্তীতে পশ্চিমা দেশগুলোতে পুরোদমে অবকাঠামো উন্নয়নমূলক কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়াও               এশিয়া অঞ্চলে নির্মাণসামগ্রীর চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ করোনাকালীন নির্মাণসামগ্রী উৎপাদনের মূল কাঁচামাল উৎপাদন কাক্সিক্ষত অনুযায়ী হয়নি। যার ফলে চাহিদা এবং সরবরাহের মধ্যে একটি বড় ধরনের ফাঁক তৈরি হয়েছে। এ সুযোগে কোনো কোনো দেশের প্রয়োজনীয় গুরুত্ব বিবেচনায় বেশি দামে নির্মাণসামগ্রীর কাঁচামাল এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে উৎপাদিত নির্মাণসামগ্রী ক্রয় করছে। তিনি আরও বলেন, সিমেন্ট এবং স্টিলের মতো অতি প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রীর কাঁচামালের উৎস বাংলাদেশে নেই। তাই শতভাগ বৈদেশিক নির্ভরশীলতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে উঠানামার ওপরেই এ দেশে নির্মাণসামগ্রীর মূল্য নির্ভরশীল। তিনি আরও বলেন, চীন এবং ভিয়েতনামেও ব্যাপক উন্নয়নের ফলে নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশে কাঁচামাল আমদানির যে সোর্সিংগুলো রয়েছে সেগুলোও চীন এবং ভিয়েতনামের ক্রয় নিয়ন্ত্রণেই বেশি কাজ করছে। সূত্র বলছে, বাংলাদেশে সিমেন্ট তৈরির যে কয়টি মূল কাঁচামাল রয়েছে তার সবই আমদানিনির্ভর এবং এরমধ্যে ক্লিংকার অন্যতম। করোনা-পরবর্তী সময় অনেক দেশেই আবার নতুন করে উন্নয়নমূলক কাজ ব্যাপক হারে শুরু হয়েছে। তাই গত কয়েক মাসে নির্মাণসামগ্রীর বিশ্বব্যাপী চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের দেশে সিমেন্ট খাতের যে মূল কয়টি কাঁচামাল রয়েছে তার সবকটিই আমদানিনির্ভর। সেে ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশীয় বাজারে তৈরি পণ্যের মূল্য পরিবর্তনের সমূহ সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

জানা গেছে, বর্তমানে দেশে সক্রিয় সিমেন্ট উৎপাদন কারখানা রয়েছে ৩৫টি। সারা দেশে সিমেন্টের চাহিদা ৩৫ মিলিয়ন টন হলেও কারখানাগুলোর মোট উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে ৮০ মিলিয়ন টন। আগামী তিন বছরে সিমেন্ট উৎপাদন ক্ষমতা আরও ১১ মিলিয়ন টন যুক্ত হবে। দেশে সিমেন্টের বার্ষিক চাহিদা প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টন। এ খাতে প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। ফলে সরকারি কোষাগার প্রতি বছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্বও পায়। পাশাপাশি সরকার সিমেন্ট কোম্পানিগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ আয়করও পেয়ে থাকে। এই শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে কয়েক লাখ শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তা জড়িত রয়েছেন। বিসিএমএ সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়া, অসমন্বয়যোগ্য অগ্রিম আয়কর, তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে সিমেন্টের নিম্নমুখী দামের প্রবণতা এবং নদীপথে ও সড়কপথে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার ফলে প্রায় সব সিমেন্ট কোম্পানি ক্ষতির সম্মুখীন। খুচরা বাজারমূল্য অনুযায়ী বাংলাদেশে করোনা শনাক্তের পর থেকে এ পর্যন্ত সিমেন্ট খাতে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা।

সূত্র- বিডি প্রতিদিন।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লকডাউনে শপিংমলে যেতে লাগবে মুভমেন্ট পাস

অনলাইন ডেস্ক

লকডাউনে শপিংমলে যেতে লাগবে মুভমেন্ট পাস

লকডাউনের মধ্যেই দোকানপাট ও শপিংমল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও সেখানে যেতে প্রয়োজন হবে মুভমেন্ট পাসের। এমনটিই জানানো হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

গত ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া কঠোর লকডাউনে মুভমেন্ট পাস ছাড়া জনসাধারণকে বাসা থেকে বের হতে নিষেধ করেছিল পুলিশ। যারাই বের হয়েছেন তারাই আইনি বাধার সম্মুখীন হয়েছিলেন।

জানা গেছে শপিংমল খুললেও একই নিয়ম কার্যকর থাকবে। তবে এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে এখনও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। 

উল্লেখ্য, লকডাউনের মধ্যেই দোকানপাট ও শপিংমল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ২৫ এপ্রিল (রোববার) থেকে দোকানপাট ও শপিংমল প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। তবে অবশ্যই মানতে হবে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কর্মসংস্থান তৈরির জন্য বিশ্ব ব্যাংকের ২৫০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ

অনলাইন ডেস্ক

কর্মসংস্থান তৈরির জন্য বিশ্ব ব্যাংকের ২৫০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ

দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠির জন্য পর্যাপ্ত ও মানসম্পন্ন কর্মসংস্থানের সুযোগ ও পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংক ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ সহায়তা প্রদান করবে।

এ লক্ষ্যে আজ বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে ‘থার্ড প্রাগমেটিক জবস ডেভলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট (ডিপিসি-৩)’ বিষয়ক একটি ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। চুক্তিতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেমবন নিজ নিজ পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

বৃহস্পতিবার ইআরডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠির জন্য পর্যাপ্ত ও মানসম্পন্ন কর্মসংস্থানের সুযোগ ও পরিবেশ তৈরিসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ বা সংস্থার সংশ্লিষ্টতায় কিছু সহায়ক নীতি কৌশল ও বিধিবিধান সংস্কার এবং আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়। প্রস্তাবিত সংস্কার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংক ২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে মোট তিন বছরে ৭৫০ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রদানে সম্মত হয়। এর আওতায় আজ শেষ কিস্তির জন্য ২৫০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর হলো।

এই পরিকল্পনার মুল উদ্দেশ্য হলো-বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ আধুকিায়ন, শ্রমিকদের সুরক্ষা প্রদান ও অভিঘাত মোকাবেলায় সক্ষমতা জোরদারকরণের পাশাপাশি দুঃস্থ জনগোষ্ঠির জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করা।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি মোকাবেলায়

পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে কোকাকোলা

অনলাইন ডেস্ক

কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি মোকাবেলায় পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে কোমল পানীয় বাজারজাত প্রতিষ্ঠান কোকাকোলা। দাম বৃদ্ধির এ ঘোষণা দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেমস কুইন্সি।

অন্য দুই কোমল পানীয় বাজারজাত প্রতিষ্ঠান কিম্বারলি ক্লার্ক ও জেএম স্মুকারের সঙ্গে মূল্যবৃদ্ধির প্রতিযোগিতায় যোগ দিলো কোকাকোলা। নিজেদের আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে এ পদক্ষেপ। 

তবে করোনা মহামারীর অর্থনৈতিক প্রভাবে এরইমধ্যে নগদ অর্থের সংকটে থাকা গ্রাহকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে বলে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের ফল প্রকাশের পর কোকের শেয়ারদর বেড়েছে ১ শতাংশ। 

সর্বশেষ ২০১৮ সালে দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিল সংস্থাটি। সেসময় তৎকালীন মার্কিন প্রশাসনের অধীনে অ্যালুমিনিয়ামের শুল্কের প্রভাবের কথা উল্লেখ করেছিল তারা।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সকাল থেকে মার্কেট খুলেছেন রাজশাহীর ব্যবসায়ীরা

অনলাইন ডেস্ক

সকাল থেকে মার্কেট খুলেছেন রাজশাহীর ব্যবসায়ীরা

মার্কেট খোলার দাবিতে আন্দোলনের ঘোষণার পর রাজশাহী নগরের সাহেব বাজার আরডিএ মার্কেট খুলেছেন ব্যবসায়ীরা।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল নয়টা থেকে তাঁরা দোকান খুলতে শুরু করেন।

এদিকে দোকান খুলে দিতে ব্যবসায়ী নেতারা রাজশাহীর জেলা প্রশাসকের সঙ্গে বৈঠকে বসেন।

জেলা প্রশাসক তাঁদের ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত ধৈর্য ধরতে বলেন।

জেলা প্রশাসক আবদুল জলিলের সঙ্গে বৈঠক করে দোকান বন্ধ করবেন বলে জানায় ব্যবসায়ীরা।

জেলা প্রশাসক বলেন, ব্যবসায়ীরা তাঁর কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেছেন। ২৮ এপ্রিলের পর সরকার লকডাউন শিথিল করলে তাঁরা ব্যবসা করার সুযোগ পাবেন। আজ দোকান বন্ধ করবেন।

তবে বেলা একটা পর্যন্ত সাহেববাজার আরডিএ মার্কেটে এ ঘোষণা অনুযায়ী কোনো দোকানই বন্ধ করা হয়নি।

পুলিশ দোকান খুলতে বাধা না দিলেও রাস্তার যানবাহন চলাচলে বাধা দিচ্ছেন। তবে মার্কেটের পেছন দিক দিয়ে ক্রেতাদের ঢুকতে দেখা গেছে।

রাজশাহীতে ৮ এপ্রিল ব্যবসায়ীরা সংবাদ সম্মেলন করে ঈদের আগে লকডাউনের বিকল্প ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছিলেন।

তাঁরা প্রয়োজনে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন বাজার প্রতিনিধির সমন্বয়ে কমিটি করে বাজারের স্বাস্থ্যবিধি তদারক করার প্রস্তাব করেছিলেন।

তাঁরা বলছিলেন, প্রায় ১৩ মাস ধরে তাঁরা লোকসান গুনছেন। বর্তমানে প্রতিটি ব্যবসায়ী পুঁজি হারিয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। এ অবস্থা চলতে থাকলে দোকানের মালিক ও কর্মচারীদের পথে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।

এরপরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দোকান খোলার কোনো অনুমতি না পেয়ে ব্যবসায়ীরা আজ সকালে দোকান খুলে ফেলেন। তাৎক্ষণিক দোকানে কিছু ক্রেতাও আসতে শুরু করেছেন। তাঁরা অন্য কাজে এসে দোকান খোলা দেখে বাজারে ঢুকে পড়েছেন।

দোকানে বাচ্চাদের জন্য কাপড় পছন্দ করতে আসা মিনা বিন মুকুল বলেন, তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। গেলে টাকা পান, না গেলে পান না। লকডাউনে গাড়ি বন্ধ থাকার কারণে মানুষ আসতে পারছে না। তাঁর চাকরিও চলছে না। তাঁর স্বামীর ভাতের হোটেল আছে। সেটাও তিনি খুলতে পারছেন না। তিনটা বাচ্চাকে বোঝাতে পারছেন না যে তাঁরা সমস্যায় আছেন।

তিনি বলেন, লকডাউন দিলে বাসায় বাসায় খাবার পৌঁছে দিতে হবে।

দোকানি নাজমুল হক বললেন, তাঁর দুই ছেলে। এক ছেলে উচ্চমাধ্যমিক ও অন্য ছেলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। তাদের পেছনে খরচ আছে। ১৫ হাজার টাকা দোকানভাড়া। ব্যবসা না হলেও দিতে হচ্ছে। গত এক বছর নিজের দুই লাখ টাকা পুঁজি শেষ করে পাঁচ লাখ টাকার ঋণে পড়েছেন। তাঁদের বাঁচার উপায় নেই।

শেখ কালেশন নামের একটি পোশাকের দোকানের কর্মচারীরাও দোকান খুলে বসেছেন। কিন্তু তাঁদের দোকানে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত কোনো ক্রেতা নেই।

তাঁরা বলেন, ক্রেতারা তো জানেন না যে দোকান খোলা পাওয়া যাবে। লকডাউনে তাঁরা বাইরে আসেননি। চলতি পথের ক্রেতারা ছোট দোকানগুলোতে ঢুঁ মারছেন। এখন দেখা যাক।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় ভুট্টায় ঝুঁকছেন যশোরের চাষিরা

রিপন হোসেন, যশোর

আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় যশোরে ভুট্টার আশানুরুপ উৎপাদন হয়েছে। স্বল্প খরচে লাভ বেশি হওয়ায় অনান্য ফসলের চেয়ে ভুট্টা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে অনেকে। বর্তমানে বাজার দর ভাল থাকায় খুশি কৃষকরা। 

ভুট্টার আবাদ প্রসারের লক্ষ্যে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সব ধরণের সহায়তা করা হচ্ছে। যশোরের মাটি ও আবহাওয়া ভুট্টা চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় ফলনও বেশ ভাল হয়েছে। ধান ও অন্যান্য ফসলের চেয়ে লাভ বেশি হওয়ায় ভুট্টা চাষে ঝুঁকছে এ অঞ্চলের  কৃষকরা। 

কৃষক জানান, গেল কয়েক বছর ধরে ধান, পাট ও গম চাষ করে লোকসান গুনতে হয়েছে তাদের। লাভের আশায় এ বছর ভুট্টার আবাদ করেছেন তারা। 


করোনা সচেতনতা: যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ স্টাইল

জিততে এসেছি, ইনশাআল্লাহ জয় পাব: মুমিনুল

বৈঠকতো দূরের কথা, বাবুনগরী কখনোই খালেদা জিয়াকে সামনাসামনি দেখেননি: হেফাজতে ইসলাম

কানাডার শীর্ষ নেতাদের সবাই অস্ট্রেজেনেকার ভ্যাকসিন নিচ্ছেন


ভুট্টার চাষ প্রসারেরর লক্ষ্যে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সার, বীজসহ সব ধরনের সহায়তা করা হচ্ছে বলে জানালেন সংশ্লিষ্টরা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, যশোর অঞ্চলে ৯১ হাজার ৯৯০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছে। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর