নওগাঁয় পৌরসভার গাফিলতিতে স্যানেটারী ল্যান্ডফিল ও পাবলিক টয়লেট নির্মাণ ব্যহত

বাবুল আখতার রানা, নওগাঁ

নওগাঁয় পৌরসভার গাফিলতিতে স্যানেটারী ল্যান্ডফিল ও পাবলিক টয়লেট নির্মাণ ব্যহত

তৃতীয় নগর পরিচালনা অবকাঠামো উন্নতিকরন প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় পর্যায়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরে নওগাঁ পৌরসভার আওতাধীন স্যানেটারী ল্যান্ডফিল উন্নয়ন ও ৬টি পাবলিক টয়লেট নির্মাণের কাজে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

প্রকল্পটির দরপত্র ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। এর প্রায় ৫ মাস পর সিদ্ধান্ত আসে (নটিফিকেশন অব আওয়ার্ড) ২০২১ সালের ১২ এপ্রিল। পরদিন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স খান বিল্ডার্স-ইথেন এন্টারপ্রাইজ প্রাইভেট লিমিটেডকে (জেভি) কার্যাদেশ দেয় পৌরসভা। ওই কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ কোটি ৭৫ লাখ ৯২ হাজার ২৪৭ টাকা।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ, যথাযতভাবে পৌরসভা সাইট বুঝে না দেওয়ায় তারা কাজ করতে পারছে না। কোমাইগাড়ী মৌজায় স্যানেটারী ল্যান্ডফিল উন্নয়নের স্থান নির্ধারণ করে পৌরসভা। স্থানটিতে দীর্ঘদিন থেকে শহরের ময়লা-অবর্জনা ফেলে আসছে তারা। ওইস্থান থেকে ময়লা আবর্জনা সরিয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে বুঝিয়ে দেয়ার চুক্তি রয়েছে বলেও জানায় তারা। কিন্তু সেখান থেকে এখন পর্যন্ত কোন ময়লা-আবর্জনা সরানো হয়নি। প্রতিদিন ফেলা হচ্ছে ১০-১২টন ময়লা।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও পৌরসভার মধ্যে বেশ কয়েকটি চিঠি চালাচালি হলেও এর সমাধান হয়নি। ওই প্রকল্পের আওতায় নওগাঁ সরকারী ডিগ্রী কলেজের মোড়, বাজারের কিচেন মার্কেট, মুক্তির মোড়, সুপারীপট্টি, তুলশীগঙ্গা ও দয়ালের মোড়ে একটি করে মোট ৬টি গনসৌচাগার স্থাপন করা হবে।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সুত্রে জানা যায়, গত ২০২১ সালের ১৩ এপ্রিল কার্যাদেশ পাওয়ার ১৫ দিন অপেক্ষার পরও পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সাইট বুঝিয়ে না দেয়ায় তারা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীকে ২৭ এপ্রিল চিঠি দেয়। কিন্তু চিঠির পরও সাইট বুঝে না পেয়ে ৫ মে পুনরায় তারা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর চিঠি পাঠায়। প্রতিটি চিঠিতে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক বরাবর। এরপর ৬জুন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জরুরী ভিত্তিতে সাইট বুঝে দেয়ার জন্য নিবার্হী প্রকৌশলী বরাবর আরো একটি চিঠি পাঠায়। ওই চিঠির পর ১৩ জুন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সামগ্রিক এষ্টিমেট, ড্রয়িং এবং ডিজাইন বুঝে দেয়ার জন্য আরো একটি চিঠি পাঠায় নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর। এরই প্রেক্ষিতে পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে এ সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় বুঝিয়ে দেয়ার জন্য ২১ জুন দিন নির্ধারণ করে ১৭ জুন তারিখে একটি চিঠি প্রেরণ করে।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আরও অভিযোগ করে বলেন, এরপরও পৌরসভার নির্ধারিত তারিখে টিবিএম না দেওয়ার ফলে গত ২৭ জুলাই তারিখে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ইকবাল শাহরিয়ার পিপিআর-২০০৮ অনুযায়ী জিসিসি ক্লোজ ৮৯.১ (এ) ধারা মতে উপরোক্ত কাজের চুক্তি বাতিল করে পারফরমেন্স সিকিউরিটি ফেরত দিতে পৌরসভার প্রকৌশলী বরাবর চিঠি পাঠায়। চিঠি পাওয়ার পর ১১ আগষ্ট পৌরসভার মেয়রকে নির্বাহী প্রকৌশলী সাইট থেকে স্তপকৃত ময়লা-আবর্জনা সমূহ অপসারণ পূর্বক কাজের পরিবেশ সৃষ্টির জন্য চিঠি দেন। চিঠিতে নির্বাহী প্রকৌশলী বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন; অন্যথায় প্রকল্প বাস্তবায়নে বিঘ্ন সৃষ্টি হলে অত্র পৌরসভাকে দায়ভার বহন করতে হবে।

আরও পড়ুন


৪৩ লাখ টাকা দিয়ে বিলাসবহুল গাড়ি কিনলেন নায়িকা নিঝুম

হেফাজত আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী আর নেই

গুরুতর অসুস্থ হেফাজত আমির, হাসপাতালে ভর্তি

অপেক্ষায় পরীমণির শতবর্ষী নানা এবং ভাই


এ বিষয়ে নওগাঁ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে যথাযথভাবে স্যানিটারী ল্যান্ডফিলের স্থান ও ৬টি গণশৌচাগারের স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছি। একটি গনশৌচাগারের জায়গা নিয়ে কিছু সমস্যা থাকায় জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছে। সেটিরও ব্যবস্থা হয়ে যাবে। আমাদের কোন বিষয়ে গাফিলতি নেই। সিডিউল অনুযায়ী স্যানিটারী ল্যান্ডফিলের স্থানে আগের থেকে যে ময়লা-আবর্জনা রয়েছে তা ঠিকাদারকেই সরিয়ে নিতে হবে। সম্প্রতি যে ময়লা-আবর্জনা পৌরসভা ফেলেছে তা মেয়র অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স খান বিল্ডার্স-ইথেন এন্টারপ্রাইজ প্রাইভেট লিঃ (জেভি) এর স্বত্বাধিকারী ইকবাল শহরিয়ার বলেন, সাইট থেকে চুক্তি অনুযায়ী ময়লা-আবর্জনা সরিয়ে নেয়া হয়নি। এখনো প্রতিদিন পৌরসভা ১০-১২ টন ময়লা-আবর্জনা ফেলছেন। ওই স্থানে সমতল যেটুকু জায়গা ছিল সেখান থেকেও পৌরসভা বিপুল পরিমাণ মাটি কেটে সরিয়ে নেয়ায় বিরাট গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে অনেকগুলো গাছ আছে সেগুলো কেটে সরানো হয়নি। এছাড়াও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সীমানা নিয়েও সমস্যা রয়েছে। বারবার এ বিষয়ে পৌরসভার নিবার্হী প্রকৌশলীকে চিঠি দেয়া হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এদিকে প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদকালের স্বল্পতার সৃষ্টি হয়েছে। আমার ধারণা কাজটি বাস্তবায়ন ও উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করতে পৌরসভা অনাগ্রহ প্রকাশ করছে। এসব কারণে আমি চুক্তি বাতিলের জন্য চিঠি দিয়েছি।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

৬০ হাজার টাকা দিয়েও আশ্রয়ণের ঘর পেলনা আলিয়ারা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

৬০ হাজার টাকা দিয়েও আশ্রয়ণের ঘর পেলনা আলিয়ারা

"মোর গরুলাও গেল, বাড়িও গেল, এলা স্যারের হুমকির তানে এলাকায় থাকিবাউ পারু না। মোর আর থাকার কোনো জায়গা নাই।" এভাবেই সাংবাদিকদের কাছে এসে প্রলাপ গাইতে থাকে আলিয়ারা খাতুন (২৫)।

আজ সাংবাদিক খুঁজতে শহরের কলেজপাড়ায় ঠাকুরগাঁও রিপোটার্স ইউনিটি কার্যালয় এসে সাংবাদিকের কাছে ইউএনও ও তার শ্যালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী সেই নারী।

এলাকাবাসীর তথ্যমতে, ঠাকুরগাঁও হরিপুর উপজেলার স্বামী পরিত্যক্তা অসহায় মহিলা আলিয়া (২৫)। নিজের ০২ টি গরুই ছিল তার সম্বল। তবে তিনি চাচ্ছিলেন মাথা গোজার একটি নিশ্চিত ঠিকানা। 

সেই আশাতেই নিজের শেষ সম্বল বিক্রি করে সে। গরু বিক্রির ৬০ হাজার টাকা হরিপুর ইউএনওর শ্যালককে দিয়ে তিনি আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘরে উঠেন। তবে উঠার ০৪ মাস পর তাকে বের করে দেওয়া হয়।

আলিয়ারা খাতুন সাংবাদিকদের জানান, হরিপুরের জীবনপুর কুশলগাঁও এলাকার ইয়াসিন আলীর মেয়ে আলিয়ারা খাতুন প্রায় ২ বছর পূর্বে ১ সন্তান নিয়ে স্বামী পরিত্যক্ত হয়ে দুলাভাই নঈমউদ্দীনের সরকারি খাস জমিতে নির্মিত বসতবাড়ির আশ্রয় গ্রহণ করে।  

ভূমিহীনদের জন্য আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর দেওয়া হবে জানার পর আলিয়ারা তদবির শুরু করেন। আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নির্মাণের তদারককারী তরিকুল ও উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মচারী মানিক এর কথামত সে নিজের গাভী বিক্রি করে ইউএনওর শ্যালক তানভীন হাসানকে সরাসরি ৬০ (ষাট) হাজার টাকা প্রদান করে।

পরে তারা আলিয়ারাকে তারবাগান এলাকায় অবস্থিত আশ্রয়ন প্রকল্পের ২ নং ঘরটির দখল বুঝিয়ে দেয়। সেই ঘরে তিনি প্রায় চার মাস যাবৎ সন্তান সহ বসবাস করছিলেন। পরবর্তীতে তরিকুল ও মানিক আলিয়ারার কাছে পুনরায় ২০ (বিশ) হাজার টাকা দাবি করে এবং টাকা না দিলে ঘর থেকে বের করে দিবে বলে হুমকি দেয়। টাকা দিতে না পারায় তারা আলিয়ারাকে গত ০১/০৯/২০২১ ইং তারিখে ঘর থেকে বের করে দেয়।

এসব বিষয়ে আলিয়ারা ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক বরাবরে গত ৫ তারিখে একটি লিখিত অভিযোগ করে। সেটা জানার পর ১৩ তারিখ দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে হরিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল করিম তাকে কৌশলে কার্যালয়ে ডাকে। সেখানে ইউএনও আলিয়ারাকে পুলিশ ও তার কার্যালয়ের কর্মচারী দ্বারা মানসিক ও শারীরিক ভাবে নির্যাতন করে এবং হুমিকি দেয় যে, তাদের মত করে জবানবন্দি না দিলে বড় ধরনের ক্ষতি করবে। 

সে সময় জোরপূর্বক আলিয়ারার কাছে তাদের মতো করে স্বীকারোক্তিমূলক ভিডিও ধারণ করে এবং সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। তাই নিরাপত্তাহীনতার কারণে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে নিরাপত্তার জন্য সাংবাদিকদের কাছে সাহায্য চান আলিয়া।

ইউএনওর শ্যালক তানভিন হাসানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই বিষয়ে কিছু বলতে অস্বীকৃতি জানান।

হরিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আব্দুল করিম বলেন, সেই মহিলা অনেক খারাপ ও মিথ্যে কথা বলে। তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়নি। আর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে টাকা লেনদেনের কোন সুযোগ নেই। তার কোন ভিডিও রেকর্ড করা হয় নাই।

উল্লেখ্য, এর আগেও হরিপুর উপজেলায় টাকার বিনিময়ে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর বরাদ্ধের অনেক অনিয়মের নিউজ প্রকাশিত হয়। এছাড়াও হরিপুরে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নিম্নমানের তৈরি হওয়ায় ঘরে ফাটল দেখা দেয়। ঘর বরাদ্ধে ইউএনওর শ্যালকের টাকা লেনদেনের বিষয়টিও নিউজে প্রকাশিত হয়।

আরও পড়ুন:


আইএস বধূ শামীমা বাংলাদেশে নয়, ফিরতে চান ব্রিটেনে

করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় আবারও ১০ হাজারের কাছাকাছি মৃত্যু

রদ্রিগোর গোলে ইন্টার মিলানকে হারাল রিয়াল মাদ্রিদ

চট্টগ্রামের উপকূলে মিলল তিনটি মৃত ডলফিন!


NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার ৫৭

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার ৫৭

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৫৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। 

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

ডিএমপি জানায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ১৫ই সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল ছয়টা থেকে আজ সকাল পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তারসহ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ৭ হাজার ৫৫৫ পিস ইয়াবা, ১২১ গ্রাম ১৭০ পুরিয়া হেরোইন, ৪ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা ও ২৭ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধারমূলে জব্দ করা হয়। 

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪০টি মামলা রুজু হয়েছে।

আরও পড়ুন:


আইএস বধূ শামীমা বাংলাদেশে নয়, ফিরতে চান ব্রিটেনে

করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় আবারও ১০ হাজারের কাছাকাছি মৃত্যু

রদ্রিগোর গোলে ইন্টার মিলানকে হারাল রিয়াল মাদ্রিদ

চট্টগ্রামের উপকূলে মিলল তিনটি মৃত ডলফিন!


NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

মমেকের করোনা ইউনিটে আরও ৪ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

মমেকের করোনা ইউনিটে আরও ৪ জনের মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘন্টায় আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ২ জন করোনা শনাক্ত হয়ে এবং ২ জন উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। 

আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাসপাতালের করোনা ইউনিটের ফোকাল পার্সন ডা. মহিউদ্দিন খান মুন।

তিনি বলেন, গত ২৪ ঘন্টায় মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বৃহম্পতিবার সকাল ৮টার মধ্যে ৪ জন মারা গেছেন। 

তারা হলেন- ময়মনসিংহ ভালুকার বাসিন্দা আব্দুল বারী (৭৫) ও টাঙ্গাইল ধনবাড়ির গোলাম মোস্তফা (৬০)। 

এ সময় করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যান ২জন। তারা হলেন- ময়মনসিংহ সদরের নজিরন নেসা (৭০) এবং নেত্রকোনা পূর্বধলার জোবেদা (৯০)।

 

পরবর্তী খবর

মমেক হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৪

অনলাইন ডেস্ক

মমেক হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৪

গত ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে, করোনায় দুই জন ও উপসর্গ নিয়ে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার সকালে মমেক হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডের ফোকাল পারসন ডা. মহিউদ্দিন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন, ময়মনসিংহ ভালুকা আব্দুল বারী (৭৫) ও টাঙ্গাইল ধনবাড়ি উপজেলার গোলাম মোস্তফা (৬০)। এছাড়া ময়মনসিংহ সদরের নজিরন নেছা (৭০) এবং নেত্রকোনা পূর্বধলা উপজেলার জোবেদা বেগম (৯০) করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যান।

ডা. মহিউদ্দিন খান জানান, করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে নতুন ৮ জন ভর্তিসহ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ১০৪ জন রোগী ভর্তি আছেন। এদের মধ্যে আইসিউতে ৬ জন চিকিৎসাধীন আছেন। এছাড়াও সুস্থ হয়ে ১৩ জন হাসপাতাল ছেড়ে গেছেন।

এদিকে সিভিল সার্জন নজরুল ইসলাম জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫৯টি নমুনা পরীক্ষায় ৩৯ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ১০ দশমিক ৮৬ শতাংশ। এ পর্যন্ত জেলায় মোট আক্রান্ত ২১ হাজার ৬৭৫ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ২০ হাজার ৩১১ জন।

আরও পড়ুন: 


বাংলাদেশি মিথিলার প্রশংসা করলেন বলিউড নির্মাতা!

ঢাকার যেসব এলাকায় মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ থাকবে

ইউয়েফা চ্যাস্পিয়ন্স লিগে প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেল মেসি-নেইমাররা

মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল করলেন বরিস জনসন


উল্লেখ্য, চলতি সেপ্টেম্বর মাসে মমেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে ৬৬ জন মারা গেছেন। গত জুলাই ও আগস্ট মাসে ময়মনসিংহ মেডিকেলে করোনা ও উপসর্গে মৃত্যু হয়েছ ৯০১ জনের। 

news24bd.tv রিমু    

পরবর্তী খবর

বান্দরবানে ঝিরিতে ভেসে যাওয়া মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক

বান্দরবানে ঝিরিতে ভেসে যাওয়া মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

ফাইল ছবি

বান্দরবান সদর উপজেলার ৩ নং সদর ইউনিয়নে জুম থেকে ফেরার পথে একটি পাহাড়ি ঝিরিতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছেন আরেক সন্তান।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে আটটার দিকে চিম্বুক এলাকার লাইমিপাড়া থেকে স্থানীয় এলাকাবাসী তাদের উদ্ধার করে।

বান্দরবানের সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য জগদীশ ত্রিপুরা বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। এসময় তিনি বলেন, আমরা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়েছি, তারা ঘটনাস্থলে আসছে।

আরও পড়ুন


চাকরির কথা বলে ফাঁকা বাড়িতে ডেকে ৮ জন মিলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

বান্দরবানে পাহাড়ি ঝিরিতে ভেসে গিয়ে ২ সন্তানসহ মা নিখোঁজ

করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় আবারও ১০ হাজারের কাছাকাছি মৃত্যু

রদ্রিগোর গোলে ইন্টার মিলানকে হারাল রিয়াল মাদ্রিদ


সন্ধান পাওয়া মারা যাওয়া দুজন হলেন - মা কৃষ্ণাতি ত্রিপুরা (৪৪) ও মেয়ে বিনিতা ত্রিপুরা (১৩)। আর এখনো নিখোঁজ ছেলে প্রদীপ ত্রিপুরা (৮)। 

এর আগে বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে জুমের কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে কৃষ্ণাতি ত্রিপুরা তার মেয়ে ও ছেলেকে নিয়ে রাঙ্গাঝিরিতে গোসল করতে নামেন। এ সময় হঠাৎ প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়। একপর্যায়ে প্রবল স্রোতে তিনজনই ভেসে গিয়ে নিখোঁজ হন।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর