ছেলের প্রেমিকাকে রাত জেগে পাহারা দিলেন বাবা

অনলাইন ডেস্ক

ছেলের প্রেমিকাকে রাত জেগে পাহারা দিলেন বাবা

ছেলের প্রেমিকা বিয়ের জন্য বাড়িতে করেছে অনশন।  হুমকি দিয়ে বলেছেন বিয়ে না হলে আত্মহত্যা করবেন তিনি। আতঙ্কে প্রেমিকের পুরো পরিবার। প্রেমিকার অবস্থানের খবর পেয়ে আত্মগোপনে চলে গেছে প্রেমিক আকাশ।

এই অবস্থায় যে কোনো সময় প্রেমিকা আত্মহত্যা করতে পারে। আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে ফেঁসে যেতে পারে প্রেমিক ও তার পরিবারের সদস্যরা। এই ভয়ে ছেলের প্রেমিকা দুই রাত পাহারা দিলেন বাবা। 

ঘরে না তোললেও বাড়ির আঙ্গিনায় ছেলের প্রেমিকাকে রাত জেগে পাহারা দিয়েছেন বাবা। এমনটিই ঘটেছে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ছাতিয়ান গ্রামের হাওড়াপাড়ায়। প্রেমিকা পাশ্ববর্তী গ্রামের মেয়ে ও স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী।


পানি পানে আসা কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা ও মাটিচাপা

কালো পোশাকে নতুন এক জয়া

সৌদি যাত্রীর ছোট ব্যাগ থেকে মিলল ৫ কেজি স্বর্ণ

মুশতাকের ‘মৃত্যু স্বাভাবিক’ বলছে তদন্ত কমিটি


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত দুই রাত জেগে ওই মেয়েটিকে পাহারা দিয়েছেন প্রেমিক আকাশের বাবা জহুরুল ইসলাম। সর্বশেষ গত রাতে এ নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় গ্রামে। প্রেমিক জানিয়ে দেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক তাদের। বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রেমিক আকাশ এই সম্পর্ক গড়েছে। কিশোরী মেয়েটির সর্বস্ব লুটে নিয়ে এখন বিয়ের নামে সময় ক্ষেপন করছে। বৈঠকে স্থানীয়রা আশ্বস্ত করেছেন আকাশ ফিরে এলেই এর সঠিক সমাধান করা হবে। নতুবা আইনানুগ সহযোগিতা পাবে এই মেয়েটি।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রহমান জানান, বিষয়টি সমাধানের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে বলা হয়েছে। এরপরও সমাধান না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কোর্টের হাজতখানায় স্বামীকে ইয়াবা দিতে গিয়ে ধরা স্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

কোর্টের হাজতখানায় স্বামীকে ইয়াবা দিতে গিয়ে ধরা স্ত্রী

দিনাজপুরের পুলিশ কোর্টের হাজতখানায় আনা হয় চুরির মামলার আসামি মিলন রহমান (২৭)কে। সেখানে তার স্ত্রী রুজিনা বেগম রিক্তা স্বামীকে খাবারের সঙ্গে ১৬ পিস ইয়াবা দেওয়ার সময় পুলিশের কাছে গ্রেফতার হন। ঘটনাটি ঘঠেছে বৃহস্পতিবার দিনাজপুরের পুলিশ কোর্টের হাজতখানায়।

পুলিশ জানিয়েছে, হাজতখানায় স্বামীকে শুকনা খাবারের সঙ্গে ইয়াবা দেওয়ার সময় পুলিশের হাতে গ্রেফতান হন রিক্তা।হাজতখানায় ইয়াবা দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে মাদক আইনে কোতয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেছে  তার বিরুদ্ধে। 

কোতয়ালি থানার ওসি আবু ইমাম জাফর গণমাধ্যমকে জানান, একটি চুরি মামলার আসামি মিলন রহমান (২৭) পুলিশ কোর্টের হাজতখানায় নিয়ে আসা হয়। এ সময় তার স্ত্রী রুজিনা বেগম রিক্তা শুকনা খাবার দেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে যান। হাজতখানায় ডিউটিতে থাকা পুলিশ ওই শুকনা খাবার দিতে না চাইলে রুজিনা কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক শফিকুল ইসলামের কাছে যান এবং তার স্বামীকে খাবার দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান। এ সময় শুকনা খাবারগুলো যাচাই করতে গিয়ে তার মধ্যে ১৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যাওয়া। 

ওসি আরও জানান, এই ঘটনায় রুজিনাকে ডিবি পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়। ডিবি পুলিশের এসআই আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে কোতয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। রুজিনাকে দুপুর আড়াইটার দিকে সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসলমাইল হোসেনের আদালতে হাজির করা হয়। বিচারক তার জবানবন্দি গ্রহণ করে বিকেল ৪টায় জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে নকল ওষুধ জব্দ, আটক ১

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীতে নকল ওষুধ জব্দ, আটক ১

রাজশাহীর চন্দিমা থানা এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন কোম্পানীর নকল ওষুধ জব্দ করেছে ডিবি পুলিশ। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে পুলিশ এই অভিযান চালায়। দীর্ঘদিন ধরে বাড়িটিতে নকল ওষুধ তৈরি করা হতো।


লকডাউনে শপিংমলে যেতে লাগবে মুভমেন্ট পাস

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ

করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমল চট্টগ্রামে

হিরো আলম বললেন, এইটা মরুভূমি না, যমুনা নদীর চর


এ ঘটনায় জড়িত থাকায় পুলিশ আনিস নামের একজনকে আটক করেছে।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আনিস জানিয়েছে, নকল ওষুধগুলো বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ের ফার্মেসিগুলোতে সরবরাহ করতো।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তিন লাশ, মিলল রক্তাক্ত ধারাল অস্ত্র

অনলাইন ডেস্ক

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তিন লাশ, মিলল রক্তাক্ত ধারাল অস্ত্র

কক্সবাজারের উখিয়া আশ্রয় শিবিরে স্বামী, স্ত্রী ও শ্যালিকার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উখিয়ার বালুর মাঠ ক্যাম্প থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তারা হলেন- কুতুপালং মেগা ক্যাম্পের ২/ইস্ট ক্যাম্পের ডি-৭ ব্লকের আলী হোসেনের ছেলে নুরুল ইসলাম (৩২), নুরুলের স্ত্রী মরিয়ম বেগম (২৬) ও শ্যালিকা হালিমা খাতুন (২২)।

এ তথ্য নিশ্চিত করে ১৪ এপিবিএন এর অধিনায়ক মো. নাঈমুল হক বলেন, উখিয়ার বালুর মাঠ ক্যাম্প এলাকার একটি ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রী ও শ্যালিকার রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।


লকডাউনে শপিংমলে যেতে লাগবে মুভমেন্ট পাস

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ

করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমল চট্টগ্রামে

হিরো আলম বললেন, এইটা মরুভূমি না, যমুনা নদীর চর


প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল থেকে রক্তাক্ত ধারাল অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে উখিয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহমেদ সঞ্জুর মোরশেদ বলেন, উখিয়ার আশ্রয় শিবিরে একটি হত্যাকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছি।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মোবাই‌লে প্রেম: রাতে দেখা কর‌তে এসে গণধর্ষণের শিকার তরুণী

অনলাইন ডেস্ক

মোবাই‌লে প্রেম: রাতে দেখা কর‌তে এসে গণধর্ষণের শিকার তরুণী

মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সুত্রে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠে মো. মিরা‌জের (২৫) সাথে এক তরুণীর। অপরিচিত সেই প্রেমিকের সাথে রাতে দেখা করতে গেলে গণধর্ষণ করে ২০ বছর বয়সী সেই তরুণীকে মিরা‌জ ও তার বন্ধুরা। গণধর্ষণের অভিযোগে ভোলার বোরহানউ‌দ্দিন থানায় ৫ জন‌কে আসামি ক‌রে মামলা দা‌য়ের করেছেন তরুণীটি।

ভোলা সাচড়ার এই ঘটনা ঘটে। গতকাল বৃহস্প‌তিবার দুই আসামিকে গ্রেফতার ক‌রেছে পু‌লিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হ‌লেন মো. রা‌কিব (২৫) ও মো. মিজান (২৩)। মামলা সূ‌ত্রে জানা গেছে, ভিকটিমের সা‌থে প্রায় ৫/৬ মাস আগে মো. মিরা‌জের (২৫) মোবাইল ফো‌নে প্রেমের সম্পর্ক গ‌ড়ে উ‌ঠে। দীর্ঘদিন প্রেম চলার পর গত সোমবার রা‌তে ওই নারীকে দেখা কর‌তে ব‌লে মিরাজ। প‌রে রা‌তে দেখা কর‌তে আ‌সলে প্রথমে মিরাজ প‌রে তার বন্ধু রাকিব ও মিজানসহ মোট ৫ জন গণধর্ষণ ক‌রেন ওই তরুণী‌কে।

বোরহানউ‌দ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল আমিন গণমাধ্যমকে খবরের সত্যতা নি‌শ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ওই তরুণী বৃহস্প‌তিবার দুপু‌রে থানায় এস সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দা‌য়ের ক‌রেন। প‌রে রা‌তেই উপ‌জেলার সাচড়া এলাকা থে‌কে রা‌কিব ও মিজান না‌মে দুই আসামিকে গ্রেফতার ক‌রা হয়।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতার বাড়িতে ছাত্রলীগ নেতকর্মীদের ‘হামলা’

অনলাইন ডেস্ক

যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতার বাড়িতে ছাত্রলীগ নেতকর্মীদের ‘হামলা’

বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. আতাউল্লাহর বাড়িতে ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা হামলা, ভাঙচুর, বিস্ফোরণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের কবলাছড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় দুজন আহত হন। তারা হলেন সংগঠনটির আহ্বায়ক মো. আতাউল্লাহর দুই বড় ভাই মাসুদ হোসাইন (৩১) ও উপজেলার চর ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিকি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মহসিন হোসাইন (২৮)।

আতাউল্লাহ ও তাঁর পরিবারের অভিযোগ, বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম মাহবুব হোসাইনের নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে। তবে ছাত্রলীগের সভাপতি মাহবুব বলছেন, ‘এটি মিথ্যা। তিনি আতাউল্লাহ ও তাঁর বাড়িঘর চেনেনই না।’

পরিবার ও স্থানীয় লোকজন সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে ১৩ থেকে ১৫টি মোটরসাইকেলে উপজেলা ছাত্রলীগের ২৫ থেকে ৩০ জন নেতা–কর্মী ককটেল, বন্দুক, হকিস্টিক ও লাঠিসোঁটা নিয়ে উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের কবলাছড়া গ্রামে আতাউল্লাহর বাড়িতে হামলা চালান।

হামলার নেতৃত্বে ছিলেন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহবুব হোসাইন। বাড়ির প্রবেশমুখে ও ঘরের বারান্দায় তাঁরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান।

পরে তাঁরা আতাউল্লাহর বাড়িতে ঢুকে দুটি ঘরের লেপ–তোশকে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় তাঁরা ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন।

এসব সহিংসতার কারণ জানতে চেয়ে বাধা দিলে ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা আতাউল্লাহর বড় ভাই স্কুলশিক্ষক মহসিন হোসাইনকে মারধর করেন।

এ সময় ছোট বোন সাবেকুন্নাহারকে (২৩) আটকে রাখা হয়। কিছুক্ষণ পর বাড়ির ছাদ থেকে নেমে আসেন আতাউল্লাহর আরকে বড় ভাই মাসুদ। ক্ষুব্ধ ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা মাসুদের মাথায় বন্দুক ধরে তাঁকে আটকে রাখেন। একপর্যায়ে মাসুদকেও মারধর করেন।

যাওয়ার সময় নগদ ১৭ হাজার টাকা এবং চারটি মুঠোফোন লুট করে নিয়ে যান তাঁরা। তবে এ সময় আতাউল্লাহ বাড়িতে ছিলেন না।


লকডাউনে শপিংমলে যেতে লাগবে মুভমেন্ট পাস

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ

করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমল চট্টগ্রামে

হিরো আলম বললেন, এইটা মরুভূমি না, যমুনা নদীর চর

এ বিষয়ে আতাউল্লাহ দাবি করেন, বৃহস্পতিবার রাতে তখনো তারাবিহ নামাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। ছাত্রলীগের সভাপতি মাহবুবের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের অস্ত্রধারী নেতা–কর্মীরা তাঁদের বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় তাঁর দুই ভাইকে মারধর করা হয়েছে। আর বোনকে আটকে রাখা হয়েছে। পেট্রল ঢেলে বাড়ির দুটি ঘরের লেপ-তোশক ও কাপড়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটানো হয়েছে ককটেল বিস্ফোরণ।

অভিযোগের বিষয়ে বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম মাহবুব হোসাইন বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। কারণ, আতাউল্লাহ নামে আমি কাউকে চিনি না এবং ওর বাড়ি কোথায় সেটিও জানি না। তবে আতাউল্লাহ নামে জামায়াত-শিবিরের এক নেতা উপজেলায় আছে বলে শুনেছি। আর এই ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না।’

বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, ওই বাড়িতে হামলার খবর পেয়ে রাতে ১১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় ঘরের এক কোণে তোশক পোড়া দেখতে পেয়েছে পুলিশ। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় এখনো কেউ অভিযোগ করতে আসেনি।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর