আরেক দফায় বেড়েছে ভোজ্য তেলের দাম, সয়াবিন লিটার প্রতি ১৬০ টাকা

অনলাইন ডেস্ক

আরেক দফায় বেড়েছে ভোজ্য তেলের দাম, সয়াবিন লিটার প্রতি ১৬০ টাকা

আরেক দফায় বেড়েছে ভোজ্য তেলের দাম। আগামী মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদনের পর ভোজ্য তেলের বাড়তি দাম কার্যকর হবে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানিয়েছে।

এর ফলে ভোক্তাকে সয়াবিন তেলের এক লিটারের বোতল কিনতে খরচ করতে হবে ১৬০ টাকা, যা আগে ছিল ১৫৩ টাকা। আর এক লিটার পাম তেল কিনতে হবে ১১৯ টাকা দিয়ে, যা আগে ছিল ১১৬ টাকা।

গতকাল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ভোজ্য তেল ও চিনির দাম বাড়িয়ে পুনরায় নির্ধারণ বিষয়ে অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আমদানি ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। উপস্থিত ছিলেন ভোজ্য তেল ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের নেতা, এফবিসিসিআইয়ের নেতা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বৈঠকের পর সফিকুজ্জামান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সয়াবিন তেল প্রতি লিটারের বোতলের দাম ধরা হয়েছে ১৬০ টাকা। এ ছাড়া পাঁচ লিটারের বোতল ৭৬০ টাকা, আগে ছিল ৭২৮ টাকা; খোলা সয়াবিন প্রতিলিটার ১৩৬ টাকা, আগে ছিল ১২৯ টাকা। তিনি বলেন, দাম পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেলের কাঁচামালের দাম ঊর্ধ্বমুখী। তা সত্ত্বেও কোরবানি ঈদ ও অন্যান্য পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এত দিন দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়নি।

সফিকুজ্জামান বলেন, কোরবানির পর ভোজ্য তেলের দাম বাড়ালেও তখন তুলনামূলক কম বাড়ানো হয়। ওই সময় এক লিটার সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৫৩ টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় সেটা কমই ছিল। তাই ব্যবসায়ী নেতারা আট-দশ দিনের মধ্যে আবার দাম পুনর্বিবেচনার প্রস্তাব করেন।

এর আগে গত ৩০ জুন সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি চার টাকা কমানোর কথা জানিয়েছিল ভোজ্য তেল পরিশোধন ও বিপণনকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনারস অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। এরপর সেপ্টেম্বরে তেলের দাম প্রতি লিটারে ৯ টাকা বাড়িয়ে পুনরায় নির্ধারণ করা হয়। তাতে বোতলজাত এক লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৪৪ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়ায় ১৫৩ টাকা।

দেশে ভোজ্য তেলের চাহিদা বছরে প্রায় ২০ লাখ টন। এর প্রায় পুরোটাই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। ফলে বিশ্ববাজারে দাম বেড়ে যাওয়া এবং মজুদ কমে আসা দেশের বাজারেও প্রভাব ফেলে। সয়াবিন তেল আমদানি করা হয় ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে থেকে। ওই সব দেশেও দাম বাড়ছে।

ভোজ্য তেলের পাশাপাশি চিনির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেন ব্যবসায়ীরা। গত বৃহস্পতিবার চিনি আমদানিতে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ১০ শতাংশ কমানো হয়। এ অবস্থায় পণ্যটির দাম পর্যালোচনার জন্য বৈঠকে আলোচনা হলেও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়।

আরও পড়ুন


বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন আজ

মাগুরায় চার খুন, গ্রাম পুরুষশূন্য

নবীর ভবিষ্যদ্বাণী, বৃষ্টির মতো বিপদ নেমে আসবে

ক্ষমা ও রহমতের দোয়া

মানুষের সঙ্গে যেভাবে কথা বলতেন বিশ্বনবী


এদিকে গতকাল রবিবার বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবে দেশে পণ্যের দাম বাড়লে সরকারের কিছু করার থাকে না। তিনি বলেন, তাঁর মন্ত্রণালয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে ‘প্রতিনিয়ত কাজ’ করে যাচ্ছে। কিন্তু কিছু জিনিস নিয়ন্ত্রণের বাইরে। যেমন—আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে গেলে কিছু করার থাকে না। তেল ও চিনির দাম বেড়েছে। এই পণ্যগুলোর দাম আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে বলেই বাংলাদেশে এর প্রভাব পড়েছে।

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

বিনা ভোটে নির্বাচিত ১০৪৩ জন জনপ্রতিনিধি

অনলাইন ডেস্ক

বিনা ভোটে নির্বাচিত ১০৪৩ জন জনপ্রতিনিধি

আগামী ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপে ১ হাজার ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ ধাপে এরই মধ্যে ৫৬৯ জন জনপ্রতিনিধি বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। এ নিয়ে তিন ধাপে ১০৪৩ জন বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। 

ইসির জনসংযোগ শাখা থেকে শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) তৃতীয় ধাপে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদের সংখ্যা প্রকাশ করা হয়।  এর বাইরে চতুর্থ ধাপের নির্বাচনের ক্ষেত্রেও আওয়ামী লীগের ১২ জন একক প্রার্থী রয়েছেন। তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ হলে তাদেরও নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২১ জুন প্রথম ধাপে ২০৪টি ইউপিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে ৮৩৪টি এবং প্রথম ধাপের স্থগিত থাকা ১৬০টি ইউপির ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় ধাপে ১ হাজার ইউপিতে ভোট গ্রহণ করা হবে আগামীকাল। তিন ধাপ মিলে ২ হাজার ১৯৮টি ইউপির মধ্যে ১ হাজার ৪৩ জন জনপ্রতিনিধি বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ২৫২ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৫৭৯ জন এবং সংরক্ষিত সদস্য পদে ২১২ জন নির্বাচিত হয়েছেন। প্রথম ধাপে ১৩৮ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় লাভ করেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৬৯, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ছয়জন ও ৬৩ জন সাধারণ সদস্য পদে রয়েছেন। দ্বিতীয় ধাপে ৩৬০ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৮১, সংরক্ষিত মহিলা পদে ৭৬ ও সাধারণ সদস্য পদে ২০৩ জন রয়েছেন। তৃতীয় ধাপে ৫৬৯ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ১০০, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১৩২ এবং সাধারণ সদস্য পদে ৩৩৭ জন রয়েছেন।

আরও পড়ুন: 


ফখরুল বললেন, আন্দোলন-আন্দোলন-আন্দোলন

ধর্ষণ মামলায় জামিন: ক্ষমা চাইলেন বিচারক


 

ইসির জনসংযোগ শাখা জানায়, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতরা ছাড়া তৃতীয় ধাপে ৪ হাজার ৪০৯ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী ভোটে লড়ছেন। সংরক্ষিত সদস্য পদে লড়ছেন ১১ হাজার ১০৫ জন আর সাধারণ সদস্য পদে প্রার্থীর সংখ্যা ৩৪ হাজার ৬৩২ জন। এই ধাপে মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১০ হাজার ১৫৯টি এবং ভোট কক্ষ ৬১ হাজার ৮৩০টি। মোট ভোটার সংখ্যা ২ কোটি ১ লাখ ৪৯ হাজার ২৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ কোটি ২ লাখ ১৫ হাজার ৪২৩ জন এবং নারী ভোটার ৯৯ লাখ ৩২ হাজার ৫৩০ জন। এ ছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ১৯ জন ভোটার রয়েছেন। তৃতীয় ধাপে মোট ৩৩টি ইউপিতে ইভিএমে ভোট গ্রহণ করা হবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

খালেদা জিয়া দুর্বল, তবে কথা বলেছেন: মাহমুদা ভাসানী

নিজস্ব প্রতিবেদক

খালেদা জিয়া দুর্বল, তবে কথা বলেছেন: মাহমুদা ভাসানী

ফাইল ছবি।

কথা বলতে পারছেন বেগম খালেদা জিয়া। তবে তিনি কথা বলছেন খুব ধীরে ধীরে। তিনি অনেক দুর্বল। বেগম জিয়াকে হাসপাতালে দেখে এসে এসব তথ্য জানিয়েছেন মাহমুদা খানম ভাসানী। তিনি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মেয়ে। শুক্রবার সকালে ভাসানীর পরিবারের ৫ সদস্য সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যান। ৩০ মিনিট তারা হাসপাতালে অবস্থান করে বেরিয়ে আসার সময় গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন। 

ভাসানী,পরিবার

ভাসানীর মেয়ে মাহমুদা খানম ভাসানী বলেন, তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তাকে বিদেশে পাঠিয়ে সুচিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি। ভাসানীর নাতি হাবিব হাসান মনার বলেন, আমরা খালেদা জিয়াকে দেখতে গিয়েছিলাম। তার ডাক্তাররা বলেছেন, বেগম জিয়ার অবস্থা খারাপ। ভাসানী পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার দাবি জানাই। 

গয়েশ্বর,চন্দ্র

এদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, আল্লাহ যদি তাকে রহম করেন এবং জনগণের এই আকুতি যদি আল্লাহ আমলে নেন, আমি বিশ্বাস করি, খালেদা জিয়া জনগণের জন্য বেঁচে থাকবেন। কারও অনুকম্পায় বেঁচে থাকবেন না। সুতরাং আমার কাছে মনে হয়, খালেদা জিয়ার চিকিৎসার দাবির চেয়ে সরকার পতনের দাবিটাই আমাদের কাছে মুখ্য হওয়া দরকার। তিনি বলেন, দেশের শতকরা ৯৯ দশমিক ৯৯ ভাগ মানুষ খালেদা জিয়ার বিদেশে উন্নত চিকিৎসা হোক, তা চায়। শুধু একজন চান না।আমরা একটা আজব দেশে বাস করছি। যে দেশে চিকিৎসার জন্য আন্দোলন করতে হয়। শুক্রবার এক সমাবেশে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এসব কথা বলেন। 

খন্দকার,মোশাররফ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য খন্দকার মোশাররফ বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। ক্রমেই অবস্থার অবনতি হচ্ছে। তার চিকিৎসা বাংলাদেশে নেই। জরুরি ভিত্তিতে বিদেশে নেওয়া দরকার ।  শুক্রবার বাদ জুমা বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ শেষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সামনে তিনি এ কথা জানান।

খালেদা জিয়া তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে যাচ্ছেন বলে মনে করেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেছেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসার যে মেকানিজম তা বাংলাদেশে নেই। 

মান্না

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে মান্না বলেন,আগামী কয়েকদিন খুবই কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন তিনি (খালেদা জিয়া)। শুক্রবার তিনি এসব কথা বলেন। আইন মানুষের জন্যই মানুষ আইনের জন্য নয় উল্লেখ করে মান্না বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে থেকে শেখ হাসিনাসহ আমরাই বলেছিলাম আইন মানুষের জন্যই মানুষ আইনের জন্য নয়। তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার করার কোনো আইন ছিল না। পরবর্তীতে সেটা আইনে অন্তর্ভুক্ত করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেওয়া হয়েছিল। তখন এত বড় পরিবর্তন যদি করা যায় এখন একটা মানুষকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানো যাবে না- এমন কোনো কথা হতে পারে?

এদিকে,আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, খালেদা জিয়ার কিছু হলে দায় বিএনপিকেই নিতে হবে, সরকারের কোনো দায় থাকবে না। শুক্রবার তিনি এই কথা বলেন। 

কাদের

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, সংবিধান ও আইন দ্বারা দেশ পরিচালিত হচ্ছে। দেশের প্রচলিত আইন ও সাংবিধানিক নিয়ন-নীতির মধ্যে যতটুকু সম্ভব তার সবটুকু সুযোগ বেগম জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিয়েছেন। শেখ হাসিনার মানবিক হৃদয়ের কল্যাণে একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হয়েও খালেদা জিয়া বাসায় থাকছেন। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নেওয়ার সর্বোচ্চ সুযোগ পাচ্ছেন। 

তিনি বলেন, হতে পারে খালেদা জিয়া বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু আইনের চোখে তিনি একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তার বর্তমান পরিচয় সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এটাই হচ্ছে বাস্তবতা। কাদের বলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ও তদারকির কাজ বিএনপির লোকেরাই করছে, স্লো পয়জনিং যদি করে থাকে তাহলে পাশের লোকেরাই করতে পারে। এর দায়ও তাদেরই।

হাছান

এদিকে, তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি নেত্রীর প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মহানুভবতা অনুধাবনে বিএনপি ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে খালেদা জিয়াকে আবারো কারাগারে পাঠানো হবে কিনা সেটি ভেবে দেখা হবে বলেও  জানান তিনি। শুক্রবার তিনি এ কথা বলেন। 

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বেগম খালেদা জিয়া একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তিনি আদালতে জামিন পাননি। তার সাজা মওকুফ হয়নি। এ সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইনে প্রদত্ত প্রশাসনিক ক্ষমতাবলে তাকে কারাগারের বাইরে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে থাকার সুযোগ করে দিয়েছেন। কিন্তু মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব বৃহস্পতিবার যে ভাষায় কথা বলেছেন, তাতে আমাদের মনে হচ্ছে- বেগম জিয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী যে মহানুভবতা প্রদর্শন করেছেন, সেটি তারা অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এখন সেই আদেশ পুনর্বিবেচনা করার মাধ্যমে তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হবে কিনা তা আমাদের ভাবতে হবে।

তবে বেগম জিয়াকে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ।  শুক্রবার মাহবুব উল আলম হানিফ এই পরামর্শ দেন।

হানিফ

তিনি বলেন, যদি সত্যিকার অর্থেই বিএনপি মনে করে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা প্রয়োজন, যথাযথ চিকিৎসা এখানে হচ্ছে না, আরও উন্নত চিকিৎসা দরকার; তাদের উচিত ছিল রাজনীতি না করে তার জীবন বাঁচানোর জন্য আইনের যে একটা পথই এখন খোলা আছে, তা অনুসরণ করা। উনি রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইতে পারেন। যদি দণ্ড মওকুফ হয়ে যায়, তখন তিনি স্বাধীনভাবে যেকোনো জায়গায় যেতে পারেন।  

প্রসঙ্গত, গত ১৩ নভেম্বর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানের জার্সি গায়ে স্টেডিয়ামে, ধাওয়া খেয়ে নালায় ঝাঁপ

অনলাইন ডেস্ক

পাকিস্তানের জার্সি গায়ে স্টেডিয়ামে, ধাওয়া খেয়ে নালায় ঝাঁপ

ধাওয়া খেয়ে রাস্তার পাশের নালায় গিয়ে পড়েন তরুণ

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আজ থেকে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্ট সিরিজ। আর সেই ম্যাচ দেখতে পাকিস্তানের জার্সি পড়ে এসেছিলেন বাংলাদেশি এক তরুণ। বিষয়টি নজড়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামের একটি সংগঠনের কর্মীদের। 

এতে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে সেই জার্সি ছিঁড়ে ফেলেন। এক পর্যায়ে ধাওয়া দেন ওই তরুণকে। ধাওয়া খেয়ে সে রাস্তার পাশের নালায় নেমে পড়েন। এ সময় আর কোনোদিন পাকিস্তানি জার্সি পরবেন না বলে ক্ষমা চাইতে থাকেন। সেখান থেকে কান ধরে ক্ষমা চেয়ে সড়কে ওঠেন তিনি। পরে তাকে ছেড়ে দেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা।

আজ সকাল ১১টার দিকে চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

সংগঠনটির কর্মীরা জানান, সকালে একজন বাংলাদেশি নাগরিক পাকিস্তানের জার্সি গায়ে গ্যালারিতে প্রবেশ করতে চেয়েছিল। তাকে আমরা প্রবেশ করতে দেইনি। বাংলাদেশের কোনও নাগরিক পাকিস্তানের জার্সি গায়ে দেওয়া কিংবা পতাকা ওড়ানোর মানে হলো সে রাজাকারের বংশধর। সে দেশদ্রোহী। তবে আমরা পাকিস্তানের নাগরিকদের সম্মানের সঙ্গে মাঠে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে। 

এ বিষয়ে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি কাজী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ঢাকায় খেলা চলার সময় আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম পাকিস্তানের জার্সি ও পতাকা নিয়ে কোনো বাংলাদেশি মাঠে প্রবেশ করতে পারবেন না। 

আরও পড়ুন


রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিদেশে যেতে হবে খালেদাকে: হানিফ

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বের হয়ে যাওয়া ও বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ

সিলেট থেকে বিদেশে পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


তিনি বলেন, ঘোষণা অনুযায়ী আজ খেলা শুরুর আগে থেকেই মাঠের প্রবেশপথে আমরা অবস্থান নিই। এক তরুণ পাকিস্তানি জার্সি পরে মাঠে প্রবেশের চেষ্টা করেন। প্রথমে আমরা তাকে বোঝাতে চেষ্টা করি। কিন্তু তিনি রাজি হননি। পরে তার শরীর থেকে পাকিস্তানি জার্সি খুলে নেন আমাদের কর্মীরা। 

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে স্টেডিয়ামে অনুশীলনের সময় পতাকা ওড়ানো এবং গ্যালারিতে বাংলাদেশিদের হাতে পাকিস্তানের পতাকা এখন আলোচিত ইস্যু। এর মধ্যেই এ ঘটনা ঘটল।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

জ‌ঙ্গিবাদ ধর্মকে কেন্দ্র ক‌রে হয় না: ভারতীয় হাইক‌মিশনার

অনলাইন ডেস্ক

জ‌ঙ্গিবাদ ধর্মকে কেন্দ্র ক‌রে হয় না: ভারতীয় হাইক‌মিশনার

ভারতীয় হাইক‌মিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী।

ভারতীয় হাইক‌মিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী বলেছেন, সন্ত্রাসী হামলা, জ‌ঙ্গিবাদ ধর্মকে কেন্দ্র ক‌রে হয় না, মানুষ রাজ‌নৈতিক স্বা‌র্থে জ‌ঙ্গিবাদ ক‌রে। দ‌ক্ষিণ এ‌শিয়ার জ‌ঙ্গিবাদ রুখ‌তে স‌ম্মি‌লিত প্র‌চেষ্টা প্র‌য়োজন। ধর্ম সম্প‌র্কে প‌রিস্কার ধারণা রাখ‌তে হ‌বে এবং ধ‌র্মের না‌মে স‌হিংসতা রোধ কর‌তে হ‌বে। জ‌ঙ্গিবাদ, মৌলবাদের বিরু‌দ্ধে মান‌বিকতার স্বচ্ছতা ধারণ কর‌তে হ‌বে।

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন: 


রিজওয়ানের বাংলা বলায় হাসলেন লিটন (ভিডিও)


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

নটরডেম শিক্ষার্থীর মৃত্যু: ঘাতক গাড়ির মূল চালক গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক

নটরডেম শিক্ষার্থীর মৃত্যু: ঘাতক গাড়ির মূল চালক গ্রেপ্তার

হারুন মিয়া

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ময়লার গাড়ি চাপায় নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী নাঈম হাসান নিহতের ঘটনায় অভিযুক্ত গাড়ির মূল চালক হারুন মিয়া ওরফে কাইল্লা হারুনকে (৩৭) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন


রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিদেশে যেতে হবে খালেদাকে: হানিফ

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বের হয়ে যাওয়া ও বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ

সিলেট থেকে বিদেশে পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


তিনি বলেন, ডিএসসিসির ময়লার গাড়ির চাপায় নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী নাঈম হাসান নিহতের ঘটনায় ছায়া তদন্ত শুরু করে র‌্যাবের গোয়েন্দা দল। তদন্তকালে র‌্যাবের অভিযানে অভিযুক্ত গাড়ির চালক হারুন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর