ফতুল্লায় ৪ শ্রমিক হত্যা

২ জনের ফাঁসি, ৯ জনের যাবজ্জীবন

দিলীপ কুমার মন্ডল, নারায়ণগঞ্জ

২ জনের ফাঁসি, ৯ জনের যাবজ্জীবন

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বক্তাবলীতে চার বাল্কহেড শ্রমিককে হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ও নয় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। 

আজ দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালত এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৭ আদালতের বিচারক মোসাম্মৎ সাবিনা ইয়াসমিন সাত আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- বাল্কহেডের দুই ফিডারম্যান (ইঞ্জিনমিস্ত্রী) তাজুল ইসলাম ও মহিউদ্দিন। মামলায় বারো আসামির মধ্যে চারজন এখনো পলাতক রয়েছেন এবং একজন ইতিপূর্বে মারা গেছেন। রায় ঘোষণার পর আদালতে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন আসামিদের স্বজনরা। রায়ের ব্যাপারে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তারা। 

মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান জানান, ২০০৮ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর শাহপরাণ নামের বাল্কহেড সিলেট থেকে পাথর বোঝাই করে মুন্সীগঞ্জে একটি সিমেন্ট কারখানায় যায়। সেখানে পাথর খালাস করে ২১ সেপ্টেম্বর বাল্কহেডটি ফেরার পথে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বক্তাবলী এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে থেমে যায়। 

পরে বাল্কহেডটি মেরামত করার জন্য এর চালক দুই ফিডারম্যান তাজুল ইসলাম ও মহিউদ্দিনকে ফোন করে ডেকে আনেন। মেরামত শেষে বাল্কহেডটি সচল হলে দুই ফিডারম্যান সেটি পরীক্ষা করার কথা বলে রাতে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ডাকাতদের যোগসাজশে বক্তাবলীর চরে নিয়ে থামিয়ে দেয়। 

ওইদিন রাতের কোন এক সময় দুই ফিডারম্যান সহযোগিদের সাথে নিয়ে চালক নাসির মিয়া, কর্মচারি মংগল, ফয়সাল ও হান্নানকে হাত পা বেঁধে গলা কেটে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেয়। পরে মেঘনা নদী থেকে হাত পা বাঁধা ও গলাকাটা অবস্থায় নাসির এবং মঙ্গলের লাশ উদ্ধার হলেও ফয়সাল ও হান্নান নামের অপর দুই শ্রমিক নিখোঁজ থাকেন। পরে বাল্কহেডটি বক্তাবলীর চর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় পুলিশ জব্দ করে।  


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

শিক্ষা জাতির উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: প্রধানমন্ত্রী

অসুস্থ মাকে বাঁচাতে ক্রিকেটে ফিরতে চান শাহাদাত

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, বিয়ের দাবিতে অনশন!


এ ঘটনার পরদিন ২০০৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর বাল্কহেডটির মালিক এরশাদ মিয়া ফতুল্লা থানায় বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে পুলিশ দুই ফিডারম্যান তাজুল ইসলাম ও মহিউদ্দিনসহ সাত আসামীকে গ্রেফতার করে। পরে আসামিরা হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে ও দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফতুল্লা থানার উপ-পরিদর্শক বদরুল আলম আসামিদের জবানবন্দির ভিত্তিতে ২০০৯ সালের ২৬ মার্চ ১২ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত যুক্তিতর্ক ও ১৮ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এই রায় দেন।

এদিকে রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসামিদের পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কার্তিক চন্দ্র দাশ জানান, ন্যায়বিচারের জন্য উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এবার রাজশাহীতে ডিজিটাল আইনে নুরের বিরুদ্ধে মামলা

অনলাইন ডেস্ক

এবার রাজশাহীতে ডিজিটাল আইনে নুরের বিরুদ্ধে মামলা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে ঢাকা, সিলেট ও চট্রগ্রামের পর এবার রাজশাহীতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। ফেসবুক লাইভে এসে  ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত করে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে এই মামলা করা হয়।

রাজশাহী মহানগর যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক তোরিদ আল মাসুদ রনি বুধবার দুপুরে বাদী হয়ে আরএমপির বোয়ালিয়া মডেল থানায় মামলাটি করেন।

বোয়ালিয়া থানার ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মণ বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত করে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছে। তদন্ত  করে পরে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মামলার এজাহারে বাদী বলেন, ১৪ এপ্রিল ফেসবুক লাইভে এসে ডাকসুর সাবেক ভিপি নূরুল হক নূর যে বক্তব্য দিয়েছিলেন সেটা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ দেশের মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত দিয়েছে। তিনি আক্রমণাত্মক ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন।

গত ১৪ এপ্রিল বিকেলে ফেইসবুক লাইভে এসে নূর বলেন, ‘কোনো মুসলমান আওয়ামী লীগ করতে পারে না। যারা এই আওয়ামী লীগ করে তারা চাঁদাবাজ, ধান্ধাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, চিটার-বাটপার এই ধরনের মুসলমান।’

উল্লেখ্য, গত ১৪ এপ্রিল নিজের ফেসবুক পেজে লাইভে এসে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর ‘আওয়ামী লীগের কেউ প্রকৃত মুসলমান না’ বলে মন্তব্য করেন। একই ঘটনায় ঢাকা, সিলেট ও চট্রগ্রামের পর  রাজশাহীতে মামলা হলো নুরের বিরুদ্ধে। 

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাগারে সাংবাদিক তৈয়ব

অনলাইন ডেস্ক

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাগারে সাংবাদিক তৈয়ব

খুলনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় আবু তৈয়ব নামের এক সাংবাদিককে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি টিভি চ্যানেল এনটিভির খুলনা ব্যুরোপ্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে খুলনা নগরের নূরনগর এলাকায় অবস্থিত তার বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে সদর থানা পুলিশ।

আবু তৈয়বকে বুধবার (২১ এপ্রিল) সকালে আদালতে হাজির করা হয়। পরে শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট তরিকুল ইসলাম তাকে জেলহাজতে পাঠান। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই আবু সাইদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

খুলনা থানা পুলিশ জানায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাংবাদিক আবু তৈয়বকে মহানগর হাকিম আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সহকারী কমিশনার (খুলনা জোন) বায়েজিত ইবনে আকবর জানান, সাংবাদিক আবু তৈয়বকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় আটক করে থানায় আনা হয়। বুধবার সকালে তাকে ওই মামলায় আদালতে হাজির করা হয়। এরপর ম্যাজিস্ট্রেট তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল আলম  জানান, মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে খুলনার নূরনগর এলাকার বাসা থেকে সাংবাদিক আবু তৈয়বকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আবদুল খালেক বাদী হয়ে মঙ্গলবার বিকেলে খুলনা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন।

তিনি জানান, সাংবাদিক আবু তৈয়ব সম্প্রতি খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আবদুল খালেকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। ওই পোস্টে তার বিরুদ্ধে মোংলা কাস্টমসের শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

তিন মামলায় ২১ দিনের রিমান্ডে মুফতি সাখাওয়াত ও মাওলানা মঞ্জুরুল

অনলাইন ডেস্ক

তিন মামলায় ২১ দিনের রিমান্ডে মুফতি সাখাওয়াত ও মাওলানা মঞ্জুরুল

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজী ও মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দির ২১ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার পৃথক তিন মামলার শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদ এ আদেশ দেন। 

মতিঝিল থানার দুটি ও পল্টন থানার একটি মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা ১০ দিন করে রিমান্ড চেয়ে তাদের আদালতে হাজির করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক প্রত্যেক মামলায় সাত দিন করে মোট ২১ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

গত ১৪ এপ্রিল রাজধানীর লালবাগ এলাকা থেকে ডিবির একটি টিম সাখাওয়াত হোসাইন রাজীকে গ্রেফতার করে। একই দিন রাত ১০টা ৫০ মিনিটে হাতিরপুলের নিজ বাসা থেকে মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দিকে গ্রেফতার করা হয়।

পরদিন পল্টন থানার নাশকতার এক মামলায় এই দুই নেতাকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে বুধবার তাদের আদালতে হাজির করে পুলিশ।

গত ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেন হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা। সেই বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নেয়। ওই সংঘাতে প্রাণ হারান অন্তত ১৮ জন। সেসব ঘটনায় একাধিক মামলা হয়। মামলার আসামিদের ধরতে অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম এক দিনের রিমান্ডে

অনলাইন ডেস্ক

‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম এক দিনের রিমান্ডে

‘শিশুবক্তা’ নামে পরিচিত মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানীকে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। অতিরিক্ত চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আব্দুল হাই আজ বুধবার (২১ এপ্রিল) সকালে ভার্চুয়ালী শুনানী শেষে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

কোর্ট সাব ইন্সপেক্টর মো. আব্দুল হাই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৮ মার্চ হরতালের নামে নাশকতা, নগরীর চড়পাড়া মোড়ে পুলিশ বক্স ভাংচুর, বাসে আগুন সহ পুলিশের উপর হামলা ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলায় ভার্চুয়ালী হাজির হয়ে কোতেয়ালী থানা পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আরও পড়ুন


আল্লামা বাবুনগরীর বক্তব্য দেখে হতাশ মাওলানা মামুনুল

লকডাউনেও ঢাকায় রাস্তায় যানজট, চলাচল বেড়েছে মানুষের

দরিদ্রদের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর সাড়ে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ

তীব্র দাবদাহে দেশ, ৪ বিভাগে বৃষ্টির আভাস


রফিকুল ইসলাম নেত্রকোনা জেলার পশ্চিম বিলাশপুর সাওতুল হেরা মাদ্রাসার পরিচালক।’ সরকার বিরোধী ও উস্কানিমূলক বক্তব্যের অভিযেগে গত (৭ এপ্রিল) দ্বিবাগত রাতে নেত্রকোনা থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব। তারপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডবের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ১১

অনলাইন ডেস্ক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডবের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ১১

গত ২৬, ২৭ ও ২৮ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের বিক্ষোভ চলাকালে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আরও ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। প্রেপ্তাররা হেফাজতে ইসলামের কর্মী ও সমর্থক।


ভিপি নুরের নামে আরও এক মামলা

নাটোরের বড়াইগ্রামে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত


পুলিশ জানায়, সহিংস ঘটনার প্রাপ্ত স্থিরচিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। এসব ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯টি, আশুগঞ্জ থানায় ৪টি ও সরাইল থানায় দুটি ও রেলওয়ে থানায় একটিসহ মোট ৫৬টি মামলা হয়েছে।

এসকল মামলায় ৪১৪ জন এজাহারনামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ৩০-৩৫ হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে। এ সকল মামলায় এখন পর্যন্ত নতুন ১১ জনসহ ৩২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর