অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা পাচার হচ্ছে বিদেশে

অনলাইন ডেস্ক

অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা পাচার হচ্ছে বিদেশে

অনলাইনে বিভিন্ন অ্যাপস ও সাইট ব্যবহার করে মোবাইলে জুয়া খেলা বেড়েই চলেছে। জুয়াড়িরা অনলাইনে বিভিন্ন গেমিং, বেটিং বা বাজি খেলার সাইটে জুয়ায় মেতে উঠছে। কিছুতেই তাদের লাগাম টানা যাচ্ছে না। বিটকয়েন বা ডিজিটাল মুদ্রার (ক্রিপ্টোকারেন্সি) মাধ্যমে অনলাইনে জুয়া খেলা হয়। অবৈধ প্রক্রিয়ায় এই ডিজিটাল মুদ্রা কেনাবেচার লেনদেনে শত শত কোটি টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে দেশের বাইরে।

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এ চক্রের তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। রাজধানীর ডেমরার গলাকাটা এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন দেলোয়ার হোসেন (৪৫), মহিউদ্দিন (৩৩) ও জামাল মিয়া (২৫)।

পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তারকৃতরা টাকাকে ডলারে রূপান্তর করে ‘স্কাইফেয়ার’ ও ‘বেট৩৬৫’ অ্যাপস ব্যবহার করে জুয়া খেলতেন। এভাবে অনেকেই অনলাইনে জুয়ার মাধ্যমে টাকা বিদেশে পাচার করছেন বলে পুলিশ তথ্য পেয়েছে।

ডিবি রমনা বিভাগের উপকমিশনার এইচ এম আজিমুল হক বলেন, ই-মেইলে নিবন্ধনের পর মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অ্যাপসের স্থানীয় এজেন্টদের টাকা দেয় জুয়াড়িরা। স্থানীয় এজেন্ট তাঁর কমিশন কেটে রেখে সেই টাকা ডলারে রূপান্তর করেন। এরপর আরো কয়েক এজেন্টের হাত ঘুরে টাকা চলে যায় বিদেশে থাকা মাস্টার এজেন্টের কাছে। আর এভাবেই অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে বিদেশে পাচার হচ্ছে টাকা।

পুলিশ জানায়, প্রত্যেক এজেন্টের অসংখ্য সদস্য রয়েছে। তাঁরা আইপিএল, বিপিএলসহ প্রতিটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে জুয়া খেলেন। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ডেমরা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছে পুলিশ।

এর আগে গত ১৯ মে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়াড়ি চক্রের চার সদস্যকে আটক করে পুলিশের অ্যান্টিটেরোরিজম ইউনিট (এটিইউ)। তারা স্ট্রিমকার নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জুয়া খেলার অ্যাপস পরিচালনা করে মাসে শত কোটি টাকা পাচার করে আসছিল। বছরে পাচারকৃত এই টাকার পরিমাণ প্রায় হাজার কোটি টাকা বলে জানায় এটিইউ।

এটিইউ জানায়, স্ট্রিমকার নামে অ্যাপসটি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হলেও ভিপিএনের মাধ্যমে ঠিকই ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি দেশে ব্যবহার-প্রসারে হাতেগোনা কয়েকজন জড়িত থাকলেও না বুঝে ব্যবহার করছেন লক্ষাধিক বাংলাদেশি। যেখানে ডিজিটাল কারেন্সির মাধ্যমে বিপুল অর্থ পাচার হয়ে যাচ্ছে।

এটিইউর পুলিশ সুপার (মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস) মোহাম্মদ আসলাম খান জানান, স্ট্রিমকার অ্যাপসে গ্রুপ চ্যাট, লিপ সিং, ড্যান্স, গল্প, কবিতা আবৃত্তিসহ বিভিন্ন ধরনের অনলাইন জুয়া খেলার অপশন রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগের এই অ্যাপটিতে দুই ধরনের আইডি রয়েছে। একটি হচ্ছে ইউজার আইডি এবং একটি হোস্ট আইডি। ইউজাররা সাধারণত সুন্দরী মেয়েদের ও সেলিব্রিটিদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়ার জন্য এই অ্যাপটি ব্যবহার করে আর হোস্টরা একটি হোস্ট এজেন্সির মাধ্যমে এই অ্যাপে হোস্টিং করেন। সুন্দরী মেয়ে এবং সেলিব্রিটিরাই সাধারণত এই এজেন্সির মাধ্যমে হোস্ট আইডি খোলেন।

এতে দুই ধরনের এজেন্সি রয়েছে—বিন্স এজেন্সি ও হোস্ট এজেন্সি। বিন্স এজেন্সিগুলো বিদেশি অ্যাপটির অ্যাডমিনদের কাছ থেকে বিন্স ক্রয় করে ইউজারদের কাছে বিক্রি করে। এই অ্যাপের ইউজাররা এই বিন্স, হোস্টদের সঙ্গে লাইভ স্ট্রিমিংয়ে আড্ডা দেওয়ার জন্য গিফট হিসেবে প্রদান করেন। বিন্স এক ধরনের ডিজিটাল কারেন্সি।

আরও পড়ুন


ইভ্যালির এমডি ও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা

করোনা শুরুর পর প্রথম বিদেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

পরীর পাহাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করবে জেলা প্রশাসন

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছে জিম্মি হচ্ছে রাষ্ট্র


দুই ধরনের ডিজিটাল কারেন্সি রয়েছে—বিন্স ও জেমস। প্রতি এক লাখ বিন্সের মূল্য এক হাজার আশি টাকা এবং প্রতি লাখ জেমসের মূল্য ৬০০ টাকা। কিন্তু এক বিন্স সমান এক জেমস। ইউজাররা হোস্টদের গিফট হিসেবে বিন্স দেন, কিন্তু এই বিন্স হোস্টদের কাছে এলেই তা জেমসে পরিণত হয়। সঞ্চিত জেমসের পরিমাণের ওপরই নির্ভর করে হোস্টদের ইনকাম। তবে হোস্টদের মাস শেষে বেতন পাওয়ার জন্য শুধু সঞ্চিত জেমস যথেষ্ট নয়। তাকে প্রতিদিন এবং প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য লাইভ স্ট্রিমিংয়ে থাকতে হয়।

এসপি আসলাম বলেন, এই বিন্স এবং জেমস নামক ডিজিটাল কারেন্সিই আমেরিকান এই অ্যাপস স্ট্রিম কারের একমাত্র চালিকাশক্তি। দেশীয় বিন্স এজেন্সিগুলো সাব-এজেন্সি নিয়োগসহ কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুন্দরী মেয়েদের বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে লোভনীয় অফার দিয়ে লাইভ স্ট্রিমিংয়ে এনে ইউজারদের সঙ্গে প্রতারণাও করে থাকে।

এটিইউর সাইবার অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের পুলিশ সুপার মো. মাহিদুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশে এই অ্যাপসের ১১ জন এজেন্ট রয়েছে। তারাই ডিজিটাল বা ভার্চুয়াল কারেন্সি কেনাবেচা করেন। লক্ষাধিক বাংলাদেশি ইউজার বিকাশ, রকেট, নগদসহ বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে, হুন্ডি, হাওয়ালা, ক্রিপ্টো কারেন্সি এবং বিদেশি একটি বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ডিজিটাল বা ভার্চুয়াল কারেন্সি কিনছেন। যার মাধ্যমে প্রতি মাসে শত কোটির বেশি টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে।

এটিইউ দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে এসব প্রতারণা ও ডিজিটাল মুদ্রা পাচার রোধে গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গু: একদিনে আরও ১৮৩ জন হাসপাতালে, মৃত্যু ১

অনলাইন ডেস্ক

ডেঙ্গু: একদিনে আরও ১৮৩ জন হাসপাতালে, মৃত্যু ১

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গেলো ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১৮৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আর মৃত্যু হয়েছে একজনের। আক্রান্তদের অধিকাংশই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা। 

আজ বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ১৪১ জন রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে এবং ৪২ জন ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

এতে আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৬৯ জনে। ঢাকার ৪৬টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৬৮৮ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১৮১ জন।

আরও পড়ুন:


গাজীপুরে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে পার্লার কর্মীকে গণধর্ষণ

পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি পূজায় সহিংসতা সৃষ্টি করেছে: কাদের

ইন্দোনেশিয়ার বালিতে শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ৩

ঘোড়ার খামারে বিয়ে করছেন বিল গেটসের মেয়ে


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ (১৬ অক্টোবর) পর্যন্ত হাসপাতালে সর্বমোট রোগী ভর্তি হয়েছেন ২১ হাজার ২০১ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২০ হাজার ২৪৯ জন রোগী। ডেঙ্গুতে এ সময়ে ৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু-শনাক্ত দুটোই কমেছে

অনলাইন ডেস্ক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু-শনাক্ত দুটোই কমেছে

মহামারী করোনা ভাইরাসে গেলো ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৭৫২ জনে। 

আজ বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গেলো ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে শনাক্ত হয়েছেন ২৯৩ জন। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ১৭৪ জনে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে।

বিস্তারিত আসছে...

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

‘রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং’ থাকলেই ১০% হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফ: আতিক

অনলাইন ডেস্ক

‘রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং’ থাকলেই ১০% হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফ: আতিক

যেসব ভবনে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে, সেসব ভবন মালিকদেরকে ১০ শতাংশ হোল্ডিং কর রেয়াত দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

আজ দুপুরে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ের বলরুমে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত ‘পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন ও হাইজিন (ওয়াশ) সেক্টরে ৫০ বছরের অর্জন ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন,  নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন (ওয়াশ) সেক্টরে বাংলাদেশ গত ৫০ বছরে যথেষ্ট অগ্রগতি ও সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
       
মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন (ওয়াশ) সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ডিএনসিসি সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কর্তৃক পরিবেশবান্ধব ও স্বাস্থ্যসম্মত ৬৩টি পাবলিক টয়লেট নির্মাণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ৪৮টির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে।
 
ডিএনসিসি মেয়র বলেন, নগরীর অধিকাংশ বাসাবাড়ি এমনকি অভিজাত এলাকার ভবনগুলোতেও কার্যকর সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল না থাকায় অপরিশোধিত পয়ঃবর্জ্য সরাসরি ড্রেন কিংবা খালে পতিত হওয়ায় জলাশয়ের পানিসহ সার্বিক পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, নগরীর বাসাবাড়িগুলোতে আধুনিক সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল স্থাপন করতে হবে এবং পরিশোধনের কার্যকর ব্যবস্থা সচল রাখতে হবে।

মেয়র আতিক বলেন, নগরীতে অঞ্চলভিত্তিক ফিক্যাল স্লাজ প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে পরিশোধন ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে হবে।

তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে দেশে প্রথমবারের মতো বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ শেষ পর্যায় রয়েছে।
 
ডিএনসিসি মেয়র বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কাজ করে যাচ্ছে।
 
তিনি বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধানকল্পে সুপরিকল্পিত একাধিক জলাধার প্রয়োজন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, কল্যাণপুর জলাধারের জন্য নির্ধারিত ১৭৩ একর জমির মধ্যে মাত্র ৩ একর জমিতে জলাধার রয়েছে আর বাকি ১৭০ একর জমিই অবৈধ দখলদারদের দখলে রয়েছে। তাই সবাই মিলে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।

ডিএনসিসি মেয়র আরও বলেন, অপরিকল্পিত ঢাকাকে সবাই মিলে সবার বাসযোগ্য সুস্থ, সচল ও আধুনিক ঢাকায় রূপান্তরিত করতে হবে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে প্রধান অতিথি হিসেবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ডিএসসিসির মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বক্তব্য দেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

কোটি টাকা মূল্যের ১১০ বিলাসবহুল গাড়ি নিলামে উঠছে, স্বল্প দামে কেনার সুযোগ

অনলাইন ডেস্ক

কোটি টাকা মূল্যের ১১০ বিলাসবহুল গাড়ি নিলামে উঠছে, স্বল্প দামে কেনার সুযোগ

চট্টগ্রাম বন্দরে আটকে থাকা বিলাসবহুল ১১০টি গাড়ি নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। আটকে থাকা এসব গাড়ি কারনেট ডি প্যাসেজ সুবিধার আওতায় দেশে আনা হয়েছিল। নিলামের মাধ্যমে আগামী ৩ ও ৪ নভেম্বর গাড়িগুলো বিক্রি করা হবে।

নিলামের তালিকায় কোটি টাকা মূল্যের নামিদামি ব্র্যান্ডের গাড়িগুলোর মধ্যে রয়েছে - বিএমডাব্লিউ, মার্সিডিজ বেঞ্জ, ল্যান্ড ক্রুজার, ল্যান্ড রোভার, জাগুয়ার, লেক্সাস, মিৎসুবিসি প্রভৃতি।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের যুগ্ম কমিশনার মো. তোফায়েল আহমেদ। এছাড়াও নিলাম সংক্রান্ত সব তথ্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কিংবা চট্টগ্রাম বন্দরের ওয়েসবাইটে পাওয়া যাবে।

যদি কোন আগ্রহী ব্যক্তি আগেই গাড়িগুলো দেখতে চায় তাহলে তাকে সংশ্লিষ্ট দফতরে আবেদন করতে হবে। গাড়ি পরিদর্শনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৭ থেকে ২৮ অক্টোবর এবং ৩১ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর। আবার অনলাইনে নিলামে অংশ নেওয়ার জন্য প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারবেন ক্রেতারা। আগামী ১৮ অক্টোবর সশরীরের বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন


দেশে খাদ্যের অভাব হওয়ার কোন আশঙ্কা নেই: প্রধানমন্ত্রী

রাজধানী থেকে ‘আইসের’ বড় চালান জব্দ, মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ২

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় হচ্ছে আরেকটি হাসপাতাল

শাকিব খানের সঙ্গে তুরস্কে গিয়ে যে ভালোবাসায় পড়েছিলেন বুবলী (ভিডিও)


চট্টগ্রাম কাস্টমসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিলামে তোলা পণ্যের বিস্তারিত বিবরণ দুই-একদিনের মধ্যেই রাজস্ব বোর্ড ও চট্টগ্রাম কাস্টমস এর ওয়েবসাইটে আপলোড করা হবে। এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো নিলামে তোলা হচ্ছে এসব গাড়ি। এর আগে চারটি নিলামে একটি গাড়িও বিক্রি হয়নি।

১১০টি গাড়ির অর্ধেকই মার্সিডিজ বেঞ্জ ও বিএমডব্লিউ ব্র্যান্ডের। দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় এসব গাড়ির অনেকগুলোর চাকা ও ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেছে। 

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

দেশে খাদ্যের অভাব হওয়ার কোন আশঙ্কা নেই: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

দেশে খাদ্যের অভাব হওয়ার কোন আশঙ্কা নেই: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে খাদ্যের অভাব হওয়ার কোন আশঙ্কা নেই। নীতি এবং আদর্শের অভাবে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে বাংলাদেশে খাদ্য ঘাটতি রাখতো। আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে বিশ্ব ব্যাংকের নিষেধ সত্ত্বেও কৃষিতে ভর্তুকি দিয়েছে।

শনিবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর একটি বেসরকারি হোটেলে ‘বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২১’ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, শুধু খাদ্য উৎপাদন নয়, এর যথাযথ বাজারজাতকরণ প্রকৃয়ার ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। খাদ্য শষ্য এবং মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষ কাতারে। প্রধান খাদ্য ধান উপৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয়, সবজি এবং আলু উৎপাদনে সপ্তম, অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে তৃতীয় এবং বদ্ধ জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। করোনা মহামারীর মত দুর্যোগে সরকারের যথাযথ পদক্ষেপের কারণে দেশে খাদ্যের অভাব হয়নি। মানুষের খাদ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশের কোথাও যেন জমি অনাবাদী পড়ে না থাকে তা নিশ্চিত করতে বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন


রাজধানী থেকে ‘আইসের’ বড় চালান জব্দ, মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ২

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় হচ্ছে আরেকটি হাসপাতাল

শাকিব খানের সঙ্গে তুরস্কে গিয়ে যে ভালোবাসায় পড়েছিলেন বুবলী (ভিডিও)

কোহলিদের কোচ হচ্ছেন রাহুল দ্রাবিড়, চোখ কপালে উঠার মত বেতন?


তিনি বলেন, কৃষিতে গবেষণার ফলে এখন অনেক দেশি-বিদেশি ফল, তরি-তরকারি উৎপাদন হচ্ছে। এখন ১২ মাস সব সবজি পাওয়া যাচ্ছে। অনেক বিদেশি ফল এখন দেশেই পাওয়া যাচ্ছে, এটা কৃষিবিদদেরই অবদান। এ ক্ষেত্রে যত দূর সম্ভব আমরা সহযোগিতা দিচ্ছি। সার ও বিদ্যুৎ- সব ক্ষেত্রে ভর্তুকি দিচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্যাস বেচতে রাজি হইনি বলে ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসতে পারিনি। বৃহৎ দুটি দেশ ও প্রতিবেশী দেশের চাহিদা পূরণ করতে পারিনি বলে ক্ষমতায় আসতে পারিনি।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, আমি বলেছিলাম দেশের ৫০ বছরের চাহিদা পূরণ করে তারপর বিক্রি করব। এটা আমেরিকা ও প্রতিবেশী দেশ ভারতের পছন্দ হয়নি। এজন্য ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসতে পারিনি। কৃষি খাতে দেশে যে উন্নয়ন হয়েছে তা কৃষিবিদদেরই অবদান।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর