জামালপুর থেকে ঢাকায় ‘ক্যাটল স্পেশাল’ ট্রেন

তানভীর আজাদ মামুন, জামালপুর

জামালপুর থেকে ঢাকায় ‘ক্যাটল স্পেশাল’ ট্রেন

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে কুরবানীর পশু পরিবহনের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে পরিচালনা করছে ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন সার্ভিস। জামালপুর থেকে দুটি ক্যাটেল স্পেশাল ট্রেনে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কুরবানীর পশু। কোন রকম ভোগান্তি না থাকায় নিরাপদ ও সাশ্রয়ী খরচে ট্রেনে করে পশু পরিবহন করায় খামারী ও ব্যবসায়ীরাও বেশ উচ্ছ্বসিত।

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে জামালপুরের খামারী ও প্রান্তিক কৃষকরা কুরবানীর পশু লালন পালন করে থাকেন। কিন্তু ভালো দাম পেতে ঢাকায় পশু নিয়ে যেতে পোহাতে হয় নানা রকম হয়রানী ও ভোগান্তি। সড়ক পথে ট্রাকে বা অন্যান্য যানবাহনে করে পশু পরিবহন যেমন ব্যয়বহুল তেমনি রয়েছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা, পথে পথে চাঁদাবাজির অভিযোগ।

তাছাড়াও যানজটের কারণে দীর্ঘ সময় গাড়িতে পশু পরিবহন করায় ভোগান্তি মাত্রা ছাড়িয়ে যায়, অসুস্থ হয়ে পরে পশুটিও। খামারী ও প্রান্তিক কৃষকদের এসব পশু সহজে পরিবহনের বিষয়টি মাথায় রেখে রেলওয়ে চালু করেছে ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন।

আরও পড়ুন


ব্যারেন্টস ও নরওয়ে সাগরে রাশিয়ার নর্দার্ন ফ্লিট সাবমেরিন মহড়া শেষ

পটুয়াখালীতে করোনায় তিন জনের মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিকেলে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

খুলনায় গত আট দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ মৃত্যু


জামালপুর থেকে দুটি ক্যাটেল স্পেশাল ট্রেনে করে পরিবহন করা হয় প্রায় আটশ গরু। শনিবার সন্ধ্যায় জামালপুরের ইসলামপুর রেলস্টেশন থেকে ২৫টি ওয়াগনে মোট ৪শ’টি গরু নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় প্রথম ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন। এরপর শনিবার রাতেই দ্বিতীয় ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন ২৩ টি ওয়াগন নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। দ্বিতীয় ট্রেনটিতে ইসলামপুর থেকে ১৮টি, মেলান্দহ থেকে ৩টি ও ময়মনসিংহ থেকে ২টি ওয়াগনে মোট ৩৬৪টি গরু নিয়ে যাবেন ব্যবসায়ী, খামারী ও কৃষকরা। কম খরচে, নিরাপদে কোন রকম ভোগান্তি ছাড়াই ট্রেনে করে পশু পরিবহন করতে পারায় বেশ খুশি সবাই।

জামালপুর টাউন রেলওয়ে জংশন স্টেশনের স্টেশন মাস্টার শেখ উজ্জ্বল মাহমুদ জানান, রেলে খরচ কম ও নিরাপদ। ইসলামপুর থেকে প্রতিটি ওয়াগনের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ হাজার টাকা। প্রতিটি ওয়াগনে ১৬টি করে গরু পরিবহন করা যাবে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

পিরোজপুরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ

পিরোজপুর, ইমন চৌধুরী

পিরোজপুরে ভূমিহীনদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। সেখানে বসবার করতে ঘরপ্রতি ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা চাঁদা গুণতে হচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। 

জেলার পাড়েরহাট আশ্রয়ণ প্রকল্পের, আবাসন সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেছেন ভূমিহীনরা। অভিযুক্ত ব্যক্তি, সবকিছু নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্যের দিকে আঙ্গুল তুলছেন।

পিরোজপুরের ইন্দুরকানি উপজেলার পাড়েরহাট আশ্রয়ন প্রকল্পে প্রায় সাত মাস আগে অর্ধশত ঘর তৈরি হয়। এগুলো ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে বরাদ্দও দেয়া হয়। 

আরও পড়ুন:


করোনায় জাবি অধ্যাপকের মৃত্যু

মর্মান্তিক মৃত্যুর ঠিক আগ মুহূর্তে ছবি তোলেন তিনি

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ স্থগিত


তবে নতুন ঘরে থাকতে পারা খুশি বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। ভূমিহীনরা বলছেন, ঘরে থাকতে হলে ১০ থেকে ২০ হাজার করে চাঁদা দিতে হচ্ছে তাদের। না পারলে, নানাভাবে হয়রানি ও লাঞ্চিত করা হচ্ছে। এসব অভিযোগ আবাসন সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আসাদুল নিজেকে নির্দোষ বলছেন। তার দাবি, ইউপি সদস্যের নির্দেশেই একাজ করতে হয়েছে।

চাঁদাবাজির অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাও জানেন। এ ব্যাপারে তদন্তের পর ব্যবস্থা নেবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে পিরোজপুরে তিন হাজার ১৭৯ ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

করোনা: সিলেটে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

অনলাইন ডেস্ক

করোনা: সিলেটে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

মহামারী করোনা ভাইরাসে সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৫৬৪ জন।

আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায় স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।  

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন করে মারা যাওয়া ১৪ জনের ১০ জনই সিলেট জেলার, ৩ জন সুনামগঞ্জের ও একজন হবিগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। এছাড়া আক্রান্ত ৫৬৪ জনের ২০৮ জন সিলেট জেলার, সুনামগঞ্জের ১০৭ জন, হবিগঞ্জের ১৪৬ জন, মৌলভীবাজারের ৬২ জন। এছাড়া ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সিলেটের বিভিন্ন জেলার আরো ৪১ জনের করোনা শনাক্ত হয়।  

সংশ্লিষ্টরা জানান, এরআগে একদিনে সর্বোচ্চ ১২ জন পর্যন্ত মারা গেছেন। কিন্তু ১৪ জনের মৃত্যুর রেকর্ড এটাই প্রথম।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

নরসিংদীতে ডাকাতি ও হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪

অনলাইন ডেস্ক

নরসিংদীতে ডাকাতি ও হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪

নরসিংদী শহরের নাগরিয়াকান্দি এলাকায় একটি দোতলা বাড়িতে ঢুকে ডাকাতি ও হত্যার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিসহ লুট করা স্বর্ণালংকার ও টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম এসব তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনটি পুলিশ সুপার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রায়পুরা উপজেলার বটতলি এলাকার মৃত সিদ্দিকের ছেলে শেখ ফরিদ (৩৫), একই উপজেলার বাহেরচর এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে রাজা মিয়া (৩২), চর আড়ালিয়ার রাজা মিয়ার ছেলে আল-আমিন (৩৩) এবং রাজনগর এলাকার রহিম উদ্দিনের ছেলে দুলাল মিয়া (৩৭)।

পুলিশ সুপার জানান, গত ১৬ জুলাই রাতে নরসিংদী পৌর শহরের নাগরিয়াকান্দি এলাকায় জানালার গ্রিল কেটে দোতলা একটি বাড়িতে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে স্বর্ণালংকারসহ মালামাল লুট করে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলটি।

এ সময় ডাকাতিতে বাধা দেয়ায় গৃহকর্তা মোবারক হায়াতের ছেলে ইন্টারনেট ব্যবসায়ী সাজ্জাদ হোসেন আরিফকে (৩২) ছুরিকাঘাতে হত্যা করে ডাকাতরা।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা মোবারক হায়াত বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় মামলা করেন।

আরও পড়ুন:


করোনায় জাবি অধ্যাপকের মৃত্যু

মর্মান্তিক মৃত্যুর ঠিক আগ মুহূর্তে ছবি তোলেন তিনি

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ স্থগিত


কাজী আশরাফুল আজীম আরও জানান, মামলার পরপরই ঘটনাটির তদন্ত ও আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান চালায় পুলিশ। পরে গত ২২ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মরিচা এলাকা থেকে রায়পুরা উপজেলার মৃত সিদ্দিক মিয়ার ছেলে ডাকাত শেখ ফরিদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার (২৫ জুলাই) গ্রেপ্তার করা হয় ডাকাতি ও হত্যায় জড়িত আরও তিনজনকে।

গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিকভাবে ডাকাতি ও হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। 

তাদের বিরুদ্ধে এর আগেও ডাকাতির মামলা ছিলো বলেও জানান তিনি। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে জমি নিয়ে বিরোধে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১২

আকবর হোসেন সোহাগ, নোয়াখালী

নোয়াখালীতে জমি নিয়ে বিরোধে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১২

জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীর সুধারামের আন্ডারচর ইউনিয়নের আন্ডারচর গ্রামে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। গতকাল রাতে এ ঘটনা ঘটে। 

আহতদের মধ্যে কলেজ ছাত্র রাকিব হোসেন পরান (২০), মো. জিলান (৩২), মো. রিপন (৩০), আবদুল করিম (৪০), বাপ্পি (২৫) ও মো. রাকিবকে (২৫) নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে কলেজছাত্র রাকিব হোসেন পরানের অবস্থা আশঙ্কাজনক। 

আহত ব্যক্তি ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ জোরদার বেলাল, এলাছ মাঝি, জামাল মাঝি ও নাসিরের নেতৃত্বে জিলান ও রাকিবের দখলীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে ঘর উঠাতে গেলে তারা বাধা দেয়। এক পর্যায়ে বেলাল ও এলাছ মাঝির নেতৃত্বে ৪০ থেকে ৫০ জন লাঠিয়াল বাহিনী হামলা ও ভাঙচুর চালায় এবং কুপিয়ে আহত করে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন


বিভিন্ন জেলায় করোনা ও উপসর্গে মৃত্যুর তথ্য

গার্মেন্টস খোলার ব্যাপারে যা জানালেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

বাল্যবিয়ে মুক্ত উপজেলায় বাল্যবিয়ের চেষ্টা, জরিমানা-মুচলেকায় রক্ষা

ময়মনসিংহ মেডিকেলে করোনায় ‍মৃত্যুর রেকর্ড


সুধারাম থানার ওসি মো. সাহেদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, জায়গা জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে। এই ঘটনা মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

পদ্মায় জেলের জালে ধরা পড়ল ১৫ কেজির পাঙাশ

অনলাইন ডেস্ক

পদ্মায় জেলের জালে ধরা পড়ল ১৫ কেজির পাঙাশ

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে জেলের ১৫ কেজি ওজনের একটি বড় পাঙাশ মাছ ধরা পড়েছে। মাছটি সাভারের এক গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ১৯ হাজার ৫০০ টাকায় কিনে নিয়েছেন।

আজ ভোরে অন্তরমোড় এলাকার জেলে শাহিন শেখের জালে মাছটি ধরা প‌ড়ে।

স্থানীয় লোকজন জানান, মাছটি বিক্রির জন্য শাহিন দৌলতদিয়া ৫ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে ১২০০ টাকা কেজি হিসাবে ১৮ হাজার টাকায় শাকিল সোহান মৎস্য আড়তের মালিক সম্রাট শাহজাহান শেখ মাছটি কেনেন। পরে আড়তদার সাভারের এক গার্মেন্টস ব্যবসায়ীর কাছে ১৯ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করেন।

আরও পড়ুন

বিভিন্ন জেলায় করোনা ও উপসর্গে মৃত্যুর তথ্য

গার্মেন্টস খোলার ব্যাপারে যা জানালেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

বাল্যবিয়ে মুক্ত উপজেলায় বাল্যবিয়ের চেষ্টা, জরিমানা-মুচলেকায় রক্ষা

ময়মনসিংহ মেডিকেলে করোনায় ‍মৃত্যুর রেকর্ড


গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রেজাউল শরীফ বলেন, পদ্মা নদীর মাছ এমনিতেই সুস্বাদু। বড় কোনো মাছ হলে তো কথাই নেই। পদ্মার বড় মাছের চাহিদা সব সময়ই বেশি। সাধারণ মানুষ কিনতে না পারলেও ধনীরা খবর পেলেই কিনে নেন। আর বড় মাছে ভালো দাম পেয়ে জেলেরা খুবই খুশি হন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর