সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে রাজনীতিতে সুযোগ দিয়েছিলেন জিয়া: কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে রাজনীতিতে সুযোগ দিয়েছিলেন জিয়া: কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রক্ত দিয়ে অর্জিত এ দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভূলন্ঠিত করে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। 

শনিবার সকালে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। মন্ত্রী তাঁর রাজধানীর সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সম্মেলনে যুক্ত হন। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার মূল্যবোধকে নির্বাসনে পাঠিয়েছিলেন,মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বণি জয়বাংলাকে নিষিদ্ধ করেছিলেন। স্বাধীনতার পরবর্তীকালে তাঁর ভূমিকা মুক্তিযোদ্ধাদের কাছেই প্রশ্নবিদ্ধ ছিলো। জিয়াউর রহমান নিজেই নিজেকে বিতর্কিত করেছে বলেও মত দেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মনে করেন, একজন সেক্টর কমান্ডারের এমন মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তি তোষণ ও পোষণ নীতিতে ইতিহাস নিজেই জিয়াউর রহমানকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। ১৫ আগস্ট পৃথিবীর ইতিহাসের নির্মম রাজনৈতিক হত্যাকান্ডের প্রধান বেনিফিশিয়ারী ছিলেন জিয়াউর রহমান। তিনিই খুনীদের পূনর্বাসন করেছিলেন, বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়েছেন এবং খুনিদের বিদেশে পালিয়ে যেতেও সহযোগিতা করছেন বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, জিয়াউর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির জনক। 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা, উপজেলা, থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠনের আহবান জানিয়ে বলেন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে নিবেদিত প্রাণ ও ত্যাগীদের মূল্যায়ন করতে হবে। বিতর্কিত ও বসন্তের কোকিলদের দলে আনা যাবে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:


বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের রিটেইলার মিট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

খুলনায় বিএনপির অফিস ঘিরে রেখেছে পুলিশ, তীব্র উত্তেজনা

অবরুদ্ধ খুলনায় নৌপথেও পারাপার বন্ধ, ভোগান্তি চরমে

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি’ ছাত্র ফেডারেশনের


আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য  ৫ম ধাপের পৌরসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবার আশাবাদ ব্যক্ত করে ওবায়দুল কাদের বলেন অন্যান্য ধাপের মতো আগামীকালের নির্বাচনেও সরকার কোনরূপ হস্তক্ষেপ করবে না।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন তৃণমূলে জনগণের ক্ষমতায়ন ও উন্নয়নে এগিয়ে নিতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রার্থীতাসহ অন্যান্য বিষয়ে দলীয় নির্দেশনা বা গাইড লাইন ইতিমধ্যেই জেলায় পাঠানো হয়েছে বলে জানান। 

প্রত্যেক ইউনিয়ন কমিটি সভা করে এক থেকে তিনজন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করে দলের ইউনিয়ন কমিটির রেজুলেশন বা লিখিত সুপারিশ উপজেলা ও জেলা কমিটির স্বাক্ষরসহ ধানমন্ডির দলীয় সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে জমা দিতে হবে

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন স্থানীয়ভাবে মনোনয়ন দেওয়ার কোন সুযোগ নেই। সুপারিশকৃত নামসমূহ যাচাই বাছাই ও বিভিন্ন জরিপ শেষে দলীয় সভাপতির নেতৃত্বে মনোনয়ন বোর্ড প্রার্থীতা চূড়ান্ত করবে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রাহমানিয়া মাদ্রাসায় রাজনীতি ঢোকান বাবা আজিজুল, দখল করে রাখেন ছেলে মাওলানা মামুনুল, অভিযোগ শিক্ষকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাহমানিয়া মাদ্রাসায় রাজনীতি ঢোকান বাবা আজিজুল, দখল করে রাখেন ছেলে মাওলানা মামুনুল, অভিযোগ শিক্ষকদের

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় জামি'আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন ১০ জন। তাদের মধ্যে সিনিয়র ছিলেন শায়খুল হাদীস মাওলানা আজিজুল হক। তাই শুরুতে তাকে ঘিরেই এ মাদ্রাসা পরিচালিত হতো। 

ওয়াক্‌ফ সম্পত্তির ওপর এটি গড়ে ওঠে। হাজি মোহাম্মদ আলী ও নূর হোসেন এ সম্পত্তির মালিক ছিলেন। মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে তাদেরও নাম রয়েছে।

প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই এর আদর্শ ছিল- এখানে কোনো রাজনীতি করা যাবে না। তবে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের বাবা প্রথম এ প্রতিষ্ঠানে রাজনীতি ঢোকান বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি ছিলেন বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের শরিক।

মাদ্রাসাটির বেশ কয়েকজন শিক্ষকদের অভিযোগ বাবার মৃত্যুর পর তার দেখানো পথেই হাঁটতে শুরু করেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। মাদ্রাসাটি ঘিরে প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে একটি দুষ্টচক্র গড়ে তুলেছেন তিনি।

জাতীয় সংবাদমাধ্যম

দেশের অন্যতম জাতীয় পত্রিকা ‘দৈনিক সমকাল’-এর  ‘মামুনুলের দখল থেকে মুক্ত হচ্ছে রাহমানিয়া মাদ্রাসা’ শিরোনামের প্রতিবেদনটিতে এসব তথ্য জানানো হয়। 

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, মোহাম্মদপুরের জামি'আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা ঘিরে প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে একটি দুষ্টচক্র গড়ে তুলেছেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক। ওই প্রতিষ্ঠানটিতে রাজনীতি ঢোকান মামুনুলের বাবা মাওলানা আজিজুল হক। তিনি বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের শরিক ছিলেন। বর্তমানে আজিজুলের চার ছেলে, নাতিসহ অন্তত ২০ আত্মীয় প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষকতা করছেন। এটা যেন তাদের 'পারিবারিক সম্পত্তি'।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, এই মাদ্রাসায় রাজনীতির বীজ বপনের বিরোধিতা করায় ৩৫ জন শিক্ষককে একযোগে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেওয়া হয়। পুরোনো পাঁচজন শিক্ষক আর মামুনুলদের পছন্দের লোক নিয়োগ দিয়ে চলছে এই প্রতিষ্ঠান। তবে মাদ্রাসা থেকে বিতাড়িতরা অনেক আগেই আদালতের শরণাপন্ন হন। গত বছর আদালত থেকে তাদের পক্ষে রায়ও হয়।

জেলা প্রশাসন ও আদালত থেকে তিন দফায় রায় বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মামুনুল গ্রেপ্তারের পর আবার নড়েচড়ে বসেছেন বিতাড়িত সেই শিক্ষকরা। গতকাল বৃহস্পতিবার তারা মাদ্রাসায় নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ডিসি বরাবর লিখিত আবেদন করেন। সেখানে তারা আদালতের রায়ের অনুলিপি সংযুক্ত করে দেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম সমকালকে বলেন, মাদ্রাসার বিষয়ে আদালতের রায়ের ব্যাপারে করণীয় নির্ধারণে আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করা হবে। এরপর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মামুনুল ও তার সাঙ্গোপাঙ্গদের মাধ্যমে কেউ হয়রানি ও প্রতারণার শিকার হলে তা নির্ভয়ে পুলিশকে জানানোর অনুরোধ করেন কমিশনার।

দৈনিক সমকালের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ডিসি হারুন অর রশিদ। তিনি বলেন, মাদ্রাসাটি দখল করে রেখেছিলেন মামুনুল ও তাদের পরিবারের লোকজন। যারা এই চক্রের মাধ্যমে বঞ্চনার শিকার, তাদের পক্ষ থেকে একটি আবেদন পেয়েছি। আদালতের নির্দেশনার আলোকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে এর নিয়ন্ত্রণ বুঝিয়ে দেওয়া হবে। উগ্রবাদী কায়দায় সেখানে যারা কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিল, তাদের আইনের আওতায় নেওয়া হবে। মামুনুল ও তার লোকজন মাদ্রাসা দখলের ঘটনায় জড়িত হলে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, জামি'আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার অন্তত সাতজন সাবেক শিক্ষকের সঙ্গে গতকাল কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন মুফতি হিফজুর রহমান। তিনি একসময় মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষ ছিলেন। ২০০১ সালে তাকেসহ ৩৬ শিক্ষককে একযোগে প্রতিষ্ঠানটি থেকে অন্যায়ভাবে বের করে দেওয়া হয়। হিফজুর সমকালকে জানান, ১৯৮৬ সালে এই মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন ১০ জন। তাদের মধ্যে সিনিয়র ছিলেন শায়খুল হাদীস মাওলানা আজিজুল হক। তাই শুরুতে তাকে ঘিরেই এ মাদ্রাসা পরিচালিত হতো। ওয়াক্‌ফ সম্পত্তির ওপর এটি গড়ে ওঠে। হাজি মোহাম্মদ আলী ও নূর হোসেন এ সম্পত্তির মালিক ছিলেন। মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে তাদেরও নাম রয়েছে।

কেন একসঙ্গে এতজন শিক্ষককে বের করে দেওয়া হয়- জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই এর আদর্শ ছিল- এখানে কোনো রাজনীতি করা যাবে না। তবে মামুনুল হকের বাবা প্রথম এ প্রতিষ্ঠানে রাজনীতি ঢোকান। শিক্ষকদের দু-চারজন বাদে প্রায় সবাই এর বিরোধিতা করেন। মিছিল-সমাবেশে মাদ্রাসা থেকে ছাত্রদের ডেকে নেওয়া হতো। বিভিন্ন সময় রাজনীতিতে জড়াতে গিয়ে মাদ্রাসার ছাত্ররা গ্রেপ্তারও হয়। মাদ্রাসা ঘিরে রাজনীতি করার বিরোধিতা করতে গিয়েও একসঙ্গে এতসংখ্যক শিক্ষককে বের করে দেওয়া হয়। মাদ্রাসায় ছাত্র মজলিস করার কারণে আজিজুল হকের ছেলে মামুনুল হককে ছাত্রাবস্থায় ওই প্রতিষ্ঠান থেকে বহিস্কারও করা হয়।

হিফজুর রহমান আরও বলেন, পরবর্তী সময়ে মাদ্রাসাটিকে একটি পারিবারিক সম্পত্তি হিসেবে রূপ দেন মামুনুল হক ও তার স্বজনরা। তারাই এটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছিলেন। আদালত ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন দফায় মামুনুল হকসহ অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করার নির্দেশনা দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।


আরমানিটোলায় কেমিক্যাল গোডাউনের আগুনে বাড়লো নিহতের সংখ্যা

২৩ এপ্রিল, ইতিহাসের এই দিনে

ফজর নামাজের ফজিলত

লকডাউন শেষে যা যা বন্ধ রাখার পরামর্শ


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মামুনুলের আর ৪ ভাই ও ৮ বোন আছেন। এর মধ্যে মামুনুলসহ চার ভাই এ মাদ্রাসার শিক্ষক। অন্যরা হলেন- মাহফুজুল হক, মাহমুদুল হক ও মাহবুবুল হক। তাদের একাধিক ভাগিনা ও ভাতিজা সেই মাদ্রাসার শিক্ষক।

জানা গেছে, ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট ক্ষমতায় আসার পর শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে মাদ্রাসাটির তৎকালীন অধ্যক্ষসহ পরিচালনা কমিটির অন্যদের উচ্ছেদ করা হয়। ওই উচ্ছেদে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত-শিবির কর্মীদের জড়ো করা হয়েছিল। তৎকালীন প্রশাসনও এতে সহায়তা করে।

জানা গেছে, মামুনুল ও তার লোকজন মাদ্রাসায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পর আশপাশের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেন। মাদ্রাসা ভবনের উত্তরদিকে চাঁন মিয়া হাউজিং। ওই অংশের ৬০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৫ ফুট প্রশস্ত খালি জায়গা দীর্ঘ দিন মাদ্রাসা প্রাচীরের মধ্যে খালি পড়ে ছিল। কিন্তু সেটা মাদ্রাসার সম্পদ নয়। সম্প্রতি মাদ্রাসার মূল অংশের সঙ্গে সংযুক্ত করে খালি জায়গাটিতে স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগ নেয় কর্তৃপক্ষ। চাঁন মিয়া হাউজিং কর্তৃপক্ষ জানায়, খালি ওই জয়গাটি খাসজমি। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ওই খাসজমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের বিরোধিতা করেন তারা।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, মামুনুল ওই মাদ্রাসার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর যারা প্রতিষ্ঠানটি ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হন, তাদের মধ্যে রয়েছেন- মুফতি হিফজুর রহমান, মুফতি মনসুরুল হক, ইব্রাহিম হেলাল, সাইদ, মিজানুর রহমান, রুহুল আমিন, ইদ্রিস, ফারুক, আবদুল কাইয়ুম, ওবায়দুল্লাহ, রেজওয়ানুর, আবদুর রাজ্জাক, হিলাল উদ্দিন, বোরহান উদ্দিন, মনিরুজ্জামান, আহমদ উল্লাহ, হাসান সিদ্দিকুর, ওমর ফারুক, আবদুর রহিম, হেলাল উদ্দিন, রুহুল আমিন, কামরুজ্জামান প্রমূখ।

জাতীয় এই দৈনিকটির সঙ্গে কথা বলেন মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষক আবদুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, মাওলানা আজিজুল হক রাজনীতি করতে গিয়ে সর্বনাশ ডেকে আনেন। ২০০০ সালে মোহাম্মদপুরে নূর মসজিদের পাশে হরতালের দিন একজন পুলিশ হত্যার শিকার হন। ওই দিন মাদ্রাসা ছাত্রদের রাস্তায় জড়ো করেছিলেন আজিজুল হক ও তার লোকজন। তবে সব পরিস্থিতি তাদের অনুকূলে যায় ২০০১ সালের নির্বাচনের পর। হঠাৎ শত শত লোক লাঠিসোটা ও অস্ত্র নিয়ে মাদ্রাসা দখল করে। এর পর আর আমরা সেখানে ঢুকতে পারিনি।
সমকাল বলছে, মাদ্রাসার একাধিক শিক্ষক জানান, আদালত থেকে তাদের পক্ষে রায় দেওয়া হলেও এতকাল সরকারপন্থি স্থানীয় একটি প্রভাবশালী গ্রুপের কারণে তারা মাদ্রাসার নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেননি। বারবার তাদের হস্তক্ষেপে প্রশাসন পিছু হটে। এটা না হলে অনেক আগেই অবৈধ দখলদারদের সেখান থেকে বিতাড়িত করা সম্ভব ছিল।

সমকালের প্রতিবেদনটি আরও বলা হয়, মামুনুলকে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। এরই মধ্যে সংগঠনটির মোট ১৭ শীর্ষ নেতা গ্রেপ্তার হয়েছেন। মামুনুলকে তাদের অনেকের মুখোমুখি করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে নানা প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যাচ্ছেন তিনি। আবার কিছু প্রশ্নের জবাব তার মতো করে দিচ্ছেন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হেফাজত নেতারা নষ্ট এবং ভণ্ড : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

হেফাজত নেতারা নষ্ট এবং ভণ্ড : তথ্যমন্ত্রী

হেফাজত নেতারা যে নষ্ট এবং ভণ্ড, সেটি আজ প্রমাণিত বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী  ও সম্প্রচার মন্ত্রী  এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। মামুনুলের অনৈতিক, অনৈসলামিক কাণ্ডকে তারা যেভাবে তড়িঘড়ি করে বসে ইসলামের আলোকে বৈধতা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, নাউজুবিল্লাহ, সেটিই তার প্রমাণ বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডের বাসভবন থেকে ওয়েবিনা বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। 

এসময় মন্ত্রী হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবের কথা বলে আরও বলেন, ‘সূর্য পূর্বদিকে ওঠে তা যেমন সত্য, হেফাজত যে এসব করেছে, সেই দিবালোকের মতো সত্যকেও তারা অস্বীকার করেছে। সুতরাং এই মিথ্যাবাদী, নষ্ট ও ভণ্ড নেতৃত্বের পক্ষ নিয়ে যারা বিবৃতি দেয়, তারাও সেই পর্যায়েই পড়ে।’

সাংবাদিকরা এসময় করোনাকালে আওয়ামী লীগের মানুষের পাশে থাকার বিষয়ে প্রশ্ন করলে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে গত একবছর ধরে করোনাকালে আওয়ামী লীগ মানুষের পাশে আছে এবং থাকবে। দলের পক্ষ থেকে প্রথম দফায় ১ কোটি ২৫ লাখ মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং কোটি কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে।’

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হেফাজতের সঙ্গে সম্পৃক্ত তো আপনারা, আওয়ামী লীগকে ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক

হেফাজতের সঙ্গে সম্পৃক্ত তো আপনারা, আওয়ামী লীগকে ফখরুল

বিএনপি নয়, হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে সরকারই সম্পৃক্ত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার বিকেলে এক ভার্চুয়াল আলোচনায় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘২৬ মার্চের পর থেকে গত কয়েক দিনে বোধ হয় কয়েক হাজার গ্রেপ্তার করে ফেলেছে এবং শুনলে অবাক হবেন আমাদের চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকায় দলের (বিএনপি) কর্মীরা রাতে বাসায় থাকতে পারে না। ব্লক রেইড করছে, কেরানীগঞ্জে ব্লক রেইড করে আমাদের নেতাকর্মীদের অ্যারেস্ট করছে। কিছু বলতে গেলেই তারা বলে যে হেফাজতের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছে।’


মুহাম্মাদ (স.) এর জীবনের ঘটনাগুলো আমাকে আলোড়িত করে 

সকাল থেকে মার্কেট খুলেছেন রাজশাহীর ব্যবসায়ীরা

অনেকে মনে করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ৫/৬ বছরের গ্যাপ ভালো

৪ দিনের পর আবারও ৭ দিনের রিমান্ডে রফিকুল মাদানী


সরকার ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আরে হেফাজতের সঙ্গে সম্পৃক্ত তো আপনারা। আপনারা বসেন, প্রধানমন্ত্রীর বাসায় বসে মিটিং করে তাদের (হেফাজতে ইসলাম) সঙ্গে চুক্তি করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে কওমি মাতা হিসেবে উপাধি দেওয়া হয়েছে। আমরা হেফাজতের সঙ্গে সম্পৃক্ত হলাম না আপনারা।’

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এক সপ্তাহের মধ্যে লকডাউনে বাড়িতে খাবার পৌঁছে না দিলে বিদ্রোহ: জাফরুল্লাহ

অনলাইন ডেস্ক

এক সপ্তাহের মধ্যে লকডাউনে বাড়িতে খাবার পৌঁছে না দিলে বিদ্রোহ: জাফরুল্লাহ

এক সপ্তাহের মধ্যে লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়িতে বাড়িতে খাবার পৌঁছে না দিলে, সবার চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত না করলে বিদ্রোহ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

করোনা মোকাবিলায় সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এক সপ্তাহের মধ্যে লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়িতে বাড়িতে খাবার পৌঁছে না দিলে, সবার চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত না করলে বিদ্রোহ শুরু হবে।


মুহাম্মাদ (স.) এর জীবনের ঘটনাগুলো আমাকে আলোড়িত করে

সকাল থেকে মার্কেট খুলেছেন রাজশাহীর ব্যবসায়ীরা

অনেকে মনে করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ৫/৬ বছরের গ্যাপ ভালো

৪ দিনের পর আবারও ৭ দিনের রিমান্ডে রফিকুল মাদানী


বৃহস্পতিবার রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘লকডাউনে মানুষের হাহাকার বন্ধে ঘরে ঘরে খাদ্য পৌঁছাও’ শীর্ষক নাগরিক প্রতীকী অবস্থান থেকে এ আহ্বান জানান তিনি।

খাবার না পেলে, স্বাস্থ্যসেবা না পেলে জনগণ ট্যাক্স দেওয়া বন্ধ করে দেবে। তখন দেশে অরাজকতা সৃষ্টি  হবে, বলেন জাফরুল্লাহ।

তিনি বলেন, করোনায় বাংলাদেশে নতুন করে সোয়া দুই কোটি মানুষ দরিদ্র হয়েছেন বলে খবরে এসেছে। আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সাড়ে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করে জনগণের সঙ্গে মশকরা করেছেন। সমাজের ধনীদের সহায়তার হাত নিয়ে এগিয়ে আসার অনুরোধ করে তিনি বলেন, আপনারা এ দুর্যোগে এগিয়ে না এলে জাতি আপনাদের ক্ষমা করবে না।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

না ফেরার দেশে বিএনপি নেতা এন আই খান

অনলাইন ডেস্ক

না ফেরার দেশে  বিএনপি নেতা এন আই খান

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এন আই খান মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন বলে নিশ্চিত করেছেন তার ক্যালিফোর্নিয়া নিবাসী ছেলে সাদিকুল ইসলাম খান।

মৃত্যুকালে এন আই খানের বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। বার্ধ্যক্যজনিত কারণে তিনি মারা গেছেন।

বিএনপির এই নেতার বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে। সাত সন্তানের জনক এন আই খান বাংলাদেশ পেপার মার্চেন্ট এসোসিয়েশন এর সভাপতি, এফবিসিসিআই এর সদস্য, ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ সহ অনেক সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন।

 তাকে তার স্ত্রীর কবরের পাশে আজিমপুর কবরস্থানে বৃহস্পতিবারই দাফন করা হবে বলে সাদিকুল জানিয়েছেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর