গণপরিবহনে অবাধে যাতায়াত করায় করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

গণপরিবহনে অবাধে যাতায়াত করায় করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

গণপরিবহনে অবাধ চলাফেরা করা কারণেই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। 

তিনি বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন কাজে মানুষ দেশের বিভিন্ন স্থানে গণপরিবহনে অবাধে যাতায়াত করছে তাই দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার বাড়ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সংক্রমণের হার যদি রোধ করতে হয় তাহলে কঠোরভাবে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী অর্ধেক সিট খালি রাখতে হবে। কিন্তু তা না করে গণপরিবহনে গাদাগাদি করে যাতায়াত করছে যাত্রীরা।

আজ মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়পাড়া নিজ বাসবভনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমের সিজনে আম কেনাকাটা ও ধান কাটার জন্য দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে লোকজনা যাওয়া আসা করেছে। এ কারণে করোনা সংক্রমণ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

দেশের উত্তরবঙ্গে বিশেষ করে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রংপুর, খুলনা, সাতক্ষীরা ও নওগাঁ জেলায় করোনা সংক্রমণ হার বেশি। কোন কোন জেলায় করোনা ৩০-৪০ শতাংশ হয়ে গেছে। এদিকে নোয়াখালিতেও করোনা বাড়তি এবং রাজবাড়ী পর্যন্তও করোনা সংক্রমণ হার বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গের হাসপাতালগুলোয় করোনা রোগীতে ভরে গেছে। রোগীদের সামাল দেয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা চাই-না ঢাকা ও দেশের অন্য জেলাগুলোয় এই সমস্যা দেখা দিক।

মন্ত্রী বলেন, দেশে যখন করোনা মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে ছিল, তখন সারাদেশে ১৫শর মতো রোগী ছিল। সংক্রমণ বাড়ায় বর্তমানে সারাদেশে ৪ হাজারের মতো রোগী আছে এবং প্রত্যেক দিন প্রায় ৪ হাজারের কাছাকাছি রোগী আক্রান্ত হচ্ছেন। বর্তমানে এ হারে যদি রোগী বাড়ে, তাহলে কোন এক সময়ে হাসপাতালে জায়গা দেয়া কঠিন হয়ে যাবে।

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো.ইসরাফিল হোসেনের সভাপতিত্বে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আফসার উদ্দিন সরকার, সাটুরিয়া উপজেলার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফাজ উদ্দিন, বালিয়াটি ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমীনসহ অন্যান্যরা মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

করোনায় আক্রান্ত কনডেম সেলের ফাঁসির আসামি

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনায় আক্রান্ত কনডেম সেলের ফাঁসির আসামি

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন কনডেম সেলে থাকা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ব্রিগেডিয়ার (অব.) আব্দুর রহিম। তিনি আলোচিত দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার অন্যতম আসামি। 

আজ তাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের ৫নং ওয়ার্ডে করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

জানা যায়, কনডেম সেলে একাই থাকতেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ব্রিগেডিয়ার (অব.) আব্দুর রহিম। এমনকি তার করোনার কোনো উপসর্গ ছিলো না বলেও জানা গেছে। একা থাকার পরও তার করোনা পজেটিভ হওয়ায় কারাগারের অন্য বন্দি ও স্টাফদের মাঝে ভয়ভীতি বিরাজ করছে।

আরও পড়ুন:


টিকা নিলে কমে মৃত্যু ঝুঁকি: আইইডিসিআর

করোনা: কুষ্টিয়ায় একদিনে ৯ জনের মৃত্যু

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ টিকা প্রয়োগ শুরু

পিয়াসা-মৌয়ের বিরুদ্ধে গুলশান-মোহাম্মদপুরে মামলার প্রস্তুতি


এদিকে কারা অভ্যন্তরে যাতে করোনার বিস্তার কঠোরভাবে রোধ করা যায় সেজন্য আরও সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কারা কর্তৃপক্ষ।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

গর্ভবতী মায়েরা করোনার টিকা নিতে পারবেন কিনা জানা গেল

অনলাইন ডেস্ক

গর্ভবতী মায়েরা করোনার টিকা নিতে পারবেন কিনা জানা গেল

গর্ভবতী মায়েরা করোনার টিকা নিতে পরবেন কিনা এনিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছিল। জাতীয় বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশের পর তা কেটে গেল।

জাতীয় বিশেষজ্ঞ কমিটি সুপারিশ করেছে, গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মায়েরা করোনার টিকা নিতে পারবেন।

সোমবার (২ আগস্ট) করোনা মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করে।

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গর্ভবতী মায়েরা গর্ভধারণের যেকোনো সময় কোভিড-১৯ প্রতিরোধে টিকা নিতে পারেন, সে বিষয়ে আমরা সুপারিশ করেছি।

তবে এ বিষয়ে টিকার ব্যাপারে যে জাতীয় কমিটি আছে, তারা সিদ্ধান্ত দেবেন।

আমিও যতদূর জেনেছি, দু্ইদিন আগের সভায় তারাও এ ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন।

আজ সোমবার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অন্তঃসত্ত্বা নারীদের করোনা টিকা প্রয়োগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। অন্তঃসত্ত্বা নারীদের টিকা প্রদান করা যাবে কি না, এ বিষয়ে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা ও নীতিমালা করতে বলেছেন আদালত। অ্যাটর্নি জেনারেলকে আদালতের এই আদেশের বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানাতে বলা হয়েছে।

বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির পল্লব। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

এর আগে, ৩১ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের চারজন আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাউছার, অ্যাডভোকেট রাশিদা চৌধুরী ও ব্যারিস্টার মোজাম্মেল হক অন্তঃসত্ত্বা নারীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনার টিকা প্রদানের নির্দেশনা চেয়ে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট দায়ের করেন।

রিটে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক এবং আইইডিসিআরের পরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে।

পরবর্তী খবর

সরকারি সংগ্রহে মানহীন চাল দিলে শাস্তি: খাদ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি সংগ্রহে মানহীন চাল দিলে শাস্তি: খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, সারাদেশে পুরোদমে সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহ চলছে। এ সময় কেউ সরকারি সংগ্রহে মানহীন চাল-ধান সরবরাহ করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আজ সকালে নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর এলএসডি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালেএ কথা বলেন তিনি।  

মন্ত্রী বলেন, এরই মধ্যে ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) দ্বিগুণ করা হয়েছে। সেপ্টেম্বর থেকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় চাল বিতরণ শুরু করা হবে। দেশে খাদ্য সংকট হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ এ বছর রেকর্ড পরিমাণ খাদ্য মজুদ করা হয়েছে। খাদ্য মজুদে জায়গারও কোনো অভাব হবে না।  

আরও পড়ুন:


টিকা নিলে কমে মৃত্যু ঝুঁকি: আইইডিসিআর

করোনা: কুষ্টিয়ায় একদিনে ৯ জনের মৃত্যু

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ টিকা প্রয়োগ শুরু

পিয়াসা-মৌয়ের বিরুদ্ধে গুলশান-মোহাম্মদপুরে মামলার প্রস্তুতি


পরিদর্শনকালে রাজশাহীর আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক জি এম ফারুক হোসেন পাটওয়ারী, জেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর কবীর, পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হামিদ রেজাসহ খাদ্য বিভাগের স্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

টিকা নিলে কমে মৃত্যু ঝুঁকি: আইইডিসিআর

অনলাইন ডেস্ক

টিকা নিলে কমে মৃত্যু ঝুঁকি: আইইডিসিআর

টিকা নেওয়ার পরও কেউ করোনা ভাইরাসে (কভিড-১৯) আক্রান্ত হলে তাদের শারীরিক জটিলতা এবং মৃত্যু ঝুঁকির মাত্রা কম থাকে। এক সমীক্ষায় এমনটিই জানিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইইডিসিআর।

সংস্থাটি বলছে, করোনাভাইরাসের দুই ডোজ টিকা যারা নিয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টের সমস্যা, হাসপাতালে ভর্তির হার এবং মৃত্যুঝুঁকি টিকা না নেওয়া ব্যক্তিদের তুলনায় কম দেখা গেছে।

গত মে ও জুন মাসে দেশে যারা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের জাতীয় তালিকা থেকে দ্বৈবচয়ন ভিত্তিতে ১ হাজার ৩৩৪ জনকে নিয়ে এই সমীক্ষা চালানো হয়। তাদের সবার বয়স ছিল ৩০ বছরের বেশি।

সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৫৯২ জন কোনো টিকা নেননি। বাকি ৭৪২ জন অন্তত এক ডোজ টিকা নিয়েছেন।

আরও পড়ুন: 


বগুড়ায় এই প্রথম এত মৃত্যু

তথ্য লুকিয়ে সরকারের কী লাভ?

পিয়াসা-মৌয়ের বিরুদ্ধে গুলশান-মোহাম্মদপুরে মামলার প্রস্তুতি


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

বগুড়ায় এই প্রথম এত মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

বগুড়ায় এই প্রথম এত মৃত্যু

বগুড়ার ৩ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনা এবং উপসর্গ নিয়ে আরও ২৬জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১৮জন এবং উপসর্গে  ৮ জন মারা গেছেন। জেলার তিন হাসপাতালে  রোববার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় তাদের মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে বগুড়া জেলার ১৮ জন এবং অন্য জেলার রয়েছেন ৮ জন।

করোনায় মৃত বগুড়ার ১০জন হলেন- আদমদীঘির মোমেনা(৬০), শাজাহানপুরের আ. আজিজ(৪৮), সোনাতলার শামসুদ্দিন(৬৫), গাবতলীর আজিজার রহমান(৭৭), আদমদীঘির আকতার বানু(৮৫), সদরের জয়নুল(৭১), মতিউর(৬০),  বজলার রহমান(৭৫), বাধন চন্দ্র(৬৫) এবং শিবগঞ্জের তাজুল ইসলাম(৬০)।

বগুড়ার বাইরের জেলার ৮জন বাসিন্দা চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনায় মারা গেছেন। তবে বাইরের জেলার মৃত্যুর সংখ্যা যোগ না হওয়ায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা বগুড়ার নতুন ১০জনসহ ৫৮২জনে দাঁড়িয়েছে।

বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহীন সোমবার  বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অনলাইন ব্রিফিংয়ে জেলার করোনা পরিস্থিতি সম্পর্কে এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, এ ছাড়া  বগুড়ায়  আবারও সংক্রমণ বেড়েছে।  সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৪৭৮ নমুনায় নতুন করে আরও ১২৬জন শনাক্ত হয়েছেন। আক্রান্তের হার ২৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ। এর মধ্যে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ(শজিমেক) এর পিসিআর ল্যাবে ২৮২নমুনায় ৬২জন, জিন এক্সপার্ট মেশিনে ৪ নমুনায় ৩, এন্টিজেন পরীক্ষায় ১৬৯ নমুনায় ৫১জন এবং টিএমএসএস মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে ২৩ নমুনায় ১০জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে সদরের ৬১, শাজাহানপুরে ১৯, শিবগঞ্জে ১২, শেরপুরে ৬, গাবতলীতে ৬, আদমদীঘিতে ৫, দুপচাঁচিয়ায় ৫, ধুনটে ৪, নন্দীগ্রামে ৩, সারিয়াকান্দিতে ২, সোনাতলায় ২ এবং কাহালুতে একজন।এছাড়া একই সময়ে করোনা থেকে ১৯৩জন সুস্থতা লাভ করেছেন।

ডা. তুহীন আরও জানান, জেলায় এ পর্যন্ত মোট ১৯ হাজার ১২০জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৭ হাজার ৫৪জন। এছাড়া জেলায় ১ হাজার ৪৮৪জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর