দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই অশান্তিতে ছিল আবু ত্ব-হা!

অনলাইন ডেস্ক

দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই অশান্তিতে ছিল আবু ত্ব-হা!

ব্যক্তিগত কারণে নিখোঁজের আট দিন পর গত ১৮ জুন বাড়ি ফিরে এসেছেন আলোচিত ধর্মীয় বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান। তিনি এত দিন আত্মগোপনে ছিলেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন। 

আবু ত্ব-হার মা আজেদা বেগম বলেছেন, দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই খুবই অশান্তিতে ছিল আদনান। তিনি আরও দাবি করেন, তার ছেলে দ্বিতীয় বিয়ে করার বেশ কিছু দিন পর তিনি বিষয়টি জেনেছেন।

অন্যদিকে আত্মগোপনে যাওয়ার পর আবু ত্ব-হার দ্বিতীয় বিয়ের খবর জেনেছেন পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। এমনকি ত্ব-হার স্বজন, প্রথম স্ত্রীর পরিবার আগে থেকে কিছুই জানতে পারেনি।

তার মা আজেদা বেগমও বিয়ের কথা জানেননি তাৎক্ষণিক। পরে একটি মাধ্যমে জানার পর আর কাউকে জানাননি। আজেদা তার ছেলের দ্বিতীয় স্ত্রীকে খুব একটা যে পছন্দ করেন না- তা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন।

ত্ব-হার মা আজেদা বেগম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিয়ের খবর আমি বেশ কিছুদিন পরে জেনেছি। আমি শুনেছি বিপদে ফেলে আমার ছেলের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ওই নারী বিয়ে করেন। খুব মানসিক অত্যাচার করত, তাকে নানাভাবে বিরক্তিকর অবস্থায় রাখত। দ্বিতীয় বিয়ের পর খুবই অশান্তিতে ছিল ত্ব-হা সে কথা তাকে জানিয়েছিল।’

১০ জুন ত্ব-হা ঢাকায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ হওয়ার কথা দাবি করে প্রথমে গণমাধ্যম ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজরে আনেন তার স্ত্রী পরিচয় দেওয়া সাবিকুন্নাহার। তার আগে বিষয়টি গোপন রেখেছেন ত্ব-হা নিজেই।

পরে সাবিকুন্নাহার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্দেশে তার স্বামীকে উদ্ধারের দাবিও জানান, এই ইস্যুতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করেন, বেসরকারি টেলিভিশনে কথা বলেন। বিশেষ করে সংবাদ সম্মেলনে তার রাখা আবেগঘন বক্তব্য ‘ত্ব-হাকে আমার কাছে ফিরিয়ে দেন, না হলে তার কাছে আমাকে নিয়ে যান’ এ ধরনের আবেগঘন বক্তব্য নিয়ে ব্রিবতকর অবস্থায় পড়েন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো।

সাবিকুন্নাহারের এমন আবির্ভাব ত্ব-হার স্বজন ও পরিবারের লোকজনকেও বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে। পরিবারের অনেকেই এ বিয়ের খবর জানতেন না।

প্রসংগত, সপ্তাহখানেক নিখোঁজ থাকার পর গত ১৮ জুন সন্ধান পাওয়া যায় এই আলোচিত বক্তার। পরে তাকে রংপুর নগরের আবহাওয়া অফিস সংলগ্ন মাস্টারপাড়ায় তার শ্বশুরবাড়ি থেকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আবু ত্ব-হাকে তার শ্বশুর আজহারুল ইসলাম মণ্ডলের বাড়িতে ঢুকতে দেখেন তার এক প্রতিবেশী।

আরও পড়ুন:


ট্রাকের সব যাত্রীকে নামিয়ে কেবিনের মধ্যে নিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ

দেশে দমকা হাওয়া ও বজ্র বৃষ্টির আশঙ্কা

আওয়ামী লীগের জন্মদিন আজ

আওয়ামী লীগ জন্মের ঐতিহাসিক প্রেক্ষিত ও সফলতা-ব্যর্থতা


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

ভারি বর্ষণে বাগেরহাট শহরসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

মোংলায় তলিয়ে গেছে ৪৫০ চিংড়ি খামার

শেখ আহসানুল করিম, বাগেরহাট

ভারি বর্ষণে বাগেরহাট শহরসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

উত্তর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে মঙ্গলবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে বাগেরহাট জেলা শহর, মোরেলগঞ্জ ও মোংলা পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকা ও সরকারী খালগুলো প্রভাবশালীরা দখল করে নেওয়ায় রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে একাকার হয়ে গেছে।

বাগেরহাট, মোরেলগঞ্জ ও মোংলা পৌরসভার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অনেকের রান্নাবান্না বন্ধ হয়ে গেছে। ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাটে হাটু পানি জমায় কেউ বাড়ি থেকে বের হতে পারছে না। বাগেরহাট শহরের রাহাতের মোড়, সাধনার মোড়, মিঠাপুকুর পাড়, আলীয়া মাদ্রাসা রোড়, নাগেরবাজার, বাসাবাটি, খারদার, মুনিগঞ্জ ও হাড়িখালী সড়কে পানি উঠেছে।

এদিকে মোংলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন, টানা বৃষ্টি পানিতে তলিয়ে জলাবদ্ধতায় এক রকম বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় মোংলা উপজেলায় ইতিমধ্যে ৪৫০টি চিংড়ি খামার (ঘের) তলিয়ে গেছে। ভেসে গেছে ঘেরের বাগদা চিংড়ি ও সাদা মাছ। এতে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে স্থানীয় চিংড়ি চাষীরা। এ বৃষ্টি দীর্ঘায়িত হলে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান তিনি। তবে বেশি ক্ষতি হয়েছে চিলা, জয়মনি ও কামারডাঙ্গা এলাকার ঘেরগুলো।

আরও পড়ুন:


করোনায় ঝালকাঠির আদালতের বিচারকের মৃত্যু!

মমেক হাসপাতালে ৫০ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন সিটি মেয়র ও চেম্বার সভাপতি


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

মমেক হাসপাতালে ৫০ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন সিটি মেয়র ও চেম্বার সভাপতি

সৈয়দ নোমান, ময়মনসিংহ

মমেক হাসপাতালে ৫০ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন সিটি মেয়র ও চেম্বার সভাপতি

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের করোনা রোগীদের জরুরি চিকিৎসা সেবায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে ৫০ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার দেওয়া হয়েছে। ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) মেয়র ইকরামুল হক টিটু ও তার অগ্রজ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রিজ’র সভাপতি আমিনুল হক শামীম (সিআইপি) এসব সিলিন্ডার দেন।

এছাড়াও একই অনুষ্ঠানে মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে করোনা রোগীদের সেবায় একটি অ্যাম্বুল্যান্স ও আটটি অক্সিজেন সিলিন্ডার দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. ফজলুল কবীরের হাতে এসব সামগ্রী হস্তান্তর করেন তারা।

এসময় সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটু বলেন, ‘কোভিড রোগীর চিকিৎসায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অক্সিজেন। সেই অক্সিজেনের সংকটে যেন না পড়তে হয় সেজন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আহবানে সাড়া দিয়ে ৫০ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার আমরা দিয়েছি।’

করোনা মোকাবেলায় সক্ষমতা বাড়াতে ব্যবসায়ীদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে ময়মনসিংহ চেম্বারের সভাপতি আমিনুল হক শামীম বলেন, হাসপাতালের যেকোনা সংকট মোকাবিলায় আমরা আপনাদের সাথে আছি, ভবিষ্যতেও থাকব।

এসময় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. চিত্তরঞ্জন দেবনাথ, বিএমএ'র সভাপতি ডা. মতিউর রহমান ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক এইচ এ গোলন্দাজ, মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি অনুপম সাহা ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল হাসানসহ প্রমুখ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এইচ কে দেবনাথ, ময়মনসিংহ চেম্বারের সহসভাপতি শংকর সাহাসহ প্রমুখ।

আরও পড়ুন:

করোনায় ঝালকাঠির আদালতের বিচারকের মৃত্যু!

 news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

করোনায় ঝালকাঠির আদালতের বিচারকের মৃত্যু!

এসএম রেজাউল করিম, ঝালকাঠি

করোনায় ঝালকাঠির আদালতের বিচারকের মৃত্যু!

করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঝালকাঠি আদালতের এক নারী বিচারক মারা গেছেন। সা‌নিয়া আক্তার (২৯) নামে ওই বিচারক ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র জু‌ডি‌শিয়াল ম্যা‌জি‌স্ট্রেট কাঁঠালিয়া আদালতের দায়িত্বরত ছিলেন।

তাঁর স্বামী এইচএম ইমরানুর রহমানও জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (ঝালকাঠি সদর কোর্ট)।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঝালকাঠি আদালতের সরকারি কৌশলী(পিপি) আব্দুল মান্নান রসূল জানান, বরিশাল শের ই বাংলা মে‌ডিকেল ক‌লেজ হাসপাতা‌লের ক‌রোনা ওয়া‌র্ডে বুধবার সকাল সা‌ড়ে ১০ টায় বিচারক সোনিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এর আ‌গে গত ১৬ জুলাই সকাল সোয়া ৭ টায় তা‌কে এই হাসপাতালের করোনা ওয়া‌র্ডে ভ‌র্তি করা হয়।

হাসপাতালের প‌রিচালক ডা. মো. সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, বিচারক সোনিয়া সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। সম্প্র‌তি তি‌নি ক‌রোনা ভাইরাসে শনাক্ত হন। ১২ জুলাই সা‌নিয়া আক্তার ঝালকা‌ঠি‌তে রে‌পিড এন্টিজেন্ট টেস্ট করালে তাঁর শরীরে করোনা  ভাইরাস ধরা পড়ে।

 news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

আগস্ট মাসের দুই দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক

আগস্ট মাসের দুই দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক

মহামারি করোনভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্ত। তবে সংক্রমণের পরিস্থিতি বিবেচনায় আগস্ট মাসের ১ ও ৪ তারিখ এই দুই দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

বাকি তিনদিন, ২, ৩ ও ৫ আগস্ট ব্যাংকে লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে বেলা ২:৩০ পর্যন্ত।

বাংলাদেশ ব্যাংকের অফসাইট সুপার ভিশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল ইসলাম আজ বুধবার এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছেন

news24bd.tv/এমিজান্নাত 

পরবর্তী খবর

ঢাকাতেই ডেঙ্গু রোগী ১৪২, বাইরে মাত্র একজন

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকাতেই ডেঙ্গু রোগী ১৪২, বাইরে মাত্র একজন

ঢাকাতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। একদিনে সর্বোচ্চ ১৪৩ জন আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এরমধ্যে ১৪২ জনই ঢাকার এবং একজন ঢাকার বাইরের।

বুধবার (২৮ জুলাই) দুপুরে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আয়োজিত ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

ব্রিফিংয়ে তিনি আরও বলেন, প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু নিয়ে আমাদের ভাবতে হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে মাত্র একজন ঢাকার বাইরের।

ডা. নাজমুল বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ৫০৯ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। ঢাকার ৪১টি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে গতকাল পর্যন্ত ৫০০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন। ঢাকার বাইরে সবগুলো জেলা মিলিয়ে নয়জন রোগী রয়েছেন। ১ জানুয়ারি থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত এক হাজার ৯৪৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে এক হাজার ৪৩৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। সন্দেহজনক তিনটি মৃত্যুর তথ্য আমাদের কাছে এসেছে, সেটি আইইডিসিআর-এর মাধ্যমে আমরা পরীক্ষা করে দেখছি।

আরও পড়ুন


৫ আগস্টের পর লকডাউন বাড়ানো হবে কি না জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বুদ্ধিবাজি বা বৌদ্ধিক মাস্তানি

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় ৩০০ পরিবারের মাঝে বসুন্ধরা গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ

সানিয়া যে একা ছিলেন এমন না, ছিলেন সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা


করোনা প্রসঙ্গে বলেন, বিভাগওয়ারি তথ্যে করোনায় ঢাকায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে। তারপর চট্টগ্রাম বিভাগে, এরপর খুলনায়। সবচেয়ে কমসংখ্যক রোগী মারা গেছেন সিলেট বিভাগে। জেলার তথ্যে ঢাকা জেলায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক রোগী শনাক্ত হয়েছে, চার লাখ ১৯ হাজার ১২৮ জন। এরপরই বন্দর নগরী চট্টগ্রামের অবস্থান। সেখানে ৭৪ হাজার ১৯৩ জন রোগী এবং সবচেয়ে কম রোগী ১৮ হাজার ৮৩৮ জন শনাক্ত হয়েছে রাজশাহী জেলায়।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর