হয়রানি থেকে বাঁচতে তারা গাড়ি কিনতে বাধ্য হয়
হয়রানি থেকে বাঁচতে তারা গাড়ি কিনতে বাধ্য হয়

হয়রানি থেকে বাঁচতে তারা গাড়ি কিনতে বাধ্য হয়

Other

একটি কল্যাণ রাষ্ট্রে সরকারের উচিত সবার আগে সেবাখাতের কর্মচারীদের বিনা সুদে গাড়ির ঋণ ও বিনা শুল্কে গাড়ি কেনার সুযোগ প্রদান করা।

প্রতিটা হাসপাতালে দশটি বড় যাত্রীবাহী বাস থাকলে প্রায় সমস্ত কর্মচারীকে সার্ভিস দেওয়া সম্ভব। ব্যাংক বা এরকম জরুরি সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান চাইলেই তাদের কর্মচারীদের জন্য স্টাফ বাসের ব্যবস্থা করতে পারে।  

শুধু দরকার এই মাইন্ড সেটিংটা যে আমাদের এমপ্লয়ীদের আমরা কমফোর্ট দেবো।

প্রয়োজনে কর্মচারীরা ট্রান্সপোর্ট বাবদ মাসে একটা টাকা অফিসে জমা দেবে।  

প্রতিটা প্রতিষ্ঠান তাদের শ কোটি টাকা বিনিয়োগের সাথে এটিকেও বিনিয়োগ হিসেবে ভাবলেই চলে। শুধু লকডাউন না অন্যান্য সময়েও এই সার্ভিস কর্মকর্তা কর্মচারীদের যাতায়াতকে সহজ করবে। ঢাকা শহরে আজকাল মধ্যবিত্তরাও ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করছে। আসলে বাধ্য হচ্ছে। আগে এই বাড়তি বোঝাটা ছিল না। এখন পথের হয়রানি থেকে বাঁচতে তারা গাড়ি কিনতে বাধ্য হয়।   

প্রতিষ্ঠানগুলো স্টাফ বাস এনশিউর করলে ব্যক্তিগত গাড়ির ঝামেলা থেকে অনেকেই রক্ষা পাবে। পাবলিক ট্রান্সপোর্টের হয়রানি থেকেও মুক্তিলাভ হবে। রাস্তার জ্যামও অনেকখানি কমে যাবে।

news24bd.tv নাজিম

;