দেশের এই বিশাল উন্নয়ন-অর্জনই বিএনপির গাত্রদাহের কারণ: কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের এই বিশাল উন্নয়ন-অর্জনই বিএনপির গাত্রদাহের কারণ: কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বাংলাদেশের এই বিশাল উন্নয়ন-অর্জনই বিএনপির গাত্রদাহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিএনপি এজন্যই নানা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের এই অগ্রযাত্রা থামিয়ে দিতে চায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শনিবার (১৯ জুন) সকালে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রিবার্ষিক ভার্চুয়ালি সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে যুক্ত হন। 

রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ ও সাধারণ সম্পাদক আফজালপুর রহমান বাবুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ভার্চুয়ালি সম্মেলনে যুক্ত হন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় বিএনপি। শেখ হাসিনা সরকারের অভূতপূর্ব উন্নয়নের সুফল পেতে শুরু করেছে জনগণ। উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির এই ইতিবাচক ধারা বাধাগ্রস্ত করতেই বিএনপি এবং তাদের দোসররা আদজল খেয়ে মাঠে নেমেছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন


ভোটগণনার মধ্যেই রায়িসিকে শুভেচ্ছা প্রতিদ্বন্দ্বী হেম্মাতি ও রেজায়ির

রাজধানীর কদমতলীতে একই পরিবারের তিন জনের লাশ উদ্ধার

নিয়োগ দেবে আরএকে সিরামিকস

মিমির ‘সিক্রেট’ ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)


আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ১২ বছর আগের পিছিয়ে পরা বাংলাদেশ আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আলোর পথে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে। ১২ বছর আগের বাংলাদেশ ও আজকের বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অর্জনে আকাশ- পাতাল পার্থক্য বলেও মনে করেন তিনি। 

এই করোনাকালেও বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কাকে দুইশত মিলিয়ন ডলার এবং সুদানকে ৭.৭ মিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা দিয়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এতেই বুঝা যায় বাংলাদেশের অবস্থান আজ কোথায় এসে পৌঁছেছে। বাংলাদেশের মাথা পিছু আয় আজ ২ হাজার ২২৭ ডলার, যা কল্পনাও করা যায় না বলে মনে করেন মন্ত্রী।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস-নৈরাজ্য ছিল বিএনপি'র আমলেই : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস-নৈরাজ্য ছিল বিএনপি'র আমলেই : তথ্যমন্ত্রী

বিএনপি'র আমলেই শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস-নৈরাজ্য ছিল, আওয়ামী লীগ সরকার এক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন  আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন ।

বুধবার সন্ধ্যায় মন্ত্রী ঢাকায় তার সরকারি বাসভবন থেকে বাংলাদেশ চার্টার্ড একাউন্টস ইনস্টিটিউট আয়োজিত সেরা অটোমেটেড আর্থিক প্রতিবেদন পুরস্কার-২০২১ অনুষ্ঠানে অনলাইনে প্রধান অতিথির বক্তব্যদান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।  

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্য 'সরকার দলীয়করণ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে দিচ্ছে' এবিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'সন্ত্রাস-দলাদলির কথা যদি বলেন, শিক্ষাঙ্গনে যে কি পরিমাণ সন্ত্রাস হয়েছে, তা ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মারামারিতে বুয়েট শিক্ষার্থী সনির মৃত্যু,  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপির নিয়োগ করা ভিসি'র রাতের বেলা অফিস দখল করা থেকেই বোধগম্য। মির্জা ফখরুল সাহেব যা বলেছেন, সেগুলো তাদের বেলাতেই প্রযোজ্য।' 

প্রকৃতপক্ষে গত সাড়ে ১২ বছরে শিক্ষাঙ্গনে সেশনজট অনেক কমে গেছে, একেবারে নেই বললেই চলে আর বিএনপি-জাতীয় পার্টির আমলে চার বছরের কোর্স শেষ করতে সাত বছর লেগে যেতো, বলেন ড. হাছান মাহমুদ। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শিক্ষা ব্যবস্থাও উন্নত হয়েছে। একসময় নকল করে পরীক্ষা দেয়া একটা রেওয়াজে পরিণত হয়েছিল, এখন সেটা পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের দেশের ভবিষ্যৎ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, তারা যাতে ঠিক শিক্ষা লাভ করে ঠিক সময়ে বেরিয়ে আসতে পারে সেবিষয়ে সরকার অত্যন্ত যত্নবান এবং এবিষয়ে অনেক সফলতা এসেছে।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

এর আগে চার্টার্ড একাউন্টস ইনস্টিটিউটের অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আর্থিক প্রতিবেদনে অটোমেশন পদ্ধতি চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে দেশকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট মাহমুদুল হাসান খসরুর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী সাবেক সিনিয়র সচিব শুভাশিস বোস অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

জীবন রক্ষা না পেলে জীবিকা দিয়ে কী হবে: ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

জীবন রক্ষা না পেলে জীবিকা দিয়ে কী হবে: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, জীবন রক্ষা না পেলে জীবিকা দিয়ে কী হবে। অনেকে লকডাউন শিথিলের কথা বললেও এমন সংকটকালে জীবনের সুরক্ষাকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে, তাই মনে রাখতে হবে কারো কারো অবহেলায় পরিস্থিতি ক্রমে অবনতির দিকে যাচ্ছে, এ অবস্থা চলমান থাকলে অনাকাঙ্ক্ষিত বিপর্যয়ের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

বুধবার (২৮ জুলাই) নিজ বাসভবনে ভার্চ্যুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

করোনার এই কঠিন পরিস্থিতিতে সবাইকে জনগণের জন্য রাজনীতি করার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বলেন, সংক্রমণ রোধে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দলমত নির্বিশেষে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যুর হার প্রতিবেশী দেশ ভারতের চেয়ে বেশি, এমন বাস্তবতায় মানুষের জীবনের সুরক্ষাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। দেশের মানুষের সুরক্ষায় বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার প্রতি আস্থা রাখার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। 

ব্যাপকহারে সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলার পাশাপাশি ভ্যাকসিন প্রদানকেই সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশে ভ্যাকসিনের কোন সংকট নেই, মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে চূড়ান্ত করা হয়েছে ভ্যাকসিন রোডম্যাপ।

দুর্যোগ ও সংকটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি জনমানুষের আস্থা রয়েছে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী জনমানুষের আস্থা পূরণে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এবং করোনার এ সংকটে তিনি বিনিদ্র রজনীও যাপন করছেন। 

জীবন ও জীবিকার সমন্বয় করার জন্য প্রধানমন্ত্রী দুরদর্শি সিদ্ধান্তে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি অন্যান্য দেশের তুলনায় ভালো অবস্থায় রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

দেশের উন্নয়ন - অর্জন ও সমৃদ্ধিতে যারা লাভবান হয়েছে, বিশেষ করে সমাজের ধনী শ্রেণী মানুষের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, এই সংকটে অন্তত কিছু সহযোগিতা নিয়ে হলেও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান।

আওয়ামী লীগ একটি বিশাল রাজনৈতিক সংগঠন, কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত এ সংগঠনের বিস্তৃতি উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন অনেকসময় দলে অনুপ্রবেশকারীরা বিতর্কিত কর্মকান্ড চালায়, এসকল কর্মকান্ড নজের এলে সাথে সাথেই তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন


সংকট সমাধানে তিউনিশিয়ার প্রেসিডেন্টকে সংলাপের আহ্বান আন-নাহদার

করোনায় ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সানিয়া আক্তারের মৃত্যু

বগুড়ায় করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে ১৯ জনের মৃত্যু

ইসরাইলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের এজেন্টরা গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার


তিনি জানান, অনেক সময় শুধু সাংগঠনিক নয়,আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়ার নজির রয়েছে, যার উদাহরণ সাম্প্রতিককালে সাহেদ,পাপিয়াসহ অনেকের ক্ষেত্রে দল অত্যন্ত কঠোর অবস্থান দেখিয়েছে। 

অনেকে অনেক কথাই বলেন, কিন্তু দল ক্ষমতায় থাকাকালে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে দলের নেতাকর্মী এমনকি জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে যে কঠোরতা আওয়ামী লীগ দেখিয়েছে তা অতীতে দেশের কোন রাজনৈতিক দল দেখাতে পেরেছেন কী? প্রশ্ন ওবায়দুল কাদেরের। 

শেখ হাসিনা সরকার এবং আওয়ামী লীগ অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করেছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন দলের অনেক সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা চলমান এবং তদন্তাধীন, আবার কারো সাজাও হয়েছে।

দল কখনো অনিয়মকারীদের প্রশ্রয় দেয়নি, ভবিষ্যতেও দিবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। 

করোনার এ সংকটকালে আওয়ামী লীগের প্রতিটি ইউনিট অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে,কেথাও নেই কোন গতিহীনতা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন কেন্দ্র থেকে তৃণমূলে সাংগঠনিক সিদ্ধান্তসমূহ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে বাস্তবায়িত হচ্ছে পাশাপাশি দলের উপকমিটি ও সহযোগী সংগঠনগুলো সক্রিয়তার সাথে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম

স্বেচ্ছাসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও তার পূত্র

অনলাইন ডেস্ক

স্বেচ্ছাসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও তার পূত্র

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, স্বেচ্ছাসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা স্বেচ্ছাসেবকদের আইডল। বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশে আসার পর থেকে দেশ ও  মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করে কাজ করে যাচ্ছেন।  বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় অবৈতনিকভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা হিসেবে দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত করতে নিরলসভাবে কাজ করে স্বেচ্ছাসেবার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। 

আজ ২৭ জুলাই বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এসব কথা বলেন। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সেরা স্বেচ্ছাসেবক হিবেসে ঘোষণা দিয়ে কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, আমাদের সকলের অভিভাবাক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মীরা মানবতার সেবায় নিজেদের বিলিয়ে দিয়ে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।  স্বেচ্ছাসেবক লীগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে জনগণের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছে। 

স্বেচ্ছাসেবক লীগের এই প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের  নেতাকর্মীদের জন্য আজকের দিনটি দুটি কারণে অহঙ্কার এবং গর্বের। স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সাথে সাথে আজ  তারুণ্যের অহঙ্কার সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন। আমরা সকলে মিলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিনে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা জানাই। তিনি এনালগ থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত করেছেন। হতাশায় নিমজ্জিত যুবকদেরকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আশার আলো দেখিয়েছেন। তার দেখানো পথে আজ নতুন প্রজন্ম স্বপ্নের বুনিয়াদ দেখছেন। 
 
আওয়ামী লীগের বাহাউদ্দিন নাছিম আরও বলেন, বিশ্ববরেণ্য বিজ্ঞানী সজিব ওয়াজেদ জয় দেশকে এগিয়ে নিতে স্বেচ্ছায় অক্লান্ত শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি দেশের সেবায় নিজের মেধা ও শ্রম দিয়ে দেশের মানুষের কাছে দৃষ্টান্ত গড়ে যাচ্ছেন। 
 
মানবতার সেবায় নিজেদের বিলিয়ে দিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়ে বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে জনগণের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছে। দল ক্ষমতায় থাকুক আর না থাকুক সর্ববস্তায় দেশের মানুষের জন্য কর্মীরা নিজেদের উৎসর্গ করে দিয়ে চলেছে। 
 
তিনি বলেন, এবারের করোনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কাজ সকলের কাছে সমাদৃত। ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া লাশ দেখে আপনজন পালিয়ে গেলেও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা এগিয়ে এসে তাদের দাফন করেছেন। কৃষকের ধান কাটা ছাড়াও অক্সিজেন সরবরাহ করে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের অক্লান্ত শ্রমের কারণে তাদের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।
 
স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আফজাল রহমান বাবুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য বিধি মেনে উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ম আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল আলিম বেপারী, কাজী মোয়াজ্জেম, সালেহ মোহাম্মদ টুটুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোবাশ্বের চৌধুরী, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ইসহাক মিয়া, দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক তারিক সাইদ সহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দ।

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

ভিএনসিসির অধ্যক্ষ পদে নির্দলীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি বিএনপির

অনলাইন ডেস্ক

ভিএনসিসির অধ্যক্ষ পদে নির্দলীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি বিএনপির

অবিলম্বে ভিকারুননেসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের দলবাজ, সন্ত্রাসী প্রিন্সিপালকে অপসারণপূর্বক ন্যায়-নিষ্ঠ, ভদ্র, আদর্শবান, সত, নির্ভিক ও নির্দলীয় শিক্ষককে প্রিন্সিপাল হিসেবে নিয়োগ দেয়ার আহবান জানিয়েছেন  বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ভিকারুননিসা নূনস্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন নাহার এবং একজন অভিভাবকের ফোনালাপ গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশের পর মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই দাবী জানান। 

তিনি বলেন, ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজ দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানে অতীতে স্বনামধন্য, যোগ্য শিক্ষকরাই দায়িত্ব পালন করে প্রতিষ্ঠানটিকে দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। আজকে দূর্ভাগ্য যে, বর্তমান সরকারের আমলে শুরু থেকেই ক্রমাগত নির্লজ্জ দলীয়করণ, ভর্তি বানিজ্য, অনিয়ম, দুর্নীতি ইত্যাদির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের মান-মর্যাদা ধুলিস্যাত করে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, অধ্যক্ষ কামরুন নাহার ও একজন অভিভাবকের ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ফাঁস হওয়ায় এখন সমালোচনার ঝড় বইছে। ফোনালাপের সময় অধ্যক্ষ কামরুন নাহার কথা বলার এক পর্যায়ে একজন অভিভাবককে বলেন, “আমি বালিশের নিচে পিস্তল রাখি। কোনো ... বাচ্চা যদি আমার পেছনে লাগে আমি কিন্তু ওর পেছনে লাগবো, আমি শুধু ভিকারুননিসা না, আমি দেশছাড়া করবো।”

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষের মতো দায়িত্বশীল পদে ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসী-ক্যাডার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। প্রকাশিত ফোনালাপেই বোঝা যায় কি তার পরিচয়। কি তার চরিত্র। এরা শিক্ষক নামের কলঙ্ক। এই দলবাজ, সন্ত্রাসী মহিলা যিনি কথায় কথায় ক্ষমতার দাপটে অস্ত্র ও লীগ নামধারী সন্ত্রাসী বাহিনীর হুমকি দেয়, প্রকাশের অনুপযোগী অশ্রাব্য অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন, তার হাতে শিক্ষা, শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রী,অভিভাবকসহ কেউই নিরাপদ নয়। 

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

দলবাজ সরকার দলীয় আধিপত্য বিস্তার ও বজায় রাখতে এরকমশিক্ষিকাকে বসিয়ে এই স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস ও ক্ষমতাসীন দলের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চায়।  ভোটবিহীন সরকারের চরিত্র, ভাষা, ব্যবহার যে ধরণের, তাদের পছন্দের ব্যক্তিরাও একই ধরণের হবে-এটাই স্বাভাবিক।

তিনি অভিযোগ করে বলেন,দেশের প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরই একই অবস্থা। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সমুহে দলীয় অনুগত, এমনকি নৈতিক স্খলন ও দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্তদেরকে ভিসি বা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে শিক্ষার মর্যাদা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হচ্ছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ডিজিটাল যুগে সজীব ওয়াজেদ জয়ের মতো নেতৃত্বই প্রয়োজন : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

ডিজিটাল যুগে সজীব ওয়াজেদ জয়ের মতো নেতৃত্বই প্রয়োজন : তথ্যমন্ত্রী

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ধারণা আজ তার মাতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাস্তবায়ন হচ্ছে। চতূর্থ শিল্প বিপ্লবের মধ্যে বাংলাদেশকে নিয়ে গিয়ে ইতোমধ্যেই নেতৃত্ব দিচ্ছেন সজীব ওয়াজেদ জয় এবং ডিজিটাল যুগে তার মতো নেতৃত্বই প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র এবং তার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন উপলক্ষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু জাদুঘর প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ কৃষক লীগ আয়োজিত দোয়া ও আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। 

মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যখন ২০০৮ সালে ডিজিটাল দেশ গড়ার ঘোষণা দেয়, তখনও ভারত এমনকি যুক্তরাজ্যও সেই ঘোষণা দেয়নি, তারা দিয়েছে আরো পরে। আজ। সেকারণেই প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শিল্প বিপ্লবে আমরা পিছিয়ে পড়লেও সজীব ওয়াজেদ জয়ের ধারণাতে ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে সঠিক সময়ে সম্পৃক্ত হয়ে ডিজিটাল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছে।  দেশের আপামর জনগণ ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল ভোগ করছে।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

কৃষক লীগের সভাপতি সমীর চন্দের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এড. উম্মে কুলসুম স্মৃতির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী বিশেষ অতিথি হিসেবে এবং কৃষক লীগের সহসভাপতি শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ বিটু, সংসদ সদস্য হোসনে আরা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। 

অনুষ্ঠানে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সুস্বাস্থ্য কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে কৃষক লীগ নেতাকর্মীদের নিয়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও গাছের চারা রোপণ করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর