প্রেমিকার বাসা থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার, প্রেমিকা বলছে ‘আত্মহত্যা’

অনলাইন ডেস্ক

প্রেমিকার বাসা থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার, প্রেমিকা বলছে ‘আত্মহত্যা’

রাজধানীর হাজারীবাগের পুরাতন ধানমণ্ডি বসিলায় প্রেমিকার বাসা থেকে এক প্রেমিক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা মরদেহটি মো. কামরুল ইসলাম (২৪) বাংলাদেশ আনসার তায়কোয়ান্দো জাতীয় দলের খেলোয়াড়ের। 

নিহতের বান্ধবী প্রতিভাও তায়কোয়ান্দো খেলোয়াড়। তার দাবি, কামরুল তার বাসায় এসে আত্মহত্যা করেছেন। তবে কী কারণে কামরুল আত্মহত্যা করেছেন সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাতে পারেননি। 

প্রতিভা বলেন, কামরুল আমার ভালো বন্ধু। সে আমার বাসায় প্রায়ই আসত। গতকাল রাতে আমার বাসায় এসে পাশের রুমে ঘুমিয়েছিল। ‘অনেক রাতে হঠাৎ শব্দ হওয়াতে আমি ওই রুমে গিয়ে দেখি ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে সে গলায় ফাঁস দিয়েছে।’

আরও পড়ুন:


ইরানি কূটনীতিককে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেয়ার তীব্র নিন্দা

অনিয়ম আর দুর্নীতিতে ডুবছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বিআরটিসি

তেল বহনকারী বগি লাইনচ্যুত: তেল নিয়ে কাড়াকাড়ি

জীবিকার সঙ্গে রাষ্ট্রভাষাকে যুক্ত করা হয়নি: আহমদ রফিক


তিনি বলেন, অচেতন অবস্থায় শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঢামেক ক্যাম্পের পুলিশ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহতের সহকর্মী পলাশ জানান, বাড়ি যাওয়ার কথা বলে দুদিন আগে কামরুল ফেডারেশন থেকে ছুটি নিয়েছিল। আজ খবর পাই, সে আত্মহত্যা করেছে। 

কামরুল চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী উপজেলার সিকোন বাজারের মৃত আবদুল করিমের ছেলে। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন ছোট। বর্তমানে ঢাকার ফকিরাপুলে থাকতেন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, এখন বিয়ের দাবিতে অনশন!

অনলাইন ডেস্ক

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, এখন বিয়ের দাবিতে অনশন!

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামী তালাক দিয়ে এখন বিয়ের দাবিতে প্রেমিক ইতালি প্রবাসীর বাড়িতে অনশন করছেন ওই নারী। এমন ঘটনা ঘটেছে  শরীয়তপুর সদর উপজেলায়। শুক্রবার সকাল থেকে ওই নারী যুবকের বাড়ির সামনে বসে অবস্থান নিয়ে অনশন করছিলেন। ওই প্রবাসী যুবকের নাম নুরুল হক ব্যাপারী (২৭)। তার বাড়ি সদর উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের দাঁতপুর উত্তরভাষান চর গ্রামে। এর আগেও ওই নারী তিনবার নুরুল হকের বাড়িতে আসেন। 

সূত্রে জানা যায়, নুরুল হক ২০১০ সালে কাজের সন্ধানে জর্ডান যান। পরে সেখান থেকে লিবিয়া যান। লিবিয়া থেকে ২০২০ সালের জুন মাসে ইতালি যান। 

ওই নারীর জানায়, নড়িয়া পৌরসভার শালাল বাজার এলাকায় নুরুল হকের বোন সাবিনার শশুর বাড়ি। একই এলাকায় ভাড়া থাকেন ওই নারী। সেই সুবাদে ওই নারীর সঙ্গে বন্ধুত্ব সম্পর্ক গড়ে উঠে সাবিনার। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নুরুল হক লিবিয়া থাকাকালীন অবস্থায় ওই নারীর মুঠোফোনের ইমুতে ভিডিও কলে নুরুল হকের সঙ্গে কথা বলতেন বোন সাবিনা। তখন নুরুল হকের সঙ্গে ওই নারীর মাঝে মধ্যে কথোপকথন হতো। কথা বলতে বলতে তাদের মধ্যে প্রথমে বন্ধুত্ব, পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

ওই নারী আরও জানায়, ২০১১ সালে ১৭ জুলাই নড়িয়া বিঝারি কান্দাপাড়া গ্রামে আমার একটি বিয়ে হয়। স্বামী গ্রিসে থাকে। আমাদের নয় বছরের একটি ছেলে আছে। স্বামীকে তালাক দিলে নুরুল হক আমাকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দেয়। তাই আমি স্বামীকে তালাক দিয়েছি। বিষয়টি আমাদের দুজনেরই জানা ছিল। হঠাৎ একদিন আমাকে ফোনে বিয়ের কথা বলে নুরুল হক। আর তার গ্রামের ঠিকানা দেয়। আমি তাদের বাড়িতে যাই, পরিবারের সকলের সঙ্গে আমার পরিচয়ও হয়। আমাকে ফোনে বিয়ে করবে বলে জন্মনিবন্ধন, দুই কপি ছবি ও পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে তার ভাই আমিনুল হক ব্যাপারীর কাছে যেতে বলে। আমি সদরের আংগারিয়া বাজার গিয়ে আমিনুলের দোকানে এগুলো দেই। তারপর নুরুল হকের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলে একটি ফর্মে স্বাক্ষর দেই। কিছুদিন পর নুরুল হকের কাছে কাবিন নামা চাইলে তিন মাস পরে পাবে বলে জানায়।


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

রোনালদোর গোলেও হোঁচট খেল জুভেন্টাস


তিনি বলেন, আবার জমি কিনবে বলে নুরুল আমার কাছ থেকে ৬ লাখ টকা চায়। আমি দুই দফায় ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দেই। টাকাটা আমিনুলের দোকানে গিয়ে দিয়ে আসি। আবারও কাবিন নামা চাইলে এখন নুরুল হকসহ তার পরিবার বলছে, কে তুই? তোকে চিনি না। আমাকে তারা চিনে না। এখন ইতালি থেকে নুরুল হক সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। আমি বাধ্য হয়েই আমার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ওর বাড়িতে গিয়ে উঠেছি।

তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আমি নুরুল হকের বাড়িতে আসি। তখন তার ভাই আমিনুল, বোন তানজিলাসহ বেশ কয়েকজন আমাকে মারধর করে। আমি শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হই। পরে সদরের পালং মডেল থাকায় একটি অভিযোগ করি। 

নুরুল হকের বোন তানজিলা বলেন, আমার ভাইয়ের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলতো ওই নারী। ভাইকে বলেছে তার বিয়ে হয়নি। এখন জানতে পারি তার বিয়ে হয়েছে। একটি ছেলেও আছে। ওই নারী আমার ভাইয়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এখন আমাদের বাড়িতে এসেছেন তিনি। বলছে ভাইয়ের কাছে বিয়ে বসবে। আমরা বলেছি বিয়ে করলে ইতালি যাও।

শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম উদ্দিন বলেন, অনশনের বিষয়ে আমাকে কেউ জানায়নি। বিষয়টি খবর নিয়ে দেখছি। এর আগের অভিযোগের ব্যাপারটি দেখে বলতে হবে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে প্রকাশ্য প্রবাসীর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ!

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীতে প্রকাশ্য প্রবাসীর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ!

রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে দিনে দুপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের এই ঘটনায় শাহিনুর আলীসহ আরও অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী নারী। 

ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওই গৃহবধূ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি রয়েছেন। 

মামলার এজাহারে ভুক্তভোগী জানান, ১০ বছর আগে তার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তার একটি পুত্র ও একটি কন্যাসন্তান আছে। গত এক বছর ধরে স্থানীয় শাহিনুর তাকে প্রেম নিবেদনের পাশাপাশি নানাভাবে বিরক্ত করত। স্বামী বিদেশ যাওয়ার এক মাস না পেরোতেই শাহিনুর অধিকতর উগ্র হয়ে পড়ে। 


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

প্রবাসী স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন!


এই অবস্থায় গত ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ব্যক্তিগত কাজে ধর্ষণের শিকার নারী পশ্চিম শেখদি হযরত খাজা সাহের রোডের বাসা থেকে যাত্রাবাড়ী যাচ্ছিলেন। তিনি ভাঙ্গা প্রেস এলাকার ইত্তেফাক হাউসের সামনে পৌঁছামাত্র শাহিনুরসহ ওত পেতে থাকা আসামিরা তাকে জোর করে একটি সিএনজিতে তুলে। পরে শাহিনুরের বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) সোহেল রানা বলেন, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা পলাতক আছে। ইতোমধ্যে অজ্ঞাত আসামিদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করেছি। শাহিনুরসহ অজ্ঞাত আসামিদের ধরতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চলছে। আশা করছি, দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনতে পারব।
news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ডেলিভারির সময় আয়ার হাতে নবজাতকের মাথা থেকে শরীর বিচ্ছিন্ন

অনলাইন ডেস্ক

ডেলিভারির সময় আয়ার হাতে নবজাতকের মাথা থেকে শরীর বিচ্ছিন্ন

এক প্রসূতির গর্ভ থেকে শিশুর শরীর বের হলেও মাথা ভেতরে রয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে যশোর জেনারেল হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে। আয়া দিয়ে ডেলিভারির সময় এমন ঘটনার সৃষ্টি হয়। প্রতিষ্ঠানটির আয়া মোমেনা খাতুনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূর হলেন বেনাপোলের গাজীপুরের বাসিন্দা আন্না।

গতকাল শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ঘটে এই ঘটনা ঘটে।

শার্শা উপজেলার গাজীপুর গ্রামের আইয়ুব হোসেন অভিযোগ করেন, গত শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে তার সন্তানসম্ভবা স্ত্রী আন্না খাতুনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার স্ত্রীর গর্ভে থাকা শিশুর পা বের হয়েছিল। প্রচণ্ড যন্ত্রণায় কাতর ছিলেন প্রসূতি। 


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

রোনালদোর গোলেও হোঁচট খেল জুভেন্টাস


তিনি বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় আমার স্ত্রীর গর্ভে থাকা শিশুর পা আবার বের হয়ে এলে সে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল। কোনো চিকিৎসক পাওয়া যায়নি আমার স্ত্রীর সিজারিয়ান অপারেশনের জন্যে। কোনো ডাক্তার বা নার্স আসেননি সহযোগিতা করতে। একপর্যায়ে হাসপাতালের আয়া মোমেনা খাতুন এগিয়ে আসেন এবং শিশুর পা ধরে টান দেন। এতে শিশুটির মাথা এবং ধড় আলাদা হয়ে যায়। মাথাটি রয়ে গেছে ভেতরে। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে এই ঘটনা ঘটলেও রাত দশটা নাগাদ কোনো চিকিৎসক আসেনি আমার স্ত্রীর কাছে।

তবে কর্তব্যরত নার্সরা বলেন, প্রসূতির গর্ভের সন্তানের বয়স হয়েছে মাত্র ২০ সপ্তাহ, ওজন মাত্র ৩৯৯ গ্রাম। সকালে আলট্রাসনোগ্রাম করে দেখা গেছে, শিশুটি পেটের মধ্যে মৃত অবস্থায় রয়েছে। আয়া কখন কীভাবে কী করেছে তা জানা নেই বলে দাবি নার্সদের। 

এদিকে, যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও আরিফ আহমেদ ওই আয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। কোতয়ালী থানার ওসি তাজুল ইসলাম বলেন, এরকম কোনো ঘটনা আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

জামায়াত নেতার মেয়ের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার : মা বলছে আত্মহত্যা

অনলাইন ডেস্ক

জামায়াত নেতার মেয়ের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার : মা বলছে আত্মহত্যা

রংপুরের বদরগঞ্জে জামায়াতের এক নেতার বাড়ি থেকে তার মেয়ের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মেয়েটির মায়ের দাবি শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে চিৎকার শুনে তিনি ঘরে গিয়ে গলাকাটা অবস্থায় মেরিকে ছটফট করতে দেখেন। কিছুক্ষণের মধ্যে সে নিস্তেজ হয়ে যায়। মেরির মা নূরজাহান জানিয়েছেন, তার মেয়ে দীর্ঘদিন ধরে মৃগিরোগে ভুগছিল। রোগ সহ্য করতে না পেরে সে আত্মহত্যা করেছে।

রংপুরের বদরগঞ্জে এই ঘটনা ঘটে।

রংপুরের বদরগঞ্জে উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বুজরুক হাজিপুর গাছুয়াপাড়ায় মাহবুবা আক্তার মেরির বাবা মেনহাজুল হক রামনাথপুর বি ইউ দাখিল মাদ্রাসার সুপারিটেনডেন্ট এবং জামায়াতে ইসলামীর রোকন।


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

রোনালদোর গোলেও হোঁচট খেল জুভেন্টাস


 

পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিবেশীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে রাত ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছান তারা। ঘটনাটি অনেক পরে জানতে পেরে পুলিশে খবর দেওয়া হয় বলে সাংবাদিকদের জানান প্রতিবেশীরা। বদরগঞ্জ থানা পুলিশ ছাড়াও সিআইডির ক্রাইমসিন টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আলামত হিসেবে ওই ঘর থেকে রক্তাক্ত একটি চাকু উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মেরি আত্মহত্যা করেছেন না কি তাকে হত্যা করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে একাধিক পোচের দাগ থাকা, পরিবারের পক্ষ থেকে যথাসময়ে থানায় খবর না দেওয়াসহ পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করে এটিকে আত্মহত্যা হিসেবে মেনে নিতে পারছে না পুলিশ। 

বদরগঞ্জ থানার পরিদর্শক হাবিবুর রহমান এটিকে রহস্যজনক দাবি করে বলেছেন, সুরতহাল রিপোর্ট করা হয়েছে। মৃত্যুরহস্য জানতে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেলের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, মেরি স্থানীয় ওয়ারেসিয়া দাখিল মাদ্রাসায় এক সময় পড়ালেখা করলেও অসুখের কারণে তা চালিয়ে যেতে পারেনি। ওই পরিবারটির সঙ্গে প্রতিবেশীদের তেমন কোনো সম্পর্ক না থাকলেও মেরি শান্ত স্বভাবের ছিল বলে জানিয়েছেন আশপাশের লোকজন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

স্বর্ণ চোরাচালান

সুইপার থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

অনলাইন ডেস্ক

সুইপার থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

সিঙ্গাপুরে স্থায়ীভাবে বসবাসরত দুই বাংলাদেশি শ্রমিক আবুল হাসেম ও আলমগীর। কিন্তু তাদের এই পরিচয়ের আড়ালে তাদের আরও একটি বড় পরিচয় হলো তাদের স্বর্ণ চোরাকারবারি। পরিচ্ছন্নতাকর্মী (সুইপার) এই দুজনের হঠাৎ বিত্তশালী হয়ে ওঠার গল্প যেন কল্পকাহিনিকেও হার মানিয়েছে। অঢেল বিত্তবৈভবের নিচে এক সময় চাপা পড়ে তাদের আসল পরিচয়। দুজনেই সিঙ্গাপুরে এক সময় সুইপারের কাজ করতেন। কিন্তু স্বর্ণ চোরাচালানের সুবাদে তাদের ভাগ্যের চাকা খুলতে বেশি সময় লাগেনি। তারা এখন হাজার কোটি টাকার মালিক।

দীর্ঘদিন ধরে এই চক্র সুকৌশলে ঢাকায় স্বর্ণের চালান পাচার করে আসছিলেন। কিন্তু গত বছর তাদের ৩২ কোটি টাকার একটি চালান ধরা পড়লে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে।

কাস্টমসের নথি খুঁজে দেখা যায় ইতোমধ্যে পাচার হয়েছে আরও ২শ চালান। স্বর্ণ আনতে বাংলাদেশ থেকে পাচার করা হয় প্রায় হাজার কোটি টাকা। আরও কয়েকশ কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয় সরকার।


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

রোনালদোর গোলেও হোঁচট খেল জুভেন্টাস


কাচ এবং টাইলসের স্যাম্পলের কার্টনে পাঠানো হয় স্বর্ণের বার। কিন্তু একই স্যাম্পল বারবার এলেও রহস্যজনক কারণে কাস্টমস কর্মকর্তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি। 

চোরাচালানের টাকায় হাসেম এবং আলমগীর দেশে-বিদেশে ব্যবসা, বাড়ি, ফ্ল্যাট, জমিসহ অঢেল সম্পদ কিনেছেন। আছে সুপার শপ, টিকেটিং ও আদম ব্যবসা। এমনকি বিপুল অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে তারা সিঙ্গাপুরে নাগরিকত্ব পেতেও সক্ষম হয়েছেন।

বিমানবন্দর থানার ওসি বিএম ফরমান আলী বলেন, বিমানবন্দরকেন্দ্রিক স্বর্ণের চালান অহরহ ধরা পড়লেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নেপথ্যের কারিগরদের গ্রেফতার করা যায় না। তবে এ মামলাটির ক্ষেত্রে জড়িত গডফাদারসহ পুরো চক্রটিকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। 

এ সংক্রান্ত মামলার তদন্তে চক্রের মোট ৯ সদস্যকে চিহ্নিত করে পুলিশ। এরা হলেন সিঙ্গাপুর প্রবাসী আবুল হাসেম, আলমগীর হোসেন ওরফে আজিজুল, সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলামিন ও জালাল আহম্মেদ, বিমানবন্দরের কার্গো লোডার জলিল মিয়া ওরফে জালাল, স্থপতি কাওসার আহাম্মেদ ওরফে বাপ্পী, জুয়েল রানা ওরফে সদর, আব্দুল লতিফ এবং ফরহাদুল ইসলাম ওরফে গোল্ডেন সুমন। এদের একেকজন চোরাচালানের কাজে একেক ধরনের দায়িত্ব পালন করে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর