পিপলস লিজিং অবসায়ন কিংবা বন্ধ করাই সমাধান নয়

সুলতান আহমেদ

পিপলস লিজিং অবসায়ন কিংবা বন্ধ করাই সমাধান নয়

অবসায়ন কিংবা বন্ধ করলে পিপলস্ লিজিংয়ের সমস্যার সমাধান হবে না বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। এতে আমানতকারি, বিনিয়োগকারি সহ সব পক্ষই ক্ষতির মুখে পড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। 

এজন্য যেকোন মূল্যে প্রতিষ্ঠানটিকে আবারো চালুর তাগিদ দিয়েছেন  তারা। আইনজীবীরা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বদিচ্ছা থাকলেই চালু করা সম্ভব প্রতিষ্ঠানটি।

তবে এখনি এ বিষয়ে মুখ খুলতে চায় না বাংলাদেশ ব্যাংক। ১৯৯৭ সালে কার্যক্রম শুরু করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস্ লিজিং অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেড। ২০০৫ সালে দাপটের সাথে তালিকাভূক্ত হয় পূুঁজিবাজারে। 

মোট ২৮ লাখ ৫৪ হাজার শেয়ার বিক্রি করে পূুঁজিবাজার থেকে তুলে নেয় প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা। এর বাইরে আমানত হিসেবে নিয়েছে আরো প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা।

ব্যাপক দুর্নীতি আর অনিয়মের অভিযোগে ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠানটিতে অবজারভার নিয়োগ করে কেন্দ্রিয় ব্যাংক। তবে এরপরও নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করেননি প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধাররা। 

সবশেষ ২০১৯ সালে হঠাৎ করেই অবসায়নের কথা জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্রিয় ব্যাংক। সে সময়ে অবশ্য আমানতকারিদের টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেয় কেন্দ্রিয় কর্মকর্তারা। 

তবে বছর পেরিয়ে গেলেও ৬ হাজার আমনতকারির ৭০০ কোটি টাকার কোন সূরাহা হয়নি। বাধ্য হয়ে গেলো সোমবার আন্দোলনে নামেন বিনিয়োগকারিরা। প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি করেন প্রতিষ্ঠানটি পুনরায় চালু করে পাওনা পরিশোধের।


 আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে ১০০ ভেন্টিলেটর দিল যুক্তরাষ্ট্র


তবে অর্থনীতিবিদ  ড. আহসান এইচ মনসুর মনে করেন পাওনা পরিশোধের পাশাপাশি এই ঘটনায় যারা জড়িত তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনা উচিত। কেন্দ্রিয় ব্যাংক চাইলেই প্রতিষ্ঠানটি পুনরায় চালু সম্ভব বলে জানালেন এই আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এম মাসুম। 

কেন্দ্রিয় ব্যাংকের মুখপাত্র অবশ্য এ বিষয়ে এখনই মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে শিগগির একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য