শীতে হাত-পায়ের কোমলতা ধরে রাখতে যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

শীতে হাত-পায়ের কোমলতা ধরে রাখতে যা করবেন

ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের রুক্ষতা বেড়ে উজ্জ্বলতা কমে যায়। শুষ্ক-ঠাণ্ডা মৌসুমে মুখের ত্বকের প্রতি যত্নশীল হলেও হাত ও পায়ের যত্নের ব্যাপারে অনেকেই উদাসিন থাকেন। ফলাফল গোড়ালি ফাটা আর খসখসে হাত-পায়ের ত্বক।

আসুন জেনে নিই হাত-পায়ের কোমলতা ধরে রাখার কিছু পন্থা:

১. পায়ের রুক্ষতা শীতের সাধারণ সমস্যা। এ সমস্যা থেকে বাঁচতে পরিমাণমতো পাকা কলা, পাকা পেঁপে, আপেল, কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল, সামান্য দুধের সরের মিশ্রণ লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন।  এর পর ধুয়ে ময়েশ্চারাইজ়ার লাগান। 

২. হাত ও পায়ের চামড়ার খোসা উঠলে পরিমাণমতো ওটমিল গুঁড়ো, পাকা কলা, সামান্য মধু বা গ্লিসারিন, ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। গোসলের আগে দুই হাতে ভালো করে তা মাখুন। শুকিয়ে গেলে হাত ধুয়ে ফেলুন। 

৩. নখের কিউটিকল নরম করতে কিউটিকল ক্রিম বা অয়েল ব্যবহার করুন। হালকা হাতে এক ফোঁটা অলিভ অয়েল নখের চারপাশে ম্যাসাজ করে নিন। এতে নখের সৌন্দর্য বাড়বে। 

৪. হাতের অতিরিক্ত শুষ্কতা দূর করতে পরিমাণ মতো সবেদা, কয়েক ফোঁটা মধু ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে, হাতে ম্যাসাজ করুন। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে নিন।    

সমাজের উচ্চশ্রেণির জন্য ভ্যাকসিনের তালিকা করা হচ্ছে: অভিযোগ ফখরুলের

সৌরভের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া গেছে 

বুড়িগঙ্গার তীর থেকে নিখোঁজ ট্রাক চালকের লাশ উদ্ধার

আজ ঢাকায় ফিরছেন সাকিব

৫. শসার রস ত্বকের সুরক্ষায় ভালো কাজ দেয়। চায়ের লিকারের সঙ্গে শসার রস ও এক ফোঁটা কর্পূর মিশিয়ে ফ্রিজে রাখুন, যা হাতের টোনার হিসেবে কাজ করবে। 

৬. অলিভ অয়েল ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। রাতে ঘুমানোর আগে ময়েশ্চারাইজ়ার ছাড়া ক’ফোঁটা অলিভ অয়েল ব্যবহার করার সময়ে হাতের তালু, তালুর পেছন দিক, আঙুল ও কনুই পর্যন্ত ম্যাসাজ করুন। দেখবেন ত্বকের সতেজতা ঠিক থাকবে।

৭. করোনা আবহে অতিরিক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজ়ার ব্যবহারও রুক্ষ্মতার পরিমাণ বাড়িয়ে তুলেছে। স্যানিটাইজ়ার ব্যবহারের পর অবশ্যই হ্যান্ডক্রিম লাগান।  তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ব্যায়াম করছেন? মাথায় রাখুন বিষয়গুলো

অনলাইন ডেস্ক


ব্যায়াম করছেন? মাথায় রাখুন বিষয়গুলো

শরীর সুস্থ রাখতে সতেজ খাবার ও সঠিক নিয়মে ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই। তবে কখনো কী ভেবে দেখেছেন, যখন তখন শরীরচর্চা করা আপনার জন্য সঠিক কিনা? 

ভারতের জীবনধারা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যায়াম করারও রয়েছে কিছু সঠিক দিক নির্দেশনা। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক ব্যায়ামের সেসব দিক নির্দেশনা সম্পর্কে-

খালি পেটে কখনো ব্যায়াম করা যাবে না। তাই নাস্তার কয়েক ঘণ্টা পর ব্যায়াম করতে হবে। তবে ঘুম থেকে ওঠার আধা ঘণ্টা পর হালকা জগিং বা মর্নিং ওয়াক করা যেতে পারে।

ব্যায়ামের জন্যে বিকেলের সময়টা সবচেয়ে ভালো। দীর্ঘক্ষণ শরীরচর্চা করতে চাইলে ঘুম থেকে ওঠার ৬ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে যেকোনো একটি সময় বেছে নিন।

অনেকে সন্ধ্যার পর ব্যায়ামের সময় পান। সেক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন শরীরে ক্লান্তিবোধ না থাকে।

যোগ ব্যায়ামের জন্য সন্ধ্যা উপযুক্ত সময়। এ সময় ট্রেডমিল বা সাইক্লিংও করা যেতে পারে।


৩৩৭ জনকে উপসচিব পদে পদোন্নতি

সূরা কাহাফ তিলাওয়াতে রয়েছে বিশেষ ফজিলত

করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণে বাধা নেই ইসলামে

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশল


শারীরিক সক্ষমতা ও বয়স অনুযায়ী ব্যায়াম করা উচিত। পিঠে বা কোমরে ব্যথা কিংবা শ্বাসকষ্ট থাকলে ব্যায়াম করার ক্ষেত্রে ডাক্তার কিংবা শরীরচর্চা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। গর্ভকালীন সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যায়াম করা উচিত নয়।

যেকোনো ধরনের শরীরচর্চা বা ডায়েট পরিকল্পনার জন্য চিকিৎসক এবং শরীরচর্চা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে নেয়া উচিত।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চায়ের রয়েছে যাদুকরি গুণাবলি

অনলাইন ডেস্ক

চায়ের রয়েছে যাদুকরি গুণাবলি

চায়ের রয়েছে ক্লান্তি দূর করার এক যাদুকরি পাওয়ার। আমরা যখনই ক্লান্ত অনুভব করি তখনই এক কাপ চা পান করি। নিমিষেই আমাদের ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। চায়ের সাথে যদি আদা, লবঙ্গ, এলাচ কিংবা দারুচিনি দিয়ে খাওয়া যায় তাহলে তো সোনায় সোহাগা। এসব মসলার রয়েছে অসাধারণ গুণাবলি।   

ব্ল্যাক টি, গ্রিন টি, হোয়াইট টি-তে রয়েছে ফ্লাভোনয়েড নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ক্যানসার বা হার্টের অসুখের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এটি উপযোগী।

গ্রিন টি ব্লাডার, ব্রেস্ট, লাং, স্টমাক, প্যানক্রিয়াটিক ও কোলেরেক্টল ক্যানসারের আশঙ্কা খানিকটা হলেও কমায়। ওজন কমাতে, কোলেস্টেরল লেভেল সঠিক রাখতে ও অ্যালজেইমারস বা পারকিনসনস-এর মতো সমস্যার প্রতিরোধক হিসেবেও কাজে দিতে পারে গ্রিন টি।

ব্ল্যাক টি ফুসফুস ভালো রাখে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও কার্যকর চা। সর্দি-কাশি সারাতে তুলসি, আদা, লবঙ্গ মিশিয়ে খেতে পারেন এক কাপ গরম চা।


ওমান সাগরে তৈরি হবে ইরানের সর্ববৃহৎ সমুদ্রবন্দর

নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে তাই ঘুম হয়নি শ্রাবন্তীর

ট্রাকচাপায় চবি আইন বিভাগের প্রথম ব্যাচের ছাত্রের মৃত্যু

শতকোটি টাকার মানহানির মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন শমী কায়সার


কফির তুলনায় ক্যাফেন অনেকটাই কম চায়ে। চায়ে থাকা ক্যাফেন ও থিয়ানিন মস্তিষ্ক সুস্থ রাখে।

দুধ চা খাওয়ার অভ্যাস একেবারেই ছেড়ে দিতে হবে এমন নয়।  তবে খব বেশি না খাওয়াই ভালো। সকালে উঠে দুধ চা খেলে তার আগে কিছু খাবার খেয়ে নিন। তাহলে অ্যাসিডিটির আশঙ্কা কমবে। তবে চায়ে দুধ মেশালে তাতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ কমে যায়।

ফলে চায়ের পুরোপুরি গুণ আমরা পাই না। সকালে ঘুম থেকে উঠেই দুধ চা খেলে তা মেটাবলিক অ্যাক্টিভিটিতেও বিঘ্ন ঘটাতে পারে, শরীর ডিহাইড্রেটেড হতে পারে।

তাই সকালে উঠেই যদি এককাপ লিকার চা মধু বা লেবু মিশিয়ে পান করা যায় এটা শরীরের জন্য খুবই উপকারি। যেটা আপনাকে সতেজ করবে। সকালের ঘুম ঘুম ভাব দূর করবে। কাজের স্পিড বাড়াবে। 

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঘুমানোর সময় ফোন পাশে রাখলে যে বিপদ হতেপারে!

অনলাইন ডেস্ক

ঘুমানোর সময় ফোন পাশে রাখলে যে বিপদ হতেপারে!

ঘুমানোর সময়ও ফোন একেবারে পাশে রেখে ঘুমিয়ে যায়? দিনের পর দিন এ অভ্যাস হতে থাকলে সাবধান হতে হবে। কারণ ঘুমানোর সময় পাশে ফোন রাখলে অনেক সমস্যা হতে পারে।

ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়:

অনেকেই আছেন, বিছানায় পড়া মাত্র ঘুমিয়ে যান। নিয়মিত ভালো ঘুম হয়। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রে ঘুম আসতে চায় না। এক্ষেত্রে রাত জেগে থাকার অভ্যাস, অনিদ্রা বা ঘুম না ধরার পিছনে ফোনও কিন্তু একটি বড় সমস্যা। বেশ কয়েকটি সমীক্ষাতেও একই তথ্য উঠে এসেছে। আসলে ঘুমোতে যাওয়ার আগে শরীর ও মস্তিষ্কও একটা প্রস্তুতি নেয়। হালকা হতে চায়। কিন্তু ফোনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গেম খেললে, সোশ্যাল সাইটে চ্যাটিং করতে থাকলে ঘুমোনোর জন্য সেই শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি নেওয়া যায় না।

স্লিপ সাইকেলে বাধা হয়ে দাঁড়ায়: 

অতিরিক্ত ফোন ব্যবহারের সঙ্গে মানুষজনের সার্কাডিয়ান রিদমের একটি যোগ রয়েছে। এটি স্নায়ুতন্ত্রের কাজকেও প্রভাবিত করে। স্বভাবজাত ভাবে ঘুমের একটি চক্র থাকে। অর্থাৎ মানুষ মাত্রই একটি স্বাভাবিক স্লিপ সাইকেল রয়েছে। যা সম্পূর্ণ হওয়া মাত্রই ঘুম ভেঙে যায়। কিন্তু রাত জেগে ফোন ব্যবহার করলে, বা ফোনের প্রতি আসক্ত থাকলে সেই স্লিপ সাইকেল ব্যাহত হয়। এক্ষেত্রে ফোনের এই ব্লু লাইট থেকে বাঁচতে হলে ঘুমোতে যাওয়ার কিছুক্ষণ আগে থেকেই ফোনের ব্যবহার ছেড়ে দিতে হবে।

তেজস্ক্রিয় বিকিরণ:  

অনেকেই দাবি করেন, ফোনের তেজস্ক্রিয় বিকিরণ থেকে ক্যানসার হতে পারে। তবে বিষয়টি এখনও গবেষণাধীন। ১৯৯৯ সালে ইঁদুরদের উপরে সেল ফোনের তেজস্ক্রিয় বিকিরণের প্রভাব পরীক্ষা করা হয়। তাদের শরীরে ম্যালিগন্যান্ট-সহ সাধারণ টিউমারও দেখা যায়। তবে অধিকাংশ গবেষণাই এই বিষয়টিকে অস্বীকার করেছে। তবে সচেতনতাই সব চেয়ে ভালো পদক্ষেপ। এক্ষেত্রে ফোনটিকে দূরে সরিয়ে রাখাই শ্রেয়। যদি ঘুমোনোর সময় গান শোনা বা কোনও গুরুত্বপূর্ণ কল করতে হয়, তাহলে ইয়ারবাড বা ব্লুটুথ স্পিকার ব্যবহার করা যেতে পারে।


সালমান খানের তোয়ালে পরা ছবি ভাইরাল

দেব-মিমি-নুসরাত যে কারণে প্রার্থীদের তালিকায় নেই

চুম্বনের দৃশ্যের আগে ফালতু কথা বলতো ইমরান : বিদ্যা

রণবীরের সঙ্গে ক্যাটরিনার খোলামেলা ছবি বিশ্বাস হয়নি সালমানের


তাহলে প্রশ্ন হতে পারে রাতে ঘুমানোর সময় ফোন কোথায় রাখব। ফোন আপনার ঘরেই রাখেন। তবে তা যেন অন্তত তিন ফুট দূরত্ব হয়। এতে করে মন ও শরীর দুটোই ভালো থাকবে। সূত্র: নিউজ১৮

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঠোটের কালচে দাগ দূর করুন খুব সহজেই

অনলাইন ডেস্ক

ঠোটের কালচে দাগ দূর করুন খুব সহজেই

ঠোটের কালো দাগ নি:সন্দেহে বিব্রতকর। আপনি ঘরোয়াভাবেই খুব সহজে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। তাহলে আসুন জেনে নেই কিভাবে আমরা এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারি।

গোলাপজল: তুলার বল তৈরি করে তাতে গোলাপজল মিশিয়ে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে লাগান। এতে ঠোঁটে রক্ত চলাচল বাড়বে এবং ঠোঁট বাড়তি যত্ন পাবে। ঠোঁটের দাগও দূর হবে।

শসার জুস: অর্ধেক শসা ব্লেন্ড করে জুস তৈরি করুন। তুলার বল দিয়ে এই জুস ঠোঁটে লাগাতে পারেন। ২০-৩০ মিনিট পর তা ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। শসার জুস আর্দ্র রাখার পাশাপাশি ঠোঁটে সতেজ ভাব এনে দিতে পারে।

বিট: এক টুকরো নিয়ে ঠোঁটে ভালো করে ঘষতে থাকুন। ১৫-২০ মিনিট পর ভালো করে তা ধুয়ে ফেলুন। বিটের রস ঠোঁটের পোড়া ও কালচে ভাব দূর করবে। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকে সতেজতা এনে দিতে পারে এবং ত্বক সুস্থ রাখে।

বেকিং সোডা: বেকিং সোডার সঙ্গে পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। চক্রাকারে ২-৩ মিনিট ঠোঁটে মাখুন। এরপর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। ভেজা ভাব শুকিয়ে গেলে ঠোঁটের কোনো জেল ব্যবহার করুন।

অ্যাপল সিডার ভিনেগার: এক চা-চামচ পানিতে এক চা-চামচ অ্যাপল সিডার ভিনেগার নিয়ে তুলা দিয়ে ঠোঁটে লাগান। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা দানকারী উপাদান হিসেবে কাজ করবে এটি।

ঘৃতকুমারী: ঘৃতকুমারীর রয়েছে তাক লাগানো গুণ। ঘৃতকুমারীর জলীয় অংশ ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। এরপর হালকা গরম পানিতে তা ধুয়ে ফেলুন। এতে ঠোঁটের কালচে ভাব দূর হবে।


কুমিরের পেট থেকে বের করা হচ্ছে আস্ত মানুষ (ভিডিও)

প্রেমের বিয়ের ৪ মাসের মাথায় নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

বাক্‌স্বাধীনতা সুরক্ষিত রাখতে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর আহ্বান

চুম্বনের দৃশ্যের আগে ফালতু কথা বলতো ইমরান : বিদ্যা


গ্লিসারিন: তুলা দিয়ে প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে একটু গ্লিসারিন মাখিয়ে রাখুন। এতে ঠোঁট আর্দ্র থাকবে। শুষ্কতা দেখা যাবে না।

লেবু-মধু: অনেকক্ষণ যাঁদের রোদে থাকতে হয়, তাঁরা লেবুর সঙ্গে মধু মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে নিতে পারেন। এ মিশ্রণ কিছুক্ষণ ঠোঁটে রাখুন। এরপর ভেজা নরম কাপড় দিয়ে তা মুছে ফেলুন।

নারকেল তেল: আঙুলের মাথায় একটু নারকেল তেল নিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে রাখুন। এতে যে প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, তা ঠোঁট আর্দ্র ও সবল রাখে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দাঁত ঝকঝকে করার ঘরোয়া পদ্ধতি

অনলাইন ডেস্ক

দাঁত ঝকঝকে করার ঘরোয়া পদ্ধতি

দাঁতের হলদেভাব অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে আপনাকে। মুখের সৌন্দর্য্য অনেকাংশেই নষ্ট করে দিতে পারে এই হলদে দাগ। দাঁতকে ঝকঝকে সুন্দর করার জন্য দামি টুথপেস্ট থেকে শুরু করে দন্ত চিকিৎসকের কাছে নিয়মিত যাওয়া কত কিছুই তো আমরা করি। কিন্তু একটি ঘরোয়া উপাদান দিয়েই আপনি চাইলে আপনার দাঁত ঝকঝকে করে তুলতে পারেন। উপাদানটি হল তেজপাতা।

দাঁত সাদা করতে তেজপাতা দারুণ উপকারী। তবে এই তেজপাতাকে মেশাতে হবে কোনও টক ফলের সঙ্গে। যেমন, কমলা লেবু বা পাতি লেবুর খোসার সঙ্গে।

নিম পাতা - দাঁত পরিষ্কার রাখা এবং ঝকঝকে করার জন্য অত্যন্ত উপকারী। তাই নিম পাতা ভালো সাদা দাঁত পেতে ব্যবহার করুন।


নারীর সঙ্গে সময় কাটানো সেই তুষার এখনো কাশিমপুর কারাগারেই

জিয়ার খেতাব বাতিলের বিষয়ে যা বললেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

পরমাণু সমঝোতায় আমেরিকার অবস্থান জানতে জরুরী বৈঠকে বসার আহ্বান

মিয়ানমারে গণতন্ত্র ফেরাতে নিরাপত্তা পরিষদকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান


তুলসি পাতা - হলুদ ছোপ তো পরিষ্কার করবেই সেই সঙ্গে দাঁতে অন্যান্য সমস্যাও রোধ করবে।

কাঠ কয়লা - এটা অনেক পুরনো পদ্ধতি। দুর্দান্ত কাজ করে। তাই তো লোকে এখনও ব্যবহার করে।

আপেল - দাঁত মাজতে হবে না। আপেল খেলেই দাঁতা পরিষ্কার থাকে। এতটাই উপকার আপেলে!
লেবুর খোসা - পাতি লেবুর খোসা দিয়ে দাঁত মাজলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়। তবে, বেশি ব্যবহার করবেন না। তাহলে দাঁতের এনামেল নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

বেকিং সোডা - সপ্তাহে দুবার বা তিনবার টুথপেস্টের সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে মাজলে খুব ভাল কাজ দেয়।
স্ট্রবেরি - ভিটামিস সি ভরপুর স্ট্রবেরি দাঁতের জন্য অত্যন্ত উপকারী। রস বার করে দাঁত মাজলে দারুণ কাজে দেবে।
নুন - বেকিং সোডার সঙ্গে লবন মিশিয়ে দাঁত মাজলে দাঁত সাদা ঝকঝকে হবে।
কমলালেবুর খোসা : এই খোসা দিনে দুবার দাঁতে ঘষলে এক সপ্তাহ পরে নিজের হাসি নিজেই চিনতে পারবেন না।

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর