যানজট নিরসনের উদ্যোগ আটকে থাকে মহাপরিকল্পনার নথিতেই

ফখরুল ইসলাম

অবৈধ দখলে রাজধানীর ৫৭২ কিলোমিটার সড়ক ও ১০৮ কিলোমিটার ফুটপাত। এই তথ্য সিটি কর্পোরেশনের। এমন অবস্থার মধ্যেও পার্কিং সংকট, সড়কজুড়ে বিধি লংঘনের ছড়াছড়িতে যান আর জনজটে নাকাল ঢাকা। সড়কে আছে বাস থেকে ঘোড়ার গাড়ি সবই। সমাধান কোথায়? 

ঢাকায় বাস করা স্থায়ী মানুষের সাথে প্রতিদিনই গড়ে যুক্ত হচ্ছে ১৭শ মানুষ। ২০১৬ এর পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসেবেই এই মেগা শহরের বাসিন্দা এখন ১ কোটি ৭০ লাখ।

কাজের তাগিদে বের হলেই এই শহরে, বিপুল সংখ্যক মানুষ এখন প্রায়শই থমকে যান রাস্তা, ফুটপাত অথবা গাড়িতে। যান কিংবা জনজটে স্থবির হয়ে পড়ে তাদের কর্মঘণ্টা।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের এক খসড়া জরিপে প্রতিদিন যাতায়াতের ট্রিপ সাড়ে ৩ কোটি। এরমধ্যে ১৭.৭ শতাংশ পথচারী। বাকিরা যাতায়াত করেন কোনো না কেনো যানবাহনে। 

সিটি কর্পোরেশনের তথ্য হচ্ছে নগরীর ১৬৩ কিলোমিটার ফুটপাতের ১০৮ কিলোমিটারই অবৈধ দখলে। দখলে আছে মোট ২ হাজার ২৮৯ কিলোমিটারে সড়কের ৫৭২ কিলোমিটারই।

নগরীর ২১০ কিলোমিটার প্রধান সড়কে পার্কিং ব্যবস্থা খুবই নগণ্য। এরমধ্যেও ৩০ ভাগ প্রধান সড়কে রয়েছে অবৈধ পার্কিং ও হকারদের আধিপত্য।

বেশকিছু সড়কে বাস-প্রাইভেট কারের সঙ্গে ধীরগতির রিক্সা, ঠেলাগাড়ি এমনকি ঘোড়ার গাড়িরও দেখা মেলে। আগেই যেতে হবে, তাই ফুটওভারব্রীজ রেখেও আইন ভাঙছেন পথচারী।

যানজট নিরসনে যুগের পর যুগ উদ্যোগ আসে যায়, কার্যকরের অভাবে সেগুলো আটকে থাকে মহাপরিকল্পনার নথিতেই। তবে এরইমধ্যে বিভাগীয় পর্যায়ে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা ও শহরকে বিকেন্দ্রীকরণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে স্বস্তি ফিরবে নগরজীবনে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

৬ মাস ধরে জেলে থাকা বিএনপির ৩ নেতা পূজামন্ডপে হামলার আসামি

শেখ জায়েদ

৬ মাস ধরে জেলে থাকা বিএনপির ৩ নেতা পূজামন্ডপে হামলার আসামি

চট্টগ্রামের হাটহাজারিতে পূজামন্ডপের তোরণ ভাংচুর মামলায় আসামি করা হয়েছে হেফাজতের সহিংসতা মামলায় ৬ মাস ধরে জেলে থাকা ৩ বিএনপি নেতাকে। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্যপরিষদের দাবি সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনাগুলোয় শুরু থেকেই পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। আর আইন বিশেজ্ঞরা বলছেন, এ অবস্থা রক্ষা করবে অপরাধীদের,বাধাগ্রস্ত হবে ন্যায় বিচার। এ বিষয়ে কথা বলতে রাজী নয় পুলিশ।  

কুমিল্লায় সাম্প্রতিক ঘটনার জের ধরে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানেও শারদীয় দুর্গোৎসবে ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানায় করা মামলায় আসামি করা হয়েছে কয়েক হাজার। এখন পর্যন্ত গ্রেফতার শতাধিক। 

চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে হাটহাজারি থানার এক ভাঙচুর মামলা। সরকারহাটে পূজামণ্ডপের তোরণ ভাঙচুরের এ মামলায় এমন তিন বিএনপি নেতাকে আসামি হিসেবে দেখানো হয়েছে যারা ঘটনাস্থলেতো ছিলেনই না, বরং হেফাজতে ইসলামের সহিংসতার মামলায় ছয় মাস ধরে জেলে।  

বিএনপি নেতা ভিপি নাজিম জানান, চট্টগ্রামের হাটহাজারিতে পূজামন্ডপের তোরণ ভাংচুর মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে তারা আগে থেকেই জেলে রয়েছেন। এটা পুলিশ কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা। 

এদিকে একে পুলিশের খামখেয়ালী উল্লেখ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টানঐক্য পরিষদের নেতারা।  

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টানঐক্য পরিষদের নেতা রানা দাশগুপ্ত জানান, চট্টগ্রামসহ গোটা বাংলাদেশের সহিংসতায় পুলিশের ভূমিকা ছিল নিষ্ক্রিয়। তিনি আরও বলেন, তদন্ত সংস্থার গাফিলতির নিষ্ক্রিয়তায় মনে প্রশাসনে ভূত আছে। 

স্পর্শকাতর মামলায় পুলিশের এমন ভুমিকা অপরাধিদের রক্ষার পাশাপাশি ন্যায় বিচারে বড় বাঁধা বলছেন আইনজীবীরা। 

আরও পড়ুন:


বিশ্বে সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়েছে , ২০২২ সাল পর্যন্ত থাকতে পারে করোনা মহামারি

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা কে এই ইকবাল?

পূজামণ্ডপে কোরআন শরিফ রেখে গদা নিয়ে যায় ইকবাল

এস কে সিনহাসহ ১১ জনের মামলার রায় আজ


সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট আখতার কবীর চৌধুরী বলেন, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল লুটপাতের জন্য, ব্যক্তিগত ফায়দা হাসিলের জন্য পরিকল্পিতভাবে এসব কাজ করাচ্ছে। অন্যদিকে কেউ বুজে অথবা না বুজে ধর্মান্ধতার শিকার হয়ে এ কাজ করছেন।    

এ বিষয়ে পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি এবং হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সাথে যোগাযোগ করা হলেও কথা বলতে চান নি তারা।  

news24bd.tv রিমু    

 

পরবর্তী খবর

বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম, সাশ্রয়মূল্যে টিসিবি পণ্য বিতরণের আহ্বান

বাবু কামরুজ্জামান

বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম, সাশ্রয়মূল্যে টিসিবি পণ্য বিতরণের আহ্বান

করোনাকালে একদিকে যখন মানুষের আয় কমেছে তখন খরচ বেড়েছে জরুরী ভোগ্যপণ্যের কেনাকাটায়। সংসার চালাতে গিয়ে হিমসিম খাচ্ছে নিম্ন আয়ের ভোক্তারা। অর্থনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন; মহামারী পরবর্তী সময়ে গরিব মানুষের জীবন ধারণ সহজ করতে জোরালো করতে হবে সরকারের খোলা বাজারে বিক্রয় কার্যক্রম। পাশাপাশি, অতি দরিদ্রদের সুনির্দিষ্ট করে নগদ সহায়তার কথাও বলছেন বিশ্লেষকরা। 

মহামারীর সাথে যুদ্ধ করে টিকে থাকতে গিয়ে যখন বেড়েছে হাত পাতা হত দরিদ্র মানুষের সংখ্যা; তখন উল্টো প্রতিনিয়ত খরচ বাড়ছে নিত্যপণ্যের কেনাকাটায়। নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যম আয়ের পরিবার, সবাই যেন আতঙ্কে আছেন ভোগ্য পণ্যের বাজার নিয়ে। চাল, তেল কিংবা ডাল ছাড়াও এ তালিকায় যুক্ত হয়েছে পেঁয়াজ, চিনি আটা, ময়দা, মুরগি, ডিমসহ আরও বেশকিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য। এছাড়াও বেড়েছে সাবান ও টুথপেস্টের মতো নিত্যব্যবহার্য সামগ্রীর দামও। ফলে মানুষের আয় কমলেও খরচের তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

সরকারি বিপণণ সংস্থা টিসিবির হিসাব বলছে; ২০২০ সালের মার্চ মাসে করোনা শুরুর আগে মোটা চালের যে দাম ছিল তা এই সময়ে এসে বেড়েছে অন্তত সাড়ে ৩১ শতাংশ। এছাড়া খোলা আটার দাম বেড়েছে ২০ শতাংশ, ময়দা ৩৩ শতাংশ। এক লিটারের সয়াবিন তেলের বোতল ৪৩ শতাংশ, চিনির দর বেড়েছে ১৯ শতাংশ, মোটা দানার মসুর ডাল ৩০ ও গুঁড়া দুধের দাম ১৩ শতাংশ বেড়েছে। বিপরীতে সরকারি হিসেবেই করোনাকালে মানুষের আয় কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ।

ক্রেতাদের অভিযোগ, করোনাকালীন সময়ে দ্রব্যমূল্যের দাম উঠা-নামা করায়  অনেকে অসুবিধেয় পড়েছেন। 

অন্যদিকে, আরেক ক্রেতা বলছেন, বাজারে যে হারে দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ছে, সে হারে বেতন বাড়েনি যার ফলে অনেকেই  বিপাকে পড়েছেন। 

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ টিসিবির ট্রাকে প্রতিনিয়ত বাড়ছে অপেক্ষমান হতদরিদ্র মানুষের সংখ্যা। যেখানে অনেক মধ্যবিত্তও এখন নিরুপায় হয়ে প্রতীক্ষায় থাকেন টিসিবির ট্রাকের।

এদিকে, সাশ্রয়মূল্যে যে টিসিবি পণ্য বিতরণ করা হচ্ছে তার উপর সরকারের আরও গুরুত্বারোপ করার আহবান জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। 

আরও পড়ুন


প্রথম ম্যাচে বাজে খেলায় ২য় ম্যাচে দল থেকে বাদ পড়ছে যে ক্রিকেটাররা

ইউপি ও পৌরসভা নির্বাচনে আরও খুনোখুনির আশঙ্কা

দলে পরিবর্তন, এক নজরে ওমানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ পররাষ্ট্রমন্ত্রী কলিন পাওয়েল মারা গেছেন


অর্থনীতি বিশ্লষকরা বলছেন; অতিমারি পরবর্তী সময়ে কেবল খোলাবাজারে বিক্রি বাড়ানো নয়; একই সাথে অতি দরিদ্রদের জন্য নিতে হবে নগদ সহায়তা কার্যক্রমও।

পেঁয়াজ আমদানিতে ৫ শতাংশ শুল্ক তুলে নেয়া হলেও এখনো রাজধানীর খুচরা বাজারে ১ কেজি পেঁয়াজ কিনতে ভোক্তাকে গুনতে হচ্ছে ৬০ টাকা।

news24bd.tv রিমু  

 

পরবর্তী খবর

সম্রাটসহ ১৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের তথ্য পেয়েছে সিআইডি

হাবিবুল ইসলাম

যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা সম্রাট, খালেদ মাহমুদ ও বহিষ্কৃত কমিশনার মোমিনুল হকসহ ১৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ, সিআইডি। 

রোববার হাইকোর্টের সংশ্লীষ্ট শাখায় সিআইডির জমা দেয়া প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। তারা সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে বিপুল পরিমান অর্থপাচার  করেছে প্রতিবেদনে বলা হয়। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এম আমিন উদ্দীন জানান, পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে কাজ করছে বিএফ’আই’ইউ। হাইকোর্টের অবকাশ শেষ হলেই এ প্রতিবেদনের ওপর শুনানী অনুষ্ঠিত হবে। 

গত ফেব্রুয়ারিতে এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ থেকে সুইচ ব্যাংকসহ বিদেশে অর্থপাচারকারীদের তথ্য জানতে চান হাইকোর্ট। এর পর দুদক সম্রাটসহ অর্থ পাচারকারীদের একশ জনের নামের তালিকা প্রতিবেদন জমা দেয় হাইকোর্টে। তাতে ২৫ শো কোটি টাকা পাচারের প্রাথমিক তথ্য দেয় সংস্থাটি।  কিন্তু তাতে সন্তুষ্ঠি হতে না পেরে নতুন পাচারকারীদেন নাম ও অর্থের পরিমান জানতে চান আদালত।

সেই নির্দেশনার প্রায় ৮ মাস পর এবার সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে অর্থ পাচারকারী ১৬ ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামের তালিকা ও অর্থের পরিমান প্রতিবেদন আকারে দাখিল করেছে দুদক। এতে যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়া ও বহিষ্কৃত কমিশনার মোমিনুল হক সাঈদ, এনামুল হক আরমান, রাজীব হোসেন রানা, জামাল ভাটারা,  শাজাহান বাবলুর নাম রয়েছে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, ৮টি মামলায় এসব ব্যাক্তিদের অর্থপাচারের তথ্য উঠে এসেছে। এ টাকার অংক কয়েক হাজার কোটি টাকা। টাকাগুলো উদ্ধারের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। দেশে এই টাকা শিগগিরই উদ্ধার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন রিটকারী আইনজীবী।

এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে সুইস ব্যাংকসহ বিদেশে পাচারকরা অর্থ ফেরত আনার কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে  বিদেশে অর্থপাচারকারীদের নাম-ঠিকানা ও তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চান আদালত।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে দুষছেন বিশেষজ্ঞরা

দেশের ইমেজ নষ্ট করতেই সংখ্যালঘুর উপর হামলা

নাঈম আল জিকো

দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের জন্য সহজ লক্ষ্য হিসেবে সংখ্যালঘুদের বেছে নিয়েছে একটি চক্র। যার ফলে মন্দিরে মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটেই চলছে বলে মনে করছেন, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশ গুপ্ত। 

এদিকে, আইন ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদাসীনতা এই হামলার জন্য দায়ি। রামুসহ আগে সংখ্যালঘুদের ওপর যেসব হামলা হয়েছে তার সঠিক বিচার না হওয়ায় এধরণের ঘটনা ঘটেই চলছে বলেও  মনে করেন তারা।

সনাতন ধর্মাবলম্বিদের মহউৎসব দূর্গাপুজার অস্টমীর দিন মন্ডপে কোরআন শরীফ রাখাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় সাম্প্রদায়িক হামলা। দাবানলের মত ছড়িয়ে পরা এই অপপ্রচারে দেশের ৭০টি পুজা মন্ডপে হামলা চালানো হয়। ভাঙ্গচুড়, লুট ও আগুন ধুরিয়ে দেয়া হয় পূজা মন্ডপ, সনাতন ধর্মাবলম্বিদের বাড়িঘর দোকানপাটে। 

আরও পড়ুন:


ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

ডিএমপি কমিশনার ও র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি


হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সধারণ সম্পাদক রানা দাশ গুপ্ত বলছেন, নির্বাচন পূর্ব ও পরবর্তি সুদুর প্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে সংখ্যালঘুদের টার্গেট করে একটি মহল প্রশাসন ও রাজনীতিবিদদের নাকের ডগা দিয়ে এ হামলা চালাচ্ছে।

পূর্বে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বিচার না হওয়ায় এধরণের ঘটনা ঘটেই চলছে বলে মনে করছেন, নিরাপত্তা ও আইন বিশেষজ্ঞরা।

১৯৬৪ সালে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বন্ধে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশবাসী যেভাবে রাজপথে নেমেছিল তেমনি ভাবে, সরকার ও প্রশাসনের পাশে এহামলা প্রতিহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে বলেও মনে করছেন তারা।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন আজ

শাহ্ আলী জয়

বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন আজ

বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন আজ। সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানের সন্তান হয়েও রাসেলের বেড়ে ওঠা ছিলো আর দশটা সাধারণ শিশুর মতই। শৈশবে তাকে কাছে থেকে দেখেছেন বঙ্গন্ধু পরিবারের ঘনিষ্ঠ, আলোক চিত্র শিল্পি পাভেল রহমান। শেখ রাসেলের জন্মদিনে তাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন তিনি।

বৃটিশ দার্শনিক বার্টান্ড রাসেলের নামের সঙ্গে মিলিয়ে বঙ্গবন্ধু তাঁর কনিষ্ঠ সন্তানের নাম রেখেছিলেন শেখ রাসেল। রাসেল চাইতো বড় হয়ে সে কাজ করবে সেনাবাহিনীতে। ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর সড়কের বাড়িতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এবং বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব দম্পতির কোল আলো করে জন্ম নেয় রাসেল। 

বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের নেতা বঙ্গবন্ধুর জীবনের একটা বড় সময় কেটেছে কারাগারের অন্ধ প্রকষ্ঠে। তাই পিতার সান্নিধ্য, স্নেহ-মমতায় বড় হয়ে ওঠার সুযোগ হয়নি রাসেলের। মা ছিলেন তার সব আদর-আবদার, ভালোবাসা-মমতার আধার, আর ভাইবোনদের  চোখের মণি ছিল সে।

বিশিষ্ট আলোকচিত্র শিল্পী পাবেল রহমান শেখ রাসেলের স্মৃতিচারণ করে বলেন, 'বেশিরভাগ সময় রাসেল তার মা আর বোনদের সঙ্গেই সময় কাটাতেন। পছন্দ করতেন চাইকেল চালাতে।' 

মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু কারাবন্দি ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের জেলে। দুই ভাই শেখ কামাল ও শেখ জামাল যুদ্ধ করছে হানাদারদের বিরুদ্ধে। তাই যুদ্ধের পুরোটা সময় মা বোনদের সঙ্গে ধানমণ্ডির একটি বাড়িতে বন্দি ছিল রাসেল। বন্দি অবস্থা থেকে মুক্তি মেলে ১৯৭১ এর ১৭ ডিসেম্বর। জয় বাংলা শ্লোগানে সে বেরিয়ে আসে ঘর থেকে। বঙ্গবন্ধু ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে ফিরে এলে সেদিন রাসেল পিতাকে বিস্ময়ভরা দুচোখে দেখেছে, তাঁর স্নেহচুম্বনে সিক্ত হয়েছে। এরপর থেকে সে খুব একটা পিতার সান্নিধ্য ছাড়া থাকতে চাইত না।

আরও পড়ুন


মাগুরায় চার খুন, গ্রাম পুরুষশূন্য

নবীর ভবিষ্যদ্বাণী, বৃষ্টির মতো বিপদ নেমে আসবে

ক্ষমা ও রহমতের দোয়া

মানুষের সঙ্গে যেভাবে কথা বলতেন বিশ্বনবী

সূরা বাকারা: আয়াত ১২৮-১৩৩, আল্লাহর নির্দেশ ও হয়রত ইব্রাহিম (আ.)


১৫ আগষ্ট ১৯৭৫। চতুর্থ শ্রেনীতে পড়া ১০ বছর বয়সী রাসেলের জন্য সে রাতটি ছিল আতঙ্কের। পরিবারের সবাইকে হত্যার পর যখন ঘাতকরা অস্ত্র তাক করে তার দিকে, কান্না জড়িত কণ্ঠে রাসেল বলেছিল, আমি মায়ের কাছে যাবো। নরপিশাচ ঘাতকরা ছোট্ট রাসেলের সে কান্নাভেজা কথা শোনেনি। তারা নির্দয়ভাবে শিশু রাসেলকে হত্যা করেছে।

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর