ভোট দেয় প্রশাসন, আর দেখে জনগণ: সংসদে রুমিন ফারহানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

ভোট দেয় প্রশাসন, আর দেখে জনগণ: সংসদে রুমিন ফারহানা

সকাল থেকে চট্টগ্রামে চলছে সিটি নির্বাচন। আর এই নির্বাচনের উত্তাপ ছড়িয়েছে জাতীয় সংসদেও। আজ সংসদে আইন প্রণয়নের আলোচনায় উঠে আসে নির্বাচন প্রসঙ্গ।

সংসদে সংশোধনী প্রস্তাব তোলার সময় বিএনপির সংরক্ষিত আসনের সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, ভোট দেয় প্রশাসন। আর দেখে জনগণ। 

তিনি বলেন, ভোটটা সুষ্ঠু করে করলেই হয়। কারও থেকে ভোট শিখতে হবে না। ভোট কীভাবে দিতে হয়, সেটা সবাই জানে। ভোটটা দিতে দিলেই হয়।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। আজ সকাল ৮ থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

এবারের নির্বাচনে ৪১টি ওয়ার্ডে মোট ৭৩৫টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ৮৮৬টি বুথে ইভিএম’র মাধ্যমে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বলে সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বলে সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশের মর্যাদা রক্ষায় সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি চট্টগ্রাম ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত ৫৫তম ব্যাচের ক্যাডেটদের মুজিববর্ষ গ্র্যাজুয়েশন প্যারেডে-অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নৌপথ গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই চ্যালেঞ্জিং ক্ষেত্রে কাজ করতে সবোর্চ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে মেরিড ক্যাডেটদের প্রতি আহ্বান জানান সরকারপ্রধান।

দেশনেত্রী বলেন, ‘বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। প্রতিযোগিতাময় বিশ্ব - কাজেই সেই বিশ্বে চলতে হলে আমাদের সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রয়োজন। আর সেভাবেই ট্রেনিং নিতে হবে। সেই সুযোগটা আমরা সৃষ্টি করে দিচ্ছি। আমরা আশা করব, যাঁরা আজ ট্রেনিং পেয়ে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করবেন, তাঁরা যে দেশে যাবেন, সেখানে আমাদের সভ্যতা, আমাদের সংস্কৃতিও আদান-প্রদান করতে পারবেন। এবং অন্য জায়গা থেকেও ভালো কিছু নিয়ে আসতে পারবেন। নিজ দায়িত্ব, সততা, দক্ষতা ও কর্তব্য নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে হবে, যাতে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়।’

আরও পড়ুন:


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থগিত পরীক্ষার নতুন সূচি ঘোষণা

লেবানন বিএনপির ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত

বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় কেটে ফেলা হল কিষানীর তিন হাজার গাছ

তামিমার পাসপোর্ট আসল কিনা মুখ খুললেন নাসিরের সাবেক প্রেমিকা


প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন সরকারে থাকার সুযোগে সব খাতে উন্নয়ন করা সম্ভব হচ্ছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। তিনি বলেন, করোনার মধ্যেও দেশের অর্থনীতি একেবারে স্থবির হয়ে পড়েনি। প্রত্যেকের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার চেষ্টা করারও আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ইঞ্জিন কন্ট্রোল সিমুলেটরের মাধ্যমে এখন থেকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে। মেরিন একাডেমির মাধ্যমে দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হচ্ছে। তিনি বলেন,জাতির পিতা ১৯৭৪ সমুদ্র সীমা নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগ নিলেও ৭৫ পরবর্তী সময় জিয়াউর রহমানসহ অন্য কেউ এটা নিয়ে কোনো কাজ করেনি।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রাজধানীর যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না আজ

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীর যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না আজ

গ্যাসের পাইপলাইন সংস্কার কাজের জন্য রাজধানীর বেশ কিছু এলাকায় আজ বৃহস্পতিবার গ্যাস থাকবে না। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। আজ রাজধানীর মগবাজার তালতলা গলি, ওহাব সড়ক, নয়াটোলা, চেয়ারম্যান গলি, মধুবাগ এবং আশপাশের এলাকায় আবাসিকসহ সব শ্রেণির গ্রাহকদের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুন:


পিলখানা হত্যা: শহীদদের সমাধিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

আমি ভেতর ভেতর খুবই উন্মাদ: নোরা ফাতেহি

ইরানের পরমাণু কর্মসূচির জন্য গঠনমূলক পন্থা প্রয়োজন: রাশিয়া

কম্ব্যাট ড্রোন উৎপাদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ইরান


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,  গ্যাসের স্বল্পচাপজনিত সমস্যা নিরসনে মগবাজার তালতলা গলি, ওহাব সড়ক, নয়াটোলা, চেয়ারম্যান গলি, মধুবাগ এলাকায় বিদ্যমান গ্যাস পাইপলাইনের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট সার্ভিস লাইন স্থানান্তর কাজের টাই-ইনের জন্য এসব এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বৃহস্পতিবার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ থাকবে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পিলখানা হত্যা: শহীদদের সমাধিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

অনলাইন ডেস্ক

পিলখানা হত্যা: শহীদদের সমাধিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

মর্মান্তিক পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এক যুগ পূর্তি আজ। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম কালো দিন। ২০০৯ সালের এই দিনে নারকীয় হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠেছিল কিছু বিপথগামী সৈনিক।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর বনানীর সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিনিধিরা নিহত সেনা কর্মকর্তাদের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। রাষ্ট্রপতির পক্ষে তাঁর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তাঁর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমদ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ ছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, বিজিবির মহাপরিচালক এবং নিহত কর্মকর্তাদের স্বজনরাও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দিনটি উপলক্ষে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) কোরআন খানি, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে।

দিনটি উপলক্ষে বিজিবির সব সেক্টর, প্রতিষ্ঠান ও ইউনিটে বিজিবির পতাকা অর্ধনমিত থাকবে এবং বিজিবির সদস্যরা দিবসটি উপলক্ষে কালো ব্যাজ পরিধান করবেন।

নিহতদের বিদেহী আত্মার শান্তির জন্য বিজিবি কেন্দ্রীয় মসজিদ, ঢাকা সেক্টর মসজিদ ও পিলখানার বর্ডার গার্ড হাসপাতাল মসজিদে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বিজিবির কেন্দ্রীয় মসজিদে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

এ ছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, বিজিবি মহাপরিচালক, শহীদদের আত্মীয়-স্বজন, পিলখানায় কর্মরত সব কর্মকর্তা দোয়া ও মিলাদে যোগ দেবেন।

আরও পড়ুন:


আমি ভেতর ভেতর খুবই উন্মাদ: নোরা ফাতেহি

ইরানের পরমাণু কর্মসূচির জন্য গঠনমূলক পন্থা প্রয়োজন: রাশিয়া

কম্ব্যাট ড্রোন উৎপাদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ইরান

তামিমার পাসপোর্ট নাকি ডিভোর্স পেপার, কোনটা আসল?


২০০৯ সালে বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সপ্তাহ চলাকালে ২৫ ফেব্রুয়ারি সশস্ত্র বিদ্রোহ করেন বাহিনীর কয়েকশ সদস্য। তাদের হাতে পিলখানা সদরদপ্তরে নিহত হন ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন। পরে সরকারের সঙ্গে বিদ্রোহীদের আলোচনা শেষে পরদিন ২৬ ফেব্রুয়ারি অস্ত্র, গুলি ও গ্রেনেড জমাদানের মধ্য দিয়ে বিদ্রোহের সমাপ্তি হয়।

ঘটনার জেটপাট ও বিদ্রোহের এ ঘটনায় মোট ৫৮টি মামলা দায়ের করা হয়। হত্যার এক মামলায় দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ৪২৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে বিএনপির প্রয়াত নেরে আধাসামরিক বাহিনী বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) নাম বদলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রাখা হয়।

হত্যা, লুতা নাসিরুদ্দিন আহমেদ পিন্টু ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলীসহ ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অন্যদিকে বিদ্রোহের জন্য দায়ের করা ৫৭ মামলায় বিডিআরের মোট পাঁচ হাজার ৯২৬ জন সদস্যের বিভিন্ন মেয়াদে (চার মাস থেকে সাত বছর) কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি বহুল আলোচিত পিলখানা হত্যা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। রায় প্রদানকারী তিন বিচারপতির স্বাক্ষরের পর ২৯ হাজার ৫৯ পৃষ্ঠার এ রায়টি প্রকাশ করা হয়। রায়ের দৈর্ঘ্য এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যার দিক থেকে এটিই বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ রায়।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

উপনির্বাচনে পাপুলের আসনে প্রার্থী কারা

অনলাইন ডেস্ক

উপনির্বাচনে পাপুলের আসনে প্রার্থী কারা

লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদর আংশিক) সংসদীয় আসনে এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের পদ হারানোর পর উপনির্বাচন সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এ আসনটি জোটের শরিক দল জাতীয় পার্টিকে আওয়ামী লীগ ছেড়ে দিলেও আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য একাধিক প্রার্থী মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছেন। অনেকে লবিং করছেন কেন্দ্রেও।

এদিকে এ আসন ছাড়তে রাজি নয় বিএনপি। সুষ্ঠু ভোট হলে নিজেদের জয় নিশ্চিতে আশাবাদী তারা। অন্যদিকে জাতীয় পার্টি জোট ইস্যুতে হাল ছাড়তে নারাজ। জানা যায়, হঠাৎ লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের রাজনীতিতে ‘উড়ে এসে জুড়ে বসেন’ আলোচিত কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল।

২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোট প্রার্থী জাতীয় পার্টির মো. নোমানকে টাকার বিনিময়ে সরিয়ে দিয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে এমপি নির্বাচিত হন পাপুল। সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে শত কোটি টাকার উন্নয়নের ভুয়া প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনগণের মন জয় করেন তখন। নির্বাচনের পর তার আর খোঁজ পাননি তারা। তার গ্রামের বাড়িতে ঝুলছে তালা। বর্তমানে অর্থ ও মানব পাচার এবং ঘুষ লেনদেনে চার বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কুয়েতের কারাগারে বন্দী তিনি।

এমন পরিস্থিতিতে সোমবার গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে তার সংসদীয় পদ বাতিল করে সংসদ সচিবালয়। এদিকে আগামী ২ মার্চের পরে ওই আসনে তফসিল আর মার্চে উপনির্বাচনের ঘোষণা দেয় নির্বাচন কমিশন। এমন খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের আংশিক) আসনে ব্যস্ত হয়ে ওঠেন এখানকার সম্ভাব্য এমপি প্রার্থীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরগরম হয়ে ওঠে রায়পুরের রাজনীতি।

মহাজোটের ডজনখানেক প্রার্থী তাদের কর্মী-সমর্থকদের মাধ্যমে ফেসবুকে সরব রয়েছেন এখন। আলোচনায় রয়েছেন সাবেক এমপি আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, ঢাকা কলেজের সাবেক সভাপতি এ এফ জসীম উদ্দিন আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুর উদ্দিন নয়ন, ডা. এহসানুল কবির জগলুল, যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা শামছুল ইসলাম পাটোয়ারী, সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ আলী খোকন।

এদিকে বিএনপি থেকে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়া, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনির হোসেন হাওলাদার ও কর্নেল মজিদের নাম শোনা যাচ্ছে। জাতীয় পার্টি থেকে জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এম আর মাসুদ ও শেখ মোহাম্মদ ফায়জুল্লাহ শিপন সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। এদিকে এই প্রার্থীরা কেন্দ্রেও লবিং-তদবির শুরু করেছেন বলে জানা গেছে। জানতে চাইলে বিগত সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আবুল ফয়েজ ভূঁইয়া বলেন, ‘নির্বাচনের আগেই পাপুলের বিষয়ে আদালতে মামলা করা হয়েছে। কিন্তু তা স্থগিত করে দেওয়া হয়। সেদিন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে আজ হয়তো বাংলাদেশের ভাবমূর্তি রক্ষা হতো।’

আরেক সম্ভাব্য প্রার্থী ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসীম উদ্দিন বলেন, ‘পাপুলদের মতো লোক এমপি হন এটি রাজনৈতিক দেউলিয়াপনা। এ অপরাজনীতি থেকে বের হয়ে স্বচ্ছ রাজনৈতিক চর্চা করতে হবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এখানকার আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন করার আগ্রহ রয়েছে। সুযোগ পেলে তা করে দেখাতে চাই।’

রায়পুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী অ্যাডভোকেট মনির হোসেন হাওলাদার বলেন, ‘আসন ছেড়ে দেবে না বিএনপি। এ আসনে বারবার বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।’ এখনো সুষ্ঠু ভোট হলে বিএনপির জয় নিশ্চিত উল্লেখ করে প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আরও পড়ুন:


নৃশংস পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এক যুগ পূর্তি আজ

যে শর্ত মানলে ইরানের পরমাণু স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ পাবে আইএইএ

যে সূরা নিয়মিত পাঠ করলে কখনই দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না

বঙ্গবন্ধুর খুনিকে ফেরত চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও অনুরোধ


এদিকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিঙ্কু ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন বলেন, মহাজোট প্রার্থী নোমান মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ায় পাপুলের আবির্ভাব ঘটেছে। আগামীতে আওয়ামী লীগের মধ্য থেকে তৃণমূলের রাজনীতিতে সক্রিয় এমন ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জেলার এ দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার।

মহাজোটের শরিক দল জাতীয় পার্টির জেলা সাধারণ সম্পাদক এম আর মাসুদ বলেন, কোনো ব্যক্তির অপকর্মের দায় দল নেবে না। প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেছেন, আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাই জাতীয় পার্টিকে নিয়ে নতুনভাবে তারা আশাবাদী বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯৭৩ সালে প্রথম সংসদ নির্বাচনে এখানে আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ উল্লাহ এমপি নির্বাচিত হন। পরের বছর ১৯৭৪ সালে উপনির্বাচনে এমপি হন একই দলের ড. আউয়াল। এরপর জিয়াউর রহমানের আমলে বিএনপি গঠনের পর আসনটি চলে যায় তাদের দখলে। ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচিত হন খোরশেদ আলম চৌধুরী। পরে জাতীয় পার্টির আমলে ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে তিনি লাঙল নিয়ে এমপি নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মোহাম্মদ উল্লাহ এবং ১৯৯৬ সালে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জয়ী হন। বিএনপি নেত্রী আসনটি ছেড়ে দিলে উপনির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের হারুনুুর রশিদ। এর পরের দুই নির্বাচনে ২০০১ ও ২০০৮ সালে বিএনপির আবুল খায়ের ভূঁইয়া এমপি নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ নোমান ও ২০১৮ সালে স্বতন্ত্র হিসেবে এমপি হন কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল। সূত্র: বাংলাদেশে প্রতিদিন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নৃশংস পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এক যুগ পূর্তি আজ

অনলাইন ডেস্ক

নৃশংস পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এক যুগ পূর্তি আজ

মর্মান্তিক পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এক যুগ পূর্তি আজ। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম কালো দিন। ২০০৯ সালের এই দিনে নারকীয় হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠেছিল কিছু বিপথগামী সৈনিক।

সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস, বিডিআর সদর দপ্তরে তারা এক ধ্বংসলীলা চালান। এই ধ্বংসযজ্ঞে প্রাণ হারান ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা এবং নারী ও শিশুসহ আরও ১৭ জন। 

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টা ২৭ মিনিটে বিডিআর দরবার হলে চলমান বার্ষিক নির্ধারিত সভায় একদল বিদ্রোহী বিডিআর সৈনিক তাদের মহাপরিচালকের বুকে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। মহাপরিচালকসহ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের হত্যা ও তাদের পরিবারকে জিম্মি করে।

পিলখানার চারটি মূল ফটকই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আশপাশের এলাকায় গুলি ছুঁড়তে থাকে। জন্ম নেয় ইতিহাসের এক বীভৎস ঘটনা। টানা ৩৬ ঘণ্টা পর এ বিদ্রোহের অবসান ঘটলেও ততক্ষণে বিদ্রোহী সৈনিকরা কেড়ে নেন ৫৭ জন দক্ষ সেনা কর্মকর্তার জীবন। পিলখানা পরিণত হয় এক রক্তাক্ত প্রান্তরে। ঘটনার পর পিলখানায় আবিষ্কৃত হয় গণকবর। যেখান থেকে উদ্ধার করা হয় সেনা কর্মকর্তাদের লাশ।

এ ঘটনায় হতবাক হয়ে যায় সারাদেশের মানুষ। মাত্র ৩৬ ঘণ্টার এ হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তা, একজন সৈনিক, দুইজন সেনা কর্মকর্তার স্ত্রী, ৯ জন বিডিআর সদস্য এবং আরও পাঁচ জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হন।

পিলখানা ট্র্যাজেডির এই ঘটনায় ওই বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি লালবাগ থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দু’টি মামলা করেন তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক নবজ্যোতি খিসা। এছাড়া বিজিবি’র নিজস্ব আইনে ৫৭টি মামলার বিচার শেষে সারাদেশে ৫ হাজার ৯২৬ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে।

২০১০ সালের ১২ জুলাই পিলখানা হত্যা মামলায় ৮২৪ জনকে আসামি করে চার্জশিট দেয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পরে সম্পূরক চার্জশিটে আরও ২৬ জনকে আসামি করা হয়। পিলখানা হত্যা মামলার ২৩৩ কার্যদিবসে ৬৫৪ জন সাক্ষী আদালতে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

আরও পড়ুন:


যে শর্ত মানলে ইরানের পরমাণু স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ পাবে আইএইএ

যে সূরা নিয়মিত পাঠ করলে কখনই দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না

বঙ্গবন্ধুর খুনিকে ফেরত চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও অনুরোধ

নিউজিল্যান্ডে পৌঁছেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল


বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার ৪ বছর ৮ মাস পর ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে লালবাগে অবস্থিত আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ আদালতে এ হত্যা মামলার রায় দেন ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আখতারুজ্জামান। রায়ে ৮৫০ জন আসামির মধ্যে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৭১ জনকে খালাস দেওয়া হয়। ২ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয় ২৬৬ জনকে।

২০১৭ সালের ২৭শে নভেম্বর হাইকোর্টে আপিলের রায়ে ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখা হয়। আট জনের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন ও চার জনকে খালাস দেওয়া হয়। নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ পাওয়া ১৬০ জনের মধ্যে ১৪৬ জনের সাজা বহাল রাখা হয়। হাইকোর্টে আপিল চলার সময়ে কারাগারে থাকা অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়। খালাস পান ১২ আসামি।

এ ঘটনায় বিস্ফোরক আইনের মামলাটি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে এখনো বিচারাধীন। মামলাটির আসামি রয়েছেন ৮৩৪ জন। এর মধ্যে ২৪ জন এরই মধ্যে মারা গেছেন। পলাতক রয়েছেন ২০ জন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর