কারাগারে নারীর সঙ্গে সময় কাটানো জঘন্য কাজ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

কারাগারে নারীর সঙ্গে সময় কাটানো জঘন্য কাজ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারের ভিতরে নারীর সঙ্গে হলমার্ক কেলেঙ্কারিতে কারাবন্দী তুষারের দীর্ঘ সময় কাটানোর ঘটনায় এবার মুখ খুললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, কারাগারে হলমার্ক জিএমের নারীসঙ্গ জঘন্য কাজ। এসময় তিনি আরও বলেন, কারাগারে এসব নিষিদ্ধ। এর পেছনে যারা দায়ী প্রাথমিকভাবে তাদের সকলকে প্রত্যাহার করতে বলা হয়েছে।’
 
শনিবার দুপুরে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এ ঘটনায় মন্ত্রণালয় থেকে একটি তদন্ত কমিটি করতে বলা হয়েছে। কমিটির দেওয়া প্রতিবেদনের আলোকে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটি জঘন্যতম অপরাধ। সব কারাগারের জন্য এটি সতর্ক বার্তা। যারাই এর সঙ্গে জড়িত থাকবে, তারাই শাস্তির আওতায় আসবে।’


আরও পড়ুন: বরিশালে ১ হাজার ৯টি পরিবারকে ঘরের কাগজ হস্তান্তর


এদিকে ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গত ৬ জানুয়ারি গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের পার্ট-১ এ বন্দী তুষারের সঙ্গে কারাগারের ভিতরে দেখা করেন এক নারীসহ তিনজন। হলমার্ক কেলেঙ্কারির হোতা তানভীরের ভায়রা কোম্পানির জি এম তুষার। ডেপুটি জেলার সাকলাইন ১২টা ৫৭ মিনিটে কারাগারের ভিতরে প্রবেশ করে ১টা ৪ মিনিটে তুষারকে সঙ্গে নিয়ে ওই নারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে একটি কক্ষে নেন। তখন কারাগারের ভিতরে জেল সুপার রত্না রায় উপস্থিত ছিলেন। ১টা ১৫ মিনিটে জেল সুপার কারাগার থেকে বের হয়ে যান। এরপর তুষার একটি কক্ষে প্রায় ৪৬ মিনিট সময় কাটান ওই নারীর সঙ্গে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এইচ টি ইমাম আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক

এইচ টি ইমাম আর নেই

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম আর নেই। বুধবার দিবাগত রাত ১ টার দিকে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি....রাজিউন)।

বিস্তারিত আসছে...

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এশিয়ায় বিস্ময়কর ‘ডিজিটাল লিডার’ বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক

এশিয়ায় বিস্ময়কর ‘ডিজিটাল লিডার’ বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘নিউজউইক’ এ বুধবারে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের একটি প্রবন্ধ ছাপা হয়েছে। তার শিরোনাম হল ‘বাংলাদেশ: এ সারপ্রাইজ ডিজিটাল লিডার ইন এশিয়া’

প্রবন্ধটি তুলে ধরা হলো-

এক দশকেরও বেশি আগে বাংলাদেশ ঘোষণা করেছিল, প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী বা ২০২১ সালের মধ্যে প্রযুক্তিতে অগ্রগামী দেশ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলবে। আমরা যে এটা করতে পারব তা খুব বেশি মানুষ বিশ্বাস করেনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে যখন দায়িত্ব নিলেন তখন দেশের মাত্র ২ কোটি মানুষের হাতে মোবাইল ফোন ছিল। অথচ এখন কমপক্ষে ১২ কোটির বেশি বাংলাদেশির হাতে মোবাইল ফোন এবং লাখ লাখ মানুষের কাছে উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ আছে, এমনকি প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত। ফলে জীবন উন্নত ও নিরাপদ হয়েছে দেশের অগণিত মানুষের।

২০০৯ সালে উচ্চাভিলাষী ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয় দ্রুত সেবা দেওয়া, কাগজভিত্তিক সরকারি সেবাকে ইন্টারনেট এবং স্মার্টফোনভিত্তিক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে সহজ করে তোলার লক্ষ্যে। ই-সিগনেচার ও ইলেকট্রনিক ফাইলিং ব্যাপকভাবে চালু করা হয়।

সরকার সারাদেশে ৮৫০০ ডিজিটাল সেন্টারের একটি নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করেছে, যার মাধ্যমে জন্ম থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত সব ধরনের সেবা অনলাইনে দেওয়া হচ্ছে। জন্ম নিবন্ধন, চাকরি প্রাপ্তি ও অনলাইনে স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি অনেক সহজ হয়েছে। অনেক জাতীয় কর্মসূচি এখন অনলাইনে চলে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে গত বছর লকডাউন দেওয়া হয়, তখনও সরকারি সেবায় কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।

নতুন একটি ওয়েবসাইট ব্যবহার করে আদালতের কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। কৃষিভিত্তিক একটি পোর্টাল থেকে কৃষকরা আবহাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ আপডেট ও অন্যান্য তথ্য পাচ্ছেন। কোভিড-১৯ সম্পর্কিত তথ্য সাধারণ নাগরিকদের মোবাইলের মাধ্যমে জানানো হচ্ছে।

বাংলাদেশে চালু করা হয়েছে বিশ্বের অন্যতম সরকারি পোর্টাল, যার মাধ্যমে প্রায় সব ধরনের সরকারি সেবা পাওয়া যায়। বাংলাদেশের লক্ষ্য হলো- সরকারি শতকরা ৮৫ সেবা স্মার্টফোনের মাধ্যমে নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। শতকরা ১০ ভাগ সেবা পৌঁছে যাবে তাদের ঘরের দরজায়। আর বাকি শতকরা সেবা পেতে মানুষকে সরকারি অফিসগুলোতে যেতে হবে।

পাসপোর্ট পাওয়া থেকে শুরু করে ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনসহ সবকিছুই পাওয়া যায় অনলাইনে। এ সফলতার একটি মূল উপাদান মোবাইল ফোন। বাংলাদেশে চালু করা হয়েছে টোল-ফ্রি জাতীয় জরুরি সেবা হেল্পলাইন ৯৯৯- দুর্ঘটনা, সাইবারক্রাইমসহ যে কোনো অপরাধ, নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা, অগ্নিকাণ্ড এবং জরুরি চিকিৎসা সেবায় নাগরিকরা এটি ব্যবহার করেন।

ধন্যবাদ সম্মিলিত জাতীয় ডিজিটাল স্বাস্থ্য কৌশলের প্রতি। টেলিমেডিসিন এখন শুধু সম্ভবই নয়, একটি সাধারণ বিষয়, বিশেষ করে অনগ্রসর গ্রামীণ এলাকায়। এ কর্মসূচি মৌলিক স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে থাকে, যা একটি সুস্থ জাতি গঠনে নেতৃত্ব দেয়। এ ছাড়া সরকার আরও বেশি জবাবদিহিমূলক ও দায়িত্বশীল হয়ে উঠেছে। সরকারি সেবা বা পণ্য সম্পর্কে অনলাইনে অভিযোগ জমা দেওয়া যায় সহজেই।

ব্যাপক সংযুক্তি দেশের অর্থনীতি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করছে। দক্ষ ও ডিজিটাল জ্ঞানসম্পন্ন কর্মশক্তি গড়ে তোলার জন্য নেওয়া হয়েছে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের পুরো শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছে এবং প্রতি বছর ৫ লাখ গ্র্যাজুয়েট কর্মী তৈরি হচ্ছে। শুধু গত বছর তথ্যপ্রযুক্তি পেশায় এসেছেন কমপক্ষে ৬৫ হাজার মানুষ।

ডিজিটাল সেন্টারগুলোই কর্ম সৃষ্টির নিয়ামক। প্রতিটি কেন্দ্রে তিনটি পদের মধ্যে কমপক্ষে একজন নারী। দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের বয়স ২৫ বছরের নিচে। ফলে বাংলাদেশ হলো সাইবার কর্মীদের জন্য এক উর্বর ক্ষেত্র। এই সুযোগ নিতে ঝাঁপিয়ে পড়ছে যুব সমাজ। অতীতে তাদের বেশিরভাগই নিজেদের পারিবারিক প্রতিষ্ঠানের বাইরে জীবন বেছে নেওয়ার কথা কল্পনাও করতেন না। কিন্তু বর্তমানে তরুণ বাংলাদেশিরা ক্রমবর্ধমান হারে শহরমুখো, গতিশীল এবং নতুন অর্থনীতিতে প্রবেশ করতে প্রস্তুত।

ডিজিটালাইজেশন থেকে দারুণ সুবিধা পাচ্ছে বাংলাদেশ। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ প্রবর্তনের পর থেকে এ পর্যন্ত ১৩ লাখের বেশি প্রযুক্তি পেশাদার কাজে যুক্ত হয়েছেন। আছেন ১০ হাজারের বেশি প্রযুক্তিবিষয়ক উদ্যোক্তা। সবমিলে, বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সেবা থেকে প্রতি বছর কমপক্ষে ১০০ কোটি ডলারের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আনছেন। এ ছাড়া সাশ্রয় হচ্ছে ২০০ কোটি ঘণ্টা সময়, ৮০০ কোটি ডলার এবং সরকারি অফিসে ১০০ কোটি বার যাওয়া।

আক্ষরিক অর্থেই বাংলাদেশ ঊর্ধ্বপানে ছুটে চলেছে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ প্রথম যোগাযোগবিষয়ক স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ করে। এই স্যাটেলাইট নানাবিধ টেলিযোগাযোগ সেবা দেওয়ার মাধ্যমে আমাদের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে।

এক বিস্ময়কর আরোহণ!

২০০৮ সালে বাংলাদেশের বার্ষিক অভ্যন্তরীণ জাতীয় প্রবৃদ্ধির (জিডিপি) হার ছিল শতকরা প্রায় ৫ ভাগ। কিন্তু বর্তমানে এটা শতকরা ৮ ভাগের ওপরে। সহজলভ্য উচ্চমাত্রার যোগাযোগ ব্যবস্থা এই প্রবৃদ্ধিতে বড় অবদান রেখেছে।

প্রধানমন্ত্রী হাসিনার অধীনে বাংলাদেশ অনেক কিছু অর্জন করেছে। তবে তার কোনোটিই বাংলাদেশের ইন্টারনেট যুগের নাটকীয় অগ্রগতির চেয়ে বেশি চমকপ্রদ নয়। এমনকি এখন আমরা আমাদের ডিজিটাল বিশেষজ্ঞদের রফতানি করছি।

এশিয়ায় আমাদের প্রতিবেশী মালদ্বীপ, ভুটান ও শ্রীলঙ্কায় ডিজিটালাইজেশনের কাজে সহায়তা করছেন বাংলাদেশি প্রশিক্ষকরা। এটা যে সম্ভব মাত্র এক দশক আগে কেউ তা চিন্তাও করতে পারতেন না।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিমান বহরে এখন ২১ উড়োজাহাজ

লাকমিনা জেসমিন সোমা

বিমান বহরে এখন ২১ উড়োজাহাজ

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে আরেকটি নতুন ড্যাশ ৮-৪০০ উড়োজাহাজ ‘শ্বেতবলাকা’।

কানাডার উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডি হ্যাভিল্যান্ড-এর তৈরি করা ড্যাশ-৮ মডেলের প্লেনটি ০৫ মার্চ শুক্রবার বিকেলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।

উড়োজাহাজটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার পর এভিয়েশন ফ্যানফেয়ারের অংশ হিসেবে ওয়াটার ক্যানন স্যালুট দিয়ে স্বাগত জানানো হবে।


সবইতো চলছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন ঈদের পরে খুলবে: নুর

আইন চলে ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছেমত: ভিপি নুর

রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

৭৫০ মে.টন কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবি, শুরু হয়নি উদ্ধার কাজ


এর আগে কানাডার প্রখ্যাত উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডি হ্যাভিল্যান্ড বোম্বার্ডিয়ার অ্যারোস্পেস থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবে উড়োজাহাজটি।

বাংলাদেশ ও কানাডা সরকারের মধ্যে জিটুজি ভিত্তিতে কেনা তিনটি ড্যাশ-৮ প্লেনের প্রথমটি ২৭ ডিসেম্বর ২০২০ ও দ্বিতীয় উড়োজাহাজটি ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১ বিমান বহরে যুক্ত হয়।

উল্লেখ্য, এই উড়োজাহাজের নামকরণ করেছেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধার সমম্বয়ে তৈরি উড়োজাহাজটিতে আসন রয়েছে ৭৪টি। উড়োজাহাজটি বিমান বহরে যুক্ত হওয়ার ফলে বিমান তার অভ্যন্তরীণ ও স্বল্প দূরত্বের রুটে ফ্লাইট ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধি করবে ফলে এই রুটেগুলোতে বিমান তাঁর যাত্রীদের আরও উন্নত সেবা দিতে সক্ষম হবে।

বর্তমানে বিমান বহরে বিদ্যমান মোট উড়োজাহাজের সংখ্যা ২০টি। এর মধ্যে চারটি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর, চারটি বোয়িং ৭৮৭-৮, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯, ছয়টি বোয়িং ৭৩৭ এবং চারটি ড্যাশ ৮-৪০০ উড়োজাহাজ। তৃতীয় ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজটি বিমান বহরে যুক্ত হবার ফলে উড়োজাহাজের সংখ্যা হবে ২১টি।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এইচ টি ইমামের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

এইচ টি ইমামের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

গত দুই সপ্তাহ আগে কিডনি জটিলতাসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন অসুস্থতা নিয়ে সিএমএইচে ভর্তি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হোসেন তৌফিক (এইচ টি) ইমাম। তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে।

আজ বুধবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যায় তার ছেলে সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য তানভীর ইমাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


পাপুলের আসনে উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

বিক্রি হওয়া সেই শিশু ফিরে পেলেন মা

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সৌন্দর্য

জন্ম নেওয়া শিশুর বাবা দাবি করলেন তিন যুবক


তিনি জানান, তিনি কয়েক দিন ধরে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) আইসিইউতে আছেন। তার শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। দেশ বাসির কাছে তার জন্য দোয়া চাই।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে: শেখ হাসিনা

অনলাইন ডেস্ক

দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে: শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশে করোনা মহামারিকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ার নবনিযুক্ত হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুয়ার বুধবার সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। 

বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার সমাজের সর্বস্তরের জনগণ তথা স্থানীয় প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সবাইকে কাজে লাগিয়ে সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে। কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারায় অস্ট্রেলিয়ার দূত বাংলাদেশের প্রশংসা করেন।


পাপুলের আসনে উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

বিক্রি হওয়া সেই শিশু ফিরে পেলেন মা

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সৌন্দর্য

জন্ম নেওয়া শিশুর বাবা দাবি করলেন তিন যুবক


অস্ট্রেলিয়ার দূতের বরাত দিয়ে প্রেস সচিব বলেন, টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া থেকেও এগিয়ে রয়েছে।

জেরেমি ব্রুয়ার প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন যে, অন্যান্য বিদেশি কূটনীতিকের সঙ্গে তিনি নিজেও ঢাকাতে করোনা টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। 

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে সফল প্রত্যাবাসনে আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখেছি। অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং সহযোগিতা জোরদারের ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার দূত বলেন, তারা অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদারে আগ্রহী।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর