ধর্ম-নেতা-আদালত-যৌনতা নিয়ে গল্প লেখা যায় না

আসিফ নজরুল

ধর্ম-নেতা-আদালত-যৌনতা নিয়ে গল্প লেখা যায় না

প্রথমা থেকে আমার প্রথম গল্পগ্রন্থ বের হচ্ছে। নাম ‘সংসার’। সেখান থেকে শেষ মূহূর্তে একটা গল্প বাদ দিতে হলো। কারণ আমাদের আশংকা এটা ছাপা হলে ধর্মীয় কোন গোষ্ঠী শোরগোল তুলতে পারে।

এটা লিখে ফেলা গল্পের ঘটনা। না লেখা এমন অনেক গল্পের প্লট আছে। এদেশে ইতিহাস নিয়ে গল্প লেখা যায়না, ধর্মীয় বিষয় নিয়ে না, নেতা নিয়ে না, আদালত নিয়ে না, যৌনতা নিয়ে না, মানবাধিকারের নতুন ধারণা নিয়ে না।


আরও পড়ুন: ‘করোনার টিকা নিয়ে বাংলাদেশের ভয়াবহ দুর্বলতা দৃশ্যমান হলো’


আমাদের গল্প তো পানসেই হওয়ার কথা। বা ফরমায়েসী। বা প্রকল্প ভিত্তিক!  আমাদের গল্প যে হাজার খানেক লোক কিনে পড়ে সেটাই যথেষ্ট!

আসিফ নজরুল, রাজনৈতিক বিশ্লেষক

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠিটি এলো কোত্থেকে?

অনলাইন ডেস্ক

কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠিটি এলো কোত্থেকে?

অনেক দিন পর সামিয়া রহমান সংবাদ সম্মেলন করে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। তার বক্তব্যের একটি পয়েন্টের প্রতি আমার প্রবল আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

সামিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ভিত্তি ছিলো ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেসের লিখিত অভিযোগ। সামিয়ার দাবি শিকাগো জার্নালের এডিটর তাঁকে বলেছেন- তারা এই ধরনের কোনো চিঠি পাঠাননি। তা হলে ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেসের নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠিটি এলো কোত্থেকে? এ বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া দরকার।

আরও পড়ুনঃ


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

পরবর্তী নির্বাচনে আবারও অংশ নিবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের সমঝোতা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানে হতাশ যুক্তরাষ্ট্র

খাশোগি হত্যাকান্ড: রহস্যজনকভাবে বদলে গেল প্রতিবেদনে অভিযুক্তের নাম


বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়া শাস্তি মাথায় নিয়ে সামিয়া সংবাদ সম্মেলন করেছেন। নতুন করে কোন ভুল বা মিথ্যা তথ্য উপস্থাপনের পরিণতি সম্পর্কে তিনি জানেন। সামিয়া সঠিক বলে থাকলে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে কি সত্যিই শিকাগো ইউনিভার্সিটির কোনো চিঠি ছিলো? থেকে থাকলে সেটি সত্যি শিকাগো ইউনিভার্সিটির পাঠানো কীনা সে ব্যাপারে কি বিশ্ববিদ্যালয় কোনো খোঁজ খবর করেছিলো?

শিকাগো জার্নালের চিঠিটির অস্তিত্ব সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করা দরকার।

(ফেসবুক থেকে)

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সাতচল্লিশ বায়ান্ন একাত্তরের সাক্ষী তিনি

শরিফুল হাসান

সাতচল্লিশ বায়ান্ন একাত্তরের সাক্ষী তিনি

শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর স্ত্রী লিলি চৌধুরী আর নেই। তিনি আজ সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় বনানীর বাসভবনে শেষ নিঃশাস ত্যাগ করেন। তিনি আমার খুব পছন্দের মানুষদের একজন Asif Munier ভাইয়ের মা। পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে বেতার, মঞ্চ ও টেলিভিশনে কাজ করেছেন লিলি চৌধুরী।

সাতচল্লিশ, বায়ান্ন, একাত্তরের মতো ঐতিহাসিক সময়ের সাক্ষী তিনি। বেশ কয়েকবার বাসায় যাওয়ার সুবাদে আমি লিলি চৌধুরীর জীবন সংগ্রামের গল্প শুনেছি আসিফ ভাইয়ের মুখে।

লিলি চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালে মুনীর চৌধুরীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হয়। ওই সময়ে তারা দুজন পরস্পর পরস্পরকে ডাইরি লিখতেন। ২০১৫ সালে ডায়েরিগুলো প্রথমা প্রকাশন থেকে দিনপঞ্জি মনপঞ্জি ডাকঘর নামে প্রকাশিত হয়েছে। কেউ চাইলে পড়তে পারেন। ঐতিহাসিক এক সময়ের অসাধারণ বর্ণনা।‌


রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

৭৫০ মে.টন কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবি, শুরু হয়নি উদ্ধার কাজ

মোবাইলে পরিচয়, দেখা করতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার কিশোরী

নোয়াখালীতে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা: স্বামী আটক


পাকিস্তান সরকার প্রায়ই মুনীর চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করত। ১৯৪৯-এর ৩০ সেপ্টেম্বর বিয়ে করেন তাঁরা। এর কিছুদিন পর ১৯৫২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি আবার গ্রেপ্তার হন মুনীর চৌধুরী। তখন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। মুনীর চৌধুরী মুক্তি পান ১৯৫৪ সালে। এই কারাবাসে থাকাকালীন তিনি কবর নাটকটি রচনা করেন।

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর আলবদর বাহিনী মুনীর চৌধুরীকে ধরে নিয়ে হত্যা করে। একাত্তরের পরে কঠিন সংগ্রাম করতে হয়েছে লিলি চৌধুরীকে। সন্তানদের বড় করতে বিভিন্ন জায়গায় চাকরি করেছেন।

মুনীর চৌধুরী ও লিলি চৌধুরী দম্পত্তির তিন ছেলে। ‌এর মধ্যে আশফাক মুনীর যিনি মিশুক মুনীর নামে পরিচিত ছিলেন দারুন প্রতিভাবান এই মানুষটি সড়ক দুর্ঘটনায় তারেক মাসুদের সাথে মারা গেছেন।‌ বাকি দুই ছেলে আহমেদ মুনীর ও আসিফ মুনীর। এরমধ্যে আসিফ মনির ভাইয়ের সাথে আমার প্রায় দেড় যুগের ঘনিষ্ঠতা। অভিনেত্রী ফেরদৌসী মজুমদার মুনীর চৌধুরীর বোন এবং লেখক কবীর চৌধুরী তাঁর ভাই। এই বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম, এই দেশের সাহিত্য সংস্কৃতি সবকিছুতে এই পরিবারটির অসামান্য অবদান রয়েছে। আল্লাহতালা লিলি চৌধুরীকে জান্নাতবাসী করুন। আল আসিফ ভাই সহ সবাইকে শোক সইবার শক্তি দিক।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পতিতাদের গমনাগমনের প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী

আসিফ আকবর

পতিতাদের গমনাগমনের প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী

কুমিল্লা শহরের প্রানকেন্দ্র ষ্টেডিয়াম এলাকা। টাউন হল জিলা স্কুল সার্কিট হাউজ প্রান্তর জুড়ে রাতের নির্জন রাস্তা। ষ্ট্রীট পতিতাদের গমনাগমনের প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী সেই পথে হাঁটতে থাকা মানুষগুলো। কুমিল্লার সন্তান আমি, রাতজাগা আমাদের কিছু বন্ধুদের ছোটবেলার অভ্যাস। 

ফুল ফল চুরি করার জন্য আমাদের গ্যাং ছিল। দেশের মহল্লায় মহল্লায় যুগে যুগে এধরনের ব্যাপার স্যাপার দেখে বহু জেনারেশন বড় হয়েছে। মাঝেমধ্যে শব-ই বরাত শব-ই কদর কিংবা মেরাজের রাতে হঠাৎ করেই পতিতা উচ্ছেদে লাঠি হাতে মাঠে নেমে পড়তাম। এখন খারাপ লাগে, ওরা আসলে পতিতা না, সমাজের অব্যবস্থাপনার ত্রুটিতে জীবন বাঁচাতে বাধ্য হয়ে এই পথে এসেছে। 

এখনও শহরের মধ্যাংশে রাতের বেলায় তাদের অবাধ বিচরন। আমরা বন্ধুরা রাত জেগে আড্ডা দেই। মাঝে মাঝে শুনতে পাই তাদের হৈচৈ। কোন খদ্দের হয়তো টাকা দেয়নি তাই শায়েস্তা করার জন্য ষ্ট্রীট পতিতারা একজোট হয়ে দৌড়ানী দিচ্ছে, এসব ঘটনার স্বাক্ষী পথচারী কিংবা আমরা রাতজাগা বন্ধুরা। কুমিল্লার আড্ডা শেষে বাসায় যাওয়ার সময় তাদের সঙ্গে দেখা হয়। কোন একটা মেয়ের মোবাইলে হয়তো বাজছে আমার গাওয়া একাকী গভীর রাতে গানটি। ষ্টেডিয়াম আর এসপি’র বাংলোর সামনে তারা গভীর শীতের রাতে আগুন পোহায়। 

আড্ডা শেষে যাওয়ার পথে এখনো কথা হয় তাদের সাথে, মামা ডাকে। মেয়েদের অনুরোধে সেলফিও তুলেছি। একসাথে বসে রাস্তায় আগুন পোহানোও হয়েছে। যতটুকু সম্ভব তাদের সাহায্যে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। এরা আসলে পরিস্থিতির স্বীকার, কেউ স্বেচ্ছায় নিশ্চয়ই এরকম পেশায় আসতে চায়না। বাস্তবতা যার যার কাছে সবসময়ই কঠিন কষ্টিপাথরের মত। কত হাজারো কোটি কষ্টের চেপে থাকা কান্না মরে যায় তাদের হাসির দমকে আর ঝলকে। লক্ষ্য একটাই, পরিবারের সদস্য আর সন্তানদের মুখে খাদ্য তুলে দেয়া। 


ইয়াবার টাকা না পেয়ে কাঁচি দিয়ে মাকে হত্যা

৯৯৯ এ ফোন এক ঘন্টায় চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাংক থেকে বয়স্ক ভাতার টাকা উধাও

আল্লাহর কাছে যে তিনটি কাজ বেশি প্রিয়


রুট লেভেল থেকে বড় হয়েছি, প্রাচূর্যও দেখেছি ভরপুর। ফেসবুক থেকে জ্ঞান অর্জনের প্রয়োজন নেই। কাজ করতে এসেছি ঢাকা শহরে, ঢুকেছি রঙীন দুনিয়ায়। আমার চোখেও ঘোর লেগেছে সত্যি, এখনো যে লাগেনা সেটাও অস্বীকার করব না। সুযোগের অভাবে বেশ ধরে থাকা কোট টাই হ্যাট কিংবা ক্যাপওয়ালা ভদ্রলোকদেরও আমার চেনা আছে। আর কিছু আছে ভদ্রমহিলা পারফর্মার। তাদের কেউ কেউ অনেক গনিত সমাধান করে ইন্ডাষ্ট্রীতে প্রতিষ্ঠাও পেয়েছে। নামডাক অর্জন শেষে হয়েছে সোসাইটি গার্ল। এদের আচার ব্যবহার শব্দচয়ন আর হাসিমুখের অন্তরালে খদ্দের কালেকশন চলে। শুধু গান গেয়ে অভিনয় করে ইনকামের রাস্তা তৈরী করা সহজ ব্যাপার নয়। 

সমাজে তাদের জন্ম দেয়া নামধারী বন্ধু ডিরেক্টর কিংবা স্বামীরাও নেমে যায় ব্যবসায়। মুখে কুলুপ এঁটে নিজের আর্টিষ্ট বৌ’কে বারবনিতা বানিয়ে ছেড়ে দেয় লোকালয়ে। সুযোগ পাওয়া কামাতুর বিত্তশালীরা সেই পতিতাদের পক্ষে দাঁড়িয়ে সমাজে একটা অবস্থান তৈরীতে সহযোগীতা করে। আমরা শো’বিজের লোকজন এদেরকে চিনি। আমার কুমিল্লা’র ভাগ্নী পতিতাদের চেয়ে এরা আরো ভয়ঙ্কর। এ সমস্ত কলগার্ল কিংবা সোসাইটি গার্লদের কিছু ফ্যানফলোয়ার থাকে মজা লুটার জন্য। আমিও তাদের কাউকে ভাগ্নী বোন ভাবী ভেবেছিলাম, এখনো হয়তো ভাবতে বাধ্য হই। আসলে এগুলা সব হাওয়াই মিঠাই। আমরা পতিতা বলতে যেটা বুঝি সেটা হচ্ছে দেহ ব্যবসার আদিরুপ। আমাদের জগতে সেই সোসাইটি গার্লরা ফেসবুক ষ্ট্যাটাস দিয়ে নিজেকে আরো বেশী মার্কেটিং করে। 

বিত্তশালী হওয়ার সুদুরপ্রসারী পরিকল্পনা, অবশ্য এতে সময় কম লাগে। টাকার অভাবে থাকা মেয়ে আর্টিষ্টটা আজ ফাইভ ষ্টার হোটেলে পার্টি করছে পয়সাওয়ালা ফূর্তিবাজদের সঙ্গে। আর দোষ হচ্ছে বাচ্চাকাচ্চাদের মুখের খাবারের জন্য দিনের পর দিন জীবনের আনন্দ মাটি করে বেঁচে থাকা সেই রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো মেয়েদের। আমার আশেপাশেও এরা আছে, ফনা তুলে নেচে চলছে মনের আনন্দে। পার্থক্য শুধু ষ্ট্যাটাসে, কেউ রাস্তায়, কেউ গ্র্যান্ড সুলতান কিংবা  ইন্টারকন্টিনেন্টালের মত ফাইভষ্টার হোটেলে। নিজেকে বাঁচাতে শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত নিতেই হলো - শত্রুর বন্ধুই আমার সবচেয়ে বড় শত্রু। শত্রুর সাথে মেলামেশা করা কেউ কখনোই আমার বন্ধু হতে পারেনা। এদের বিষমাখা ফনাওয়ালা উদ্ধত শির পিষে ফেলতে হবে পায়ের তালুতে। 

ভালবাসা অবিরাম...

(ফেসবুক থেকে)

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নাসিরের স্ত্রীকে ‘জাতীয় ভাবী’ আখ্যা দিয়ে সুবাহ'র স্ট্যাটাস

অনলাইন ডেস্ক

নাসিরের স্ত্রীকে ‘জাতীয় ভাবী’ আখ্যা দিয়ে সুবাহ'র স্ট্যাটাস

নাসিরের স্ত্রী তামিমা তাম্মী (সুবাহ'র ফেসবুক থেকে নেয়া)

জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার নাসির হোসেন গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেন। এরপর থেকেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ উঠেছে আগের স্বামী রাকিবকে ডিভোর্স না দিয়েই নাসিরকে বিয়ে করেছেন তামিমা তাম্মি।

বিয়ের খবরটি ছড়িয়ে পড়লে নাসিরকে একহাত নেন তার সাবেক প্রেমিকা হুমায়রা সুবাহ। এবার নাসিরের স্ত্রীকে একহাত নিলেন সুবাহ।

শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। 

সেখানে নাসিরের স্ত্রীকে জাতীয় ভাবী আখ্যায়িত করেন তিনি। 

তার স্ট্যাটাসটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মুশতাকের মৃত্যুতে কোন শোকগাঁথা লিখিনি

অনলাইন ডেস্ক

মুশতাকের মৃত্যুতে কোন শোকগাঁথা লিখিনি

মুশতাকের মৃত্যুতে কোন শোকগাঁথা লিখিনি। অন্যেদের লেখা পড়ছি, মনটা বেদনায় ভারাক্রান্ত হচ্ছে। কিন্তু মাঝে মাঝে ভীষণ মজাও পাচ্ছি। চিড়িয়ারখানার বান্দর দেখে বাচ্চা ছেলে-মেয়েরা যেমন আনন্দ পায় তেমন আনন্দ। বলবেন, কেন!

উত্তরটা হচ্ছে, যে আইনে মোসতাকের জীবনবাতি নিভে গেল, সে আইনটা যখন খসড়ার স্তরে, তখন টিভিতে টিভিতে এ আইনের পক্ষে, এমন আইনের অপরিহার্যতা তুলে ধরে পালাগান গাওয়া সাংবাদিক, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবীদের অনেকেই এখন মোসতাকের জন্য বেদনাতুর মর্শিয়া গাইছেন, লিখছেন। এরা নিখাদ খচ্চর, বদ বান্দর।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর